আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার ক্রিস হোগল ও বাঙালি নারী রহিমা খাতুনের বিরল ভালোবাসার গল্প শুনবো আজ। প্রেমের টানে একযুগ ধরে আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশি নারীর সঙ্গে ঘর সংসার করছেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে পেশা হিসেবে বেছে
জানা গেছে, ক্রিস হোগলের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে, পেশায় তিনি পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার। রহিমা খাতুনের সঙ্গে যখন দেখা হয় তখন তিনি ভারতের মুম্বাই শহরে থাকতেন। সেখানে তিনি অনিল আম্বানির রিলায়েন্স ন্যাচারাল রিসোর্সেস লিমিটেড কোম্পানিতে পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত ছিলেন। মুম্বাই শহরেই ঘটনাক্রমে রহিমার সঙ্গে তার দেখা হয়।
রহিমা খাতুন বলেন, শৈশবে তার বাবা আবুল খাঁ ও মা নেছারুন নেছার হাত ধরে অ’ভাবের তা’ড়’নায় পাড়ি জমান ভারতে। পশ্চিমবঙ্গের বারাসাতে তার মা অন্যের বাড়িতে কাজ করতেন। বাবা শ্রম বিক্রি করতেন। আর রহিমা সেই শৈশবে বারাসাতের ব’স্তিতে একা থাকতেন। তের চৌদ্দ বছর বয়সে বাবা তাকে বিয়ে দেন।
জমিও ক্রয় করেন সেখানে। রহিমা খাতুন তখন তিন সন্তানের জননী। কিন্তু অ’ভা’বের তা’ড়না’য় তার প্রাক্তন স্বামী
সেখানকার জমি বিক্রি করে দেন। রহিমা খাতুনকে একা ফেলে তার স্বামী নি’রুদ্দে’শ হয়ে যান। রহিমা খাতুন চলে যান জীবিকার স’ন্ধানে মুম্বাই শহরে। রহিমা খাতুন আশ্রয় নেন পূর্ব পরিচিত এক ব্যক্তির বস্তির খুপরিতে। হঠাৎ একদিন সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের রাস্তায় পরিচয় হয় ক্রিস হোগলের সঙ্গে। ক্রিস হোগল এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলেন তার পানে।
হিন্দিতে দুয়েক লাইন কথা বলার পর তারা আবার দেখা করার সি’দ্ধান্ত নেন। এভাবে ছয় মাস পর তারা বিয়ে রেজিস্ট্রি করেন। বিয়ের তিন বছর পর কর্মসূত্রে ক্রিস হোগল স্ত্রী রহিমাকে নিয়ে চীনে যান। সেখানে পাঁচ বছর ছিলেন। এরপর তারা কেশবপুরের মেহেরপুরে রহিমা খাতুনের বাবার ভিটায় ফিরে আসেন।
মেহেরপুরে ফিরে আসার পর রহিমা খাতুনের বাবা আবুল খাঁ মা’রা যান। বাড়ির উঠানের পাশে তাকে ক’বর দেওয়া হয়। মোজাইক পাথর দিয়ে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করে বাবার কবর সংরক্ষণ করেন তারা। রহিমার মা নেছারুন নেছা এখনও জীবিত। রহিমার প্রথম স্বামীর তিনটি সন্তান তাদের সঙ্গে থাকে। এভাবেই চলছে ক্রিস হোগল ও রহিমার সুখের সংসার।
উপসাগরীয় দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবু ধাবি সম্প্রতি এমন একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যা প্রতিভাবান পেশাদার, শিক্ষার্থী এবং বিনিয়োগকারীদের ৫ ও ১০ বছরের ভিসা দেয়।
আবুধাবিতে থ্রাইভ নামে পরিচিত, এই প্রকল্পটি কারও কাছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাগরিকত্বও সরবরাহ করে। কর্তৃপক্ষ শিগগিরই নাগরিকত্বের জন্য যোগ্যতার মানদণ্ড ঘোষণা করবে।
গোল্ডেন ভিসা-এর মধ্যে প্রতিটি বিভাগ – আবু ধাবি প্রোগ্রামে সাফল্যের নিজস্ব মানদণ্ডের একটি সেট রয়েছে, উদ্যোগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুযায়ী।
বিনিয়োগকারীরা
দুটি উপ-বিভাগ রয়েছে: বিনিয়োগকারী এবং রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারী।
১০ বছরের বিনিয়োগকারী ভিসা
আবুধাবিতে বিনিয়োগকারীরা নীচের একটি বা একাধিক মান পূরণ করলে ১০ বছরের ভিসার জন্য যোগ্য:
– আবুধাবির অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ তহবিল / ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সর্বনিম্ন ২ মিলিয়ন মূলধন জমা।
– আবুধাবিতে অন্তত ২ মিলিয়ন দিরহাম আর্থিক অবদানের সাথে আবুধাবি বা একটি বিদ্যমান বা একটি নতুন সংস্থার অংশীদারে ২ মিলিয়ন বা ২ মিলিয়ন বিনিয়োগ করে কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা।
– এমন কোনও সংস্থার মালিকানা পান যা প্রতি বছর বা তার চেয়ে বেশি ধাপে ৫০ হাজার দিরহাম ফেডারেল সরকারকে কর দেয়।
– প্রতি বছর বা ততোধিক করের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ লক্ষ ৫০ হাজার এর আর্থিক অবদানের সাথে ফেডারেল ট্যাক্স প্রদান করে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হন।
– ভিসা দেওয়ার পরে কমপক্ষে দুই বছরের জন্য বিনিয়োগ বজায় রাখতে হবে।
পাঁচ বছরের রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারীদের ভিসা
রিয়েল এস্টেট বিনিয়োগকারীরা নীচের মানদণ্ডগুলি পূরণ করলে তারা ৫ বছরের ভিসার জন্য যোগ্য:
– ২ মিলিয়নের চেয়ে কম নয় এমন একক মানের একটি সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করুন।
– সম্পত্তি বা পোর্টফোলিও বন্ধকযুক্ত হলে ভিসার জন্য যোগ্য হওয়ার জন্য ন্যূনতম ২ মিলিয়ন ডলার ডাউন পেমেন্টের প্রয়োজন।
– ভিসা দেওয়ার পরে কমপক্ষে দুই বছরের জন্য বিনিয়োগটি ধরে রাখতে হবে।
উদ্যোক্তা
উদ্যোক্তারা নীচের মানদণ্ডগুলির মধ্যে এক বা একাধিক পূরণ করলে ৫ বছরের ভিসার জন্য যোগ্য:
– কমপক্ষে ৫ লক্ষ দিরহাম মূলধন সহ একটি বিদ্যমান প্রকল্প।
দুটি উপ-বিভাগ রয়েছে: উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক।
উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী
আবু ধাবি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বৈজ্ঞানিক দক্ষতার সাথে শীর্ষস্থানীয় কর্মরত শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পাঁচ বছরের ভিসা প্রদান করে:
– আবুধাবিতে একটি হাই স্কুল থেকে উচ্চ গ্রেড অর্জন করেছেন।
– শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে একটি রিকমেন্ডেশন নিন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক
আবু ধাবি উচ্চ যোগ্যতাসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের জন্য ১০ বছরের ভিসা প্রদান করে:
– আবুধাবিতে অনুমোদিত একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক হতে হবে।
– কমপক্ষে ৩.৮ এর সমষ্টিগত জিপিএ থাকতে হবে।
বিশেষ প্রতিভা
আবুধাবি নয়টি বিভাগে মেধাবী ব্যক্তিদের জন্য ১০ বছরের ভিসা প্রদান করে।
চিকিত্সক
– আবুধাবি স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরামর্শদাতা বা বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক হিসাবে অনুশীলনের জন্য লাইসেন্সধারী হতে হবে।
– অবশ্যই স্তর ১ এ র্যাঙ্কিং যোগ্যতা অর্জন করতে হবে বা পরামর্শক হিসাবে লাইসেন্স পেয়েছে এবং স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকৃত পরিষেবার ক্ষেত্রে কার্যকর ছিল।
– অবশ্যই ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পরামর্শদাতা বা বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক হিসাবে অনুশীলন করেছেন।
– একই ক্ষেত্রের অনুশীলনকারী মোট পেশাদারের লাইসেন্সকৃত চিকিত্সকের মোট সংখ্যার ৫ শতাংশ ছাড়িয়ে না যায় এমন পেশাদারদের সাথে স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহ করে।
অধিকন্তু, চিকিত্সকদের অবশ্যই নিম্নলিখিত শর্তগুলির একটি পূরণ করতে হবে এবং প্রাসঙ্গিক প্রমাণ সরবরাহ করতে হবে:
– সম্পর্কিত যে কোন সরকারী কর্তৃপক্ষ দ্বারা স্বীকৃত বা একটি বিশিষ্ট পেশাদার হিসাবে ভূষিত করা হয়েছে।
– কার্যকর ক্লিনিকাল গবেষণা দলের সদস্য।
– একটি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রাসঙ্গিক নিবন্ধ প্রকাশ করেছে।
– স্বাস্থ্য কমিটির আবুধাবি বিভাগের একজন সক্রিয় সদস্য বা কোনও আন্তর্জাতিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রোগ্রামের সক্রিয় সদস্য।
বিজ্ঞানী
– আমিরাত বিজ্ঞানী কাউন্সিলের কাছ থেকে একটি সুপারিশ থাকতে হবে বা বৈজ্ঞানিক পার্থক্যের জন্য মোহাম্মদ বিন রশিদ পদক প্রাপ্ত হতে হবে
ক্রিয়েটিভস (শিল্প ও সংস্কৃতি)
– আবুধাবিতে বিশেষায়িত সরকারী সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলির একটির কাছ থেকে একটি সুপারিশ থাকতে হবে
উদ্ভাবক
– অর্থনীতি মন্ত্রকের কাছ থেকে একটি সুপারিশ থাকতে হবে এবং একটি পেটেন্টের মালিক হতে হবে যা আবুধাবি অর্থনীতিতে মূল্য যুক্ত করে
নির্বাহী পরিচালক
– স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে (বা সমমানের)।
– সর্বনিম্ন ৫ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা।
– প্রতি মাসে নূন্যতম বেতন।
– আবুধাবি বৈধ কর্মসংস্থান চুক্তি।
শিক্ষক (অগ্রাধিকার ক্ষেত্রে)
– দেশের জন্য অগ্রাধিকারের একটি বিরল ক্ষেত্র বা বিশেষত্বগুলির মধ্যে বিশেষায়িত হতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত হবে।
খেলাধুলা
– জেনারেল স্পোর্টস অথরিটি বা আবুধাবি স্পোর্টস কাউন্সিলের কাছ থেকে একটি সুপারিশ গ্রহণ করতে হবে
নিম্নলিখিত বিভাগগুলির মধ্যে একটিতে অবশ্যই থাকতে হবে:
– অসামান্য ক্রীড়া প্রতিভা
– অ্যাথলেটিক শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন
– আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ফেডারেশন, কমিটি বা সংস্থায় নেতৃত্বের অবস্থান ধরে
– ক্রীড়া ওষুধ বিশেষজ্ঞ
পিএইচডি হোল্ডার
– আবু ধাবির জন্য যে কোনও একটি অগ্রাধিকার ক্ষেত্রের পিএইচডি ডিগ্রিধারী থাকতে হবে, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দ্বারা অনুমোদিত প্রকৌশলী
নিম্নলিখিত বিভাগগুলির মধ্যে একটিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বীকৃত স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে এবং আবুধাবিতে অবশ্যই এই ক্ষেত্রে কাজ করতে হবে:
রাজধানীর ডেমরায় বিয়ের প্র’লোভন দেখিয়ে মো. লুৎফর রহমান (৩৮) নামে এক প্রবাসী যুবকের কাছ থেকে নগদ ১০ লাখ টাকা, ১০ ভরি স্বর্ণ ও ২ লাখ টাকার ফার্নিচার আ’ত্মসাতের অ’ভিযোগ উঠেছে মা-মেয়ে ও খালাসহ তিন না’রী প্র’তারকের বি’রুদ্ধে।
এ ঘ’টনায় অ’ভিযুক্ত ওই তিন প্র’তারককে মঙ্গলবার রাতে না’রায়’ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থা’নাধীন রূপসী এলাকা থেকে গ্রে’ফতার করেছে পু’লিশ। পরে বুধবার তাদের আ’দালতে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে ভু’ক্তভো’গী পাপুয়া নিউগিনি প্রবাসী লুৎফর রহমান গ্রে’ফতারকৃতদের বি’রুদ্ধে গত ২ ফেব্রুয়ারি ডেমরা থা’নায় মাম’লা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেমরা থা’নার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন।
গ্রে’ফতারকৃতরা হলেন- না’রায়’ণগঞ্জ রূপগঞ্জের পূর্বগ্রাম এলাকার মো. সোলায়মানের মেয়ে সিনথিয়া আক্তার (২১), তার মা মাহফুজা আক্তার (৪২) ও তার আপন খালা সোনিয়া আক্তার (৩৬)। তারা ডেমরার মধ্য হা’জীনগর এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
এ বিষয়ে ভু’ক্তভো’গীর বরাত দিয়ে মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা মো. সেলিম মিয়া বলেন, গত ৪ মাস আগে দেশে ফিরেন লুৎফর রহমান। পরবর্তীতে জাকির হোসেন নামে তার এক বন্ধুর মাধ্যমে প’রিচয় হয় সিনথিয়ার সঙ্গে।
সিনথিয়া নিজেকে অ’বিবাহিত প’রিচয় দিয়ে লুৎফরের সঙ্গে প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে তুলেন। এক পর্যায়ে বিয়ের প্র’লোভনে সিনথিয়া লুৎফরের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ৮ লাখ টাকা নেয়। এদিকে সিনথিয়ার মা ও খালা লুৎফরকে তাদের মেয়ের জামাই করার প্রস্তাব দেয়।
এক্ষেত্রে তাকে নগদ ২ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণসহ আসবাবপত্র দিতে হবে। এ প্রস্তাবে লুৎফর রাজি হন। এদিকে বিয়ের পর নতুন ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়ার জন্য ২ লাখ টাকার নতুন ফার্নিচার দেন লুৎফর।
এসআই সেলিম মিয়া আরও জানান, গত ২৮ জানুয়ারি বিয়ের দিন ধার্য করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় প্রবাসী লুৎফর তার প’রিচিত ২ জনকে নিয়ে বিয়ের উদ্দেশে ডেমরার মীরপাড়া এলাকায় আসেন। একটি গাড়িতে করে প্র’তারক চ’ক্ররা তাদের নির্জন স্থানে নিয়ে যায়।
এ সময় লুৎফরের কাছ থেকে নগদ ২ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার বুঝে নেয় প্র’তারকরা। পরবর্তীতে প্র’তারকরা লুৎফরকে বলে, সিনথিয়ার আগে বিয়ে হয়েছে।
তোরা বাঁ’চতে চাইলে দ্রু’ত পা’লিয়ে যা, নইলে জ;বাই করে মে’রে ফেলব। এ ঘ’টনায় লুৎফর ও তার প’রিচিতরা চলে আসেন। এ বিষয়ে লুৎফর রহমান মোবাইল ফোনে এসব ঘ’টনার স’ত্যতা স্বী’কার করেন।
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের সাবেক প্রধান মারিও দ্রাঘি শনিবার ইতালির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। খবর বিবিসির।
গত মাসে সরকারের ভাঙনের পর দ্রাঘি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো নিয়ে জোট সরকার গঠন করেছেন।
ইতালির সংসদের সবচেয়ে বড় দল, দ্য ফাইভ স্টার মুভমেন্টের সমর্থন পাওয়ায় দ্রাঘি এখন বৃহৎ পরিসরেও রাজনৈতিক সমর্থন পাচ্ছেন। এর মানে হচ্ছে, এজেন্ডা বাস্তবায়নে এখন যথেষ্ট পরিমাণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা তার রয়েছে।
ইতোমধ্যেই মন্ত্রীসভা ঘোষণা করেছেন দ্রাঘি, ফাইভ স্টার মুভমেন্টের জ্যেষ্ঠ সদস্য লুইগি ডি মাইও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবেই দায়িত্বে চালিয়ে যাবেন।
জনপ্রিয় কট্টর ডানপন্থী দল ‘লীগ পার্টি’র জ্যেষ্ঠ সদস্য জিয়ানকার্লো জিওরগেত্তি শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া মধ্য বামপন্থী দল ‘ডেমোক্র্যাটিক পার্টি’র আন্দ্রেয়া অরল্যান্ডো দায়িত্ব পালন করবেন শ্রমমন্ত্রী হিসেবে। আগামী সপ্তাহে ইতালির সরকারকে আত্মবিশ্বাস ভোটের মুখোমুখি হতে হবে। সমন্বিত দলের সমর্থম পেতে এই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের একজন অভিজ্ঞ অর্থনীতিবিদ ও ব্যাঙ্ক অব ইতালির সাবেক গভর্নর হিসেবে মারিও দ্রাঘিকে ভরসা রাখার মতো ব্যক্তি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে ইতালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ম্যাত্তেও রেনজি বলেন, ‘মারিও দ্রাঘি হলেন সেই ইতালীয় যিনি ইউরোপকে বাঁচিয়েছেন, এবং আমি মনে করি এখন তিনি সেই ইউরোপীয় যিনি ইতালীকে বাঁচাতে পারবেন।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেয়া ‘রিকভারি মানি’ খরচের পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে গত
জানুয়ারিতে পদত্যাগ করেন। তার দল জোট সরকারের সমর্থন হারানোর পর পদত্যাগের ঘোষনা দেন তিনি।
ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে অনেক অনৈতিক কার্যক্রম চলে। পথেঘাটে বেহায়াপনা নির্লজ্জতা দেখা যায়। যেগুলো ইসলাম সমর্থন করে না। কোরআনে আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, যারা মুমিনদের মাঝে অশ্লিলতা কামনা করে, তাদের জন্য আল্লাহ রেখেছেন দুনিয়া ও আখেরাতের যন্ত্রনাদায়ক শাস্তি। -সুরা নূর, আয়াত নং ১৯।
ভালোবাসা দিবসের নামে ইসলামবহির্ভূত কাজ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিবাহের আগে তরুণ-তরুণীদের পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ, কথাবার্তা-মেলামেশা, প্রেম-ভালোবাসা ইসলাম ধর্মে হারাম। তবে কাউকে ভালোবাসতে হলে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ভালোবাসতে হবে। আবার কাউকে ঘৃণা করতে হলেও আল্লাহর জন্য ঘৃণা করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে, হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট শ্রেষ্ঠ আমল হল, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালবাসা এবং তাঁরই সন্তুষ্টির জন্য কারো সাথে শত্রুতা রাখা। -মুসনাদে আহমদ,হাদিস নং ২০৩৪১।
মূলত ভালোবাসা পবিত্র জিনিস। মহান রবের পক্ষ থেকে এক বিশাল নিয়ামতও। এ নিয়ামত না পেলে আল্লাহ বান্দাকে, বান্দা আল্লাহকে, নবীজি উম্মতকে, উম্মতগণ নবীজিকে, পিতা-মাতা সন্তানকে, সন্তানগণ পিতা-মাতাকে ভালোবাসতো না। তাদের মধ্যে আত্মীয়তার নিগূঢ় সম্পর্ক তৈরি হতো না। মানুষ বঞ্চিত হতো বৈধ ভালোবাসার বন্ধন থেকে।
হাদিসে এসেছে, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য কাউকে ভালোবাসল, আল্লাহর জন্য কাউকে ঘৃণা করল, আল্লাহর জন্য কাউকে দান করল এবং আল্লাহর জন্য কাউকে দান করা থেকে বিরত থাকল, সে ব্যক্তি নিজ ঈমানকে পূর্ণতা দান করল। -আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৬৮৩।
মুসলমানদের আনন্দের দিন দু’টি। একটি ঈদুল ফিতর অন্যটি ঈদুল আজহা। এগুলো ছাড়া বাকি উৎসবকে ইসলাম নিষেধ করেছে।
এ প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, খায়বার যাত্রাকালে নবীজি মূর্তিপূজকদের একটি গাছ অতিক্রম করলেন। তাদের নিকট যে গাছটির নাম ছিল ‘জাতু আনওয়াত’। এর উপর তির টানিয়ে রাখা হত। এটা দেখে কতক সাহাবি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলল, হে আল্লাহর রসুল!
আমাদের জন্যও এমন একটি ‘জাতু আনওয়াত’ নির্ধারণ করে দিন। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্ষোভ প্রকাশ করলেন, সুবহানাল্লাহ, এ তো মুসা আ. এর জাতির মত কথা।
আমাদের জন্য একজন প্রভু তৈরি করে দিন, তাদের প্রভুর ন্যায়। আমি নিশ্চিত, আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি, তোমরা পূর্ববর্তীদের আচার-অনুষ্ঠানের অন্ধানুকরণ করবে। – মিশকাত, হাদিস নং ৫৪০৮।
অন্য হাদীছে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে, সে ব্যক্তি সেই জাতিরই একজন বলে গণ্য হবে। -আবু দাউদ হাদিস নং ৪০৩১। তাই ইসলাম ভালোবাসা দিবস পালনের অনুমতি দেয় না। এসব থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেয়।
লেখক : মুহাদ্দিস, খাদিমুল ইসলাম মাদরাসা, কামরাঙ্গীর চর, ঢাকা।
প্রতিবছরই সুপারমুনের দেখা মেলে। ‘চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙ্গেছে, উছলে পড়ে আলো’ এমন রাতের জন্য অনেকেই অপেক্ষায় থাকেন। চলতি বছরে এখনও সুপারমুনের দেখা মেলেনি। তবে মহাজাগতিক নিয়ম মেনে ২৮ মার্চ আবারো চাঁদ পৃথিবীর খুব কাছাকাছি চলে আসবে।
মার্চের শেষে মহাজাগতিক নিয়ম মেনে চাঁদ চলে আসবে পৃথিবীর খুব কাছাকাছি। এটিই হবে ২০২১ সালের প্রথম সুপারমুন। এদিন চাঁদকে দেখা যাবে তার স্বাভাবিক আকৃতি থেকে কয়েকগুণ বড়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এদিন প্রায় ১৪ শতাংশ বড় দেখাবে চাঁদকে।
উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবী থেকে চাঁদের এই নিকটতম অবস্থানকে অনুভূ বা পেরিজি বলা হয়। এসময় চাঁদ পৃথিবী থেকে
৩ লাখ ৫৬ হাজার কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থান করবে। পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪০২ কিলোমিটার। সুপার মুনের ঔজ্জল্য থাকবে স্বাভাবিকের চেয়ে ১২ দশমিক ৫ ভাগ থেকে ১৪ দশমিক ১ ভাগ বেশি।
চাঁদের এই অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগের জন্য পৃথিবীবাসী যেমন প্রহর গুনছেন, তেমনি রয়েছে ‘সুপারমুন’ আতংকও। চাঁদ পৃথিবীর কাছে আসলে প্রতিবারই পৃথিবীতে কোনো না কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে। প্রবল জোয়ারের টানে অনেক সময় ডুবে যায় জাহাজ।
২০১১ সালের ১৯ মার্চ ‘সুপারমুন’ রাতে ইংল্যান্ডের সোলেন্ট সাগরে ভাসমান ৫টি বড় জাহাজ কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই সাগরের অতল গহ্বরে তলিয়ে যায়।
সৌদি আরবে কোভিড-১৯ এ সনাক্তের হার বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ দিনে মোট ৫২ টি মসজিদে সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
কোভিড-১৯ সংক্রমনরোধে নতুনকরে ৮ মসজিদে নামাজ আদায় সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়।
সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, কোভিড-১৯ রোধে সৌদিতে ৫২টি মসজিদ বন্ধ করা হয়েছে।
এর মধ্যে ৩৮ টি মসজিদে জীবণুমুক্তকরণসহ মুসল্লিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষামূলক সব ধরনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।করোনা মহামারিরোধে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মসজিদের সার্বিক পরিস্থিতি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা মূলক সব কার্যাক্রম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মসজিদে প্রবেশকারী মুসল্লিদের তাপমাত্রা পরিমাপ করা হচ্ছে।এছাড়াও স্বাস্থ্য বিষয়ক জনসচেতনতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইসলামের শিক্ষার আলোকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
সুস্থ হয়েছেন তিন লাখ ৬২ হাজার ৯৪৭ জন। মারা গেছেন ছয় হাজার ৪২৪ জন।সূত্র : সৌদি গেজেট।
অস্ট্রেলি;য়ার ;সি;ডনিতে মা;ছ শি;কা;র করতে গিয়ে ঢেউয়ের ধা;ক্কায় মাহাদী খান (৩৩) ও মোজাফফর আহমেদ (৪২) নামে দুই বাংলাদেশি মা;রা গে;ন।শুক্রবার স্থা;নীয় সময় বি;কেল দে;শটির পো;র্ট ক্যা;ম্বেলার হি;ল সিক্স;টিতে এই দু;র্ঘ;টনা ঘটে। এই ঘ;টনায় আরো এক বাংলাদেশি আ;হ;তা;বস্থায় হা;সপাতালে র;য়েছেন।
জানা গেছে, পোর্ট ক্যাম্বেলার হিল সিক্স;টিতে দাঁড়িয়ে ;মা;ছ ধ;রছি;লেন তারা। এ সময় আচমকা সমুদ্রের ঢেউয়ের ধা;ক্কা;য় মাহাদী পানিতে পড়ে গেলে অপর দুই বন্ধু তাকে র;ক্ষা;র জন্য প্রা;ণ;প;ণ চে;ষ্টা ক;রে; ব্য;র্থ হয়।
দেশ;টির এনএ;সডব্লিউ পুলি; জানায়, উদ্ধা;রকারীরা মাহাদী খানকে সি;পিআর দেয়ার সময় ঘটনাস্থলেই ;মা;রা; যান তিনি এবং মোজাফফর আহমেদকে গুরুতর আহত অবস্থায় উলঙ্গং হাসপাতালে নেয়ার পর তা;র ;মৃ;ত্যু হয়।
তৃতীয়জন রহমান এখনো হাসপাতালে আছেন। তবে পুলিশ রহমান সম্পর্কে কোনো তথ্য বাংলাদেশি কমিউনিটিকে জানায়নি।তারা সিডনির ল্যাকেম্বা ও ওয়ালি পার্কের বাসিন্দা। মাহাদী ও মোজাফফর দু’জনই সিডনির ল্যাকেম্বা এলাকায় ব্যবসা করতেন।
স্থানীয় কমিউনিটি সূত্রে জানা গেছে, ত্রিশোর্ধ্ব মাহাদী মাছ শিকারের ক্ষেত্রে বড় র;কমের আ;স;ক্তি ছিল। সপ্তাহে দুই একবার তিনি বি;ভিন্ন সৈ;কতে মা;ছ ধরতে যে;তেন। ল্যাকে;ম্বায় তাদের; ‘মাহি হা;লাল বু;চারি শপ’ ও ‘ঘ;রোয়া কিচেন’ নামে পারি;বারিক ;ব্যবসা রয়েছে।
মাহাদী গত বছর বিয়ে করেছেন ও তার স্ত্রী জান্নাত বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। করোনার কারণে এখনো সিডনিতে আসেননি। মাহাদী ল্যাকেম্বায় তার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতেন। তার দেশেরবাড়ি মুন্সীগঞ্জে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাহাদীর আগে থেকেই শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল এবং তিনি সাঁতারও জানতেন না।
চল্লি;শোর্ধ মোজা;ফফর আহ;মেদ সিডনির ল্যাকেম্বায় ‘ডেইলি শপিং’ গ্রো;;সারি ;শপে কাজ করতেন। তিনি সিডনির ওয়ালি;পা;র্কে বসবাস করতেন এবং তার দেশে;রবাড়ি ফেনীতে। সে বন্ধু মাহাদী;কে রক্ষা করতে যেয়ে ঢেউয়ের কারণে পাথ;রের সঙ্গে ধা;ক্কা খায়। মা;থায় আ;ঘা;ত পেয়ে অ;তিরিক্ত র;ক্ত;ক্ষ;রণে তার মৃ;ত্যু হয়।
পুলিশে;র মাধ্য;মে মাহা;দীর মৃ;;ত্যুর সং;বাদ পাও;য়ার; পর তার; বাবা আ;করাম হো;সেন হার্ট অ্যা;টা;ক করেন।মরদেহ দুইটি ম;য়;না;তদ;ন্ত শেষে পরিবা;রের ;কা;ছে হ;স্তা;ন্ত;র করার পর তাদের জা;না;জার সময় জা;নানো হবে। দুই জনের ;মৃ;ত্যু;তে সি;ডনির বাং;লাদে;শি কমিউনি;টিতে শো;কে;র ছা;য়া নে;মে এসেছে।
মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন সংক্রমণ রোধে নতুন নির্দেশনা জারী করেছে ওমান সুপ্রিম কমিটি। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত দেশটির সুপ্রিম কমিটির এক জরুরী বৈঠক এই নির্দেশনা জারী করা হয়।
এতে বলা হয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১২ টা থেকে ওমানে আগত সকলের জন্য ৭ দিনের হোটেল বুকিং কনফার্ম থাকতে হবে। পূর্বের হোম কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম বাতিল করে সকলের জন্য বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন আইন জারী করা হয়েছে।
সেইসাথে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের খরচ নিজেদের বহন করতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়। যাত্রীরা মাস্কাট এয়ারপোর্টে যেয়েও হোটেল বুকিং করতে পারবেন, তবে এতে খরচ বেশি হবে।
ওমানের বেশকিছু হোটেলের কথা উল্লেখ করেছে দেশটির সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। মাস্কাটের মধ্যে ৬ টি হোটেলের তালিকা প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়।
হোটেলগুলো হচ্ছেঃ
১, সুইচ বেল-ইন মাস্কাট।
২, ইবাইস।
৩, সিকিউর ইন।
৪, শেরাটন।
৫, টিউলিপ ইন।
৬, সামারসেট প্যানারমা মাস্কাট।
মুসান্দাম গভর্নর:
১, দিব্বা বিচ হোটেল।
২, খাসাব হোটেল।
ধোফার/সালালাহ অঞ্চলের জন্য “আলফা হোটেল সালালাহ”।
বুরাইমি অঞ্চলের জন্য বুরাইমি এরিনা হোটেল।
আল দাখেলিয়াহ অঞ্চলের জন্য আল দিয়ার হোটেল।
দক্ষিণ আশ শারকিয়াহ অঞ্চলের জন্য সুর বীচ হোটেল।
দক্ষিণ আশ শারকিয়াহ অঞ্চলের জন্য সুর বীচ হোটেল।
উত্তর আল বাতিনা অঞ্চলের জন্য মারকিউস হোটেল সোলার।
এ ছাড়াও আগত যাত্রীরা ওমানের যেকোনো অঞ্চলের হোটেল বুকিং করতে পারবেন বলে জানিয়েছে ওমানের সিভিল এভিয়েশন। সে জন্য অঞ্চল এবং হোটেলের উপর নির্ভর করবে খরচের পরিমাণ।
তবে ওমানের কয়েকটি হোটেলের সাথে প্রবাস টাইমের পক্ষথেকে খোজনিয়ে জানাগেছে, ৭ দিনের কোয়ারেন্টাইনের জন্য আনুমানিক একজন প্রবাসীকে সর্বনিম্ন ১০০ থেকে ৩০০ রিয়াল পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
হোটেলের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্যের জন্য প্রবাসীরা নিজনিজ ট্রাভেল এজেন্সি অথবা ওমানের কোনো হোটেলে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। তবে মনে রাখতে হবে, আগামী ১৫-ফেব্রুয়ারি রাত ১২ টার পর যারাই ওমান প্রবেশ করবেন, তাদের অবশ্যই ৭ দিনের হোটেল বুকিং দেখাতে হবে এয়ারপোর্টে।
এদিকে ওমানে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ওমানে করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেনে আক্রান্ত সন্দেহভাজন ২০০ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষার ফলাফল জানা যাবে বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের এপিডেমিওলজিকাল বিভাগের পরিচালক ডা. আদেল আল-ওয়াহাইবি ওমান টিভিতে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেনে আক্রান্ত ২০০ জন সন্দেহভাজন রোগীর নমুনা নেয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তাদের ফলাফল হাতে পাওয়া যাবে।‘
আল ওয়াহাইবি আরো জানান, ‘করোনায় আক্রান্ত রোগীদের মতোই নতুন স্ট্রেনের সংক্রমিত রোগীদের কোয়ারেন্টাইনে
রাখা হয়েছে। তাদের নমুনা নেয়া হয়েছে। নমুনার ফলাফল হাতে পেলেই জানা যাবো তারা করোনার নতুন স্ট্রেনে আক্রান্ত কিনা।’
সাম্প্রতিক সময়ে, ওমানে করোনায় সংক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে ডঃ আল ওয়াহাইবি জানিয়েছেন যে, ‘বর্তমানে দেশটির তরুণ নাগরিকদের সংক্রমণের সংখ্যা বাড়েনি। হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তির সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে যাওয়া অবশ্যই উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তবে সকলে সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণের হার কমে আসবে।’
আল ওয়াহাইবি দেশে করোনা ভ্যাকসিন টিকা দেওয়ার বিষয়ে জানিয়েছেন যে, ‘‘দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই বছর প্রথমার্ধে ২০ শতাংশ জনগণকে টিকা দেয়ার লক্ষ্য কাজ করে যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে এই বছরের মাঝামাঝির মধ্যে আমরা আমাদের লক্ষ্যে উপনীত হতে পারবো।” সূত্র: গাল্ফ নিউজ
মো.শরীফ উদ্দিন, দক্ষিণ আফ্রিকা: চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লুমফন্টেইনের আলী জামান চৌধুরী মানিক, কেপটাউনের মিজানুর রহমান এবং জোহানসবার্গের নাসের উদ্দিন সহ ৩ বাংলাদেশি সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয়েছে। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মানিকের মৃত্যু হয়। জানাযায়, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রি-স্টেট প্রদেশের ব্লুমফন্টেইনে বাড়ীর আঙ্গিনায় আফ্রিকান স্ত্রী সামনে বসে থাকা অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার সময় অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত হয় মানিক। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থেকে বৃহস্পতিবার ১১ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মানিকের মৃত্যু হয়।
নিহত মানিকের দেশের বাড়ি নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার আলাইয়ার পুর ইউনিয়নের হাসান আলী ডাক্তার বাড়ীর নুরুল চৌধুরীর ছেলে। তিনি ২০০২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় এসে বসবাসের জন্য সিটিজেনশীপ পেয়েছেন।
এদিকে কেপটাউনের কায়লিসা এলাকায় সোমবার (১ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত হন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান। তার দেশে বাড়ি নোয়াখালী বলে জানা গেছে।
মিজানুর রহমানকে টার্গেট করে অজ্ঞাত ব্যক্তির ছোড়া চারটি গুলি শরীরে বিদ্ধ হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এছাড়াও জোহানসবার্গের পাইনটাউনে শনিবার ৬ফেব্রুয়ারি সন্ধা ৮টার সময় নাসির উদ্দিনের নিজ দোকানে ডাকাতদল হামলা চালায়। এসময় ডাকাতের ছোড়া গুলিতে পেট ও হাতে দুই জায়গায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তিনি জোহানসবার্গের বারাঘোনাথ হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়ে গতকাল বুধবার রিলিজ হয়ে বাসায় ফিরেছেন। তিনি ভালো আছেন। ডাক্তার বলেছে তিনি আশষ্কামুক্ত। তার দেশের বাড়ী নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।
চলতি বছর জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় ৬ বাংলাদেশি খুনের মধ্যে ৫জন নোয়াখালীর জেলার।