ক্যাটাগরি Uncategorized

যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় বন্দুকধারীর হামলায় ৮ জন নিহত।

যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় পৃথক তিনটি পার্লারে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত হয়েছেন আট জন। আহত হয়েছেন একজন। হামলার উদ্দেশ্য এখনও জানা যায়নি। সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। এদিকে, উডস্টকের এক পার্লারে মৃত্যু হয় চারজনের। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অপর দুই পার্লারের একটিতে তিনজন ও অপরটিতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। নিহতদের চারজন নারী ও এশিয়ান।

সূত্রঃ রয়টার্স।

কুয়েতে আংশিক কারফিউ বাতিলের মামলা খারিজ’।

কুয়েতে আংশিক কারফিউ স্থগিতাদেশ বাতিল করার মামলা খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

আজ বুধবার (১৭ মার্চ) কুয়েতের সংশ্লিষ্ট আদালতের মাননীয় বিচারক কারফিউ বাতিল চেয়ে করা মামলাটি বাতিল করে দিয়েছে ।

করোনা রোধে কুয়েত সরকারের জারি করা আংশিক কারফিউ অব্যাহত থাকবে বা চলমানে কোন আইনি বাধা নেই ।

গত সপ্তাহে বিভিন্ন কারণ ও অর্থনৈতিক প্রভাবগুলি হাইলাইট করে তাৎক্ষণিক কারফিউ বন্ধের দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন মানবাধিকার বিষয়ক আইনজীবী।

একদিনে আরও ৯ হাজার ৮৩০ প্রাণ কেড়ে নিল করোনা।

বিশ্বব্যাপী করোনার তাণ্ডব কোনোভাবেই থামছে না। চলছে দ্বিতীয় ঢেউ। করোনার টিকা আবিষ্কার হলেও এখনো স্বস্তিতে নেই বিশ্ববাসী। এরই মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ হাজারেরও বেশি মানুষ। আর একদিনে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ।

করোনায় বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১২ কোটি ১২ লাখ এবং মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২৬ লাখ ৮১ হাজার।করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯ হাজার ৮৩০ জন এবং একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৯ জন।

এছাড়া বুধবার (১৭ মার্চ) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১২ কোটি ১২ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৬ লাখ ৮১ হাজার ৯৬৩ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯ কোটি ৭৭ লাখ ৮০ হাজার ২৪৭ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত হয়েছেন তিন কোটি এক লাখ ৯২ হাজার ২২৪ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ৩৬৭ জনের।আক্রান্তে ও মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি ১৬ লাখ ৯ হাজার ৬০১ জন এবং মারা গেছেন ২ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে চতুর্থ অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত করোনায় এক কোটি ১৪ লাখ ৩৮ হাজার ৪৬৪ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ৫৯ হাজার ৭৯ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ লাখ ৯ হাজার ৪৩৮ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন ৯২ হাজার ৯৩৭ জন।আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য রয়েছে পঞ্চম স্থানে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৪২ লাখ ৬৮ হাজার ৮২১ জন। এর মধ্যে মারা গেছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৬৯০ জন।এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, ইতালি সপ্তম, স্পেন অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম।২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ ফরিদপুর জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে এক মধ্যবিত্ত পরিবারে খোকা নামের এক শিশুর জন্ম হয়। গ্রামের মানুষ ছাড়া কেউ তার জন্মের কথা জানেনি।

এর পঞ্চান্ন বছর পর যখন সেই খোকার ঘাতকদলের হাতে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে, তখন সারা বিশ্ব শোকে আচ্ছন্ন হয়েছে। তিনি তখন টুঙ্গিপাড়ার খোকা নন, সারা বিশ্বের কাছে পরিচিত একটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তার মৃত্যুতে ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড উইলসন এক চিঠিতে বলেছেন, ‘It is a great national tragedy for you, but a personal tragedy for me.’ (এটা তোমাদের জন্য এক বিরাট জাতীয় ট্র্যাজেডি; কিন্তু আমার কাছে একটি ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি)। ব্রিটিশ হাউজ অব লর্ডস-এর এক মানবতাবাদী সদস্য বলেছেন, ‘পৃথিবীর বহু নেতা তার দেশকে স্বাধীন করেছেন; কিন্তু শেখ মুজিব তার দেশকে দুবার স্বাধীন করেছেন।’

বিশ শতকের সত্তরের দশকের বিশ্বনেতাদের কাছে তিনি ছিলেন এক মহানায়ক। তাইতো ফিদেল ক্যাস্ত্রো তার সম্পর্কে বলেছেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, শেখ মুজিবকে দেখেছি।’

লন্ডনের সানডে অবজারভার বলেছিল, ‘পোয়েট অব পলিটিকস’-রাজনীতির কবি। এই কবির কণ্ঠে মধ্যযুগীয় একটি ধর্মীয় রাষ্ট্রের কাঠামো ভেঙে বেরিয়ে এসেছিল স্বাধীন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। যার চারটি রাষ্ট্রীয় ভিত্তি-গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।

জুলিও কুরি বিশ্ব শান্তিপদক লাভের সময় শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ববন্ধু হিসাবে আখ্যা দিয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধুর জীবনকাল মাত্র পঞ্চান্ন বছর। এ পঞ্চান্ন বছরে তিনি ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদকে সুপ্রতিষ্ঠা দিয়েছেন। অবলুপ্ত বাংলাদেশ ও বাঙালি এ দুটি নামের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঘটিয়েছেন। বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছেন। বাঙালি নামে একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাঙালি জাতির অস্তিত্ব উদ্ধার করেছেন।

কৈশোরে নিজের অজান্তেই তিনি মানুষকে ভালোবাসতে শেখেন। সমাজের স্বার্থান্ধ শোষকদের ঘৃণা করতে শেখেন। জমিদার ও জোতদার এবং মহাজনদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে শোষিত গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াতে তখন থেকেই তাকে দেখা যায়। এ জন্য তিনি কারাবরণও করেছেন। কিশোর মুজিবের মধ্যে এ তেজস্বিতা দেখেই শহীদ সোহরাওয়ার্দী তার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন এবং কলকাতায় তাকে ডেকে এনে তার রাজনীতিতে দীক্ষা দিতে চেয়েছিলেন।

এদিকে, ১৯৪৭ সালে ভারতভাগের প্রাক্কালে মুসলিম লীগের প্রগতিশীল অংশের আবুল হাশিম এবং কংগ্রেসের শরত বসু মিলে ভারত ও পাকিস্তান ডমিনিয়নের বাইরে যে স্বাধীন যুক্তবাংলা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, তা শেখ সাহেবকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করে। তিনি তখন থেকেই স্বাধীন বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন এবং কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে (বর্তমানে মওলানা আবুল কালাম আজাদ কলেজ) ছাত্র থাকাকালেই বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করাসহ স্বাধীন বাংলা গঠনের কথা বিভিন্ন বক্তৃতা-বিবৃতিতে প্রকাশ করেছেন।

পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিতেও লক্ষণীয়, শেখ মুজিব কখনো শহীদ সোহরাওয়ার্দীর রক্ষণশীল রাজনীতির অভিভাবকত্ব ত্যাগ করেননি, বৃহত্তর রাজনৈতিক কৌশল ও স্বার্থের জন্য। কিন্তু শুরু থেকেই মওলানা ভাসানীর প্রগতিশীল রাজনীতিতে সহযোদ্ধা ছিলেন। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, রবীন্দ্রসংগীত রক্ষার আন্দোলন, বাংলা হরফ রক্ষার আন্দোলন, যুক্ত নির্বাচন প্রবর্তনের আন্দোলন ইত্যাদি প্রতিটি আন্দোলনে শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নীতি ও নির্দেশ মানলে এই আন্দোলনগুলোয় তিনি নেতৃত্ব দিতে পারতেন না এবং এই আন্দোলনগুলোও সম্ভবত সফল হতো না।

তিনি যে পরবর্তীকালে বাংলাদেশের মানুষের মুক্তিদাতা হবেন তার প্রমাণ দেন তার দুই অর্থনীতির আন্দোলনে। তিনিই পাকিস্তান আমলের প্রথম বাঙালি নেতা যিনি ঘোষণা করেন, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের অর্থনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। সুতরাং পাকিস্তানের দুই এলাকার জন্য দুই পৃথক অর্থনীতি গ্রহণ করতে হবে।

পূর্ব পাকিস্তানে যেহেতু চাষের জমি কম, সে জন্য এই এলাকায় শিল্পোন্নয়নের ওপর জোর দিতে হবে। অন্যদিকে পশ্চিম পাকিস্তানে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ অনেক বেশি, সে জন্য সেখানে কৃষি উন্নয়নের ওপর জোর দিতে হবে। এ দাবির পক্ষে আন্দোলন পরিচালনার জন্য তিনি ‘নতুন দিন’ নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশ করেন এবং ঢাকার মাহবুব আলী ইনস্টিটিউটে একটি অর্থনৈতিক সম্মেলন করেন। তার এই দুই অর্থনীতির দাবিই কালক্রমে ছয় দফার দাবিতে রূপান্তরিত হয়, যা বাংলাদেশের ম্যাগনাকার্টা বা মুক্তিসনদ নামে আজ পরিচিত। সশস্ত্র মুক্তিসংগ্রামের সূচনা এই ছয় দফা থেকেই।

ছয় দফা থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় ছিলেন বঙ্গবন্ধু। তবে স্বাধীনতার পরই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিষাদসিন্ধুর অবতারণা। বঙ্গবন্ধু ও তার সহযোদ্ধাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। নতুন রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষ ও সমাজতন্ত্রী চরিত্র ধ্বংস করা হয়। প্রতিবিপ্লবী শক্তি বাংলাদেশে ক্ষমতা দখল করে। এক্ষেত্রেও একটি বিশেষ ব্যাপার লক্ষণীয়। স্বাধীন বাংলাদেশে মওলানা ভাসানী এবং তার শক্তিশালী ন্যাপ দল তখন বেঁচে থাকা সত্ত্বেও তারা বঙ্গবন্ধুর শূন্য আসনটি দখল করতে পারেননি।

গত বছর ছিল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর বছর। মুজিববর্ষ। এ বছর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। দুটি ঐতিহাসিক উৎসবই পালিত হয়েছে এবং হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের তত্ত্বাবধানে। বঙ্গবন্ধু আজ জাতির পিতার মর্যাদায় সগৌরবে অধিষ্ঠিত। বাংলাদেশ আজ আর তলাবিহীন ঝুড়ি নয়, ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে টেক্কা মারা একটি দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতির দেশ। যে দেশ দেখে যেতে চেয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের পথে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ইতিহাস কী বলে? বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ এ দুটি নাম আজ অচ্ছেদ্য। বাংলাদেশের রাজনীতিতে টুঙ্গিপাড়ার খোকা আজ বঙ্গবন্ধু, জাতির পিতা। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ আত্মাহুতি দিয়েছেন তার নামে, লক্ষ বীরনারী সম্ভ্রম বিসর্জন দিয়েছেন তার ডাকে। ইতিহাসের নিজের হাতে গড়া নেতা তিনি। আবার তিনি নিজের হাতে নতুন ইতিহাস তৈরি করে গেছেন। তাইতো তিনি বঙ্গবন্ধু, আর বঙ্গবন্ধু মানেই বাংলাদেশ।

কুয়েত সিভিল এভিয়েশন: বাংলাদেশ সহ ৮ দেশের নাগরিকদের আগতদের জন্য মুনা প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন শুরু করেছেন … ২৫ শে মার্চ থেকে…!!

কুয়েত সিভিল এভিয়েশন: পিসিআর পরীক্ষার সনদের জন্য (মুনা) সিস্টেমটি কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রয়োগ করা শুরু করেছেন…

-ভ্রমণকারীদের কেবল কুয়েতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া যাবে যদি মুনা প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের স্বাস্থ্যের বিবরণ প্রমাণিত করা হয়।

নেতিবাচক (পিসিআর) ফলাফল প্রমাণের সনদ বা (#কভিড১৯টেস্টন্যাগেটিভসার্টিফিকেট) না থাকলে এবং ভ্রমনের তারিখ থেকে পরীক্ষার তারিখ (৭২) ঘন্টা পূর্বের করোনা ভাইরাস মুক্ত সনদ না হলে নিচে তালিকাভূক্ত দেশগুলি থেকে কোনো যাত্রী কুয়েত প্রবেশ করতে পারবেননা এবং কি কোনো যাত্রীর (ঠাণ্ডা, হাঁচি, উচ্চ তাপমাত্রা, কাশি ইত্যাদি) এর মতো কোনো লক্ষণ উপস্থিত থাকতে পারবে না। প্রদত্ত সনদটি অবশ্যই (মুনা) প্রোগ্রাম অনুমোদিত ল্যাবরেটরিগুলির পরীক্ষাগারগুলি থেকে পরিক্ষা করতে হবে এবং (কুয়েত-মোস্যাফির) প্ল্যাটফর্মে রেজিস্ট্রেশন করা হতে হবে।

নন-কুয়েতীদের প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা এখনো অব্যাহত রয়েছে…

দেশ গুলো হলোঃ 👇

১/ বাহরাইন।(২৫/৩/২০২১ইং থেকে)
২/ ইউনাইটেড আরব আমিরাত। (২৫/৩/২০২১ইং থেকে)
৩/ তুর্কি। (২৫/৩/২০২১ইং থেকে)
৪/ ইন্ডিয়া। (সক্রিয় রয়েছে)
৫/ ফিলিপাইন।( সক্রিয় রয়েছে)
৬/ বাংলাদেশ। (সক্রিয় রয়েছে)
৭/ শ্রীলংকা। (সক্রিয় রয়েছে)
৮/ নেপাল। (সক্রিয় রয়েছে)

📌 নিউজ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে….

✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque

নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/471897892832582/posts/3903846656304338/

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/179897995400002/posts/3925475757508855/

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/1279802592139669/posts/3754749974644906/

কুয়েত কারফিউ চলাকালীন কুয়েতের বাহিরে ভ্রমণ করছেন এমন লোকেদের কেবলমাত্র চেকপয়েন্টগুলিতে তাদের টিকিট দেখাতে হবে।

কার্ফিউ শুরু হওয়ার আগে বিমানবন্দরে খুব তাড়াতাড়ি যাওয়ার দরকার নেই, কারণ আপনি কারফিউ চলাকালীন কেবল মাত্র আপনার ভ্রমনের টিকেট দেখিয়ে যেতে পারবেন আপনার ফ্লাইটের সময় মতো।

আপনার টিকিটের একটি ফটো কপি আপনার ড্রাইভারকে অথবা যে ব্যাক্তি আপনাকে বিমানবন্দরে ছেড়ে আসবে তাকে দিতে হবে, যাতে সে ফিরে আসতে পারে বিমানবন্দর থেকে।

📌 নিউজ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে….

✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/699729836728354/posts/4190623710972265/

কুয়েত জ্যোতির্বিজ্ঞানী অ্যাডেল আল-সাদৌন এর মতে কুয়েত এবং একই প্রস্থের একই বৃত্তে থাকা দেশগুলিতে প্রতি বছর ১৬ই মার্চ রাত ও দিন সমান হয়।

আল-সাদৌন আজ, মঙ্গলবার কুয়েত নিউজ এজেন্সি (কেইউএনএ) এর কাছে এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে সূর্যটি সকাল ৫:৫৭ মিনিটে উঠেছে এবং সন্ধ্যা ৫:৫৭ মিনিটে অস্ত যাবে এবং দিনের দৈর্ঘ্য হবে ১২ ঘন্টা,এবং রাতের দৈর্ঘ্য ১২ ঘন্টা।

📌 নিউজ লিংক নিচে দেওয়া হয়েছে….

✍️ Collected, Translated and posted by Nahar Hoque

📌 নিউজ লিংক 👇
https://l.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fwww.alanba.com.kw%2Far%2Fkuwait-news%2F1030404%2F16-03-2021-%25D8%25A7%25D9%2584%25D9%2581%25D9%2584%25D9%2583%25D9%258A-%25D8%25A7%25D9%2584%25D8%25B3%25D8%25B9%25D8%25AF%25D9%2588%25D9%2586-%25D8%25A7%25D9%2584%25D9%2584%25D9%258A%25D9%2584-%25D9%2588%25D8%25A7%25D9%2584%25D9%2586%25D9%2587%25D8%25A7%25D8%25B1-%25D9%258A%25D8%25AA%25D8%25B3%25D8%25A7%25D9%2588%25D9%258A%25D8%25A7%25D9%2586-%25D8%25A7%25D9%2584%25D9%258A%25D9%2588%25D9%2585-%25D9%2581%25D9%258A%2520%25D8%25A7%25D9%2584%25D8%25A8%25D9%2584%25D8%25A7%25D8%25AF%2F&h=AT2Jwllj4crXg6yV4dPKM8BkPk3XrLwAHYBkCim6MI_4I6AEosdxkX-P1yA_9IKGVD-BrUqg_-kabdVeyH2NYguB-2fMc3Lk5z3kww3f-NLqOE2ALdYcB1z4N4jCLqGJ2DNQ&s=1

কুয়েতে করোনায় নতুন ১,৩১৪ জন শনাক্ত’ মৃত্যু ৭ জন’।

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ১,৩১৪ জন, সুস্থ হয়েছে ১,৩১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের ।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন ।

মোট আক্রান্ত হয়েছে ২১২,১৬৯ জন।
মোট মৃতের সংখ্য ১,১৮৬ জন।
মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯৬,৮২১ জন।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটায় নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় ।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা টেস্ট করা হয় ৯,৩১৭ জন, মোট টেস্টের সংখ্যা ১৯২৩,৮৯৬ জন ।

নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১৪,১৬২ জন এবং আইসিইউতে আছেন ২১৫ জন ।

পুত্র সন্তানের বাবা হলেন সাকিব।

তৃতীয় সন্তানের বাবা হয়েছেন সাকিব আল হাসান। যুক্তরাষ্ট্রের সময় গতকাল সকালে সাকিবের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরের কোলজুড়ে আসে তাঁদের তৃতীয় সন্তান। সাকিবের পারিবারিক সূত্র প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সাকিবের প্রথম দুই সন্তান মেয়ে হলেও এবার তিনি হয়েছেন পুত্রসন্তানের বাবা। নবজাতক এবং সাকিবের স্ত্রী—দুজনই সুস্থ আছেন। সাকিব বর্তমানে পরিবারের সঙ্গেই আছেন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনের মেডিসন শহরে। সন্তানের জন্মের সময় স্ত্রীর পাশে থাকতেই বাংলাদেশ দলের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড সফরে যাননি তিনি।

তৃতীয় সন্তান আসছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি সাকিব প্রথম দেন গত ১ জানুয়ারির একটি পোস্টে। নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে সাকিব তাঁর এবং স্ত্রী শিশিরের একটি ছবি পোস্ট করেন, যাতে বোঝা যাচ্ছিল শিশির সন্তানসম্ভবা। সাকিব তাঁর পোস্টে লিখেছিলেন, ‘নতুন বছর, নতুন শুরু, নতুন সংযোজন। সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।’

অবশেষে নতুন বছরের সেই অতিথি এল গতকাল। এর আগে গত বছরের ২৪ এপ্রিল দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হন সাকিব। মেয়ের নাম রাখেন এরাম হাসান। সাকিবের প্রথম সন্তান আলাইনার জন্ম ২০১৫ সালে।

সুত্রঃ প্রথম আলো

‘কাফালা’ ব্যবস্থায় পরিবর্তন সৌদি আরবে।

শ্রম আইনে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের মধ্য দিয়ে বিদেশি কর্মীদের জন্য নতুন দিনের সূচনা হল সৌদি আরবে।

দেশটির ‘কাফালা’ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনায় বেসরকারি খাতের বিদেশি শ্রমিকরা এখন নিয়োগকর্তার অনুমতি ছাড়াই চাকরি পরিবর্তন বা দেশত্যাগ করতে পারবেন।

সেইসঙ্গে সরকারি চাকরির জন্য সরাসরি আবেদন করার সুযোগও উন্মুক্ত হচ্ছে বিদেশিদের জন্য, যা রোববার থেকেই কার্যকর হয়েছে বলে আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

পত্রিকাটি লিখেছে,বড় ধরনের এই সংস্কারে বিদেশিদের সঙ্গে সব কাজের চুক্তি ডিজিটালি রেকর্ড করা হবে।তাদের যে বসবাসের অনুমতি দেওয়া হবে, তাতে নির্দিষ্ট নিয়োগকর্তার অধীনে চাকরি করার বাধ্যবাধকতাও আর থাকবে না।

প্রায় এক কোটি বিদেশি কর্মী এই আইনি সংস্কারের সুবিধা ভোগ করতে পারবে বলে আরব নিউজ জানিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবে ২০ লাখের বেশি বাংলাদেশি বিভিন্ন পেশায় কাজ করেন। প্রতি বছর তারাই সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স দেশে পাঠান। নতুন নিয়মের সুবিধা নিয়ে তারাও অপেক্ষাকৃত ভালো কাজের চেষ্টা করতে পারবেন এখন।

সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় গতবছরের নভেম্বরে কাফালা ব্যবস্থা সংশোধনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল।

সাত দশকের পুরনো ওই নিয়মে বিদেশি কর্মীরা যে স্পন্সর নিয়োগকর্তার অধীনে সৌদি আরবে যেতেন, তার অধীনে এবং তার নির্দেশেই তাকে চলতে হত। ফলে কাজ পরিবর্তন বা দেশে ফেরার স্বাধীনতাও তার থাকত না।

এ কারণে নিয়োগকর্তার হাতে বিদেশি শ্রমিকদের নির্যাতিত হওয়ার অসংখ্য অভিযোগ বিগত বছরগুলোতে সংবাদমাধ্যমে এসেছে।

আরব নিউজ লিখেছে, সৌদি আরবে অবস্থানরত বিদেশি কর্মীরা শ্রম আইনের এই সংস্কারকে সানন্দে স্বাগত জানিয়েছে, কারণ এর মধ্য দিয়ে কাজের ক্ষেত্রে তাদের স্বাধীনতা বাড়বে।    

পাঁচ বছর আগে ভারত থেকে সৌদি আরবে গিয়ে চাকরি শুরু করা ইমরোজ আবদুলরমান আরব নিউজকে বলেছেন, “আমি এখানে আসার পর থেকে এটাই সবচেয়ে আনন্দের খবর।”

ভারতীয় এই নাগরিক জানান, চার বছর আগে চাকরি বদলে অন্য একটি পরিবারে কাজ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া এতটাই জটিল, যে তার সমস্যা মিটতে বহুদিন সময় লেগে যায়।  

“এখন যেটা হল সেটা বড় ধরনের পরিবর্তন। বহু মানুষ এর সুফল পাবে। আমি কোন কাজ করব- সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতাও আমার বাড়বে। আমার মত বহু মানুষ সামনে এর সুবিধা পাবে।”

সুত্রঃ বাংলা নিউজ ২৪