ট্যাগ কুয়েতে

কুয়েতে,বেতন-ভাতা না পাওয়া শ্রমিকদের ধর্মঘট।

বুধবার, ১৬ মার্চ ২০২২, ০২ চৈত্র ১৪২৮, ১২ শাবান ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতের ফারওয়ানিয়া শিক্ষা এলাকা ব্যতীত কয়েক মাস ধরে অন্যান্য স্কুলে কর্মরত শ্রমিকদের বেতন না দেওয়াতে স্কুল ও শিক্ষা জেলার সকল কর্মীরা ধর্মঘট করে আজ … আল – মাজলিসে এই নিউজে প্রকাশ হওয়ার পর : মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন কেন্দ্রের সভাপতি , কুয়েত ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড লিগ্যাল স্টাডিজের প্রশিক্ষণ কর্তৃপক্ষের সদস্য মিজবেল আল – শুরেকা বলেন : শ্রমিকদের বেতন – ভাতা না পাওয়া শরিয়াসহ আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় আইন ও আন্তর্জাতিক চুক্তির পরিপন্থী । এমনকি মানবিক ও নৈতিক মূল্যবোধের চরম পরিপন্থী । অসদাচরণও উদাসীনতার কারণে দেশের সুনাম ক্ষুণ্নকারী এবং লজ্জাজনক । এই লজ্জাজনক আচরণের আমরা নিন্দা জানাই । আমাদের দাবি শ্রমিকদের বেতন না দেওয়ার জন্য দায়ী কর্মকর্তার জবাব চাই । আর কতদিন দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে ?

সুত্র ঃ- https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=321512953299617&id=100063227437750

কুয়েতে,পরিত্যক্ত কোটি কোটি টায়ারও এখন সম্পদ!

রোববার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৮ ভাদ্র ১৪২৮

ফেলে দেওয়া প্রায় চার কোটি ২০ লাখেরও বেশি টায়ারকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তুলছে কুয়েত। পুরনো টায়ারগুলো ব্যবহার করে তৈরি করা হচ্ছে কার্পেট, ব্যাগসহ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন পরিবেশবিদরা।

কুয়েত বিশ্বের অন্যতম পুরনো টায়ার ফেলার ভাগাড় হিসেবে পরিচিত। সেখানে প্রতিদিনই পোড়ানো হয় পুরনো টায়ার। তাতে নির্গত হয় রাসায়নিক পদার্থ ও কালো ধোঁয়া। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে কুয়েতবাসী।

পরিবেশ দূষণ থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে সম্প্রতি প্রায় ৪ কোটি ২০ লাখেরও বেশি টায়ারকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে তুলছে দেশটি। গ্লোবাল রিসাইকেল কোম্পানি এপসকো ফেলা দেওয়া টায়ারগুলো পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার একটি প্রকল্প হাতে নেয়।

কুয়েত সরকার এবং বেরকারি সংস্থার সহযোগিতায় পুরনো টায়ার প্রক্রিয়াজাত করে তৈরি করছে কার্পেট, ব্যাগসহ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র।

আল খায়ের গ্রুপের সিইও হামুদ আল-মারি বলেন, জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত আমরা ২৫ লাখ টায়ারকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করেছি। পুরনো টায়ার থেকে রাসায়নিক তুলে ডিজেল ও জ্বালানি উৎপাদনও করছি আমরা।

সমাজের কল্যাণের জন্য টায়ারগুলোকে না পুড়িয়ে সেগুলোকে ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করা হচ্ছে। সেগুলো রপ্তানি করা সম্ভব।

কুয়েতের পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০১৯ সালে ৪৫ লাখ মানুষের জন্য ২৪ লাখ যানবাহন ছিল।