সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৭ ফাল্গুন ১৪২৮, ২০ রজব ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতের ন্যাশনাল ডে (হালা ফেব্রুয়ারী) উপলক্ষে #বাংলাদেশের নাগরিক, সরকার এবং মান্যবর রাষ্ট্রদূত জনাব আশিকুজ্জামান আশিক স্যার কুয়েতের
মহামান্য আমির শেখ নওয়াফ আল-আহমেদ এবং মহামান্য ক্রাউন প্রিন্স শেখ মিশালকে ৬১তম জাতীয় দিবস ও কুয়েতের ৩১ তম স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ❤
আরব টাইমসে প্রকাশিত, মান্যবর রাষ্ট্রদূত আরো বলেছেন : বাংলাদেশ ও কুয়েত পারস্পরিক আস্থায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। বিমান পরিবহন থেকে শুরু করে শিক্ষা ও সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তিতে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, পর্যটন, দ্বৈত কর অব্যাহতি এবং পূর্বে প্রবেশ ভিসার ছাড়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উভয় দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা রয়েছে। 🥰
বাংলাদেশ ও কুয়েতে মধ্যে সামরিক সহযোগিতাও খুবই স্বতন্ত্র। দ্বিপাক্ষিক সামরিক সম্পর্ক ১৯৯০ সাল থেকে শুরু হয়েছে যখন বাংলাদেশি বাহিনীরা কুয়েতকে ইরাকি অগ্রাসন থেকে মুক্ত করার যুদ্ধে অংশ নিয়েয়েছুলো। ১৯৯১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা মাইনিং প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে আসছে। এ পর্যন্ত ৯৩ জন বাংলাদেশি সামরিক সৈন্য অপারেশন ডিউটিতে প্রাণ দিয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ সরকার সবসময় দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করার ওপর জোর দিচ্ছে। 🖤
আমাদের দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের বন্ধন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। আমি নিশ্চিত যে মহামান্য আমির শেখ নওয়াফ আল-আহমেদ এর দূরদর্শী নেতৃত্বের দ্বারা এটি আরও গভীরতা মাত্রায় শক্তিশালী হবে। আমি বিশ্বাস করি যে ভিশন ২০৩৫ নতুন কুয়েত এবং বাংলাদেশের ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নের জন্য আমাদের উভয় দেশেরই আরও বেশি মিথস্ক্রিয়া এবং জনগণের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে এই সম্পর্কগুলি আরও সুসংহত করার সম্ভাবনা রয়েছে। এই আনন্দঘন অনুষ্ঠানে, আমি কুয়েতের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
কুয়েত-বাংলাদেশ সম্পর্ক দীর্ঘজীবী হোক।🇰🇼🇧🇩✌
✍ রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মোঃ আশিকুজ্জামান, ndc,afwc,psc,G