ট্যাগ দেশে

দেশে,ভোটার কার্ড দেখালেই ভ্যাকসিন, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নতুন সিদ্ধান্ত

আর রেজিস্ট্রেশন নয়, আগামী ৭ আগস্ট থেকে ১৮ বছর বয়সী সকলে নিজের ভোটার আইডি অর্থাৎ এনআইডি কার্ড দেখালেই পাবে করোনার ভ্যাকসিন। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এসময় তিনি বলেন, দেশের করোনা সংক্রমণের কথা চিন্তা করে আগামী ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে এনআইডি কার্ড দেখালেই দেয়া হবে করোনার টিকা।

জানা যায়, করোনার টিকা দেওয়ার গতি বাড়াতে ৭ আগস্ট থেকে দেশে বিদ্যমান সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) কার্যকর করা হবে। গ্রাম পর্যায়ে কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্য অস্থায়ী টিকাদানকেন্দ্রগুলোও কাজে লাগানো হবে। দিনে সাড়ে ৮ লাখ করে প্রতি সপ্তাহে ৬০ লাখ মানুষকে টিকা দেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসময় সকলকে পরিবারসহ করোনার ভ্যাকসিন গ্রহণে উৎসাহ প্রদান করেন। এছাড়া বৈঠকে চলমান লকডাউনকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আরও জানা যায়, করোনার এমন পরিস্থিতিতে দেশের শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তে অটল থাকবে সরকার। আগামী ৫ আগস্টের আগে কোনো শিল্পকারখানা খোলা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন সরকারের এই মন্ত্রী।

এদিকে, আজ দুপুরে চলমান লকডাউন ও শিল্পকারখানা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

জানা গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ পর্যালোচনাসহ পরবর্তী করণীয় নিয়ে বৈঠকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান খান। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন একাধিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবগণ।

বার বার লকডাউন দেয়াসহ নানাধরণের কঠোর উদ্যোগ নেয়ার পরেও নিয়ন্ত্রণে আসছে না দেশের করোনা প্রকোপ। প্রতিদিন বাড়তেই আছে দেশে মৃতের সংখ্যা, সাথে বাড়ছে শনাক্তের হার। তাই সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসেছিল সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা। গতকাল সোমবার (২৬ জুলাই) সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকের কথা মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

বিধিনিষেধ আরও বাড়ানো হবে কি না বা আরও কঠোর করার পরিকল্পনা রয়েছে কি না- জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘কাল আমরা মিটিং করব। তারপর সিদ্ধান্ত। মঙ্গলবার দুপুর দেড়টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে এ মিটিং হবে।’

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে গত ১ থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে তা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই করা হয়। ঈদুল আজহার কারণে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। পরে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ‘কঠোরতম বিধিনিষেধ’ জারি করে সরকার। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, শুরু হওয়া দুই সপ্তাহের লকডাউনের বিধিনিষেধ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন গত ১৩ জুলাই জারি করে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো। কঠোর বিধিনিষেধের শর্তগুলো হলো- সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। সড়ক, রেল ও নৌপথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) এবং সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। শপিংমল, মার্কেটসহ সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে। সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে। সব প্রকার শিল্প-কলকারখানা বন্ধ থাকবে জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক (বিবাহোত্তর অনুষ্ঠান, ওয়ালিমা), জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

এদিকে দেশে করোনায় মৃত্যু যেন লাফিয়ে বাড়ছে। আর লাগামহীনভাবে ছুটছে করোনা শনাক্তের সংখ্যাও। কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না সংক্রমণ। একদিনে মৃতের সংখ্যা সর্বোচ্চ ২৪৭ জনে ঠেকেছে। যা একদিনে রেকর্ড মৃত্যু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃত্যু ১৯ হাজার ৫২১ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ১৯২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৮২৭ জনে। সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ৫২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৯ হাজার ৯৭৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ হাজার ৯৫২ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ। এর আগে, রোববার (২৫ জুলাই) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২২৮ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া করোনা শনাক্ত হয় ১১ হাজার ২৯১ জনের।

দেশে,করোনায় মৃত্যু-শনাক্তের আগের সব রেকর্ড ভাঙল

স্বাস্থ্য, ১৯ টা ০৯ মিঃ, ২৬ জুলাই, ২০২১

করোনায় মৃত্যু যেন লাফিয়ে বাড়ছে। আর লাগামহীনভাবে ছুটছে করোনা শনাক্তের সংখ্যাও। কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না সংক্রমণ। একদিনে মৃতের সংখ্যা ২৪৭ জনে ঠেকেছে। যা একদিনে রেকর্ড মৃত্যু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃত্যু ১৯ হাজার ৫২১ জনে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ১৯২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৮২৭ জনে।

সোমবার (২৬ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ৫২ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৯ হাজার ৯৭৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ হাজার ৯৫২ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ।এর আগে, গতকাল রোববার (২৫ জুলাই) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২২৮ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া করোনা শনাক্ত হয় ১১ হাজার ২৯১ জন।

এদিকে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ সময় সোমবার (২৬ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ও সংক্রমণ কমেছে। এ সময় মারা গেছেন আরও ৬ হাজার ৮৫৯ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ২৭ হাজার ৮০ জন।

এর আগে রোববার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মারা গিয়েছিল ৮ হাজার ১৮২ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৯০ হাজার ৩৫৮ জন।

এ নিয়ে বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হলো ৪১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৬৭ এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ কোটি ৪৮ লাখ ১ হাজার ২০৯ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৯০৫ জন।

করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৬৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ২৬ হাজার ৭৬২ জনের।

আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত মোট সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ১৪ লাখ ৯ হাজার ৬৩৯ জন এবং এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার ৯৯৬ জনের।

আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ৯৬ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬৩ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯৯ জনের।

আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬১ লাখ ৬ হাজার ৫৪১ জন। মারা গেছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৭৪ জন।

এ তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৫৯ লাখ ৯৩ হাজার ৯৩৭ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬৬২ জন।

আক্রান্তের তালিকায় যুক্তরাজ্য ষষ্ঠ, তুরস্ক সপ্তম, আর্জেন্টিনা অষ্টম, কলম্বিয়া নবম ও ইতালি দশম স্থানে রয়েছে। এই তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ২৬তম।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

দেশে,করোনায় আরও ২২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১১,২৯১

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ২২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ২৭৪  জনের।

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ২৯১ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৩৫ জন।

মৃত ২২৮ জনের মধ্যে পুরুষ ১২৫ জন ও ১০৩ জন নারী।    

রোববার (২৫ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাছিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৫৮৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন নয় লাখ ৯৮ হাজার ৯২৩ জন।

সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৩৯টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩০টি, জিন এক্সপার্ট ৫২টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৫৭টি। এসব ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ৩৭ হাজার ৯৭২টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩৭ হাজার ৫৮৭টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৪ লাখ ৫৫ হাজার ২৮১টি।  

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৪ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৭৭ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত ২২৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ৬৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০ জন, রাজশাহী বিভাগে ২১ জন, খুলনা বিভাগে ৫০ জন, বরিশাল বিভাগে ৬ জন, সিলেট বিভাগে ১১ জন, রংপুর বিভাগে ১৬ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ১৭৪ জন, বেসরকারি ৪০ হাসপাতালে জন এবং বাড়িতে ১৪ জন মারা যান।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩৩ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭০ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৫০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২২ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে আটজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুই জন এবং শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।   

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন তিন হাজার ৭৯২ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন তিন হাজার ৫৫৪ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন দুই লাখ ৬৬ হাজার ৫২৬ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪৩৩ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৭৭ হাজার ৯৩ জন।  

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।