ক্যাটাগরি Uncategorized

কুয়েতে করোনায় নতুন ১৩৩২ জন শনাক্ত’ মৃত্যু ৭ জন’

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে কুয়েতি ও প্রবাসীসহ ১,৩৩২ জন, সুস্থ হয়েছে ১৩৩৫ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের ।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন ।

মোট আক্রান্ত হয়েছে ২১০,৮৫৫ জন।
মোট মৃতের সংখ্য ১১৭৯ জন।
মোট সুস্থ হয়েছেন ১৯৫,৫০৭ জন।

আজ সোমবার সন্ধ্যা সাতটায় নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংএ বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় ।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনা টেস্ট করা হয় ৭৩৬৫ জন, মোট টেস্টের সংখ্যা ১৯১৪,৫৭৯ জন ।

নিয়মিত চিকিৎসাধীন আছে ১৪,১৬৯ জন এবং আইসিইউতে আছেন ২১৯ জন ।

ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়াল, ১০ অঞ্চলে রেড জোন।

করোনার প্রাদুর্ভাব বাড়ার ফলে ইতালিতে আবারও রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনা শেষে নাগরিক নিরাপত্তাকে সুনিশ্চিত করতে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সোমবার থেকে ১০টি অঞ্চলকে রেড জোনের আওতায় আনা হয়েছে। অঞ্চলগুলো হলো- ট্রেন্টো, লম্বার্ডিয়া, এমিলিয়া রোমনা, পিওমন্টে, ভেনেটো, ফ্রিউলি ভেনিজিয়া জুলিয়া, লাজিও, মার্কে, পুলিয়া, কাম্পানিয়া এবং মোলিস। এর মধ্যে কাম্পানিয়া ও মোলিস রেড জোনেই ছিল।

এ সময়ে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় অতি প্রয়োজন ছাড়া চলাফেরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র জরুরি কাজে যাওয়া, স্বাস্থ্যসেবা অতি প্রয়োজন ছাড়া যেতে হলে অটো সার্টিফিকেট নিতে হবে।

সর্বসাধারণের জন্য শো, প্রদর্শনী এবং জাদুঘর, শিশুদের শিক্ষামূলক কর্যক্রম বন্ধ থাকবে, বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম দূরত্ব বজায় রেখে চলবে। এমনকি নিজ বাসার কাছেও মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, গত দু’মাসে দেশটিতে নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে গেছে। হাসপাতালগুলোর বিছানা রোগী দিয়ে আবারও পরিপূর্ণ হতে চলছে যার ফলে দীর্ঘ পর্যালোচনা শেষে সংক্রমণ ঠেকাতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে নতুন করে দেশটির কয়েকটি অঞ্চলে লাল জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

সোমবার ১৫ মার্চ থেকে নতুন এ অধ্যাদেশ কার্যকর হবে। ইতালির উচ্চস্থ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের কন্ট্রোল রুম থেকে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, গত ১ মার্চ থেকে ৭ মার্চ এক সপ্তাহে প্রতি এক লাখ বাসিন্দার সাপ্তাহিক কেস ২২ হাজার পাঁচশ চৌষট্টি অন্যদিকে গত ২২ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছিল লাখে ১৯ হাজার চারশ সাতাশি যা গত মাসের তুলনায় কয়েক হাজার কম।

ইতালিতে করোনার এ রকম ঊর্ধগতির কারণে সোমবার থেকে অফিসিয়ালি দশটি অঞ্চলে রেড জোন কার্যকর হবে।

এদিকে আগামী এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে স্টার উৎসবকে ঘিরে (পাসকোয়া) ৩ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত গোটা ইতালিতে লকডাউন চলবে। এ সময়ের মধ্যে আত্মীয়-পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে কেউ দেখা করতে পারবে না।

রেড জোন (লাল) থাকা অবস্থায় বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে কেউ বের হতে পারবে না এবং যে সকল এলাকায় ‘কমলা’ সিগনাল থাকবে সেখানে জনসাধারণের জন্য রেস্টুরেন্ট ও বার বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

শুধুমাত্র নিয়ে যাওয়া (টেকওয়ে) এবং হোম ডেলিভারি করা যাবে। রাত দশটা পর্যন্ত হোম ডেলিভারি খোলা থাকবে এবং যাদের রান্নার ঝামেলা নেই এসব প্রতিষ্ঠানগুলো টেকওয়ে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত করতে পারবে।

ইতোমধ্যে ইতালি অর্থনৈতিক মন্দার দিকে যাচ্ছে গত এক বছর ধরে কোনো পর্যটকদের আনাগোনা নেই। করোনার ফলে দিনদিন ছোট বড় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। পাশাপাশি বাড়ছে বেকারত্বের সংখ্যাও। অনেক চেষ্টা করেও ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

এ ব্যাপারে জলকন্যা খ্যাত পর্যটন নগরী ভেনিসের এক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এসটি শাহাদাত হোসেন বলেন, করোনা শুরু থেকে আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য একেবারে থমকে আছে। সবাই হয়তো জানে ভেনিস হলো পর্যটন নির্ভর একটি শহর তাই হোটেল, সুভ্যেনিরসহ যত প্রতিষ্ঠান রয়েছে সবই পর্যটন এলাকায় ফলে গত এক বছর ধরে ইতালিতে কোন পর্যটকদের দেখা নেই।

‘আর্থিক সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি আমরা। ব্যবসা না থাকলেও ভাড়া গুনতে হয় প্রতি মাসে। গত এক বছরে অনেক ক্ষতি হয়েছে। কোনো রকম স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে আছি।’

শুধু আমি নই ভেনিসের সকল ব্যবসায়ীর একই অবস্থা। রোমের আরেক সুপার সপ ব্যবসায়ী সৈয়দ আল ফারাবী বলেন, সোমবার থেকে রোমসহ আরও কয়েকটি অঞ্চল রেড জোনের আওতায় আসবে।

ইতোমধ্যে মানুষের মাঝে অর্থনৈতিক সংকট চলছে। এখন মানুষ ঘর থেকে বের হতে না পারলে আমাদের বেচাকেনা কমে যাবে। অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দেবে। তাছাড়া সন্ধ্যা ছয়টার পর অ্যালকোহল বিক্রি বন্ধ থাকবে ক্রেতা না থাকলে আমরা কার কাছে বিক্রি করব।

উল্লেখ্য, সরকার কয়েকটি অঞ্চলে রেড জোন ঘোষণার পাশাপাশি আর্থিকভাবে সংকটে পড়া মানুষদের জন্য বোনুস স্পেসা নামক সহযোগিতা চালু করেঢ়েন অনলাইনে। ইতোমধ্যে আবেদন শুরু হয়ে গেছে।

সংখ্যাভিত্তিক ২শ ইউরো থেকে পাঁচশ ইউরো আর্থিক সংকটে থাকা মানুষ এ সুবিধা পাবেন। যাদের ইসে (isse) ৮ হাজারের নিচে তারা এ আবেদন করতে পারবেন।

নদী পেরিয়ে শিশুরা যেভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যায়।

জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে আবার শুরু হয়েছে মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ। শিশুরাও হেঁটে, বড়দের কোলে-পিঠে চড়ে, নদী পেরিয়ে দেশান্তরী হচ্ছে।

মায়ের কোলে এলসালভাদর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে

এলসালভাদর থেকে মা তাকে প্রথমে মেক্সিকো, তারপর রিও গ্রান্ডে নদী পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে এসেছেন। চার বছরের মারিয়াকে কোলে নিয়ে এখন তিনি এবড়োথেবড়ো রাস্তা ধরে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে।

লেবাননে করোনায় বাংলাদেশি নারীকর্মীর মৃত্যু।

লেবাননে করোনাভাইরাসে রুমা বেগম নামে এক বাংলাদেশি নারীকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে স্থানীয় রফিক হারিরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতালের হিমঘরে আছে। জানা গেছে, রুমা বেগম ২০১৭ সালে গৃহকর্মীর ভিসায় বৈধভাবে লেবাননে আসলেও পরে অবৈধ হয়ে যান।

তিনি বৈরুতের হামরা এলাকায় এক বাসায় কাজ করতেন। সেখানে বাসার গৃহকর্তাসহ সবাই করোনায় আক্রান্ত হলে তিনি নিজেও আক্রান্ত হন।

পরে বাসার গৃহকর্তা তাকে বাসা থেকে বের করে দিলে তিনি মারলিয়াস এলাকার এক রুমে আশ্রয় নেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় স্থানীয় রফিক হারিরি হাসপাতালে ভর্তি হন।

প্রায় ২২ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর রোববার মধ্যরাতে তার মৃত্যু হয়। ২ সন্তানের জননী রুমা বেগমের বাড়ি ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার মুগারচর গ্রামে। বাবার নাম বাবর আলী।

ওমানি নাগরিকের গাড়িচাপায় প্রাণ গেল বাংলাদেশির।

মাস্কাট (ওমান) থেকে

ওমানে প্রাইভেটকারের চাপায় এক প্রবাসী বাংলাদেশির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১২ মার্চ) স্থানীয় সময় সাড়ে সাতটায় দেশটির সালালাহ সাদবীন নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম আবদুল্লাহ আল নোমান (৩২)। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জের চরহাজারী ইউনিয়নের ওহিদুর রহমানের দ্বিতীয় ছেলে বলে জানা গেছে।

ওমানে তার সঙ্গে বসবাসকারী এক বড় ভাই আবদুল্লাহ আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সেদিন কাজ থেকে বাসায় ফিরে গোসল সেরে সড়কের পাশে ঘেঁষে হেঁটে দোকানে কেনাকাটার জন্য যাচ্ছিল নোমান।

পথিমধ্যে পেছন থেকে এক ওমানি নাগরিকের বেপরোয়া প্রাইভেটকার তাকে চাপা দেয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে স্থানীয় সেদা হসপিটালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বর্তমানে লাশ সালালাহ কাবুজ হসপিটালের মর্গে রয়েছে।

নিহত নোমান বিগত আট বছর ধরে ওমানের সালালাহতে বসবাস করে আসছিলেন। সেখানে তিনি একটি মাছের আড়তে চাকরি করতেন। সর্বশেষ দুই বছর পূর্বে দেশ থেকে এসেছিলেন। আগামী রমজান মাসে দেশে গিয়ে বিয়ে করার পরিকল্পনা ছিল তার।

ওমানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্র জানায়, দূতাবাস থেকে লাশ দেশে পাঠানোর জন্য সকল প্রকার কাগজপত্র তৈরিতে সহায়তা করা হয়েছে। একই সাথে নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ আদায়েও সহায়তা করবে বলে দূতাবাস জানিয়েছে।

পুর্ণ কারফিউ নয়, আংশিক কারফিউতে কমেছে সংক্রমণ, বেড়েছে সুস্থের হার।

কুয়েতে আংশিক নিষেধাজ্ঞায় করোনাভাইসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে, তাই পুর্ণ নিষেধাজ্ঞার হ্রাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, রিপোর্ট আল আনবার ।

সূত্রের ইঙ্গিত দিয়ে আল আনবা আরো জানিয়েছে যে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা সরকারী তথ্য থেকে দেখা গেছে যে রবিবার করোনাভাইরাস থেকে নতুন এই পুনরুদ্ধারের সংখ্যা, এই মাসের ১৪ তারিখের সাথে মিলিয়ে মোট বেড়েছে ১,৩৯০ জন ।

এবং নতুন সংক্রামিত ব্যক্তির সংখ্যা হ্রাস পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১০৩৩ জনে । মৃত্যুর সংখ্যা ৭ জনে এবং নিবিড় যত্নে রয়েছে ২০০ জনে ।

সূত্রগুলি আরও যোগ করেছে যে, গত শনিবার, সংক্রমণ সংখ্যা কমে যাওয়ার তুলনায় ১২১১ জন এবং, ৯ জন মারা যাওয়া এবং নিবিড় যত্নের ১৯৮ জনের তুলনায়, পুনরুদ্ধার হওয়া মানুষের সংখ্যাও বেড়েছে ১৩৬৫ জন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সকলকে স্বাস্থ্য সতর্কতা অবলম্বন অব্যাহত রাখার এবং টিকা দেওয়ার জন্য নিবন্ধনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে ।

সৌদি আরবের আবহা বিমানবন্দরে ফের বিমান হামলা করল হুতি।

সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা হয়েছে।

এছাড়া দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খামিস মুশাত্বায় বিমান বাহিনীর একটি ঘাঁটিতে অস্ত্রসজ্জিত ড্রোনযোগে চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

সোমবার সৌদি আরবের এসব লক্ষ্যস্থলগুলোর উদ্দেশ্যে কয়েকটি ড্রোন ছাড়া হয় বলে হুতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়ী এক টুইটার পোস্টে জানিয়েছেন।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী জানিয়েছে, তারা খামিস মুশাত্বার দিকে ধেয়ে আসা একটি ড্রোনের গতিরোধ করে সেটিকে ধ্বংস করেছে।

গত প্রায় এক বছর ধরে ইয়েমেনে হুতি যোদ্ধা এবং তাদের সমর্থিত সেনারা সৌদি আরবের বিভিন্ন তেল স্থাপনা থেকে শুরু করে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর ও স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে।

২০১৪ সালের শেষ দিকে শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে সুন্নি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে।

এরপর তারা দেশের অধিকাংশ স্থান দখল করে নিলে ২০১৫ সালের মার্চের শেষ দিকে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে হস্তক্ষেপ করে প্রতিবেশী সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন আরব বাহিনীগুলোর জোট। সুত্রঃ যুগান্তর ।

কুয়েতে কারফিউ’র সময় কমেনি, খাবার সরবরাহের অনুমতিও দেওয়া হয়নি’।

কুয়েতে কারফিউ’র সময় কমেনি, এবং রেষ্টুরেন্টের খাবার সরবরাহের অনুমতিও দেওয়া হয়নি’।

সরকারে উর্ধতন কতৃপক্ষের সুত্রে আরবী দৈনিক আল-আনবা সংবাদের নিশ্চিত করে ।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞার কোনও সংশোধনী নেই, নিষেধাজ্ঞার সময় রেস্তোঁরাগুলিকে খাবার সরবরাহের অনুমতি দেওয়া হবে না। #ফাইল ছবি ।

কুয়েতে ভিসার ব্যবসায় নিঃস্ব মিশরি ও বাংলাদেশী শ্রমিকরা’।

করোনার মহামারীর উত্থানের পর এক বছর পেরিয়ে গেলেও ভিসা ব্যবসায়ের ঝুঁকির কথা প্রকাশ করে মিশরীয় সরকার কর্তৃপক্ষের একটি সরকারী সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, মিশরীয় কর্মীরা ভিসা বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছেন ।

কুয়েতের আরবী দৈনিক আল-কাবাস মিশরী এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েক ডজন লোককে কুয়েত থেকে নির্বাসনে পাঠানোর পর বিষয়টি নজরে আসে মিশর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ।
কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে বেশ কয়েকটি নিয়োগ অফিস এবং ভিসা ব্যবসায়ী দালালকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে জানান ঐ মিশরীয় কর্তা।

রেসিডেন্সি আইন লঙ্ঘনকারীদের, যাদের অর্থের বিনিময়ে ভিসা ব্যবসায়ের শিকারের সংখ্যা বাড়ছে। করোনাময় এক কঠিন বছর পার করছে কুয়েত, মহামারীটি কুয়েতের রাস্তায় ভিসা ব্যবসায়ের কারণে একটি সরকারী সমস্যায় পরিণত হয়েছে, ভিসা ব্যবসায়ের কারণে কুয়েতে এক মর্মান্তিক মানবিক ও শ্রম সংকট উন্মোচিত করেছে, তখন মিশরের জনশক্তি মন্ত্রক সুরক্ষার জন্য অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ।

মিশরীয় কর্মীরা যারা ভুয়া ভিসা বাণিজ্যের শিকার হয়েছিল, যা মিশর ও কুয়েতের রেসিডেন্সি দালাল এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

এই দালালদের এবং শ্রম নিয়োগকারী সংস্থাগুলিকে শাস্তি দেওয়ার পাশাপাশি যারা কুয়েতে কল্পিত কোম্পানির সুবিধার কথা বলেছে তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে ।

মিশর বলছে, কয়েক হাজার দরিদ্র শ্রমিক কুয়েতে গিয়ে চাকরিবিহীন ছিল এবং দরিদ্রদের ঘাম থেকে অর্থ উপার্জনকারীদের সুবিধার্থে তাদের প্রত্যেকে ১০ লক্ষেরও বেশি মিশরীয় পাউন্ড হারিয়েছেন ।

তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, মিশরে ভিসা ব্যবসায়ী এবং দালালদের কারণে কুয়েতে আবারও উত্থাপিত শ্রম ইস্যুগুলিকে জনশক্তি মন্ত্রণালয় ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছে।

কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে অবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে কয়েক ডজন শ্রম কেস সমাধান করা হয়েছে যা ভিসা ব্যবসায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একনিষ্ঠ মডেল এবং সততার এক অনন্য মডেল উপস্থাপন করেছে।

তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন কমিটিগুলি মিশরীয়দের কাছে ভুয়া ভিসা বিক্রি করছে এমন অফিস এবং সংস্থাগুলির তালিকা তৈরী করেছে, সুতরাং কিছু সংস্থার ফাইল স্থগিত এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের লাইসেন্স প্রত্যাহার করে বিচারের প্রস্তুতির জন্য প্রসিকিউশনকে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেছিলেন যে ভিসা ব্যবসায়ের কারণে যে, সাম্প্রতিক সংকট দেখা দিয়েছে তা কখনই পুনরায় করা হবে না, কারণ কুয়েতে মিশরীয় শ্রমিকদের কুয়েতে প্রেরণের নতুন পদ্ধতি অনুমোদন করা হবে কুয়েতে সামাজিক বিষয় ও শ্রম মন্ত্রকের সহযোগিতায়।

তিনি ভিসা ব্যবসায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দু’দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে এই চুক্তির নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং মানবিক দিক বিবেচনা করার বিষয়ে জোর দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, হাজার হাজার বাংলাদেশী একামাবিহীন মানবেতার জীবনযাপন করছে কুয়েতে, কারণ তারাও ভিসার দালাদের খপ্পড়ে পড়ে ৭/৮ লাখ টাকায় ভিসা কিনে একামা বা চাকুরীর দেখা মিলেনি ।

একামা না পাওয়া এমন অসংখ্য বাংলাদেশী আরটিএমের নিকট নিজেদের দুর্দশা তুলে ধরে বলেছেন, কুয়েত সরকার সাধারন ক্ষমা ঘোষণা দিলে দেশে চলে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে, কারণ চলমান সাধারণ ক্ষমায় দেশে যেতে হলে একামার জরিমানা আদায় করতে হবে ।

তবে, বেশ কজন বাংলাদেশী যারা খাইতানে এলাকায় বসবাসরত, তারা একামা ছাড়াই বিভিন্ন মার্কেটে কাজ করে, তাদের আশা বাংলাদেশ দুতাবাসের বর্তমান রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল আশিকুজ্জমান স্যার কুয়েতি কতৃপক্ষের সাথে আলোচনা সমস্যাগ্রস্থ বাংলাদেশীদের জন্য কিছু করবেন ।

কুয়েতের বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় করোনা মহামারীতে দেশে ছূটিতে গিয়ে আটকা পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশী, তাদের মধ্যে অনেকে আবার আটকা পড়ে আছে দুবাইতে ।

তবে যাদের ভিসার আর্টিকেল ২০, তারা অবশ্য কফিলের সহযোগিতা পেলে নিবন্ধন করে কুয়েত আসতে পারে ।

কুয়েতে বাংলাদেশীসহ ৪ জনের আত্নহত্যা।

কুয়েতে ১ জন বাংলাদেশীসহ ৪ জনের আত্নহত্যা্র সংবাদ পাওয়া গেছে, আজ সোমবার (১৫ মার্চ) সুত্রের বরাত দিয়ে আরব টাইমস বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ।

আত্নহননকারী বাংলাদেশী গৃহকর্মীর কাজ করত খালেদিয়া এরিয়ায় এক কুয়েতি ঘরে, সে ঘরে আত্নহত্যা করে এই বাংলাদেশী নাগরিক ।

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও প্যারামেডিক কর্মীরা ভিক্টিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে ।

সুত্রে প্রকাশ, গত এক সপ্তাহে কুয়েতে মোট চারজন আত্নহত্যা করেছে, যাদের মধ্যে একজন কুয়েতি শিশুও রয়েছে ।