যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জ্যামাইকা এলাকার হিল সাইড অ্যাভিনিউয়ের নিজ বাসা থেকে ২১ বছর বয়সী জিমাম চৌধুরী নামে এক বাংলাদেশি তরুণের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
নিহতের বন্ধুরা জানিয়েছেন, রোববার সন্ধ্যায় জিমামের বাসার দরজায় অনেকবার ধাক্কা দিয়ে এবং মোবাইলে যোগাযোগ করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে জানান তারা। পরে পুলিশ এসে জিমামের লাশ উদ্ধার করে।নিউইয়র্কের জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জেড চৌধুরী জুয়েলের একমাত্র ছেলে জিমাম। জুয়েল ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্য বর্তমানে বাংলাদেশে আছেন।
নিহতের আত্মীয় রহমান মাহবুব বলেন, খবর পেয়ে জুয়েলের বাসায় আসলাম এখন। এসে দেখি জিমামের বন্ধুরা পুলিশে খবর দিয়েছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার আগ পর্যন্ত মৃত্যুর কোনো কারণ জানা যাচ্ছে না। তিনি আরও বলেন, জিমাম তার পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশে গিয়েছিল। কয়েক দিন আগে একা নিউইয়র্কে ফিরে আসেন তিনি।
মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে থাকা শ্রমিকদের চারটি খাতে বৈধতা দিতে ‘আনডকুমেন্টেড মাইগ্রেন্ট রিক্যালিব্রেশন প্ল্যান’ প্রোগ্রাম চলামান রয়েছে যা চলবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত। আর এই প্রক্রিয়ায় বৈধ হতে নতুন পাসপোর্টের আবেদন বৃদ্ধি পেয়েছে আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি।
গত তিন মাসে ডাকযোগে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার পাসপোর্টের আবেদন জমা পড়ে হাইকমিশনে। প্রবাসীদের পাসপোর্ট সরবরাহ সচল রাখার প্রয়াসে এই বৈশ্বিক মহামারিতেও মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের পাসপোর্ট শাখার কর্মকর্তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সবগুলো পাসপোর্টের আবেদন সার্ভারে লিপিবদ্ধ করেন। যা বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সকল দূতাবাসের যে কোন সময়ের তুলনায় সর্বোচ্চ।স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই পাসপোর্ট সেবা প্রদান করতে গিয়ে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের ১০ থেকে ১২ জন কর্মকর্তা, কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এরপরও যথা সময়ে প্রবাসীদের পাসপোর্ট হাতে পৌঁছে দিতে হাইকমিশন বদ্ধপরিকর। এই কম সময়ে এতো বেশি পাসপোর্ট সার্ভারে লিপিবদ্ধ করে রেকর্ডও গড়েছে মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।এ বিধিনিষেধের মধ্যেই পাসপোর্ট কার্যক্রম সময়োপযোগী করতে অ্যানালগ থেকে অনলাইনের মাধ্যমে ডিজিটালাইজেশন করা হয়েছে। সেই সাথে পাসপোর্ট বিতরণে অনলাইন বুকিং সিস্টেমসহ পাসপোর্ট সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা সমাধানের বিষয়টি সহজ করা হয়েছে।এছাড়া এ বিপুল সংখ্যক পাসপোর্ট ঢাকা হতে এনে কম সময়ের মধ্যে ডেলিভারি প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে কোন প্রকার দালালের প্ররোচনায় পড়ে প্রতারিত না হয়ে সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের হাইকমিশনের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে যথাসময়ে পাসপোর্ট সেবা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন।এদিকে, মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের পাসপোর্ট ও ভিসা শাখার প্রধান মো. মশিউর রহমান তালুকদার সময় সংবাদকে জানান, প্রবাসীদের পাসপোর্ট প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনা মহামারিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দূতাবাসের কর্মীরা পাসপোর্ট বিতরণ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি প্রবাসীদের দ্রুত পাসপোর্ট ডেলিভারি দিতে ইতোমধ্যে হাইকমিশনে বেশ কয়েকজনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং আরো লোকবল নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ইতালির রাজনীতিতে আসতে পারেন নতুন মুখ। নতুন প্রধানমন্ত্রী! বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রেসিডেন্ট সের্জিও মাত্তারেল্লোর সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন অর্থনীতিবিদ ও সেন্টাল ব্যাংক অব ইউরোপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ‘মারিও দ্রাঘি’।
তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপের সেন্টাল ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ও ২০০৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ইতালির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ছিলেন। প্রেসিডেন্ট সের্জিও মাত্তারেল্লো তাকে নতুন শক্তিশালী সরকার গঠনের জন্য সময় দিলে, তিনি সেই সুযোগ গ্রহণ করে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবেন। তবে প্রেসিডেন্ট দেশের স্বার্থে একটি জাতীয় শক্তিশালী সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে চান বলে জানিয়েছেন। করোনাকালীন এই অর্থনৈতিক দূরাবস্থার মধ্যে আরেকটি জাতীয় নির্বাচন তিনি চান না বলে জানিয়েছেন। তাই জাতীয় স্বার্থে তিনি সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন। মারিও দ্রাঘি ইতালির ও ইউরোপের অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে সুপরিচিত মুখ। তিনি টানা ৮ বছর সেন্টাল ব্যাংক অব ইউরোপের কর্তাব্যক্তি ছিলেন। ২০১২ সালের দিকে ইউরো জোনের ক্রাইসিসকে তিনি যেভাবে মোকাবিলা করে ছিলেন তা অনেকের নিকট প্রশংসার দাবি রাখে। তবে তার নেওয়া অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অনেক সমালোচকও রয়েছে ইউরোপ জুড়ে। এবার দেখার বিষয় তিনি কিভাবে সামাল দিবেন ইতালির ভঙ্গুর পার্লামেন্টকে।
একপাশে এখনো তার প্রতিদ্বন্দ্বী সদ্য পদত্যাগী জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে। সাধারণ মানুষের নিকট তিনিই এই সময়ের সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে বিরোধী দলীয় নেতা মাতায়ো সালভেনী এ যাবৎ কালের জনপ্রিয় বিরোধী রাজনৈতিক নেতা। এমন একটা চাপের মধ্যে থেকে সম্ভাবনাময় শক্তিশালী সরকার গঠন করা ও সকলের নিরঙ্কুশ স্বমর্থন লাভ করতে পারা হবে মারিও দ্রাঘির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
২০২১ সালের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৯৬ কোটি ২৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা গত বছরের জানুয়ারি মাসের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি। গত বছরের জানুয়ারি মাসে প্রবাসীরা দেশে ১৬৩ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
এর আগে সদ্য বিদায়ী বছরের ৩০ ডিসেম্বর দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ায়। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নভেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ ৪২ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছিল।
সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪২ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারে। যা আবারও ৪৩ বিলিয়ন ডলার ছুঁই ছুঁই। প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসাব ধরলে এ রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে দশ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় জমির বিরোধে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় শামীম আহমদ নামে এক দুবাই প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামে শামীমের চাচাতো ভাই সুফিয়ানদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। বাড়ির পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে চলা বিরোধ মঙ্গলবার চরম আকার ধারণ করে। এক সময় উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুত্বর আহত হন শামীম।
পরে স্থানীয়রা শামীমকে উদ্ধার করে কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ রায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে জানান, এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
দেশের ১৫টি সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মাধ্যমে বিদেশ গমনেচ্ছু যাত্রীদের করোনাভাইরাস পরীক্ষা নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত মোট পাঁচ লাখ ২ হাজার ৬৭৫ জন বিদেশ গমনেচ্ছুর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় চার হাজার ৪২০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
আজ বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মোট পাঁচ লাখ দুই হাজার ৬৭৫ জনের নমুনার মধ্যে বিভিন্ন সিভিল সার্জন অফিস যেমন- সিভিল সার্জন অফিস ঢাকার অধীনে সর্বোচ্চ সংখ্যক দুই লাখ ৮৫ হাজার ৬৭৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এছাড়া বরিশালে এক হাজার ৪৭০ জন, চট্টগ্রামে ৯৪ হাজার ৪৬৫ জন, কক্সবাজারে পাঁচ হাজার ৭৮৫ জন, কুমিল্লায় ৩১ হাজার ৯৪৮ জন, নারায়ণগঞ্জে সাত হাজার ২৮৩ জন, খুলনায় ১২ হাজার ৩১৬ জন, কুষ্টিয়ায় চার হাজার ৭১৬ জন, ময়মনসিংহে তিন হাজার ৪৪১ জন, বগুড়ায় এক হাজার ৮৮০ জন, রাজশাহীতে ৫ হাজার ১৮৪ জন, দিনাজপুরে এক হাজার ২০৯ জন, রংপুরে এক হাজার ১৩১ জন, সিলেটে ৩২ হাজার ৬৫৩ জন এবং নোয়াখালীতে ১৩ হাজার ৫৫৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় সিভিল সার্জন অফিস ঢাকায় ২ হাজার ৯০ জন, বরিশালে ২৫ জন, চট্টগ্রামে ৯১০ জন, কক্সবাজারে ৭৮ জন, কুমিল্লায় ৩৭৭ জন, নারায়ণগঞ্জে ১০১ জন, খুলনায় ১৩৯ জন, কুষ্টিয়ায় ৭১ জন, ময়মনসিংহে ৫১ জন, বগুড়ায় ৩৩ জন, রাজশাহী ৬৪ জন, দিনাজপুরে ১৫ জন, রংপুরে ৯ জন, সিলেটে ১৯৭ জন ও নোয়াখালীতে ২৬০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও দুজন নারী। ১৩ জনের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১১ জন ও বাসায় দুজন মারা যান। এ নিয়ে দেশে এই মহামারিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আট হাজার ১৬২ জনে।
এছাড়া এই সময়ে ২০৬টি ল্যাবরেটরিতে ১৫ হাজার ১৪৭টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৪ হাজার ৯৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬ লাখ ৯৩ হাজার ৬৩৪টি। এই সময়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন আরও ৪৩৮ জন। দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ৩৬ হাজার ৫৪৫ জন।
#কুয়েত_সিটিঃ সরকারী যোগাযোগ কেন্দ্রের প্রধান এবং সরকারের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্র তারিক আল-মুজরিম আজ বুধবার তার বৈঠকের পরে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন:
🔻🔻নিম্নে সিদ্ধান্তের কিছু অংশ শেয়ার করা হলোঃ
🧿- ফার্মাসি, সুপার মার্কেট এবং খাদ্যদ্রব্যাদির দোকানগুলি স্বাস্থ্য সম্মত ক্যাটারিং সরবরাহ ব্যতীত, রাত ৮টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত সমস্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে,
🧿 – ৭ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ, আগামী রবিবার থেকে শুরু করে, দুই সপ্তাহের জন্য ননকুয়েতিদের (প্রবাসীদের) জন্য কুয়েতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
🧿 হেল্থ সেন্টার, পুরুষদের সেলুন, মহিলাদের সেলুন ৭ ফ্রেব্রুয়ারি থেকে বন্ধু ঘোষণা করা হয়েছে।
🧿 – হল ও তাঁবু ভাড়া নেওয়া বন্ধ করা হবে এবং সমস্ত উদযাপন সহ সমাবেশ জমায়েত রোধ করা হবে।
🧿-ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগতাদের তহবিলের এক বছরের জন্য কিস্তি সংগ্রহ স্থগিত করা হবে।
🧿 -রেস্তোঁরা হলগুলি বন্ধ করে কেবলমাত্র ভেলিভারি পদ্ধতি চালু থাকবে।
🧿 -কুয়েতের জাতীয় ছুটি উদযাপন সহ সকল জমায়েত ঠেকানো হবে।
🧿-নাগরিকদের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিশ্বে যে সমস্ত ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি প্রত্যক্ষ করছে তার কারণে ভ্রমণ এড়ানোর নির্দেশ।
📌নিউজ লিংক কমেন্টে দেওয়া হয়েছে….
✍️ Collected,Translated and Posted by, Mosammat Nurun Nahar
সেই দিন রোহিঙ্গা মুসলমানদের আর্তনাদে চোখের পানিতে আরশ কেপেছিল।আর শরীরের রক্তে নাপ নদী রঞ্জিত হয়েছিল। এখনো বেশী দিন হয়নি আজ সেই শান্তির নেত্রী আজ অশান্তিতে!! ১৪দিনের রিমান্ডে! কষ্টে চোখের পানিতে বুক বিজে এটা ও একটা শিক্ষা প্রতিবেশীদের জন্য।
কর্মদক্ষতা ও ভালো আচার-আচরণ দিয়ে বহির্বিশ্বে সুনামের সাথে সমুন্নত রেখেছে প্রীয় জন্মভূমির পতাকা।
কয়েকটি মাফিয়া পরিবারের জন্য সেই সুনাম পরিনত হয়েছে মাফিয়ায়। আরবিরা আমাদের মুখের উপর প্রত্রিকা ছুড়ে মেরে বলে বাঙালি হারামি, বাঙালি আলীবাবা। বহির্বিশ্বে কেন আমরা মাফিয়াদের পাপের ফসল হবো?
আল জাজিরা বিতর্ক: প্রতিবেদনে কী আছে, বাংলাদেশ সরকার ও সেনাবাহিনী কী বলছে?
কাতার-ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরা গতকাল সোমবার বাংলাদেশ নিয়ে এক অনুসন্ধানী প্রামাণ্য চিত্রে ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ তোলার পর বাংলাদেশ সরকার আজ এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে।
আল জাজিরার এই অনুসন্ধানে মূলত সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের পরিবারের সদস্যদের অতীত এবং বর্তমান বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয় এবং নানা ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়।
‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টার’স মেন’ নামের এই প্রতিবেদনটি গতকাল প্রথম প্রচার করার পর থেকে এটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা চলছে।
তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বেশ কঠোর ভাষায় এর প্রতিবাদ জানিয়েছে।
যদিও দুই ভাই হারিস আহমেদ এবং আনিস আহমেদ পলাতক, কিন্তু আল জাজিরার অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে হারিস আহমেদ এবং আনিস আহমেদকে জেনারেল আজিজ আহমেদের ছেলের বিয়েতে বাংলাদেশে দেখা গেছে। প্রতিবেদনে দেখানো হয় আনিস আহমেদ থাকেন কুয়ালা লামপুরে আর হারিস আহমেদ আছেন হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে।
কী ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ করা হচ্ছে?
প্রতিবেদনে গোপন রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে বুদাপেস্ট-এ হারিস আহমেদের ব্যবসায়িক কার্যকলাপ নিয়ে অনুসন্ধান চালানো হয়।
তিনি নাম পরিবর্তন করে হাসান মোহাম্মদ নাম নিয়ে বিভিন্ন দেশে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করেছেন সেটা দেখানো হয়েছে।
বুদাপেস্টে একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর সাথে এক কথোপকথনে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য বুলেট সরবরাহের কথা বলতে দেখা যাচ্ছে।
আল জাজিরার ঐ প্রতিবেদনে হারিস আহমেদকে বলতে শোনা গেছে পুলিশের চাকরি, যেমন থানার ওসির পদ, পেতে কত টাকা নেয়া হয় ।
তিনি সেখানে বলছেন, এক্ষেত্রে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত নেয়া হয়।
এই কাজে সরকারের শীর্ষ স্থানের লোক জড়িত থাকেন বলে হারিস আহমেদ উল্লেখ করেন।
এছাড়া, নিরাপত্তা বাহিনী ইন্টারনেট এবং মোবাইল ফোন নজরদারি করার প্রযুক্তি ইসরায়েল থেকে আমদানি করেছে এমন কিছু নথিপত্র দেখানো হয়েছে।
তবে এই ক্রয়ের সাথে হারিস আহমেদের কোন যোগাযোগের কথা এই প্রতিবেদনে বলা হয় নি।
বাংলাদেশ সরকার এবং সেনাবাহিনীর প্রতিক্রিয়া
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে কঠোর ভাবে নিন্দা জানানো হয়েছে এই প্রতিবেদনের।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে: “এটা পরিষ্কার না যাদের পূর্বে অপরাধমূলক কাজে জড়িত থাকার রেকর্ড রয়েছে তাদের সঙ্গে কীভাবে আল জাজিরার মত আন্তর্জাতিক নিউজ চ্যানেল যুক্ত হল। প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন অফিসিয়াল, সামাজিক, ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের ক্লিপ ব্যবহার করে। বেশ কিছু বিচ্ছিন্ন অনুষ্ঠানের দৃশ্য একত্রিত করে সম্পাদনা করে কণ্ঠ দেয়া হয়েছে।”
বাংলাদেশ সরকার এই প্রতিবেদনটিকে মিথ্যা ও অবমাননাকর হিসেবে বর্ণনা করেছে ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গত কাল এক বিবৃতিতে, একে লন্ডন ও অন্যান্য জায়গায় সক্রিয় উগ্রপন্থী ও তাদের সহযোগীদের উসকানিতে বেপরোয়া ও নোংরা অপপ্রচার বলে উল্লেখ করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার এটি প্রত্যাখ্যান করছে। আরও বলা হয়, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই যে জামায়াতে ইসলামীর মদদ-পুষ্ট কতিপয় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক অপরাধী এবং কুখ্যাত ব্যক্তি তাদের চিরাচরিত ছকে যে ধরনের বাংলাদেশ-বিরোধী অপপ্রচার চালায়, এই রিপোর্টটিও সেই শ্রেণির। এরা বিভিন্ন উগ্রপন্থী আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী ও সংবাদমাধ্যম, বিশেষ করে আল জাজিরার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন সময় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, আল জাজিরার প্রতিবেদনের অভিযোগগুলোর মূল সূত্র একজন সন্দেহভাজন আন্তর্জাতিক অপরাধী, যাকে আল জাজিরা নিজেই ‘সাইকোপ্যাথ’ আখ্যা দিয়েছে।
”প্রধানমন্ত্রী বা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওই বিশেষ ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার সামান্যতম প্রমাণও নেই। আর মানসিক ভারসাম্যহীন কারও কথার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো একটি আন্তর্জাতিক নিউজ চ্যানেলের জন্য চরম দায়িত্ব-হীনতা” বলে বিবৃতিতে বলা হয়।