আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে যে, আজ শুক্রবার কুয়েতের আবহাওয়া উত্তপ্ত এবং আংশিক মেঘলা এবং বাতাস দক্ষিণ-পশ্চিমে মাঝারি থেকে প্রবাহিত হতে পারে ।
বাতাসের গতিতে ১৫ ৩৮ কিমি বেগে ঘন্টায় উত্তর-পশ্চিম দিকে থেকে প্রবাহিত হবে এবং গরম ও আংশিক মেঘলা আবহাওয়া বিরাজ করবে।
রাতের বেলা আবহাওয়া আংশিক শীতল থাকতে পারে । আবহাওয়া অধিদফতর বলেছে যে প্রত্যাশিত তাপমাত্রা দেশের অঞ্চল অনুযায়ী ৩১ ডিগ্রি এবং ১৯ ডিগ্রি অনুসারে পরিবর্তিত হতে পারে ।
ফিলিস্তানী ভাইদের পাশে থাকতে কুয়েত ওয়াদাবদ্ধ’ বলেছেন কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী শেখ নাসের মোহাম্মদ আল সাবাহ ।
আল রাই আরবী দৈনিক জানান, সাংসদ ওসামা আল-শাহিনের সংসদীয় প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী শেখ নাসের এই কথা বলেন ।
মন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তানী ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে কুয়েতের দৃড়তা ও নীতিগত অবস্থানের ভিত্তিতে ইস্রায়েল বর্জন সংক্রান্ত আইন ২১/১৯64৪ সম্পর্কিত প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করেছেন এবং সমর্থন এবং তাদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ে কাজ করবে, এবং তাদের ন্যায়সঙ্গত সমস্ত আন্তর্জাতিক বৈধতা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, আরব শান্তি উদ্যোগ এবং আরব ও ইসলামিক রেফারেন্স, এবং ফিলিস্তান রাষ্ট্রের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করা।
🟥 শুনতেছি #আকুদ_হুকুমা (১৮) আকামা নাকি #আহলী করা যাচ্ছে?
উত্তর: সম্পুর্ণ গুজব, এবং না।
🔴 আকুদ হুকুমা ভিসায় আসছি ৩/৪/৫/১০ বছর হয়ে গেছে, এখন আর এই কোম্পানিতে থাকবো না! অন্য আকুদ হুকুমার কোম্পানীতে হাওল বা ট্রান্সফার হতে চাইতেছি? কিভাবে হতে পারবো?
উত্তরঃ আপনার কোম্পানী যদি সহ-ইচ্ছায় আপনাকে হাওল বা ট্রান্সফার না দিতে চায়, তাহলে আপনার হাতে কোন উপায় নেই। কারন, আকুদ হুকুমার শোন এ #হাওল এর জন্য মামলা হবে না। কিন্তু যদি আপনার #পাসপোর্ট আটকে রেখেছে অথবা আপনার হিসাববের টাকা (#Indemnity) না দেয় তাহলে এইসবের জন্য মামলা করতে পারবেন।
🔺 #খাদেম (২০) ভিসা কি #শোন (১৮) করা যাবে?
উত্তর : না এবং না।
🔻 #মাশরু_ছাগীরা আকামা কি আহলী? এটা কি সব যায়গায় ট্রান্সফার / হাওল হবে?
উত্তরঃ এটা আহলী আকামার ভিসা নয়। ৩ বছর পর হাওল বা ট্রান্সফার হতে পারবেন শুধুমাত্র মাশরু ছাগিরা থেকে মাশরু ছাগিরা। ৩ বছর পর কোম্পানী/কফিল হাওল না দিতে চাইলে শোন এ সঠিক কারন দেখিয়ে মামলা করতে পারবেন এবং মামলা জিতার পরে হাওল হতে পারবেন মাশরু টু মাশরু ছাগিরা।
সম্মানিত কুয়েত প্রবাসী ভাই ও বোন, প্রতিদিন এই প্রশ্নগুলোর উওর দিতেই থাকি ইনবক্সে /কমেন্টসে/কল এ। তার পরেও অনেকেই মনে প্রশ্ন থেকেই যায়…
#ভিসা_দালাল আপনাকে কি বলে কুয়েতে এনেছিল সেটায় মিলেয়ে লাভ নেই। আসুন আমরা সচেতন হই।
= খুরুজ অর্থ হল বের হওয়া, খুরুজ নিহায়ী অর্থ একেবারে বের হয়ে যাওয়া অর্থাৎ ফাইনাল এক্সিট। খুরুজ নিহায়ী হল একেবারে দেশে চলে যাওয়া আর খুরুজ আওদা হল এক্সিট রি-এন্ট্রি ভিসা যা দিয়ে সৌদি থেকে বের হয়ে পূনরায় সাউদিতে প্রবেশ করা যায় অর্থাৎ ছুটিতে যাওয়ার জন্য যে ভিসা দেয়া হয়।
কোন কর্মী সৌদি আরব হতে ছুটিতে অথবা একেবারে চলে যেতে হতে হলে খুরুজ আওদা অথবা খুরুজ নিহায়ী ভিসা নিয়ে সৌদি আরব ত্যাগ করতে হয়। পূর্বের নিয়ম অনুযায়ী এই খুরুজ আওদা এবং খুরুজ/ এক্সিট ভিসা একমাত্র কফিলই দিতে পারতো। নতুন আইন অনুযায়ী কর্মী অনলাইন কন্ট্রাক্টে নিবন্ধিত হলে কন্ট্রাক্ট অনুযায়ী ছুটির সময় হলে কিংবা চুক্তি শেষ হলে নিজেই নিজের ভিসা ইস্যু করতে পারবে। কফিল খুরুজ দিলে / নিজে খুরুজ ভিসা ইস্যু করলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সৌদি ত্যাগ করতে হয়।
খুরুজ নিহায়ী ভিসা প্রাপ্তির পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সৌদি ত্যাগ না করা আইনত অপরাধ, এবং তিনি আইন অমান্যকারী ভায়োলেটর/ মুখালেফ হিসেবে বিবেচিত হবেন। এই অবৈধ হিসেবে সৌদি ত্যাগ করলে পরবর্তীতে আর কখনো সৌদিতে আসা যাবেনা।
ইদানীং অনেকেই প্রশ্ন করেন “ভাই, আমি তো খুরুজে দেশে এসেছিলাম। আমি কি আবার সৌদিতে আসতে পারবো?”
সাধারণত কেউ বৈধভাবে সৌদি ত্যাগ করলে পুনরায় সৌদিতে তার প্রবেশে কোন বাধা নেই । তবে নিচের কোন একটি যদি ঘটে থাকে তাহলে সৌদিতে বৈধভাবে প্রবেশ করা যাবেনা: ১। কফিল হুরুব দিয়ে থাকলে। হুরুব দেয়ার পর সফর জেল হয়ে যান অথবা দূতাবাসের সুপারিশ পত্র নিয়ে কিংবা জাওয়াযাতের লোক ধরে এক্সিট লাগিয়ে বাইরে দিয়েই যেভাবেই যান । একবার হুরুব দিলে এবং বৈধ উপায়ে মাকতাব আমলের মাধ্যমে হুরুব ক্যান্সেল না হয়ে থাকলে যে উপায়েই যান আর ফেরা যাবেনা। ২। যেকোন কারণে ডিপোর্ট ( সফর জেল হয়ে গেলে) হলে। যেমন সবজি মামলা, কফিল ছাড়া কাজ করা, পানি বিক্রি মামলা, ভিক্ষাবৃত্তি , অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দেয়া, ওমরা বা হজ্জে এসে থেকে যাওয়া ইত্যাদি নানা কারণে সফর জেল এর মাধ্যমে দেশে গিয়ে থাকলে। ৩। যেকোন মামলায় সাজা খেটে দেশে গিয়ে থাকলে। যেমন ফরজারি মানে কাগজপত্র জালিয়াতি, চুরি-ছিনতাই, মারামারি, মাদক, অসামাজিক কার্যকালাপসহ ষাট দিনের বেশি সাজা খেটে দেশে ফেরত গিয়ে থাকলে। ৪। আদালত কর্তৃক যেকোনো কারণেই ডিপোর্ট অর্ডার দেয়া হলে।
উপরোক্ত কারনে কাউকে দেশে ফেরত পাঠালে ভায়োলেটর/ মুখালেফ তথা আইন ভংগকারী হিসেবে দেশে পাঠায়, এবং তাদের প্রত্যেকের জন্য একটি ভায়োলেশন নম্বর বরাদ্ধ করে যা ৯০০ দিয়ে শুরু হয়।
অনেকেই বিভিন্ন সময়ে বলেন আমার কফিল এক্সিট দিয়েছে, আমি সফর জেল হয়ে আসিনি। দেশ থেকে নতুন ভিসা নিয়ে আসার সময় এয়ারপোর্টে আটকে দিয়েছে এবং দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। পরে যখন বিস্তারিত জানা যায় তখন দেখা যায় যে কফিল আগেই হুরুব দিয়ে রেখেছিল যা সে জানেই না। পরে কফিল কোন মাধ্যম ধরে জাওয়াযাত হতে এক্সিট ভিসা ইস্যু করে দিয়েছে। মূলত তার হুরুব ছিল কিন্তু সে জানতো না। অথবা সে জানতো, কিন্তু সে মনে করতো সফর জেল হয়ে দেশে না গেলেই পূনরায় আসতে কোন বাধা নেই। কারন দালাল তাকে এটাই শিখিয়েছে এবং বলেছে আমি সব ক্লিয়ার করে এক্সিট লাগিয়ে এনেছি, কোন সমস্য নেই।
মোটকথা ভায়োলেটর হিসেবে সৌদি ত্যাগ করলে আর কখনওই সৌদিতে কাজের জন্য বৈধভাবে ভিসা নিয়ে প্রবেশ করা যাবেনা। পূর্বে ক্ষেত্রবিশেষে যদিও তিন বছর বা পাচ বছর পর প্রবেশের আইন ছিল কিন্তু নতুন নিয়ম অনুযায়ী আর কখনওই প্রবেশ করতে পারবেনা। এছাড়াও যেকোন দেশের ইমিগ্রেশনের অধিকার আছে বিদেশী কাউকে প্রবেশ করতে না দেয়া, সেটা যেকারণেই হোক (যা আপনার কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে)।
আরেকটি কথা, সম্প্রতি স্পেশাল এক্সিট প্রোগ্রাম এর আওতায় (হুরুব প্রাপ্তরা ছাড়া) ইকামা এক্সপায়ার হয়ে যাওয়া যে সমস্ত কর্মীরা মাকতাব আমলের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে ওয়াফেদীন হতে এক্সিট ভিসা নিয়ে দেশে গেছেন তাদের পূনরায় সৌদিতে আসতে কোন বাধা নেই।
এছাড়া কফিল কর্তৃক প্রদত্ত খুরুজ আওদা/ এক্সিট রি এন্ট্রি ভিসা নিয়ে দেশে গিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে ছুটির মেয়াদ থাকতে থাকতে ফিরে না আসলে নতুন ভিসায় অন্য কফিলের কাছে তিন বছর পর্যন্ত আসা যাবেনা। তিন বছর পর আসা যাবে। তবে নতুন ভিসা নিয়ে পূর্বের কফিলের কাছে যেকোন সময় আসা যাবে।
সর্বোপরি আপনি যদি পূনরায় সৌদিতে আসতে চান তাহলে যাওয়ার পূর্বেই বৈধভাবে সৌদি ত্যাগ করছেন কিনা তা নিশ্চিত হয়ে যান। আর দেশ থেকে আসতে হলেও নিজের সন্দেহ হলে কাউকে দিয়ে যাওয়াজাত হতে চেক করিয়ে কনফার্ম হয়ে আসুন।
সৌদি আরবের মানবসম্পদ এবং সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সৌদি আরবে সম্প্রতি কার্যকর হওয়া শ্রম আইন পরিবর্তনের আওতায় পড়বেন না ৬ বিভাগের প্রবাসী কর্মীরা।
মন্ত্রণালয় জানায়, সম্প্রতি গুজব চালু হয়েছে যে কিছু সেক্টর বা কোম্পানিরা গত রবিবার থেকে কার্যকর হওয়া শ্রম আইন ২০২১ এর অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি সত্য নয়। তবে, ৬ বিভাগের প্রবাসীরা এই পরিবর্তিত আইনের বাইরে থাকবেন।
প্রথমত, যদি প্রবাসী কর্মীর পরিবার অর্থাৎ স্ত্রী ও সন্তান তার সাথে একই কর্মস্থলে কাজ করেন, এবং সেখানে তারা বাদে অন্য কোন কর্মচারী নেই, তবে তারা নতুন এই শ্রম আইনের বাইরে থাকবেন।
দ্বীতিয়ত, বিভিন্ন ক্লাব বা স্পোর্টস ফেডারেশন এর খেলোয়ারেরা এবং কোচেরা।
তৃতীয়ত, গৃহস্থালী কাজ বা এরকম কাজে যুক্ত থাকা প্রবাসী কর্মীরা।
চতুর্থত, কৃষিকাজ, পশুপাখি পালন, এবং মালীর কাজে নিযুক্ত প্রবাসী কর্মীরা।
পঞ্চমত, নাবিকেরা বা জাহাজে কাজ করা ব্যক্তিরা, যাদের জাহাজ ৫০০ টন এর চাইতে কম ওজনের।
এবং, কোন প্রবাসীকে যদি নির্দিষ্ট কোন কাজ করার জন্য নিযুক্ত করা হয় যেই কাজের সময়কাল ২ মাস এর চাইতে বেশি হবে না, সেসকল প্রবাসীও পরিবর্তিত সৌদি শ্রম আইন এর আওতায় পড়বেন না।
গত ৪ নভেম্বর, ২০২০ এ সৌদি সরকার ৭০ বছর পুরনো কাফালা প্রথা বাতিল করার ব্যাপারে ঘোষণা দেয়। নতুন পরিবর্তিত এই শ্রম আইনের ফলে প্রবাসী কর্মীদের জন্য চাকুরী পরিবর্তন করা অনেক বেশি সহজ হবে, সহজেই ডিজিটালি এক্সিট এন্ড রিএন্ট্রি ভিসা এবং ফাইনাল এক্সিট ভিসা ইস্যু করা যাবে। নতুন এই সেবাগুলো এবশের এবং কুইয়া পোর্টালের মাধ্যমে পরিচালনা করা হবে।
কুয়েতঃ আরবী দৈনিক আল-রাই জানিয়েছেন, মেডিক্যাল ইউটিলিটি নেটওয়ার্ক অ্যাক্রিডিটর (মুনা) কুয়েতে আগত যাত্রীদের পিসিআর পরীক্ষার ফলাফলের স্বাস্থ্য তথ্য এবং নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতে বেশ কয়েকটি শহর এবং পরীক্ষাগারের সাথে যুক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশে, ঢাকা শহর প্রাভা স্বাস্থ্য পরীক্ষাগারের সাথে যুক্ত করা হয়েছে ।
Bangladesh, the city of Dhaka was linked with the praava Health Laboratory.
সূত্রগুলি জানিয়েছেন যে বাকী দেশগুলি সংযুক্ত হবে তারা ইতিমধ্যে বাস্তবায়নের তারিখ পর্যন্ত এর জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছে…এই সিদ্ধান্তটি ২৫ মার্চ থেকে বাস্তবায়ন করা হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বিঃদ্রঃ কুয়েত সিভিল এভিয়েশন এখন পর্যন্ত কুয়েতে নন-কুয়েতীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন, আরবী দৈনিক আল-রাই জানিয়েছেন।
📌 নিউজ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে….
✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque
প্রতি বছরের মতো এবারও ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে এক মিনিট অন্ধকারে (ব্ল্যাক আউট) থাকবে সারাদেশ। কাল রাতের প্রথম প্রহর স্মরণ করে রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত জরুরি স্থাপনা ছাড়া সারাদেশে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে বলে জানিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে।সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বলা হয়, ২৫ মার্চ রাত ৯টা থেকে ৯টা এক মিনিট পর্যন্ত এপিআই বা জরুরি স্থাপনা ছাড়া সারাদেশে এক মিনিট প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ থাকবে।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, গণযোগাযোগ অধিদফতর, সব জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করবে।
সভায় নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ঢাকাসহ সব সিটি করপোরেশন এলাকায় গণহত্যার ভয়াবহতার চিত্র প্রচার করা হবে। ওই দিন সারাদেশে ২৫ মার্চের রাতে নিহতদের স্মরণে বিশেষ মোনাজাত/দোয়া বা প্রার্থনা হবে।একইসঙ্গে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গীতিনাট্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।