কুয়েতে গ্রেফতার থাকা লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলকে চার বছরের জেল দিয়েছেন দেশটির আদালত, আর সেই সঙ্গে ৫৩ কোটি টাকার বেশি জরিমানা করা হয়েছে। পাপুলের সাজা কুয়েত সরকারের বিচার বিভাগের নিজস্ব ব্যাপার বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস। আর সাধারণ প্রবাসীরা বলছেন, পাপুলের এ সাজা অন্যান্য মানব পাচারকারীদের জন্য সতর্কবার্তা।
লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে কুয়েত সরকারের রায়ের পর প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, পাপুলের এ সাজা অন্যান্য দুর্নীতিবাজ ও মানব পাচারকারীদের জন্য অশনিসংকেত। একই সঙ্গে প্রবাসীদের কুয়েতের আইন মেনে চলার পরামর্শ তাদের।জিয়া উদ্দিন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি বলেন, এটা নিঃসন্দেহ দুর্নীতিবাজ অন্য প্রবাসীদের জন্য দুঃসংবাদ। এ ছাড়া যারা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত হচ্ছেন তারাও এখান থেকে শিক্ষা নেবে।
কুয়েত বাংলাদেশে দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল (অব.) আশিকুজ্জামান বলেন, তাদের নিজস্ব বিচার বিভাগের মাধ্যমে এ সাজা দেওয়া হয়েছে। এখানে আমাদের কিছুই করার নেই।পাপুলের বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের মামলার রায় হলেও এখনো মানব ও অর্থপাচারের দুটি মামলার রায় অপেক্ষমাণ রয়েছে।
করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় পুরো ইউরোপ যেখানে বিপর্যস্ত সেখানে প্রাচীন সভ্যতার আদি ভূমি গ্রিস ব্যতিক্রম। কঠোর লকডাউনের কারণে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু সংখ্যা অনেকটাই কম। তবে এই সংকটের সময়ে অনেক বিপাকেই রয়েছেন গ্রিসের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
গ্রিসে প্রায় ৩৫ হাজার বাংলাদেশির বসবাস। যাদের বেশির ভাগই ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি ও তৈরি পোশাকশিল্পের ওপর জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। তবে, করোনার সংকট মোকাবিলায় গ্রিস সরকারের ঘোষিত দ্বিতীয় দফা লকডাউন চলমান থাকায় অধিকাংশের একমাত্র আয়ের উৎস এখন বন্ধ। যারা ব্যবসা করতেন তারাও রয়েছেন দুশ্চিন্তায়।দেশটির প্রবাসী বাংলাদেশিদের অর্ধেকেরও বেশি অবৈধভাবে বসবাস করায় করোনাকালীন গ্রিক সরকারের দেওয়া সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে হচ্ছে। একে তো নেই উপার্জনের মাধ্যম অন্যদিকে নেই সরকারি প্রণোদনা। আর তাই তাদের একমাত্র ভরসা- গ্রিসের বাংলাদেশ দূতাবাস। ইতোমধ্যে, বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় দূতাবাসের মাধ্যমে কষ্টে থাকা অনেক প্রবাসীকে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের আরো সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অনেকে।
এক প্রবাসী বলেন, এখানে যাদের কাগজপত্র আছে সরকার তাদের প্রণোদনা দেয়, বাকি যাদের রিফিউজি কার্ড আছে দিচ্ছি তবে যাদের কিছু নেই তারা অসহায় অবস্থায় আছে।করোনার দ্বিতীয় থাবায় বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি মারা গেলে তাদের গ্রিসের খ্রিস্টান কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে এক প্রবাসী জানান, কোনো প্রবাসী মারা গেলে যেন বিমানবন্দর থেকে দেশে পৌঁছানোর পর দাফন-কাফনের ব্যবস্থা যেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বহন করে।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তের পদত্যাগের পর দেশটিতে চলছে তুমুল বিতর্ক-সমালোচনা। বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৪৫ শতাংশ ইতালিয়ান জুসেপ্পে কন্তেকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও অপেক্ষায় আছেন কন্তে সরকারের আবারো ফিরে আসার।
দেশটির চলমান রাজনৈতিক সংকট নিয়ে চিন্তিত রাজনৈতিক নেতারাসহ দেশটির সাধারণ জনগণ। একদিকে চলছে মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে সমস্যা অন্যদিকে রাজনৈতিক সংকট।করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারায় গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী জুসেপ্পে কন্তে পদত্যাগ করেন। বুধবার থেকে ইতালির প্রেসিডেন্ট সেরজিও মাওারেল্লা সংকট সমাধানে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামী শুক্রবার আলোচনা শেষ হওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন প্রেসিডেন্ট।
তবে দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আশা, ইতালিতে আবারো ক্ষমতায় ফিরবে জুসেপ্পে কন্তে সরকার।করোনাকালীন ইতালিতে জুসেপ্পে কন্তের জনপ্রিয়তা বেড়ে ৫২ শতাংশে উঠেছিল। সম্প্রতি চালানো এক জরিপে দেখা গেছে এখনো প্রায় ৪৫ শতাংশ ইতালিয়ান ভোটার কন্তেকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। বিপরীতে তার বিপক্ষে রয়েছেন মাত্র ১১ শতাংশ ভোটার।
করোনাভাইরাসের দীর্ঘদিনের ভয়ভীতি কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনের ফিরতে শুরু করেছেন কাতারের প্রবাসী বাংলাদেশিরা। অংশ নিচ্ছেন নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় আনন্দ-উৎসবে মাতেন তারা।
করোনার কারণে অন্যান্য দেশের মতো, কাতারও ছিল দীর্ঘ লকডাউন আর বিধিনিষেধের মধ্যে। কিন্তু অবস্থার উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আয়োজন করা হচ্ছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। এর মধ্যে আনন্দ খোঁজার চেষ্টা প্রবাসীদের।এরই অংশ হিসেবে শনিবার (৩০ জানুয়ারি) শাহানিয়ার আল দোসারি পার্কে আয়োজন করা হয় একটি অনুষ্ঠানের। বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হয় পুরো এলাকা।
এ সময় কাতার কমিউনিটি নেতা সফিকুল ইসলাম তালুকদার করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সাতসকালে এ আয়োজন করায় সবাই আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। করোনার ভয় কাটিয়ে প্রবাসীদের মানসিক শান্তি ও শক্তি জোগান দেওয়ার জন্য ব্যতিক্রমী এ সাংস্কৃতিক গানের আয়োজন বলে জানান কাতার পটিয়া সমিতি সভাপতি আবদুল জলিল।অনুষ্ঠানে মনোমুগ্ধকর গান পরিবেশনের পাশাপাশি আয়োজন করা হয় চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবান খাবারের।
দীর্ঘ লকডাউনে ঘরে থেকে থেকে বাড়ছে বিষাদ আর ক্লান্তি। এ অবসাদ দূর করতে এক কাপ চায়ের বিকল্প নেই। তাই এই লকডাউনে অন্যান্য দেশের মতো আয়াল্যান্ডেও চা পান করার পরিমাণ বেড়েছে কয়েক গুণ।
খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩৭ সালের দিকে চীনা সম্রাট শেন নাং রাজকার্য শেষে ক্লান্ত হয়ে গাছের নিচে বসে ছিলেন। এ সময় গরম পানি পান করা অবস্থায় কয়েকটি ক্যামেলিয়া সিনেসিস বা চা গাছের পাতা উড়ে এসে তার পেয়ালায় পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে পানির রং পরিবর্তন হওয়ায় কৌতূহলী হয়ে তিনি সেই পানি পান করেন। দ্রুত সময়ে আগের চেয়ে চনমনে ভাব আসে সম্রাটের মাঝে। নিমিষে দূর হয় ক্লান্তিও। তখন থেকেই চায়ের প্রচলন। আর বর্তমান আধুনিক বিশ্বে ২০০ হাজারেরও বেশি স্বাদের চা রয়েছে।বিশ্বজুড়ে করোনার এ মহামারিতে অনেক দেশই লকডাউনের কবলে। ঘরে থেকে অলস সময়ে বাড়ছে হতাশা, বিষাদ আর ক্লান্তি। আর এসব দূর করতে অন্যান্য দেশের মতো, আয়ারল্যান্ডেও বেড়েছে চায়ের কাপে চুমুকের সংখ্যা।
চায়ের কদর শুধু সাধারণের মধ্যেই, বিখ্যাত লেখকদেরও ছিল চা-প্রীতি। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কিংবা বিদ্রোহী কবি নজরুলের চায়ের প্রতি দুর্বলতা আমাদের সবারই জানা।চীনে “টি” উচ্চারণ ছিল”চি”। পরে “চি” থেকে হয়ে যায় “চা”। এই চা-ই এখন লকডাউনে একটু হলেও শক্তি জোগায় দেহ মনে, আনে প্রশান্তি।তবে উইকিডিপিয়া জানায়: চা (Tea) বলতে সচরাচর সুগন্ধযুক্ত ও স্বাদবিশিষ্ট একধরনের উষ্ণ পানীয়কে বোঝায়। যা চা পাতা পানিতে ফুটিয়ে বা গরম পানিতে ভিজিয়ে তৈরি করা হয়। চা গাছ থেকে চা পাতা পাওয়া যায়। চা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ক্যামেলিয়া সিনেনসিস। ‘ চা পাতা’ কার্যত চা গাছের পাতা, পর্ব ও মুকুলের একটি কৃষিজাত পণ্য যা বিভিন্ন উপায়ে প্রস্তুত করা হয়। চা শব্দের উৎপত্তি: ইংরেজিতে চা-এর প্রতিশব্দ হলো টি (tea)। গ্রিকদেবী থিয়ার নামানুসারে এরূপ নামকরণ করা হয়েছিল। চীনে ‘টি’-এর উচ্চারণ ছিল ‘চি’ পরে হয়ে যায় ‘চা’।
সৌদি আরবে স্বাভাবিক বিমান চলাচল এবং সীমান্ত পুরোপুরি খুলে দেওয়ার সময়সীমা আবারো পেছানো হয়েছে। ৩১ মার্চের পরিবর্তে আগামী ১৭ মে থেকে স্থল, জল এবং বিমানবন্দর পুরোপুরি খুলবে বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। করোনা নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
সীমিত পরিসরে বিমান চলাচল করলেও আগামী ৩১ মার্চ আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য সীমান্ত পুরোপুরি খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল সৌদি আরব। কিন্তু করোনার ভয়াবহতা না কমার কারণে সেই সীমা ১৭ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে রিয়াদ। শুক্রবার সৌদি প্রেস এজেন্সি এ তথ্য জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, করোনার ভ্যাকসিন পেতে দেরি হওয়ার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।করোনার প্রকোপ বাড়ার মধ্যে নাগরিকদের ভ্রমণ-সংক্রান্ত এ নিষেধাজ্ঞা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে মনে করছেন সৌদি আরবে বসবাসরত প্রবাসীরা।
সৌদি আরবে করোনার সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রবাসীরাও।নিজ দেশের নাগরিকদের বাইরের দেশে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সৌদি আরবের সঙ্গে বহির্বিশ্বের সীমিত পরিসরে বিমান চলাচল অব্যাহত রয়েছে।
এবারের সাধারন ক্ষমা’র কথা শুনলেই সবাই বলে জরিমানা দেওয়া লাগতেছে তাহলে এটা আবার সাধারন ক্ষমা হয় কেমনে⁉️❓সে কথা আমাদেরও‼️ -🔰তারপরও কুয়েত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয় থেকে যে ঘোষনা দিয়েছে তাও মেনে চলুন যদি পরবর্তীতে কুয়েতে আসতে চান-
⭕সাধারন ক্ষমাতে সফরে যাওয়ার জন্য করনীয়-
1️⃣যদি আপনার বৈধ পাসপোর্ট থাকে তাহলে আপনি জরিমানা পরিশোধ করে বিমানের টিকেট করে সরাসরি বাংলাদেশে চলে যেতে পারবেন।
2️⃣আর যদি বৈধ পাসপোর্ট না থাকে তাহলে- বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে আউট পাস নিন-আউট পাস নিয়ে থানা/মখফরে যান সেখান থেকে আপনাকে যে পরামর্শ দেওয়া হয় তা মেনে জরিমানা দিয়ে বাংলাদেশে চলে যেতে পারবেন।
⚠️⛔⚠️অন্য দিকে কুয়েত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে থেকে বলা হয়েছিলো যে- অবৈধ প্রবাসী যারা সফরে চলে যেতে যায় তারা যেনো জরিমানা পরিশোধ করে রাখে এবং যখন তাদেরকে কুয়েত ছাড়া ঘোষনা দিবে তারা যেনো কুয়েত ছেড়ে চলে যায়।
🟡🟢🟡নোট- কুয়েত এয়ারপোর্টে জরিমানা/গ্রামা দেওয়া যায়।সেক্ষেত্রে গ্রামা /জরিমানা কোথায় দিবেন,কোথায় যাবেন এ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই।রিলেক্স।
🟢🟢🟢সাধারন ক্ষমার সুফল- আপনি যদি এই সাধারন ক্ষমাতে জরিমানা দিয়ে দেশে চলে যান তাহলে আপনার ফিংগার রাখবেনা,এবং পরবর্তীতে কুয়েতে ফিরতে পারবেন।
🔴🔴🔴বি:দ্র: অবৈধ যারা আছেন তারা যদি এই সাধারন ক্ষমার সুযোগ গ্রহন না করেন পরবর্তীতে তাদেরকে ধরতে পারলে ব্লাক লিস্ট করা হবে এবং কুয়েতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিবে।(হতে পারে ৫/১০ বছর বা তর অধিক)।
✅সাধারন ক্ষমায় অবৈধ থেকে বৈধ হওয়ার জন্য করনীয়-
1️⃣* প্রথমতো আপনি অবৈধ হলেন কেন বা এর কারন কী? যদি মামলা বা ইনহাস থাকে তাহলে- অবশ্যই আপনাকে আগে মামলা বা ইনহাস তুলে হবে।
2️⃣*আপনার সাবেক কফিল বা স্পন্সার বা যে মালিকের আওতায় থেকে আপনি অবৈধ হইছেন তাঁকে নিয়ে জওয়াজাতে যেতে হবে আকামা নবায়নের জন্য। (বাধ্যতামূলক কফিল লাগবে)।
3️⃣*আপনার মালিক বা কোম্পানি যদি মামলা তুলে নেয় এবং সমস্ত সমস্যা সমাধান করে দেয় কেবল তখনই আপনি জরিমান দিয়ে আকামা নবায়ন করতে পারবেন।যথা বৈধ হতে পারবেন।
4️⃣*সাবেক কফিল আকামা লাগাবেনা হাউল দিবে তাহলে করনীয় কি? 🟢উ: সেক্ষেত্রে পুরাতন কুয়েত সাথে আপনার যে ঝামেলা- ইনহাস/মামলা তার সকল সমাধান করে,হাউল প্যাপার বানিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে যে কুয়েতি বা কফিল আকামা লাগাবে তাকে দিন।
5️⃣*কফিল আকামা লাগাবেনা -হাউল দিবেনা তাহলে করনীয়?? 🟢উ: সফরে চলে যেতে পারেন এই সুযোগে। তা না হলে অবৈধ হিসাবে ধরতে পারলে ব্লাক লিস্টে চলে যাবেন।
⭕কফিল ফোন ধরেনা বা জওয়াজাতে যাবেন না তাহলে?? ✅উ: ইল বাবা ইল।😆
⭕অবৈধ থেকে বৈধ হতে হলে জরিমানা কোথায় দিতে হবে?? ✅উ:জওয়াজাতে, তবে কেনেট এর মাধ্যমে।(মাস্ট)
আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, এমপি পাপুল আওয়ামী লীগ কিংবা সরকার দলীয় এমপি নন, তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এমপি হয়েছেন। তিনি যে করে প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন তা বিএনপি সরকারের আমলেই হয়েছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি এসব অর্থ আয় করেননি। সে কারণে এর দায়ভার বিএনপিকেই নিতে হবে।
তিনি শনিবার দুপুরে তার কুষ্টিয়াস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হানিফ নির্বাচন বলেন, নির্বাচন নিয়ে নানা রকম অসত্য বানোয়াট কথা বলে যাচ্ছে বিএনপি। মূলত: প্রহসনের নির্বাচন বিএনপির আমলেই হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন নিয়ে প্রহসন করে যাচ্ছে বিএনপি। তারা নির্বাচনে প্রার্থী দেন। অথচ কেন্দ্রে কোন এজেন্ট দেন না, তারা ভোট দিতেও আসেন না। এর মাধ্যমে তারা নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করতে চান।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে কোন দুর্নীতি হয়নি। এ সেতু নিয়ে যে দুর্নীতির অভিযোগ করা হয়েছিল, তা ছিল কাল্পনিক। কানাডার আদালতে প্রমাণিত হয়েছে যে, অভিযোগটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। এর পিছনে যে বিএনপির মদদ ছিল সেটা দলটির নেতাদের কথা ও আচরণে আজ প্রমাণিত।
কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন ।
ফসলের ক্ষেতে মিনিকেট নামে কোনো ধানের অস্তিত্ব যেখানে নেই, সেখানে বাজার সয়লাব মিনিকেট নামের চালে।
এই ধান কোত্থেকে আসে, কীভাবে মিনিকেট চাল হয়ে যায়, তা ভোক্তাদের অজানা থাকলেও গত দুই দশক ধরেই খাবার টেবিলে তা শোভা বাড়াচ্ছে। কারণ এথেকে চিকন ও সাদা ভাত হয়।
এই চাল নিয়ে এই অসাধু ও অস্বচ্ছ বাণিজ্যের ফলে একদিকে যেমন ভোক্তা প্রতারিত হচ্ছেন, অন্যদিকে অতিমাত্রায় ছাঁটাইয়ের ফলে চালের পুষ্টিমান কমে গিয়ে তা শরীরের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বর্তমান আইনে ধানকে মিনিকেট করা ঠেকানোর কোনো সুযোগ না থাকায় ভোক্তাদের সচেতন হয়ে ওঠাই এক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।
নাম এল কীভাবে?
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা পরিচালক ড. কৃষ্ণ পদ হালদার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মিনিকেট নামে কোনো ধানের জাত নেই।
তাহলে এই নাম কী করে এল- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ভারতের কৃষকরা এই নাম দিয়েছে। তবে গবেষণাগারে এই জাতের কী নাম দেওয়া হয়েছে, তা আমরা জানতে পারিনি বা জানার চেষ্টা করিনি।”
অনুসন্ধানে জানা যায়, মিনিকেট শব্দটি এসেছে ইংরেজি শব্দ ‘মিনি’ ও ‘কিট’ থেকে। ভারত সরকার নতুন উদ্ভাবিত কোনো ধানের বীজ ছোট বা মিনি প্যাকেটে কৃষকদের দেয়, তা থেকে কথ্য ভাষায় এই নাম হয়। পরে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারত থেকে কিছু ধানের জাত বাংলাদেশে আসে।
ভারত সীমান্তের কুষ্টিয়া জেলার ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদ ঢাকার বাজারে মিনিকেট চালের বাণিজ্যিক প্রচলন ঘটিয়েছেন বলে ব্যবসায়ী মহলে প্রচলিত রয়েছে।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘মিনিকেট ধান’ বাংলাদেশের ধান গবেষণা কেন্দ্র থেকে আসেনি। মিনিকেট এর জাতের নামও নয়। এই ধানের প্রকৃত নাম যে কী, তা এখনও জানি না।
“তবে পশ্চিমবঙ্গের কৃষকদের এই ধানের বীজ ও সারসহ একটি প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছিল। তখন এটাকে মিনিকিট বা মিনিকেট নামেই ডাকতে শুরু করে কৃষকরা।”
“১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৯০ সালের দিকে ভারত থেকে যশোরে এই ধানের বিস্তার হয়। পরে পাশের জেলাগুলোতেও ছড়ায়,” বলেন তিনি।
কেটে হয় মিনিকেট
গত মওসুমে দেশে ধানের সর্বমোট ফলন ছিল ৩৮৬ লাখ টন; যার মধ্যে কৃষকের কাছে পরিচিত ‘মিনিকেট’ হিসেবে চাষ হয়েছিল মাত্র ৫ লাখ টন। অথচ বছরজুড়ে বাজারে কিংবা অটো রাইস মিলগুলোর সরবরাহ লাইনে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই থাকছে মিনিকেট চাল।
ড. কৃষ্ণপদ বলেন, “মূলত মিনিকেট নামে প্রচলিত ধানের আবাদ বাংলাদেশে খুব বেশি একটা হয় না। ধান গবেষণা কেন্দ্র থেকে উদ্ভাবিত বিভিন্ন উচ্চ ফলনশীল ধান থেকে চাল তৈরি করে সেটাই মিনিকেট হিসাবে বিক্রি করছে মিল মালিকরা।
“এখন এমন আধুনিক যন্ত্রপাতি এসেছে যে যে কোনো ধানকে কেটে যে কোনো আকৃতি দেওয়া হয়। ফলে ধান যাই হোক, মিনিকেট চাল তৈরিতে মিলগুলোর কোনো সমস্যা হয় না।”
দেশে মিনিকেটের সবচেয়ে বড় জোগানদাতা রশিদ এগ্রোর প্রতিষ্ঠাতা রশিদ এ বিষয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা যারা হাস্কার, আমরা প্রথমে ধানের উপর থেকে খোসা ছাঁটাই করি। তারপরে এটাকে হোয়াইটনারে দিয়ে সাদা চকচকে করি। বাজারের চাহিদার কারণে আমরা বাড়তি প্রযুক্তি ও শ্রম ব্যবহার করে চালকে আরও উজ্জ্বল করে থাকি।”
মিনিকেটের প্রকৃত উৎপাদন কত?
দেশের অন্যতম বৃহৎ আধুনিক চালকল রশিদ অটোমেটিক রাইস মিলসের মালিক আব্দুর রশিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার কারখানায় দৈনিক দেড় হাজার টন ধান ভাঙানোর কাজ চলে। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই রয়েছে মিনিকেট চালের উৎপাদন।
সেই হিসাবে, বছরে ৩০০ কর্মদিবস হিসাব করলে অন্তত চার লাখ ৫০ হাজার টন ধান ভাঙানোর কাজ চলে রশিদ অটো রাইস মিলে। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ মিনিকেট চাল হলে তার পরিমাণ দাঁড়ায় তিন লাখ ৩৭ হাজার টন। এর বাইরে পাইজাম, নাজিরশাইল, স্বর্ণ, বিআর আটাশ জাতের চালও উৎপাদন হয় ব্যবসায়ী আব্দুর রশিদের চালকলে।
কিন্তু কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বোরো মওসুমে ‘মিনিকেট’ ধানের উৎপাদন মাত্র ৫ লাখ ৯৯২ মেট্রিক টন। মিনিকেটের কাছাকাছি আকৃতির নাজিরশাইল ধানের উৎপাদন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬২৪ মেট্রিক টন।
অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের মনিটরিং শাখার উপ পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, একই মওসুমে চিকন চালের ধান হিসাবে পরিচিত বিআর ২৮ ধান উৎপাদন হয়েছে ৪১ লাখ টন, বিআর ২৯ উৎপাদন হয়েছে ৪৩ লাখ টন। একইভাবে ব্রি ৫০ উৎপাদন হয়েছে ৩ লাখ টন, ব্রি ৫৮ উৎপাদন হয়েছে ১৬ লাখ টন।
বর্তমানে দেশে ১৯ হাজার ৭৩৪টি চালকল বা চাতাল রয়েছে। এদের মধ্যে যারা বৃহদাকারে চালের আন্তঃজেলা বাণিজ্য করে থাকে, তারা সবাই মিনিকেট ব্র্যান্ডের চাল উৎপাদন করে থাকে। এছাড়া মোজাম্মেল, বিশ্বাস, সাকি, ডলফিন, জোড়া কবুতরসহ আরও অসংখ্য ব্র্যান্ড সারা বছর বাজারে মিনিকেট চাল সরবরাহ করে থাকে।
বাজারে এখন বিআর আটাশ চালের ৫০ কেজির বস্তার মূল্য ২৩০০ টাকা থেকে ২৪০০ টাকা। আর একই ওজনের মিনিকেট চালের বস্তা ২৯০০ টাকা। ব্যাপক চাহিদার কারণে মিনিকেটের দাম সারা বছরই অন্যান্য চিকন চালের চেয়ে বস্তায় ৩০০/৪০০ টাকা এগিয়ে থাকে।
তাহলে কী অধিক লাভের আশায় মিনিকেট ধান ছাড়াও অন্যান্য জাতের ধান ভেঙে মিনিকেট চাল তৈরি করা হচ্ছে?
এর উত্তরে ব্যবসায়ী রশিদ বলেন, বৃহত্তর যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, ঝিনাইদহসহ এই অঞ্চলে বোরো মওসুমে ৮০ শতাংশ জমিতে ‘মিনিকেট’ ধান চাষ হয়।
“সারাদেশে আমাদের মিনিকেট চালের ব্যাপক চাহিদার কারণে আমরা কৃষকের কাছ থেকে মিনিকেট ধান সংগ্রহ করে তা দিয়েই চাল উৎপাদন করি। ২০১৫ সালের দিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একটি কমিটি আমার মিলে ৩/৪ দিন অবস্থান করে বিষয়টি দেখেছে।”
তবে রশিদের এই দাবির সঙ্গে দ্বিমত করছেন কুষ্টিয়ার জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উপপরিচালক শ্যামল কুমার বিশ্বাস, ঝিনাইদহ জেলার কৃষি কর্মকর্তা বিজয় কৃষ্ণ হালদার ও যশোর জেলার কৃষি কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র বিশ্বাস।
এই অঞ্চলে মিনিকেট নামে প্রচলতি ধানের চাষাবাদ নিয়ে তাদের ভাষ্য প্রায় একই ধরনের। ৫ থেকে ১০ শতাংশ জমিতে ওই ধান চাষ হয় বলে জানান তারা।
উত্তরবঙ্গের মিলগুলোতে ‘মিনিকেট’ ধানের কাছাকাছি মানের ও আকৃতির জিরাশাইল ধান থেকে মিনিকেট চাল করা হয় বলে দাবি করেন রশিদ।
তবে মিনিকেটের বাজার যখন একচেটিয়া হয়েছে, তখন অনেক মিল মোটা ধান কেটে মিনিকেটের নামে বিক্রি করছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
“এধরনের অসাধু ব্যবসায়ী কম-বেশি সব জায়গাতেই রয়েছে। আমি এটা অস্বীকার করব না। এতে করে ক্রেতারা একটু প্রতারণা শিকার হয়ে থাকেন। অনেকে হয়ত প্রতি বস্তায় ৫০/৬০ টাকা কমে পেয়ে এই কাটছাঁট করা চালগুলো কিনে থাকেন। কিন্তু মানের দিক থেকে এটা অনেক ডাউন।”
বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাস্কিং মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রশিদের সঙ্গে আবার দ্বিমত করেছেন এই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও উত্তরবঙ্গের চাল ব্যবসায়ী লায়েক আলী।
জয়পুরহাটের এই চালকল মালিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “যে ধান থেকে মিনিকেট চাল হয়, তাকে কোনো এলাকায় মিনিকেট আবার উত্তরবঙ্গে বলে জিরাশাইল। মূলত জিরাশাইল ধান থেকেই মিনিকেট চাল তৈরি করা হয়। উত্তরবঙ্গে জেলাগুলোতে এর ব্যাপক আবাদ রয়েছে।
“কুষ্টিয়ার যে ব্যবসায়ী বলেছেন উত্তরবঙ্গে মিনিকেট আবাদ হয় না, অন্য জেলার আবাদ সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকার কারণে তিনি কথাটি বলেছেন।”
লায়েক বলেন, “উত্তরে দিনাজপুর থেকে শুরু করে নওগাঁ, বগুড়া, আর দক্ষিণে খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর সর্বত্র এই মিনিকেট ধান জিরাশাইল নামে আবাদ হচ্ছে। অন্যান্য ধানের তুলনায় এই ধানের ফলন ভালো, বাজার মূল্য বেশি।”
পুষ্টিগুণ কমে যায়?
যশোর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ অঞ্চলে সরকারি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কাজ করা একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শুধু যে মোটা ধান মেশিনে ঘষে চিকন করা হচ্ছে, তা নয়, বরং মিনিকেট হিসাবে পরিচিতি পাওয়া ধানগুলোকেও উজ্জ্বল ও সুন্দর করার জন্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘষে চিকন করা হচ্ছে। আমি নিজে পৃথক পরীক্ষা চালিয়ে বিষয়টি দেখেছি।”
ধানের খোসা ছাড়ানোর পর বেশি ঘষে কমিয়ে ফেলা চাল খেলে তাতে ক্ষতিকর হয় কি না, সে প্রশ্ন করা হয়েছিল ইংল্যান্ডের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসে কর্মরত বাংলাদেশি চিকিৎসক তাসনিম জারার কাছে।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মিলগুলোতে অধিক পরিমাণে ঘষে ফেলার ফলে চালে ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদন কমে যায়, সেখানে কার্বোহাইড্রেটের বড় একটা অংশ অবশিষ্ট থাকে। মেশিনে চালকে ঘষামাজা করে সরিয়ে দেওয়া ফাইবার কোলস্টেরল স্বল্পতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করতে পারে।
“গবেষণায় দেখা গেছে- অধিক পরিশোধিত চাল স্থূলতা, ডায়বেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আর এভাবেই যেটা পুষ্টির একটা বড় জোগান হতে পারত, সেটা হয়ে যায় স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ।”
ব্যবসায়ী রশিদ এ বিষয়ে বলেন, “আবরণসহ চাল তৈরির পদ্ধতিও আমাদের কাছে আছে। আপনি যদি মনে করেন ব্রাউন কালারের চালটা আমরা খাব বা নেব, তাহলে সেটাও আমরা দিতে পারব। আর ব্রাউন চালে পুষ্টি উপাদন বেশি থাকে, এটা একটা স্বতঃসিদ্ধ ব্যাপার।”
দায়িত্ব ভোক্তাদেরই
দেশের প্রধান খাবার চালের একটি ধরনে এই ফাঁকি নিয়ে বিভিন্ন সময় সরকারের মন্ত্রীরা কথা বললেও এনিয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোও ‘মিনিকেট’ সমস্যা নিয়ে আপাতত ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরির ওপরেই গুরুত্ব দিচ্ছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য মঞ্জুর মোর্শেদ আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বর্তমান আইন দিয়ে এই কাজটি প্রতিরোধ করার সুযোগ নেই।
প্যাকেটের গায়ে ‘মিনিকেট’ লিখে ভেতরে অন্য জাতের চাল সরবরাহ করলে তা বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর ৩২তম ধারা অনুযায়ী অপরাধ।
এ বিষয়ে মঞ্জুর বলেন, “এটা হতে পারে; কিন্তু বিষয়টি আগে আমাদেরকে প্রমাণ করতে হবে। তবে সেই আইনের প্রয়োগ ঘটানোর জন্য উদ্যোগটি কোন সংস্থা থেকে কীভাবে কতটুকু নেওয়া হবে, সেটা ঠিক করা প্রয়োজন।
“চাল ঘষে চিকন করলে হয়ত চালের পুষ্টিগুণ কমে, কিন্তু সেটা ভেজাল খাবার বলা যায় না। নিরাপদ খাদ্য আইনে আপাতত ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ধরুন অধিক তেলে ভাজা মোগলাই খেলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু সেটা তো আর নিষিদ্ধ করা যায় না। ভোক্তাদেরকেই পরিস্থিতি বুঝে এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।”
মিনিকেট চালের নামে ভোক্তা ঠকানোর বিষয়টিতে গুরুত্ব দিয়ে এনিয়ে কাজ করার কথা জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সংস্থার ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বাজারে প্রচুর মিনিকেট চাল দেখা গেলেও বাস্তবে দেশে তো মিনিকেট ধানের এতটা আবাদ হয় না। এসব অস্পষ্টতার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সচেতন করার জন্য গত ছয়মাস ধরে আমরা কাজ করছি।
“এছাড়া আমাদের মহাপরিচালক মহোদয় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। আমরা আরও কিছুদিন সচেতন করে পরবর্তীতে শক্ত অবস্থানে যাবো। কারণ চাল কাটছাঁট করতে গিয়ে এর খাদ্যমান নষ্ট হয়; পাশাপাশি ভোক্তাকে ঠকানো হয়।”