ডা. মুরাদের বিরুদ্ধে জিডিতে যেসব অভিযোগ স্ত্রীর

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তার স্ত্রী ডা. জাহানারা এহসান।  

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ধানমন্ডি থানায় এসে ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে জিডি করেন তিনি। এর আগে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান ডা. জাহানারা এহসান। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন বিকাল সোয়া তিনটার দিকে ৯৯৯ এ ফোন করেন মুরাদের স্ত্রী।  পুলিশের কনস্টেবল সমমর্যাদার একজন অপারেটর ফোন ধরেন। 

মুরাদের স্ত্রী তাকে বলেন, ‘আমি ডা. জাহানারা। ধানমন্ডি থেকে বলছি। আমার স্বামী ডা. মুরাদ, এমপি মুরাদ।’

এসময় ‘আপনাকে কীভাবে সহযোগিতা করতে পারি’ জানতে চাইলে মুরাদের স্ত্রী বলেন, আমার স্বামী কয়েকদিন ধরেই আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন। কথায় কথায় আমাকে হুমকি ধমকি দিচ্ছেন। শারীরিক নির্যাতনের শিকার আমি। আমাকে বাঁচান। ও বলেছে আমাকে মেরে ফেলবে। আমাকে ও আমার সন্তানদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে। আমার ওপর এখন হাত তুলতে চেয়েছিল। আমাকে আপনারা বাঁচান। আমাকে উদ্ধার করুন। প্লিজ পুলিশ পাঠান, এখনি পুলিশ পাঠান।

৯৯৯ থেকে কল পেয়ে পরে ১৫ নম্বর সড়কের ওই বাসায় পুলিশ পাঠানো হয়।

লিখিত অভিযোগে ডা. জাহানারা এহসান বলেন, বিবাদী ডা. মুরাদ হাসানের সঙ্গে বিগত ১৯ বছর যাবত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছি। বিবাহিত জীবনে আমাদের সংসারে একটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে। বিবাদী আমার স্বামী। তিনি বর্তমানে সরকারের সংসদ সদস্য এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি কারণে-অকারণে আমাকে এবং আমার সন্তানদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ৩টার দিকে পূর্বের ন্যায় আমাকে ও সন্তানদের গালিগালাজ করে মারধর করতে গেলে আমি ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে সহায়তা চাই।  ধানমন্ডি থানা পুলিশ বাসার ঠিকানায় পৌঁছালে বিবাদী বাসা হইতে বাহির হইয়া যায়। আমি এমতাবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় আছি। বিবাদী আমাকে এবং আমার সন্তানদের যেকোনো সময় ক্ষতিসাধন করিতে পারে।

সম্প্রতি এক চিত্রনায়িকার সঙ্গে ডা. মুরাদের অশালীন ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনের এই সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

গত ৭ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করলে ওইদিন রাতেই তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। একইদিনে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় মুরাদ হাসানকে জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। 

এর ধারাবাহিকতায় তাকে সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার মুরাদ হাসানকে তার নিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।এ ছাড়া মুরাদের আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিলের বিষয়েও দলের পরবর্তী কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

গত ৯ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে কানাডার উদ্দেশে দেশত্যাগ করেছিলেন তিনি। এরপর কানাডার টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলেও তাকে সে দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

সেখান থেকে তাকে দুবাইগামী একটি ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু দুবাইও তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়।  সেখানেও ব্যর্থ হওয়ার পর আর উপায় না পেয়ে দেশে ফিরে আসেন বিতর্কিত এ রাজনীতিক।   

ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে স্ত্রীর জিডি

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে ধানমন্ডি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তার স্ত্রী ডা. জাহানারা এহসান।  

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ধানমন্ডি থানায় এসে ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে জিডি করেন তিনি। এর আগে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চান ডা. জাহানারা এহসান। 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ধানমন্ডি জোন) সহকারী কমিশনার আবদুল্লাহ আল মাসুম যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

তিনি বলেন, বিকাল সোয়া তিনটার দিকে পরিচয় না দিয়ে একটি নাম্বার থেকে ফোন করে সহায়তা চান ওই নারী।  ফোন করে জানান, তাকে মারধর করা হচ্ছে। এমনকি প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয়।  ৯৯৯ থেকে কল পেয়ে ১৫ নম্বর সড়কের ওই বাসায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
 
ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ডা. মুরাদের স্ত্রী দুপুরে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে পারিবারিক কলহের জের ধরে আইনি সহায়তা চান। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের একটি টিম তার বাসায় যায়। বাসায় আমরা তেমন কিছু দেখিনি। পরে তিনি থানায় আসেন, তার অভিযোগের বিষয়ে আমরা জানার চেষ্টা করেছি। পারিবারিক কলহের বিষয়গুলো তিনি আমাদের জানিয়েছেন। 

সম্প্রতি এক চিত্রনায়িকার সঙ্গে ডা. মুরাদের অশালীন ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর জামালপুর-৪ (সরিষাবাড়ী) আসনের এই সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

গত ৭ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করলে ওইদিন রাতেই তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। একইদিনে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি সভায় মুরাদ হাসানকে জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। 

এর ধারাবাহিকতায় তাকে সরিষাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার মুরাদ হাসানকে তার নিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।এ ছাড়া মুরাদের আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ বাতিলের বিষয়েও দলের পরবর্তী কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

গত ৯ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে কানাডার উদ্দেশে দেশত্যাগ করেছিলেন তিনি। এরপর কানাডার টরন্টো পিয়ারসন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলেও তাকে সে দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

সেখান থেকে তাকে দুবাইগামী একটি ফ্লাইটে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু দুবাইও তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হয়।  সেখানেও ব্যর্থ হওয়ার পর আর উপায় না পেয়ে দেশে ফিরে আসেন বিতর্কিত এ রাজনীতিক।  

আর কত শোষিত হবো? আমাদের দেখার কি কেউ নেই?

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে কর্মরত ক্লিনিং কোম্পানির কর্মী বলছি …..

জ্বী, ৬০ টাকা বেতন, উচ্চ অভিবাসন ব্যয়, আকামার জন্য আকাশের দিকে চেয়ে থাকা, প্রতিনিয়ত ম্যানেজার – সুপারভাইজারদের দুর্ব্যবহার, সব মানিয়ে কাজ করে যাচ্ছি এই মরুর শহরে ….

৫ বছর পর ছুটিতে যাব 🙂

কোম্পানিতে গেলাম পাসপোর্ট নিতে, কোম্পানি তে থাকা বাংলাদেশী বলল, পাসপোর্ট ও ছুটিতে যেতে টাকা দেওয়া লাগবে!!!

আচ্ছা, বেতন – ভাতা দুর, উল্টো টাকা দাবি করবে কেন?

কবে বন্ধ হবে এই শোষন? উত্তর দিবেন কেউ?

সুত্র ঃ-https://www.facebook.com/112403052753413/posts/929393911054319/

দেশে,টিকা ছাড়া ১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারবে না

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজের টিকা ছাড়া ১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যেতে পারবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক নিয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ কথা জানান। শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে আগামীতে নির্দেশনা জারি করবে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। গণভবন প্রান্ত থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রথম ডোজ টিকা না নেওয়া শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে পারবে মর্মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে। টিকা তো এখন একেবারে গ্রাম পর্যন্ত অ্যাভেইলঅ্যাবল হয়ে গেছে। এজন্যই এটা ইম্পোজ করে দেওয়া হচ্ছে। টিকা দিয়ে স্কুলে যাওয়া নিরাপদ হবে, প্রমোশন ক্যাম্পেইনে সেটাই বলা হবে। প্রমোশন ক্যাম্পেইনের জন্য স্বাস্থ্য, পিআইডি, স্থানীয় সরকার, প্রশাসনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইমাম সাহেবরাও যাতে খুতবায় টিকার কথা বলেন, সেটাও ধর্ম মন্ত্রণালয়কেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, যে শিক্ষার্থীরা ভ্যাকসিন না নেবে, তারা স্কুল-কলেজে আসতে পারবে না। টিকা নেওয়ার জন্য মোটিভেশনও করতে বলা হয়েছে, ইম্পোজিশনও করতে বলা হয়েছে। উনারা (শিক্ষা মন্ত্রণালয়) বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলেনি। বিশ্ববিদ্যালয় তো আলাদা কর্তৃপক্ষ।’

‘বলা হয়েছে, টিকা নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের জন্য অপেক্ষা করার দরকার নেই। জন্ম নিবন্ধন ও এনআইডি বা যে কোনো একটি পরিচয়পত্র নিয়ে গেলেই তারা ভ্যাকসিন পেয়ে যাবে।’

গত ৩ জানুয়ারির মিটিংয়েই শিক্ষা মন্ত্রণালয় টিকা নেওয়ার বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘তারা ইতোমধ্যে মৌখিক নির্দেশনাও দিয়ে দিয়েছে। সচিব বদলি হওয়ায় হয়তো লিখিত নির্দেশনা দিতে দেরি হচ্ছে। ১২ বছরের নিচের বয়সীরা এখনো আমাদের দেশে (টিকা দেয়ার জন্য) কাউন্টে আসেনি। আমেরিকাতে খুবই রেস্ট্রেক্টেড কিছু হয়েছে, বাকি কোথাও হয়নি।’

সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে জনসমাগম সীমিত রাখতে হবে জানিয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি বাধ্যতামূলক করতে হবে। আমরা কথা বলছি, আমাদের টেকনিক্যাল লোকজনরা একমত হলে এমনও হতে পারে, তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে রেস্ট্রিকশন দিয়ে দেবে, এত সংখ্যকের বেশি থাকতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘বুস্টার ডোজের বিষয়ে তাদের (স্বাস্থ্য বিভাগ) চিন্তা করতে বলা হয়েছে। ৬০ বছর পর্যন্ত থাকবে নাকি কমানো যায়, যেহেতু আমাদের সাফিসিয়েন্ট আছে। গণপরিবহনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যদি সংক্রমণ আরও বাড়ে, তাহলে হয়তো ৫০ শতাংশ (আসন সংখ্যার অর্ধেক যাত্রী পরিবহন) করা হবে। ওটা এখনো হয়নি (চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত)।’

গণপরিবহনে অর্ধেক যাত্রী নিলে ভাড়া বাড়ানো হয়। মানুষের আয় তো বাড়ে না- এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা বিআরটিএ-কে বলে দেবো, কোনো ভাড়া বাড়ানো যাবে না।’

তবে লকডাউন নিয়ে সভায় কোনো আলোচনা হয়নি বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

আরএমএম/এআরএ/এএএইচ/জিকেএস

বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
ঢাকায় কোরিয়ার দূতাবাস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে কোরিয়ার একটি এয়ারলাইন্সের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি শ্রমিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে গত দুই মাসে ২০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে গেলেন।
মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোরিয়ায় প্রবাসী কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। গত ডিসেম্বরে দেশটির সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর সেই মাসেই ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোরিয়ায় যান। আজ যে ৯২ জন গেলেন তাদের মধ্যে ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া। অন্যরা মহামারির মধ্যে দেশে এসে আটকে ছিলেন।
এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে স্বল্প ও মধ্যম দক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে কোরিয়া। কিন্তু মহামারিতে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছিল পূর্ব এশিয়ার দেশটি। শ্রমিক প্রেরণকারী দেশগুলোর সরকার ও নিয়োগদাতাদের অব্যাহত অনুরোধের মুখে গত নভেম্বর মাসে কোরিয়া সরকার পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শ্রমিকদের কোরিয়া যেতে কঠোরভাবে কোয়ারেন্টিনসহ কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য শর্ত মানতে হবে।
সূত্র – প্রথম আলো
করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
ঢাকায় কোরিয়ার দূতাবাস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে কোরিয়ার একটি এয়ারলাইন্সের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি শ্রমিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে গত দুই মাসে ২০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে গেলেন।
মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোরিয়ায় প্রবাসী কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। গত ডিসেম্বরে দেশটির সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর সেই মাসেই ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোরিয়ায় যান। আজ যে ৯২ জন গেলেন তাদের মধ্যে ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া। অন্যরা মহামারির মধ্যে দেশে এসে আটকে ছিলেন।
এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে স্বল্প ও মধ্যম দক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে কোরিয়া। কিন্তু মহামারিতে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছিল পূর্ব এশিয়ার দেশটি। শ্রমিক প্রেরণকারী দেশগুলোর সরকার ও নিয়োগদাতাদের অব্যাহত অনুরোধের মুখে গত নভেম্বর মাসে কোরিয়া সরকার পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শ্রমিকদের কোরিয়া যেতে কঠোরভাবে কোয়ারেন্টিনসহ কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য শর্ত মানতে হবে।
সূত্র – প্রথম আলো
করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
ঢাকায় কোরিয়ার দূতাবাস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে কোরিয়ার একটি এয়ারলাইন্সের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি শ্রমিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে গত দুই মাসে ২০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে গেলেন।
মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোরিয়ায় প্রবাসী কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। গত ডিসেম্বরে দেশটির সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর সেই মাসেই ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোরিয়ায় যান। আজ যে ৯২ জন গেলেন তাদের মধ্যে ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া। অন্যরা মহামারির মধ্যে দেশে এসে আটকে ছিলেন।
এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে স্বল্প ও মধ্যম দক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে কোরিয়া। কিন্তু মহামারিতে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছিল পূর্ব এশিয়ার দেশটি। শ্রমিক প্রেরণকারী দেশগুলোর সরকার ও নিয়োগদাতাদের অব্যাহত অনুরোধের মুখে গত নভেম্বর মাসে কোরিয়া সরকার পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শ্রমিকদের কোরিয়া যেতে কঠোরভাবে কোয়ারেন্টিনসহ কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য শর্ত মানতে হবে।
সূত্র – প্রথম আলো
করোনা মহামারির মধ্যে দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ থেকে আবার জনশক্তি নেওয়া শুরু করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।
ঢাকায় কোরিয়ার দূতাবাস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল বুধবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে কোরিয়ার একটি এয়ারলাইন্সের চার্টার্ড ফ্লাইটে ৯২ জন বাংলাদেশি শ্রমিক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কোরিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। এ নিয়ে গত দুই মাসে ২০৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিক দেশটিতে গেলেন।
মহামারির কারণে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে কোরিয়ায় প্রবাসী কর্মী যাওয়া বন্ধ ছিল। গত ডিসেম্বরে দেশটির সরকার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর সেই মাসেই ১১১ জন বাংলাদেশি শ্রমিক কোরিয়ায় যান। আজ যে ৯২ জন গেলেন তাদের মধ্যে ৪৪ জন নতুন নিয়োগ পাওয়া। অন্যরা মহামারির মধ্যে দেশে এসে আটকে ছিলেন।
এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) এর আওতায় বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ থেকে স্বল্প ও মধ্যম দক্ষ শ্রমিক নিচ্ছে কোরিয়া। কিন্তু মহামারিতে এই প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ রেখেছিল পূর্ব এশিয়ার দেশটি। শ্রমিক প্রেরণকারী দেশগুলোর সরকার ও নিয়োগদাতাদের অব্যাহত অনুরোধের মুখে গত নভেম্বর মাসে কোরিয়া সরকার পর্যায়ক্রমে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে শ্রমিকদের কোরিয়া যেতে কঠোরভাবে কোয়ারেন্টিনসহ কোভিড-১৯ থেকে সুরক্ষার অন্যান্য শর্ত মানতে হবে।
সূত্র – প্রথম আলো

মেয়রের বাড়িতে রেকর্ড পরিমাণ ২০০ কেজি কোকেন জব্দ করেছে নাইজেরিয়া পুলিশ,

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

পুলিশ বলছে, উত্তর নাইজারের একটি মরুভূমিতে একজন স্থানীয় মেয়র ও তার চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের গাড়িতে ২০০ কেজিরও বেশি (৪৪০ পাউন্ড) কোকেন রয়েছে।

মালি থেকে মাদক পাচারের পর লিবিয়ায় মাদক নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নাইজারের ড্রাগ পুলিশিং এজেন্সি জানিয়েছে যে এটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশটিতে বাজেয়াপ্ত করা কোকেনের সর্বাধিক পরিমাণ। এই অঞ্চলে মাদক চোরাচালান এবং পুলিশের জব্দের ঘটনাগুলো সাধারণ হয়ে উঠছে।
নাইজারের অবৈধ মাদক পাচার দমনের কেন্দ্রীয় অফিস (ওআরটিআইএস) বলেছে যে পুলিশ দেশটির মধ্য দিয়ে লিবিয়ার দিকে বিপুল পরিমাণ কোকেন পরিবহনের বিষয়ে অবগত ছিল এবং তারা এই পথ অনুসরণ করছিল। পুলিশ জানায় মাদকদ্রব্য ইউরোপের দিকে যাচ্ছিল, যার আনুমানিক মূল্য ছিল প্রায় ১৯ মিলিয়ন ডলার (£১৪ মিলিয়ন)। মেয়র এবং তার চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাইজারের রাজধানী নিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়।
সূত্র – বিবিসি নিউজ

বুস্টার ডোজ ছাড়া নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ ইউ এই,,

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

সংযুক্ত আরব আমিরাত ঘোষণা করেছে যে তারা এমন নাগরিকদের বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করবে যাদের কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনের তিনটি ডোজ নেই।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া এক্সিট ব্যান তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, যারা চিকিৎসাগতভাবে ভ্যাকসিন গ্রহণ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
অনেক দেশ টিকাহীন ব্যক্তিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার আগে তাদের উপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। যেমন আগমনের পরে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন, ভ্রমণের আগে কোভিড পরীক্ষা ইত্যাদি।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, টিকাহীন যাত্রীদের উপর থেকে “মানবিক ক্ষেত্রে” এবং যে সব ক্ষেত্রে মানুষ চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করছেন সেখানে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে।
বিদেশী শ্রমিকরা উপসাগরীয় রাজ্যের অধিবাসী জনসংখ্যার বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং নতুন বিধিনিষেধ দ্বারা প্রভাবিত হবে না,এটি কেবল নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য।
সূত্র – বিবিসি নিউজ

পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরবের নতুন নির্দেশনা,,,?

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

গতকাল বুধবার দেশটির সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের টুইটারেও এ নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ নির্দেশনা সব বয়সী মানুষের জন্য।
টুইটের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রথমবার ওমরাহ পালন শেষে দ্বিতীয়বার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের ইটামারনা বা তাওয়াক্কলনা অ্যাপের মাধ্যমে আবার আবেদন করতে হবে। ১০ দিন পর তাঁদের ওমরাহ পালনে অনুমতি দেওয়া হবে।
সৌদি আরবে গত মাসে করোনার সংক্রমণ একলাফে অনেক বেড়ে গেছে। করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিস্তার ঠেকাতে আবার সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটি। সৌদি আরব সব জায়গায় মাস্ক পরা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলার জন্য বাধ্যবাধকতা জারি করেছে। এর সঙ্গে মিলিয়ে মক্কা ও মদিনার পবিত্র দুই মসজিদে একই বিধান চালু করা হয়েছে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ১০ দিন বিরতির নতুন নির্দেশনা দেওয়া হলো।
সূত্র – প্রথম আলো

ফিনল্যান্ডে অভিবাসন নীতি নির্ধারণ কমিটির সদস্য হলেন মজিবুর দফতরি

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফিনিশ নাগরিক ড. মজিবুর দফতরি সম্প্রতি ফিনল্যান্ডের গ্রিন পার্টির অভিবাসন নীতি বিষয়ক বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

এ ওয়ার্কিং কমিটি গ্রিন পার্টির ডেলিগেট, সংসদীয় কমিটি, মন্ত্রিপরিষদ কমিটি, পার্টির নির্বাহী কমিটি এবং নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের অভিবাসন নীতি প্রণয়নে সহায়তা করবে।

ড. মজিবুর ২০২১ সালের জুনে হেলসিংকি সিটি কাউন্সিল নির্বাচনে গ্রিন পার্টি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন। তিনি বর্তমানে হেলসিংকি সিটি কাউন্সিলের বৈষম্যবিরোধী ও সমতা বিষয়ক ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি সম্প্রতি গ্রিন পার্টির রাজধানী হেলসিংকি শাখার নির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গ্রিন পার্টি ফিনল্যান্ডের সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেতৃত্বে ৫ দলীয় ক্ষমতাসীন জোটের অন্যতম শরিক দল।

২০১৮ সালে তিনি লন্ডনভিত্তিক লেখক ও সাংবাদিকদের মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার আন্তর্জাতিক সংগঠন পেন ইন্টারন্যাশনালের বিশেষ আমন্ত্রিত গবেষক হিসেবে এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার ওপর কাজ করেছেন।

ড. মজিবুর পেন ফিনল্যান্ডের ট্রাস্টি এবং সংগঠনটির রাইটার্স এট রিস্ক ও রাইটার্স ফর পিস কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি ইউক্রেন, ভারত এবং নরওয়েতে অনুষ্ঠিত পেন ইন্টারন্যাশনালের বার্ষিক কংগ্রেস এবং আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে পেন ফিনল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

তিনি হিউম্যানিসট অ্যাসোসিয়েসন অব ফিনল্যান্ডের ট্রাস্টি। ১৯৯০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা শুরু করা ড. মজিবুর দফতরি বর্তমানে লন্ডনভিত্তিক টিভি চ্যানেল ব্রিটিশ বাংলা নিউজ টিভি টকশোর একজন জনপ্রিয় হোসট এবং ইউরো বাংলা প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ফের বাংলাদেশিকে হত্যা

বৃহস্পতিবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২২, ২২ পৌষ ১৪২৮, ০২ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

দক্ষিণ আফ্রিকায় আবারও এক বাংলাদেশিকে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশটির ফ্রি স্টেট প্রদেশের ব্লুমফন্টেইনে রাকিবুল ইসলামকে হত্যা করা হয়।

জানা যায়, সন্ত্রাসীরা এ বাংলাদেশিকে তার নিজ দোকান থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। পরে তার মরদেহ রাস্তার পাশে ফেলে যায়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাকিব নিখোঁজ হওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানান, সম্প্রতি রাকিব নিখোঁজ হন। বিষয়টি পুলিশকে জানালে তদন্ত শুরু করে। পরে পুলিশ এ বাংলাদেশির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠিয়েছে।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কফিনবাবা এলাকায় সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন নারায়ণগঞ্জ জেলার রবিউল ইসলাম। হত্যার পর খুনিরা দোকানের মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশি এই রেমিটেন্সযোদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলে জানিয়েছেন কমিউনিটি নেতা আব্দুল মজিদ প্রান্তিক।

গত কয়েক মাস থেকে প্রদেশটির ইস্ট লন্ডনসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে আশঙ্কাজনকহারে চুরি-ডাকাতি বেড়েছে। রবিউলকে হত্যার পাশাপাশি একই গ্রামে বাংলাদেশি মালিকানাধীন আরও দুইটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ডাকাতি করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।