ট্যাগ তাই নয় কি!

সোনার হরিণ কুয়েতের ভিসা, তাই নয় কি!

শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২২, ৩০ পৌষ ১৪২৮, ১০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

ভিসা মূল্য উচ্চ পর্যায়ে বিশেষত আমাদের বাংলাদেশিদের জন্য। বর্তমানে কুয়েতের ভিসা বাংলাদেশিদের স্থগিত থাকলেও বিশেষ অনুমতি (লামানা) দ্বারা ভিসা ইস্যু যাচ্ছে / হচ্ছে যা ইতিমধ্যে সবাই অবগত।

তবে উচ্চ আকাঙ্খা’ই মানুষকে হতাশ করে। তা প্রায় সময়ই দেখতে পাই কুয়েতের ভিসা নিতে আগ্রহীগণদের মাঝে। এর প্রধান কারন হলো প্রতারনার শিকার। ভিসার জন্য অগ্রিম টাকা নিয়ে ভিসা না দেওয়া বা টাকা ফেরত না দেওয়া। যা অভিযোগ স্বরুপ মেসেজ করেন আমাদের কাছে বা #দূতাবাসে তা স্পস্টত…

গত কয়েক দিন আগে মান্যবর রাষ্ট্রদূত এক বার্তায় বলে গেছেন – “যারা ভিসার জন্য লেনদেন করবেন প্রয়োজনে এর নথি (স্টাম্প) করে রাখবেন”। প্রতারনার শিকার হলে কেবল তখনই দালাল/ভিসাদাতাকে প্রশাসনের দারস্থ করতে পারবো হোক সেটা দূতাবাস কর্তৃক কুয়েতে বা বাংলাদেশে আইনি ভাবে।

প্রশ্ন থাকতে পারে : অনেকেই এই ভিসার লেনদেন জন্য প্রমান স্বরুপ স্টাম্প করতে চায়না তখন কি করবো?
তাহলে একটি কথা ভেবে দেখুন যেসকল দালাল / ব্যক্তিরা লেনদেনে প্রমাণ স্বরুপ কোনো নথি বা স্টাম্প করতে চায়না তখন আপনি যে তাদের কাছে প্রতারিত হবেন না তার গ্যারান্টি কি! বিশ্বাস আর তাদের মুখের মিষ্টি ভাষা!? বিশ্বাস করুন টাকার কাছে আজকাল মানুষ জিম্মি, কথায় আছে টাকা দেখলে কাঠের পুতুলও কথা কয়। তাই এব্যপারে সতর্ক করছি সবাইকে।

কুয়েতে ভিসা আমাদের জন্য স্থগিত থাকা সত্বেও কিছু দালাল টাইপের লোক ভিসার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা আর নিস্ব করছে বিদেশে আসতে চাওয়া লোকদের। এদের থেকে সাবধান থাকুন। প্রতারনা থেকে বাঁচতে নিজে থেকে সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।

নোট: খাদেম বা শোন ভিসা বের হচ্ছে “বিশেষ অনুমতি পত্র” দিয়ে যা (লামানা) নামে পরিচিত। আর এই লামানা নিতে পারে এক মাত্র কুয়েতি নাগরিক / কফিল/ কোম্পানি পারে। এটা সাধারন লোকের কাজ নয়।

লেখা : #kawsar