সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার মুখে স্কুল শিক্ষার্থীদের প্রকাশ্যে গান গাওয়ার নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে আফগানিস্তানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ ছিল না বলে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়। এর আগে গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে ১২ বছরের উপরের মেয়েদের প্রকাশ্যে গান করা নিষিদ্ধ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে চাপের মুখে এই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে সরকার।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ সেলাঙ্গর প্রদেশের শাহ আলম এলাকায় লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা ও আইনবহির্ভূত কাজ করার দায়ে ১৯ বাংলাদেশি ও দুজন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিকসহ মোট ২১ জন গ্রেপ্তার। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) ৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে সেলাঙ্গর প্রদেশের শাহ আলমের কিলাং জিহাত এলাকার দুটি গার্মেন্টস কারখানা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে ধারা ৬ (১) (গ) ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, ধারা ১৫) (১) সমান আইন এবং রেগুলেশন ৩৯ (খ) ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩-এর অধীনে মামলার তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানায়।
চলতি বছরের নিবন্ধিত হজ্জ গমনেচ্ছুদের মার্চ মাসে করোনার টিকার প্রথম ডোজ এবং মে মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর চিঠি দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। নিবন্ধিত হজ্জ যাত্রীদের টিকা কার্ডে ট্র্যাকিং নম্বর, নাম, জন্মতারিখ, মাতা ও পিতার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা, লিঙ্গ, মোবাইল নম্বর, হজ্জ লাইসেন্স নম্বর ও হজ্জ এজেন্সির নাম উল্লেখ করতে হবে। হজ্জে যাওয়ার জন্য ৬০ হাজার ৭০৬ জন এই বছর আবেদন করেছে।
বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে সিঙ্গাপুর থেকে মওদুদ আহমেদের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় তার মরদেহটি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। কাল শুক্রবার ঢাকায় হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে সকাল ১০টায় প্রথম এবং সকাল ১১টায় নয়াপল্টনে দ্বিতীয় জানাজা হবে। আগামীকাল বাদ আসর কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে জানাজার পর বসুরহাটেও জানাজা হবে। পরে নিজের বাড়ির আঙিনায় আরো একটি জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তার লাশ দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মারা যান।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য অত্যাধুনিক রাডার সিস্টেমসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি কিনতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কোন অর্থ দেবে না সরকার।
বুধবার (১৭ মার্চ) সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।কমিটি বলেছে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রাডার সিস্টেমসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি কিনতে সরকারের পরিবর্তে সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ দিতে হবে।
রাডার ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রথমে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ-পিপিপি পদ্ধতেত রাডার ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার জন্য ২০১৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়। তবে ২০১৭ সালের ১ মার্চে মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে রাডার ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি ক্রয় সংক্রান্ত প্রকল্পটি পিপিপি-এর পরিবর্তে সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়নের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে ফ্রান্সের সরকারি এই সংস্থা থালাস-এর কাছ থেকে রাডার সিস্টেমসহ সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি জি-টু-জি প্রক্রিয়ায় সরাসরি কিনতে ২০১৯ সালের ৮ মে তারিখে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির নীতিগত অনুমোদন নেওয়া। পরবর্তী সময়ে ২০২০ সালের ৩ নভেম্বর তারিখে ফ্রান্সের সঙ্গে এই বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। বুধবার সরকারি অর্থায়নের পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট সংস্থা অর্থাৎ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়নের কথা বলা হলো।বর্তমানে ৩০ বছরের বেশি পুরানো রাডার দিয়ে চলছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম। পুরনো রাডারের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ায় এয়ার ট্রাফিকসহ আকাশপথে নজরদারি চালাতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের। অন্যদিকে নজরদারির বাইরে থাকছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকা।ফলে ওই এলাকা দিয়ে কোন উড়োজাহাজ গেলে সেটার তথ্যও জানা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে ওভার ফ্লাইং বাবদ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত বাংলাদেশ। অথচ এসব এলাকায় রাডার কাভারেজের মাধ্যমে এয়ার ট্রাফিকিং করে আয় করছে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমার।
কুয়েতে কারফিউ আইন ভঙ্গ করে আটক হলেন জন, যাদের মধ্যে ১৭ জন কুয়েতি ও ৬ প্রবাসী রয়েছে ।
বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল টুইটে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা হয় যে, বুধবার দিবাগত রাতে চলমান কারফিউ আইন ভঙ্গের দায়ে তাদের আটক করে যথাযথ ব্যবস্থ গ্রহণ করা হয়েছে ।
আটককৃতদের মধ্যে আহমদী থেকে ৮, হাওয়ালী থেকে ৯, জাহারা থেকে ১, ফারওয়ানিয়া থেকে ১৩, সিটি থেকে ১ জন, মোবারক কবির থেকে ১ জন রয়েছে ।
মুনা প্রোগ্রামটি স্বীকৃত পরীক্ষাগারগুলির একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক, যার সাথে লিঙ্ক করেছে বিশ্বের বিভিন্ন পরীক্ষাগারের, মুনা লিঙ্কে পিসিআর পরীক্ষার শংসাপত্রগুলির নির্ভরযোগ্যতার গ্যারান্টি দেয়, যাহা কুয়েতের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের দ্বারা আগত যাত্রীরা করোনা মুক্ত কিনা তাহা যাচাইয়ে সহায়তা করবে ।
কুয়েতের মিডিয়া ও সোশ্যাল নেটে সিভিল এভিয়েশন কতৃক মুনা সিস্টেমে পিসিআর সনদ যাচাইয়ের বিষয় অনেক দেশের নাগরিকরা শংকা প্রকাশ করেছেন যে, এই সিস্টেমে কুয়েত প্রবেশে সমস্যা হবে । এমন আশঙ্কার প্রেক্ষিতে দেশটির জাতীয় দৈনিক আল কাবাস, ও আল আনবা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, মুনা সিস্টেমে সহজে প্রবাসীরা কুয়েত প্রবেশ করিতে পারিবে ।
অবহিত সুত্রে আরো জানাযায়, শুধুমাত্র নকল বা জাল পিসিআর সনদ রোধ ও করোনা মহামারী রোধে কতৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।
সৌদি, আমিরাত, কাতার, ওমান, ভারত বাংলাদেশ। মিশরসহ প্রায় ৩০টি দেশ থেকে আগত যাত্রীদের সনদ মুনা সিস্টেমে যাচাই করা হবে ।
কুয়েতে আগত যে কোন যাত্রীর পিসিআর সনদ মুসাফির ফ্লাটফরম থেকে যাত্রী কুয়েত প্রবেশের আগে সনদ যাচাই সম্পন্ন হবে ।
মাঝে মাঝেই সেই এক ত্রাসের কথা শোনা যায়। মহাজাগতিক ত্রাস। যার ভয়ে কুঁকড়ে থাকে পৃথিবী নামের গ্রহটি। অন্ধকার মহাকাশ থেকে প্রচণ্ড গতিতে ছুটে আসা কোনও মহাজাগতিক বস্তু, গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। এর পর কী হবে? থাকবে তো গ্রহটির অস্তিত্ব? বেঁচে থাকবে মানুষ?
বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) নাসা জানিয়েছে, সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহাণুটি ২১ মার্চ নাগাদ পৃথিবীর কান ঘেঁষে চলে যাবে। গ্রহাণুটির নাম ২০০১ এফও৩২, যেটির ব্যাস প্রায় ৩০০০ ফুট। ২০ বছর আগে এটির আবিষ্কার হয়েছিল। ‘সেন্টার ফর নিয়ার আর্থ অবজেক্ট স্টাডিজে’র প্রধান পল খোডাস জানিয়েছেন, এই গ্রহাণুটির কোনও ভাবেই পৃথিবীর গায়ে এসে পড়ার আশঙ্কা নেই। জানা গিয়েছে, এটি পৃথিবীর ২০ লক্ষ কিলোমিটার দূর দিয়ে চলে যাবে। তবে এ-ও ঠিক, ‘২০০১ এফও৩২’ নামক গ্রহাণুটিকে বিজ্ঞানীরাই খুব ‘ঝামেলাবাজ’ এক গ্রহাণু বলেও অ্যাখ্যা দিয়েছেন।
জিনিউজ২৪ এর এক খবরে জানা যায়, গ্রহাণুটি প্রতি ঘণ্টায় ৭৭০০০ মাইল বেগে ছুটে যাবে। ভয়ঙ্কর এক বেগ। দক্ষিণ আকাশ দিয়ে যখন এটি ছুটে যাবে তখন এটি সব চেয়ে উজ্জ্বল থাকবে।
চীনে মুসলিম জনসংখ্যা যাতে বাড়তে না পারে, সেজন্য উইগুর মুসলিম নারীদের জোর করে বন্ধ্যা করে দিচ্ছে দেশটির সরকার। নতুন এক গবেষণায় ভয়াবহ এ তথ্য উঠে এসেছে।
চীনা গবেষক আদ্রিয়ান জেনজের লেখা রিপোর্টটি প্রকাশিত হওয়ার পর এই ঘটনার তদন্ত করতে জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক নানা মহল। তবে চীন এই রিপোর্টের দাবিগুলোকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।অনেক আগে থেকেই অভিযোগ আছে, উইগুর মুসলিমদের ধরে নিয়ে গিয়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখছে চীন। এ নিয়ে বেশকিছুদিন ধরেই সমালোচনা চলছে।
ধারণা করা হয় চীনে প্রায় ১০ লাখ উইগুর ও অন্যান্য জাতির মুসলিমদের ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয়েছে। ওই ক্যাম্পের ছবি প্রকাশ হওয়ার পর অবশ্য চীন বলেছে, ‘নতুন করে শিক্ষা’ দেওয়ার জন্য তাদের ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। কিন্তু গবেষকরা বলছেন, নতুন করে শিক্ষা মানে তাদের মন থেকে মুসলিম সংস্কৃতি এবং ধর্মীয় অনভূতির বিষয়গুলো নষ্ট করে দেওয়া। ২০১৯ সালে বিবিসির করা এক তদন্তে উঠে আসে, জিনজিয়াংয়ের মুসলিম শিশুদের তাদের পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে যেন তারা মুসলিম সম্প্রদায় থেকে আলাদা হয়ে বড় হয়। চীনা গবেষক আদ্রিয়ান জেনজের রিপোর্টে অভিযোগ তোলা হয়, সরকারি নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশি সংখ্যায় সন্তান জন্ম দেওয়ায় উইগুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু নারীদের ক্যাম্পে বন্দী করে রাখার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্টে আরও দাবি করা হচ্ছে, যে যেসব নারী দুটির চেয়ে কম সন্তান জন্ম দিতে আইনিভাবে বৈধ, তাদের জরায়ুতে আইইউডি (ইন্ট্রা-ইউটেরিন ডিভাইস – যেটি সাধারণত ৫ থেকে ১০ বছরের জন্য নারীদের গর্ভধারণ করা থেকে বিরত রাখে) প্রবেশ করানো হচ্ছে এবং অন্যদের বন্ধ্যা করানোর উদ্দেশ্যে জোর করে সার্জারি করানো হচ্ছে।জেনজের বিশ্লেষণ অনুযায়ী জিনজিয়াংয়ের জনসংখ্যার স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধির হারে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বড় ধরণের পরিবর্তন এসেছে। তিনি সংবাদ সংস্থা এপিকে বলেছেন, এটি উইগুরদের বশে আনার জন্য বিস্তৃত একটি পরিকল্পনার অংশ। বন্দি শিবিরেও নারীদের মাসিক বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ওষুধ খাওয়ানো হয় বলে অভিযোগ আছে দীর্ঘদিন ধরেই। রিপোর্টে বলা হয়, সামগ্রিকভাবে দেখলে মনে হয়, তিন বা তার চেয়ে বেশি সংখ্যক সন্তান আছে যেসব নারীর, তাদের ঢালাওভাবে বন্ধ্যা করার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
একজন প্রবাসীর আকামার মেয়াদ থাকা মানে – একটা পরিবারের হাল ধরার মত নির্ভর। হোক আকামা যে কোনো ক্যাটাগরির!
তবে, আকামা ইস্যু নিয়ে অনেকেই অনেক ঝামেলাতে আছেন বা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন যা নিত্যদিনের জন্য এক প্যরাদায়ক।
বর্তমান কানুন অনুযায়ী আকামা হাউল করতে গেলে আপনি যে কোম্পানিতে হাউল হবেন বা যে কুয়েতি/ কফিল – আপনার আকামা হাউল নিবে তাঁর সাথে আগে চূড়ান্ত আলাপ করুন। তার পর আপনি আপনার কফিল/কোম্পানি থেকে হাউল নিন।
অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন – কোম্পানি/কফিল আকামা লাগানোর কথা বলে হাউল প্যপার আনার জন্য বলে, আর তখনই আপনি আপনার বর্তমান কফিল/কোম্পানি থেকে হাউল নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেন। যখনই তারা হাউল দেয় তখনতো মহা খুশি নতুন কোম্পানিতে আকামা নবায়ন করবো, অনেকটা উৎফুল্ল আর আনন্দ।
কিন্তু পরিশেষে দেখা যায় – নতুন কোম্পানি/কফিলকে হাউল প্যপার দেওয়ার পরও আকামা নবায়ন করছেনা, দিনের পর দিন,মাসের পর মাস আপনাকে ঘুরাচ্ছে।যখন বুঝতে পারেন তারা আপনার আকামা নবায়ন করবেনা তখনই কাদে ঘাপটি মেরে বসে বিপদ।
কেনো না! আপনি তো আগের কফিল বা কোম্পানির কাছেও যেতে পাচ্ছেন না। কি করবেন? কোথায় যাবেন?? তখনই বাড়তে থাকে দুশ্চিন্তা। চলে যান ডিপ্রেশনে। যার ফলে এই চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে থাকে অনেকে নিজেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য। যদিও আত্মহত্যা মহাপাপ।
নোট: মোট কথা – আকামা হাউল হওয়ার জন্য যে কোম্পানিতে বা কফিলের কাছে হাউলে যাবেন তাদের সাথে ফাইনাল কথা বলে সিউর হয়ে নিন, তারপরই বর্তমান কফিল/কোম্পানি থেকে হাউল নিন।