তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ সোমবার ঘোষণা করেছে যে, মন্ত্রী মেভলুত ক্যাভোগোগলু আগামীকাল, মঙ্গলবার উপসাগরীয় দেশ সফর শুরু করবেন, যার মধ্যে কুয়েত, ওমান ও কাতার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, মিঃ দাভুতোগলু তিন দিনের এই সফরের সময় সেসব দেশের প্রতিপক্ষ এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবেন।
তিনি আরও যোগ করেছেন যে তুরস্কের মন্ত্রী তার সহযোগীদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন এবং তিনি এই দেশগুলির তুর্কি ব্যবসায়ীদের সাথেও সাক্ষাত করবেন। সুত্রঃ আন্দালো এজেন্সি।
কুয়েতের করোনা বিষয়ক স্বাস্থ্য প্রয়োজনীয়তা প্রয়োগকারী দলের প্রধান অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-আলি “স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তা মেনে চলার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন, তিনি বলেন, বুদ্ধিমান ব্যক্তি নিজেই একজন চিকিৎসক, যা রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে পারে ।
আজ সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারী) আরবী দৈনিক আল রায়ের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে কুয়েতি নাগরিক ও প্রবাসীদের উদ্দেশ্য করোনাভাইরাসের স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ৪টি বার্তা প্রেরণ করেছেন:
১ – স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তাগুলি মেনে চলার গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা, কারণ সবাইকে ভয়ঙ্কর রোগ থেকে মুক্ত থাকে হবে, যে মহামারীকে গোটা মোকাবেলা করতেছে, সর্বোপরি স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তাগুলি মেনে চলা হল, রোগ থেকে নিজেকে রক্ষা করা ।
২- সরকার গৃহীত সিদ্ধান্তগুলি বিস্ময়কর নয়, মহামারীটি শেষ হয়ে গেছে বলে তারা বিবেচনা করার পরে শেষ সময়কালে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় ও আরব দেশে করোনা সংক্রমণ বেঁড়ে গেছে, তাই আবারো বন্ধের প্রথম স্কোয়ারে ফিরে এসেছে সব দেশ, তবে নিষেধাজ্ঞাসমূহ নিষ্ঠুর, কিন্তু সরকারের লক্ষ্য স্পষ্ট: জনগণকে রক্ষা করা।
৩- প্রয়োজনীয় সতর্কতা এবং প্রতিরোধের প্রয়োজনীয়তাগুলির সাথে নাগরিক এবং বাসিন্দাদের সম্মতি তাদেরকে এবং তাদের পরিবারকে রক্ষা করতে এবং তাদের উপর আইনী শাস্তি প্রয়োগের অপেক্ষা করতে চাই না, কারণ বুদ্ধিমান ব্যক্তি নিজেই একজন চিকিত্সক, কারণ অবহেলা করলে ফিরে আসে বন্ধ, স্থগিতকরণ, নিষেধাজ্ঞা এবং অন্যান্য ব্যয়বহুল এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্লান্তিকর সব পদক্ষেপ ।
৪- প্রত্যেককে অবশ্যই এই ভাইরাসের বিস্তার দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করতে এবং এটিকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করার জন্য সামগ্রিকভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় এবং রাজ্যের প্রচেষ্টাকে সম্পূর্ণরূপে মেনে চলতে হবে এবং সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা আমাদের শক্তি ।
মহামারি করোনা ভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও ১৬ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ২২১ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৩১৬ জনের শরীরে। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত দাঁড়াল ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৩৭৮ জন।
সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে করোনাভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।সংস্থার অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৫৫৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৯৩১ জন।
এর আগে রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) দেশে আরও ২৯২ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে মারা যান ১৫ জন।এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৭৭ হাজার ৩৭২ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ২৩ লাখ ২৬ হাজার ৮১৯ জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সাত কোটি ৮৩ লাখ ৭৫ হাজার ৪৩৩ জন।করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন দুই কোটি ৭৬ লাখ ১১ হাজার ৪০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে চার লাখ ৭৪ হাজার ৯৩৩ জনের।আক্রান্তে দ্বিতীয় ও মৃত্যুতে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে এখন পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছেন এক কোটি আট লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৩ জন এবং মারা গেছেন এক লাখ ৫৫ হাজার ১১৪ জন।আক্রান্তে তৃতীয় এবং মৃত্যুতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত করোনায় ৯৫ লাখ ২৪ হাজার ৬৪০ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ৩১ হাজার ৫৬১ জনের।আক্রান্তের দিক থেকে রাশিয়া চতুর্থ স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ লাখ ৬৭ হাজার ২৮১ জন। ভাইরাসটিতে মারা গেছে ৭৬ হাজার ৬৬১ জন।আক্রান্ত ও মৃত্যুর হিসাবে যুক্তরাজ্য বিশ্বে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৯ লাখ ৪৫ হাজার ৬৮০ জন। এর মধ্যে মারা গেছে এক লাখ ১২ হাজার ৪৬৫ জন। এদিকে আক্রান্তের তালিকায় ফ্রান্স ষষ্ঠ, স্পেন সপ্তম, ইতালি অষ্টম, তুরস্ক নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান ৩১তম।গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার)-এর
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে অসংখ্য মসজিদের মাঝে সবচেয়ে আকর্ষণীয় সিদ্দিকা ফাতিমা জাহরা মসজিদ। নান্দনিক এই মসজিদটি কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটস্থ দাহিয়া আবদুল্লাহ মোবারক শহরে অবস্থিত। দেশটির ব্যস্ততম সড়ক ৭ নম্বর থেকে এই মসজিদটি দেখলে হুবহু তাজমহল মনে হবে।
এটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে এবং শেষ হয় ২০১১ সালের জুন মাসে। পুরো অঞ্চলটি ৩২০০ বর্গমিটারে বিস্তৃত, এখানে ৪ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন। নারীদের জন্য রয়েছে আলাদা সুব্যবস্থা। মসজিদটিতে ২২ মিটার উচ্চতা ও ১৬ মিটার প্রশস্তের একটি গম্বুজ, ৪২ মিটার উচ্চতার ৪টি মিনার আছে।
মিনারগুলি এবং গম্বুজটি পিতলের ক্রিসেন্ট দিয়ে সজ্জিত। ভারতের তাজমহল সাদা হলেও সিদ্দিকা ফাতিমা জাহরা মসজিদটি ইরান থেকে প্রাপ্ত সাদা ও হালকা বাদামী মার্বেলের সংমিশ্রণ। ইরান ও ভারতীয় কারিগররা এতে ডিজাইনের জন্য কাজ করেছিলেন।
এছাড়া মসজিদের কাছে একটি গ্রন্থাগার, পুরুষ-মহিলাদের জন্য পৃথক সম্প্রদায় কেন্দ্র ও একটি দেওয়ানিয়া রয়েছে। একই সাথে এখানে এমন উদ্যান রয়েছে, যেখানে প্রায় ১০০০ গাড়ি রাখা যেতে পারে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই মসজিদটির শৈলীতে তাজমহলের মতো করে নকশা করা হয়েছে।
মসজিদটির একদিকে যেমন সারি সারি দালানকোঠা অন্যদিকে বিস্তৃর্ণ মরুভূমি দ্বারা সজ্জিত। অভ্যন্তরে দেওয়ালগুলি পবিত্র কুরআন থেকে শিলালিপি খোদাই করেছে। যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো অন্যান্য দেশে
তাজমহলের অনুলিপি থাকা সত্ত্বেও বলা হয় যে কপিরাইটের সমস্যাগুলি এড়াতে নির্মাতারা কুয়েতে ভারতীয় দূতাবাসের কাছ থেকে অনুমতি নিয়েছিলেন।
জানা গেছে, মসজিদটি কুয়েতের প্রাক্তন সংসদ সদস্য হাসান জওহরের মস্তিষ্কে নির্মিত। যিনি এটি নির্মাণের জন্য প্রায় ২.২ মিলিয়ন কুয়েতি দিনার সংগ্রহ করেছিলেন।
দূর থেকে মসজিদটি একটি আকর্ষণীয় স্থানও বটে এবং সন্দেহ নেই যে তাজমহলের একটি অনুলিপি। এটা ধর্মীয় উপাসনালয় হলেও মুসলমানদের সাথে অমুসলিমরাও ছবি তোলার জন্য এখানে থামেন। মসজিদে প্রবেশ করতে দর্শনার্থীদের একাধিক সুরক্ষা চেকের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
বাংলাদেশি নাগরিকদের উপর থেকে ‘ভিসা নিষে;ধাজ্ঞা’ শিথিল করছে দক্ষিণ কোরিয়া। শনিবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটিতে থাকা বাংলাদেশ দূতাবাস।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্তের সংখ্যা কমে যাওয়ায় দেশটির সরকার বাংলাদেশের নাগরিকদের উপর আরোপিত ভিসা নিষে;ধাজ্ঞা এই সপ্তাহ থেকে শিথিল করতে যাচ্ছে বলে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ফলে শিক্ষার্থীহসহ ইপিএস কর্মীরা দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার জন্য ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের মাত্রা আবার বেড়ে গেলে এই ভিসা নিষেধাজ্ঞা বলবত থাকবে বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
তাই দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার আগে করোনা শনাক্তে নমুনা পরীক্ষার সময় এবং এ সংক্রান্ত সনদ সংগ্রহে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বল করার আহবান জানিয়েছে দূতাবাস।
ওমানে চলতি বছর থেকে কোনো প্রবাসী চাকরী পরিবর্তন করতে চাইলে এনওসির প্রয়োজন হবে না এমন ঘোষণা দিলেও তা কার্যকর হতে কিছুটা সময় লেগেছে। যে কারনে এতদিন ওমান প্রবাসীরা চাইলেও এনওসি বাতিলের সুবিধা গ্রহণ করতে
পারেন নি। তবে এখন থেকে প্রবাসীরা চাইলেই এই সুযোগ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছে দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রবাসীরা এনওসি ছাড়াই চাকরী পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে শ্রম মন্ত্রণালয়ে প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে এই কাজ কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল। টাইমস অফ ওমানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি
বলেন, “শ্রম মন্ত্রণালয়ের অনলাইন পরিসেবায় যে সমস্যা হয়েছিলো, তা সংশোধন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রবাসীরা চাইলে চাকরী পরিবর্তনের জন্য আবেদন করতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন এই কর্মকর্তা।
রয়্যাল ওমান পুলিশের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে টাইমস অব ওমান জানিয়েছে, “আরওপি নিয়ম অনুসারে এনওসি বাতিলের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত জারি করেছিল তা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। তাই কোনো প্রবাসী কাজের চুক্তি পরিবর্তন করতে চাইলে অবশ্যই প্রথমে শ্রম মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন নিতে হবে।”
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “চাকরি পরিবর্তন করা প্রবাসীদের ভিসার সাথে সংযুক্ত নয়, বরং কর্মসংস্থান চুক্তির সময়কালের সাথে সম্পর্কযুক্ত। ওমানের কয়েকটি সংস্থা তিন থেকে ১২ মাসের চুক্তি সম্পাদন করে। প্রযুক্তিগত ভাবে, এই সময়সীমাটি শেষ হওয়ার পরেই প্রবাসীরা অন্য সংস্থায় যোগ দিতে পারবেন।
দেশটির সরকারী যোগাযোগ কেন্দ্রের নথি অনুসারে প্রবাসীদের চাকরির চুক্তিতে একটি ‘অ প্রতিযোগিতামূলক ধারা’
অন্তর্ভুক্ত থাকে। তাই তাদের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগকারী বা চাকরী পরিবর্তন করতে পারবেন না বলেও উল্লেখ করা হয়। অর্থাৎ যে সকল প্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে, তারা চাইলে এখন এনওসি ছাড়াই মালিক পরিবর্তন করতে পারবেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতিদিন কী পরিমান শ্রমিক ঢুকছেন হিসেব জানা নেই।ভিজিট ভিসায় এসে শ্রম মন্ত্রণালয় থেকে লেবার ভিসা নিচ্ছেন।
কিন্তু এখানে কাজের বাজার খুবই মন্দা।দুবাই এয়ারপোর্ট থেকে একটু দূরে এক সুন্দর চেহারার যুবককে কান্না করতে দেখে এগিয়ে গিয়ে জানলাম, বাংলাদেশ থেকে এসেছে।
কিন্তু এখানে কাজ নেই, একদিন যাবত উপোস আছে। কিন্তু দেশে ফিরে গিয়েও লাভ নেই।তাই পাগলের মত কাজ খুজছে। সামান্য দিরহাম তাকে দিয়ে চলে এলাম।যারা দেশে আছেন থাকেন।প্লিজ খুব কষ্ট হয় বিদেশ বিভুইয়ে এসে এভাবে অসহায় অবস্থায় দেখলে।
দুই লক্ষ টাকা ব্যয় করে দুবাই না এসে বাংলাদেশে পঞ্চাশ হাজার টাকা দিয়ে বিজনেস শুরু করুন ভালো থাকবেন।
দুবাই, শারজাহ, আজমান যেখানেই গিয়েছি চোখে পড়েছে কর্মহীন বাংলাদেশি যুবকদের হাহাকার, কাজের জন্য।প্লিজ দয়া করে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে না আসলেই ভালো হবে।
(সাইমুম সাদীর ওয়াল থেকে)
তবে এরপরেও যারা সংযুক্ত আরব আমিরাতে যেতে চান তারা পড়ুন… সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিজিট ভিসায় যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য দশটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ
মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে যারা ভিজিট/ভ্রমণ ভিসায় যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কিছু পরামর্শ।
আশা করি তথ্যগুলো কারো না কারো উপকারে আসবে।
1.ভিজিটে আসার আগে দেশে কোন না কোন হাতের কাজ শিখে আসবেন।আগে থেকে বেসিক জানা থাকলে এখানে সহজেই কাজ রপ্ত করতে পারবেন।
2.ভিজিটে আসার আগে কাজ /কাজের ভিসা কোথায় লাগাবেন তা ঠিক করে আসবেন।কারণ শুধু ভিজিটে এসে কাজ খুঁজে বাহির করা অত সহজ না বাংলাদেশীদের জন্য।’
না হয় বড় বি;প’দে পড়বেন।
3.হাতে কমপক্ষে এক মাস চলার খরচ সাথে রাখবেন।
4.এ দেশের আইন-কানুন সম্পর্কে লোকজন/ইন্টারনেট থেকে জেনে নিয়ে আসবেন।
5.শেয়ারিং রুমে অর্থাৎ ৭/৮ জন কিংবা তার বেশি লোকের সাথে রুমে থাকার মানসিকতা নিয়ে আসবেন।
6.দেশে ব্যাংকে একটা একাউন্ট করে আসবেন নিজের ভবিষ্যতের চিন্তা করে। তাতে পরে কিছু অর্থ জমা করবেন প্রতিমাসে।
7.হিন্দির পাশাপাশি সাধারণ বেসিক ইংরেজি জেনে আসা ভাল। আরবি জানা থাকলে আরো ভাল।
8.ভিজিট ভিসার মেয়াদ দেখে টাকা পয়সা লেনদেন করবেন।অনেকে ৩ মাসের টাকা দিয়ে ১ মাসের পেয়েছেন বলে জেনেছি।
9.পাসপোর্টের পর্যাপ্ত মেয়াদ রেখে ভিসা প্রসেস করতে দিবেন। না হয় করোনার মাঝে এখানে রিনিউ করতে লম্বা ঝামেলায় পড়বেন।
10.দেশে মাস্ক/সামাজিক দুরত্ব নিয়ে ঝা’মেলা না থাকলে ও এদেশে অনেক কড়াকড়ি।
চলতে ফিরতে অবশ্যই মাস্ক/সামাজিক দুরত্ব মেনে চলার মানসিকতা নিয়ে আসবে।
বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও গত ১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্য়ন্ত যুক্তরাজ্য থেকে এক হাজার ৩৯৪ জন প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। তাদের কেউ ১৫দিন, কেউ সাতদিন আবার কেউবা চারদিন
কোয়ারেন্টাইনে থেকে বাসায় ফিরেছেন। শুরুর দিকে সরকারি কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা হলেও পরবর্তীতে তাদের নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত ১৭টি আবাসিক হোটেলে কোয়ারেন্টাইনে থাকার সুযোগ দেয়া হয়।
এদিকে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ২৪ ঘণ্টায় (৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত) বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ৩০টি ফ্লাইটে পাঁচ হাজার ৬৪৭ জন যাত্রী বাংলাদেশে এসেছেন। তাদের
মধ্যে পাঁচটি ফ্লাইটে যুক্তরাজ্যফেরত নতুন ৪১ জনকে সাতদিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। অবশিষ্ট পাঁচ হাজার ৬০৬ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. পাবন ধর এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় দুবাই থেকে আগত ইকে-৫৮২ ফ্লাইটের দুইজন, দোহা থেকে আগত কিউআর-৬৪০ ফ্লাইটের নয়জন, ইস্তাম্বুল থেকে আগত টিকে-৭১২ ফ্লাইটের ২৭জন, আবুধাবি থেকে আগত ইওয়াই-২৪০ ফ্লাইটে
একজন, দুবাই থেকে আগত এফজেড ৫৮৩ ফ্লাইটের দুইজনসহ মোট ৪১জনকে আশকোনা হজক্যাম্পে পাঠানো হয়। পরে তাদের পছন্দ মাফিক সরকার নির্ধারিত আবাসিক হোটেলে সাতদিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়।’
উপসাগরীয় দেশ আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ের ব্যস্ততার দিকে তাকালে মনে হবে করোনাভাইরাস মহামারি কোনো প্রভাব ফেলেনি সেখানে।
কারণ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শহরটিতে পর্যটকদের রীতিমতো ঢল নেমেছে।সিএনএন জানায়, ইউরোপে দেশে দেশে তীব্র ঠান্ডা এবং কঠোর লকডাউন থেকে রেহাই পেতে মানুষ ছুটি কাটাতে চলে আসছে দুবাইতে।
গত বছরের শেষ থেকে লাখো পর্যটকের চাপ পড়ে শহরটিতে। ভাইরাস সংক্রমণ রোধে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সেটি ব্যর্থ হয়।
ফলে নভেম্বর থেকে শনাক্ত বেড়েছে চারগুণ।আমিরাতের শহরটিতে করোনার সংক্রমণ আগ্রাসী রূপ নিলেও ইনস্টাগ্রামে সেলিব্রিটিদের ছবিতে সেটি দেখাচ্ছিল শীতকালীন সূর্যের আলোর এক স্বর্গভূমি।