ক্যাটাগরি Uncategorized

কাশ্মীরে বন্দি ভাইয়ের মুক্তির জন্য লড়াই করা সেই সমীরাকে এনইসির ডেপুটি ডিরেক্টর বানালেন বাইডেন।

জন নিরাপত্তা আইনে বন্দি চাচাতো ভাইয়ের মুক্তির জন্য দিনরাত এক করে দিয়েছিলেন। কাশ্মীরি বংশোদ্ভূত সেই সমীরা ফজিলিই এখন আমেরিকায় গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে। তাকে হোয়াইট হাউসের ন্যাশনাল ইকনমিক কাউন্সিলের (এনইসি) ডেপুটি ডিরেক্টর নিয়োগ করেছেন জো বাইডেন।

আগামী দিনে ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছেন বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। পেশায় আইনজীবী তথা অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ সমীরার বাবা ইউসুফ ফজিলি এবং মা রফিকা ফজিলি,

দু’জনেই কাশ্মীরের বাসিন্দা এবং পেশায় চিকিৎসক। ১৯৭০-১৯৭১ নাগাদ আমেরিকা চলে যান তারা। সেখানেই জন্ম সমীরার। হার্ভার্ড এবং ইয়েল ল স্কুলের ডিগ্রি রয়েছে তার। বারাক ওবামার সরকারেও এনইসির ডেপুটি ডিরেক্টর ছিলেন তিনি।

সমীরা এবং তার পরিবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাশ্মীর নীতির ঘোর সমালোচক। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট মোদী সরকার জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা খর্ব করলে, ৮ অগস্ট সমীরার ভাই মুবিন শাহকে জন নিরাপত্তা আইনে আ;ট;ক করা হয়। সেই সময় ওয়াশিংটনে বহু কাঠখড় পুড়িয়ে মুবিনের মুক্তি নিশ্চিত করেন তারা। মালয়েশিয়ায় হস্তশিল্পের ব্যবসা রয়েছে মুবিনের। ২০১৯ সালে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কাশ্মীরের বাড়িতে ফিরেছিলেন তিনি।

ঘটনাচক্রে সেই সময়ই উপত্যকার জন্য সংরক্ষিত ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। সেই নিয়ে যাতে কোনও রকম বিক্ষোভ মাথাচাড়া না দেয়, তার জন্য উপত্যকার সমস্ত প্রভাবশালী রাজনীতিক এবং ব্যবসায়ীদের aটক করে কেন্দ্র। সেই তালিকায় ছিলেন মুবিনও। উপযুক্ত কারণ না দেখিয়ে মুবিনকে আটক করা হয় বলে অভিযোগ। প্রভাবশালী পরিবারের সদস্য হওয়ার পাশাপাশি একাধিক বার কাশ্মীর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন মুবিন।

২০০৮ সালে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শুরু করাতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল তার। ২০১৯ সাল থেকে যদিও দুই দেশের মধ্যে যাবতীয় লেনদেন বন্ধ রয়েছে। সমীরা এবং মুবিনের বাবা দুই ভাই। তাই চাচাতো ভাইর মুক্তির জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে গোটা পরিবার। সমীরার বোন ইউসরা ফজিলি পেশায় মানবাধিকার আইনজীবী। ২০১৯ সালের নভেম্বরে আমেরিকার কংগ্রেসে বিষয়টি তোলেন তিনি। তিনি দাবি করেন, মুবিনকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে ব্যাপারে কোনও ধারণাই নেই পরিবারের। এক জেল থেকে অন্য জেলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন সকলে। আমেরিকার বিদেশ দফতরকে বিষয়টি নিয়ে দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগ করতে আর্জি জানান তিনি। তারপরই জানা যায়, আগরায় আটক করে রাখা হয়েছে তাকে। তারপরেই মুবিনের মুক্তির দাবিতে আমেরিকার কংগ্রেসে সওয়াল করতে নামেন ইউসরা। তিনি বলেন, ”মুবিনের প্রতি ভারত সরকারের আচরণ কাশ্মীরিদের জন্য সতর্কবার্তা। বুঝতে হবে, এই অস্থিরতার সামনে অর্থ, আভিজাত্য, সম্ভ্রম একেবারে অর্থহীন।”

উপত্যকায় রাতের অন্ধকারে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘুমন্ত যুবকদের সেনা টেনে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ইউসরা জানান, তার ভাই রাজনীতিক নন, সরকার বিরোধী নন, বিচ্ছিন্নতাবাদীও না তিনি। বরং কাশ্মীরিদের রোজগারের বন্দোবস্ত করাই তার কাজ। কোন যুক্তিতে তাকে আটক করা হল, সরকার তার সদুত্তর দিতে পারেনি বলে দাবি করেন তিনি।

মুবিনের মুক্তির দাবিতে সেই সময় সরব হন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকার কংগ্রেস সদস্য প্রমীলা জয়পালও। তাদের এ নিয়ে আশ্বস্ত করেন দক্ষিণ এবং মধ্য এশিয়া সংক্রান্ত বিভাগের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অ্যালিস ওয়েলস। তারপরই ৬ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়ে যান মুবিন। উপত্যকার অন্যান্যদের ক্ষেত্রে যা ঘটেনি। ঘটনাচক্রে ওই দিনই উপত্যকায় নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা নিয়ে হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভে সুপারিশ করেন প্রমীলা। এর দু’দিন পর সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র জানায়, মুবিনের উপর থেকে জন নিরাপত্তা আইন তুলে নেওয়া হয়েছে।

২০২০ সালর অক্টোবরে একটি ফেসবুক পোস্ট ঘিরে ফের বিতর্কে জড়ান মুবিন। তা নিয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানান জম্মু-কাশ্মীরের ডিজিপি দিলবাগ সিং। মুবিনের সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে বলেও জানান হয়েছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তাই বাইডেনের সরকারে সমীরার অন্তর্ভুক্তিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন তারা। বিশেষ করে ২০ জন ভারতীয়কে নিজের সরকারের অন্তর্ভুক্ত করলেও আরএসএস এবং বিজেপির সঙ্গে সংযোগ রয়েছে এমন ২ জনকে সেই তালিকা থেকে বাইডেন বাদ দেওয়ার পর।

কাতার সেন্ট্রাল জেলখানা পরিদর্শন ও জেলখানা পরিচালকের সাথে বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূতের বৈঠকল।

মোহাম্মাদ জোনাইদ,কাতার প্রতিনিধিঃ-
কাতার সেন্ট্রাল জেলখানা পরিদর্শন ও জেলখানা পরিচালকের সাথে বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

গত ২৫ জানুয়ারি, ২০২১ তারিখ কাতারের আবু নাকলায় অবস্থিত সেন্ট্রাল জেলখানার প্রধান ব্রিগেডিয়ার মোহাম্মদ সউদ আল ওতাইবি, ডাইরেক্টর অব পেনাল্টি এন্ড রিফর্মেটরি ইন্সটিটিউশন ডিপার্টমেন্ট এর সাথে রাষ্ট্রদূত মোঃ জসীম উদ্দিন এর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত জেলখানার খাবারের মান, চিকিৎসা, চিত্তবিনোদনের সুযোগসহ বাংলাদেশী কয়েদীদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং তাদেরকে আইনি সুবিধা ও আমির কর্তৃক ক্ষমা প্রদানের আওতায় নিয়ে আসার জন্য জেলখানা কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চান। ব্রিগেডিয়ার ওতাইবি জেলখানা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সুবিধাদি সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন। তিনি জানান বছরে দুইবার যথা কাতারের জাতীয় দিবস ও রমজান মাসে আমিরি ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। রাষ্ট্রদূত এ ক্ষমার আওতায় অধিক সংখ্যক বাংলাদেশীদের অন্তুর্ভূক্তের অনুরোধ করলে ব্রিগেডিয়ার ওতাইবি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন।

বৈঠকে জেলখানার পুরুষ কয়েদী বিভাগের প্রধান জাসেম আব্দুল্লাহ আল আলী উপস্থিত ছিলেন। দূতাবাস থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের সাথে কাউন্সেলর (রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক) মোঃ মাহবুর রহমান, শ্রমকল্যাণ উইংয়ের প্রথম সচিব তনময় ইসলাম এবং অনুবাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ৫৩ জন বাংলাদেশী কয়েদির সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের খোঁজ খবর নেন।

সূত্রঃ-বাংলাদেশ দূতাবাস কাতার।

যুক্তরাজ্য ফেরত ২৮ যাত্রী করোনা পজিটিভ।

যুক্তরাজ্য থেকে সিলেটে আসা ২৮ জন যাত্রীর করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) রিপোর্ট পজিটিভ পাওয়া গেছে।

গত রবিবার (২৪ জানুয়ারি) নমুনা সংগ্রহের পর সোমবার (২৫ জানুয়ারি) আসা রিপোর্টে তাদের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। গত ২১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) বিমানের ফ্লাইটে যুক্তরাজ্য থেকে তারা দেশে আসেন। এরপর নগরের বিভিন্ন হোটেলে তারা কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর যাত্রীদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের সোমবার রাতে এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, গত ২১ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট নং বিজি-২০২’তে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে আসেন ১৫৭ প্রবাসী। সিলেটে আসার পর সেনাবাহিনী ও পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে বিভিন্ন হোটেলে রাখা হয়। আগের নিয়ম অনুসারে, তাদের ৪ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা। এ হিসেবে সোমবার তাদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন থেকে ছেড়ে দিতে রবিবার নমুনা পরীক্ষা করানো হয়। এতে ২৮ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। করোনাক্রান্ত এসব যাত্রীদের ১৫ জন হোটেল নূরজাহানে, ৫ জন হোটেল ব্রিটানিয়ায়, ৪ জন হোটেল হলিগেইটে, ৩ জন হোটেল লা রোজে এবং ১ জন হোটেল হলি সাইডে অবস্থান করছিলেন।

বি এম আশরাফ উল্যাহ তাহের আরো জানান, তাদেরকে সিলেটের খাদিমপাড়াস্থ ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারীরিক পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে।

যুক্তরাজ্যে করোনার নতুন স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বিভিন্ন দেশ তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ রেখেছে। তবে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট এখনো অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহে দু’দিন লন্ডন থেকে সিলেটে আসে বিমানের দুইটি ফ্লাইট। সোমবার যুক্তরাজ্য থেকে সিলেটে ফিরেছেন আরও ১৪৩ জন। আজ দুপুরে তারা ওসমানী বিমানবন্দরে পৌঁছার পর নেয়া হয়েছে কোয়ারেন্টিনে।

একটি লেপের জন্য রাস্তায় ঘোরেন ১৯৫২ সালের ম্যাট্রিক পাস খোদেজা।

‘আমা’রে একটা লেপ দেবে বাবা। আমা’রে একটা লেপ দিও আর কিছু চাই না।’পরক্ষণেই বিড় বিড় করে বললেন, ‘আমা’র খাওয়ারই ক’ষ্ট, ওষুধ কেনার টাকা নেই। মাসে ৫শ টাকার ওষুধ কিনেও হয় না। কিন্তু টাকার অভাবে আর কিনতে পারি না। আমা’র চোখে সমস্যা, কানে সমস্যা, পেটে সমস্যা। পেটের পীড়ায় চিকিৎসা ছাড়া তিন দিন জ্ঞানহারা ছিলাম। আমা’র সাহায্য করার মতো কোনো স্বজন নেই।’বলতে থাকেন, ‘স্বামীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হওয়ার পর একমাত্র মে’য়েকে সম্বল করে বেঁচে আছি। ২৫- ২৬ বছর প্রাইভেট পড়িয়ে মা- মে’য়ে জীবিকা চালিয়েছি। এখন আমি অক্ষম, মে’য়ে অকাল বিধবা। তাই লোকজনের সাহায্য নিয়ে জীবন চালাই।’

কথাগুলো বলছিলেন খোদেজা বেওয়া। পাবনার সাঁথিয়া উপজে’লার গাঙ্গহাটি গ্রামের বাসিন্দা খোদেজা বেওয়া গাঙ্গহাটি গ্রামের মৃ’ত শাহাদত আলি খাঁনের মে’য়ে।তিনি ১৯৫২ সালে ম্যাট্রিক (এখন এসএসসি) পাস করেন কৃতিত্বের সঙ্গে। শৈশবে পাবনার বেড়া উপজে’লার লক্ষ্মীপুর-ঝাউকাদা গ্রামে মামাবাড়িতে থাকতেন। সেখানে থেকে পড়াশোনা করতেন। নাটিয়াবাড়ী ধোবাকোলা করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। তাদের প্রধান শিক্ষক ছিলেন আ. রহমান ওরফে ন্যাকা মাস্টার। সেই বিদ্যালয় থেকেই তিনি ম্যাট্রিক পাস করেছিলেন। ক্লাসের মেধাবী ছা’ত্রী হিসেবে তার সুনাম ছিল।

ওই সময়ে ম্যাট্রিক পাস করলে তো চাকরির অভাব ছিল না। তাহলে চাকরি করলেন না কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বনেদি ঘরের মে’য়েদের দিয়ে চাকরি করানো হতো না। তাই তারও চাকরি করা হয়নি।এরপর বিয়ে হয়ে যায় বাবার বাড়ির গ্রামের আ. সাত্তার মিয়ার সাথে। তাদের সংসারে একটি মে’য়েও হয়। কিন্তু ওই ব্যক্তি আরও ২-৩টা বিয়ে করার পর তাকে তালাক দিয়ে তাড়িয়ে দেন।এরপর শুরু হয় তার জীবনযু’দ্ধ। তিনি দুই বেলা ছাত্র-ছা’ত্রীদের প্রাইভেট পড়িয়ে পেটের ভাত জোগাড় করতেন। শুধু বাংলা-ইংরেজি নয়, তিনি আরবি শিক্ষাও দিয়েছেন বহু শি’শুদের।

এখন তিনি বয়সের ভা’রে ন্যূব্জ। বয়স কত জানতে চাইলে বললেন, সার্টিফিকেট অনুযায়ী জন্মসাল ১৯৩৭। সে হিসেবে ৮৪ বছর। এই বয়সেও তিনি নামাজ-রোজা করেন। পবিত্র কোরআন পাঠ করেন।পবিত্র কোরআন শরীফ, তাফসিরুল কোরআন, গঞ্জল আরশ, খায়রুল হাশর, বহু নবীর জীবনী রয়েছে তার কাছে। সেগুলো তিনি পড়েন। তবে চোখে ভালো দেখেন না বলে সমস্যা হয়। আর রাতে তো চোখেই দেখেন না বলে জানালেন। চশমা দূরের কথা চোখের কোনো চিকিৎসাও করাতে পারেননি।

বললেন, কে আমাকে ডাক্তার দেখাবে? কে আমাকে চশমা বা চোখের ড্রপ কিনে দেবে? আমা’র তো কেউ নাই রে বাবা!বার্ধক্যজনিত নানা অ’সুখ বিসুখ তার শরীরে বাসা বেঁধেছে। বললেন, চোখে ঠিকমতো দেখতে পারেন না, ঠিকমতো শুনতে পারেন না, মা’থা য’ন্ত্র’ণা করে, তার মুখ-গলা শুষ্ক কাঠ যেন।অনেক আগে এক ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন মোতাবেক ওষুধ কিনতেই তার সাধ্যে কুলায় না। মাসে ৫শ টাকার ওষুধই জোগাড় করতে পারেন না। তার খাবারের ক’ষ্ট প্রতিদিনের। খাবারের সংস্থান করতে যেখানে যু’দ্ধ করতে হয়, সেখানে ভালো চিকিৎসা করানোর কথা তিনি কল্পনাও করতে পারেন না।

খোদেজা বেগম দুঃখ করে বললেন- অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকিয়ে যায়! একমাত্র অবলম্বন মে’য়েটির বিয়ে দিয়েছিলেন বাসের সুপারভাইজারের সঙ্গে। কিন্তু কয়েক বছর আগে জামাই সড়ক দু’র্ঘ’ট’নায় অকালে মা’রা যান। তার মে’য়ে হয়ে যায় বিধবা। তিনি অল্প বয়সে স্বামী পরিত্যক্তা আর তার মে’য়ে অল্প বয়সে হয়েছেন বিধবা।একটি বিধবা কার্ড রয়েছে তার। সেটার টাকা নিয়মিত পাওয়া যায় না আর পেলেও ওই টাকা তো তার ওষুধ কিনতেই শেষ হয়ে যায়। আবার কার্ড ঠিক করার জন্য মাঝে মধ্যে অফিসে অফিসে ঘুরতেও হয়।

তার থাকার জন্য একটি ঘর পাওয়ার কথাও জানালেন। বড় ঘর পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পেয়েছেন ৭ হাত দৈর্ঘ্যের একটি ঘর। সেই ঘরই তার এখন সম্বল।এই শীতে তার অনেক ক’ষ্ট হচ্ছে জানিয়ে বললেন, বাবারে আমা’র একটা লেপ দিতে পার? আমা’র একটা লেপ দিও। ….আর কিছু চাই না।সাঁথিয়া উপজে’লার বনগ্রামে বাজারের চিকিৎসক গো’লাম আযমের সঙ্গে ওই বৃদ্ধার বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, তার বাড়ির কিছুটা দূরে ভদ্রমহিলা থাকেন। তিনি দীর্ঘদিন প্রাইভেট পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এখন তার অসময়ে দেখার মতো কেউ নেই। এখন দু’মুঠো ভাতের জন্য পরের দুয়ারে হাত পাতেন।

পাবনার সিনিয়র সাংবাদিক আখতারুজ্জামান আখতার জানান, তিনিও নাটিয়াবাড়ি ধোবাকোলা করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছিলেন। ওই বৃদ্ধা ঠিকই বলেছেন যে, ওই বিদ্যালয়ে দীর্ঘ বছর প্রধান শিক্ষক ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় আ. রহমান স্যার। এ বিদ্যালয় থেকে ৫২ সালের এসএসসি পাস করা অনেকেই উচ্চপদস্থ কর্মক’র্তা হয়েছিলেন। এই ভদ্র মহিলার সমবয়সী অনেকে আজ হয়ত বেঁচেও নেই। তার এমন দুর্দিন খুবই দুঃখজনক।প্রবীণ এই বৃদ্ধার জন্য কেউ মানবিকতার হাত বাড়াতে ইচ্ছুক হলে জাগো নিউজের পাবনা প্রতিনিধি আমিন ই’স’লা’মের মুঠোফোন ০১৭১৫-৫৭৬৭৬২ অথবা ০১৮১৮- ৪৮৩১৩৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

৬-৮, হাজার টাকার বিনিময়ে বিছানায় যেতে হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী তমাকে।

তমা ইসলাম (ছদ্মনাম)। রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা এই শিক্ষার্থী দেশের নামকরা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট্রি বিভাগের স্নাতকের ছাত্রী। তিনি বর্তমানে যৌ’’ন
ব্যবসায়ের সাথে জ’ড়িত। নিজে’র জীবনের নানান ধাপে ধাপে অনেক ধ’রনের নি-র্যা’তন সয়ে আজ তাকে এ পথে নামতে হয়েছে। আর বাকি পাঁচজনের মতোই ছিলো তমা’র জীবন। কিন্তু তার বাবার ব্যবসায়ে ক্ষ’তি হওয়ার পর উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনো তমা’র জীবনে নেমে আসে কালো ছায়া। তমা’র বাবার রাজধানীর মিরপুরে একটি কাপ’ড়ের দোকান ছিলো। কিন্তু তার বাবার ব্যবসায়ীক পার্টনার তাদের সাথে প্র’তারণা করে তমা’র পরিবারকে নিঃস্ব করে। ওই ব্য’ক্তি হাতিয়ে নেন

তমা’দের ২৫ লক্ষ টাকা। স্নাতকে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাতালিকায় স্থান পাওয়ার পরেও ভর্তি হওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থ ছিলো না তমা’র। তার বাবাও তাদের
পরিবারের জন্য তেমন কিছু ক’রতে পারছিলেন না। অবস্থা ছিলো অনেকটাই বেগতিক। তমা’র পরিবারের সদস্যদের দিনের পর দিন আধ পে’টা, না খেয়ে পার ক’রতে ‘হতো। চার ভাই-বোনের মধ্যে তমাই সবার বড়। তিনি তার পরিবারের অবস্থা আর নিজে’র পড়াশোনার জন্য চাকরির সি’দ্ধান্ত নেন। কয়েকটি চাকরির ওয়েবসাইট ঘুরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিভি দেন তমা। কিন্তু দিনের পর দিন পার হলেও তিনি কোথাও ডাক পান না। এ অব’স্থায়

মা’নসিকভাবে অনেকটাই ভে’ঙে প’ড়েন সদ্য উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনো এই ছাত্রী। মাসখানেক পর হ’ঠাৎই একটা কল আসে তমা’র কাছে। একটি প্রতিষ্ঠানে
তমাকে চাকরির ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়। তমা সময় মতো গু’লশানের ওই অফিসে হাজির হন। তমাকে তখন সাধারণ কিছু প্রশ্নের পর জা’নানো হয় এটা একটি বিউটি পার্লারের কাজ। স্পা করাতে হবে না’রীদের।তমা দীর্ঘদিন চাকরি খুঁজেও কোনো উপায়ন্ত না পেয়ে তাদের প্রস্তাবে রাজি হন। ভাবলেন তাও একটা কাজ তো পেয়েছেন। ওইদিনের মতো তমাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় পরবর্তী তারিখ দিয়ে। জা’নানো হয় পরবর্তী দিন ওই অফিসের ‘বস’ তমা’র ইন্টারভিউ নিবেন। তিনি ফাইনাল করলেই তমা’র চাকরি হবে। পরবর্তী তারিখে তমা সময় মতো ওই লোকের দেওয়া ঠিকানায় উপস্থিত হন। পরে তাকে ‘হোটেল রেডিসনের’ একটি কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে গিয়ে তমা দে’খতে পান এক লোক সোফায় বসে আসেন। তমা’র যেহেতু চাকরির পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিলো না তাইতিনি তেমন কিছুই আঁচ ক’রতে পারেননি যে, তার সাথে কী ঘটতে যাচ্ছে! এরপর তমা যেই লোকের সাথে হোটেল পর্যন্ত গে’লেন তিনি রুমে থাকা লোকের কাছে তমাকে রেখে ‘কানেকানে’ বলে যান ইনি আমা’দের ‘বস’। তাকে সন্তুষ্ট ক’রতে পারলেই চাকরি কনফার্ম। সদ্য উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পার করা তমা তখনও কিছু বুঝতে পারেননি। এরপররুমে ওই লোক জো’র জ’বরদস্তি করে তমাকে ধ… করেন। শুরু হয় তমা’র জীবনের নতুন অধ্যায়। তমা তার জীবনের এই অ’নাকাঙিক্ষ’ত ঘ’টনা কাউকে বলতে

পারেননি। তার পরিবারের লোকের পাশে তখন তার দাঁড়ানো দরকার ছিলো- এর ওপরে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, ছোট ছোট তিনটা ভাই-বোনের দিকে তাকিয়ে তমা
সেদিন প্র’তিবাদ ক’রতে পারেননি। কিন্তু তমা’র জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয় সেখান থেকেই। তমা সেদিনকার মতো বাড়িতে ফি’রে আসেন এবং আত্ম চেষ্টা করেন।

কিন্তু পরিবারের কথা ভেবে অন্ধকার জগতের পথ বেছে নেন তমা। তমা বাড়ি ফেরার দুই-একদিন পর ওই লোকেরা তার সাথে আবার যোগাযোগ করেন।
জা’নান, তমা চাইলে তারা প্রতিমাসে তাকে তিনটা কাজ দিবে। এর জন্য তমাকে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হবে। তমাও রাজি হয়ে যান তাদের শর্তে। তমা’র দা’বি, তার

সামনে অন্য আর কোনো উপায় ছিলো না! ‘কিছুদিন যাওয়ার পর অন্ধকার জগতে কাজ করে এমন একটা গ্রুপে এ্যাড হলাম। এই গ্রুপের যিনি এ্যাডমিন ছিলেন
তিনি কারো কাছ থেকে কোন বিনিময় নেয় না। তিনি কাজ যোগাড় করে দেয়। এভাবেই অন্ধকার জগতে প্রবেশ করি। একসময় আমি বুঝতে পারি কিভাবে যোগাযোগ

ক’রতে হয়। কিভাবে নিজেকে হাইড রাখতে হয়। এ কাজ ক’রতে গেলে কখনো নিজেকে অপ’রাধী মনে হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব সময় মনে হয়,আবার মাঝে মাঝে মনে হয় না। টাকা পয়সা আর প্যাকেজে’র বিষয় জানতে চাইলে তিনি

বলেন, টাকা পয়সার বিষয় হচ্ছে যারা আসে তাদের অবস্থা বুঝে। যার অর্থনৈতিক অবস্থা একটু ভালো সে হয়তো একটু বেশি দিচ্ছে। কিভাবে যোগাযোগ হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রুপে পোস্ট দেই, কন্টাক্টটা ইনবক্সে হয়। তার পর ফোনের মাধ্যমে কন্টাক্ট করা হয়। যায়গাটা কিভাবে নির্ধারণ করা হয় এ বিষয়ে তিনি বলেন,

আমা’দের গ্রুপের অনেকে আছে যারা পরিবার সহ থাকে। ওখানে যাওয়া হয়, কিন্তু যায়গা গু’লো অনেক নি’রাপত্তার। কেউ ঝামেলা করবে এমন কোন স’মস্যা নেই।
গেস্ট হিসেবে যাই। আসার সময় আমা’র যা আয় হয়, এখান থেকে দুই বা তিন হাজার তাদের দিয়ে আসতে হয়। এখানে কারা আসে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেশির ভাগ হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবী, বে-সরকারি চাকরিজীবী আবার অনেক স্টুডেন্টও আসে। স্টুডেন্টদের কাজ আমি একটু কম করি। কারন আমি নিজেও একজন স্টুডেন্ট এজন্য তাদের কাজ আমি করি না। বেশির ভাগ ৩৫ বছরের উপরে লোকজন বেশি আসে। এপর্যন্ত আপনি কতজনের সাথে মিট ক’রেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩৫ থেকে ৪০ জনের মতো হবে। ঢাকার ভি’তরেই কাজ গু’লো করা হয়। ছয় থেকে আট’ হাজার টাকা কন্টাক্ট হয়। অনেকে থাকার পরে বলে বুথ থেকে টাকাটা তুলে দিচ্ছি। দেখা যায় তার আর খোঁ’জ খবর নেই। আবার অনেকে টাকা কম দিয়ে যায়। বলছে পরবর্তীতে দিব। পরবর্তীতে অনেকে দিয়ে দেয়, আবার অনেকে দেয় না। আবার অনেকে বাজে ব্যাবহার করে। মনে হয় আম’রা কোন মানুষ না। আমা’দের সাথে মানুষের আচরণ করে না। এটা কোন জীবন ‘হতে পারে কি না জানিনা। এটা আ’সলে কোন লাইফ না। আমি চাই এখান থেকে প্রতিনিয়ত

বের ‘হতে। আমি চাই আরও পাঁচটা মানুষ যেভাবে থাকে আমিও সেভাবে থাকি। এই শিক্ষার্থী বলেন, আমি এ জীবন চাই না। আমি এখান থেকে বের ‘হতে চাই।

লেখাপড়া শেষ করে চাকরি ক’রতে চাই। আমি জানিনা এখান থেকে সমাজ আমাকে কিভাবে বের করবে, কিন্তু আমি এখান থেকে বের ‘হতে চাই। উল্লেখ্য, স’ম্প্রতি দেশের বেসরকারি সময় টেলিভিশন-এ সংবাদটি প্র’কাশিত করা হয়। সেই আলোকেই আমা’দের এই প্র’তিবেদনটি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি।

বাংলাদেশ ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ভ্রমণে আমেরিকানদের জন্য এই সতর্কতা জারি করলো মার্কিন প্রশাসন। 

বাংলাদেশ ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি

বাংলাদেশ ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। ২৫ জানুয়ারি (সোমবার) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে করোনার কারণে বাংলাদেশ ভ্রমণে তৃতীয় পর্যায়ের স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করে যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)।

জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতাগ্রহণের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ভ্রমণে সতর্কতা জারি করল মার্কিন প্রশাসন। সোমবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা হালনাগাদ করা হয়েছে।

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের পুনর্বিবেচনা বা ভেবে দেখতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ ও অপহরণের ঝুঁকি থাকায় বাংলাদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের অতিরিক্ত সাবধানতা গ্রহণ করতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে এসেছে।

খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানের মতো পার্বত্য জেলায় ভ্রমণ বিপজ্জনক উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ হিসেবে সেখানকার গোষ্ঠীগত সহিংসতা এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, বাংলাদেশে ‘স্টে অ্যাট হোম’ নির্দেশনা প্রত্যাহার করেছে, পরিবহন ব্যবস্থা এবং ব্যবসায়িক কার্যক্রমও কিছুটা চালু হয়েছে। তবে অপরাধ, সন্ত্রাস ও অপহরণের কারণে বাংলাদেশ ভ্রমণে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে।

বর্তমান সময়ে কুয়েত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কিছু প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হলো এখানে?

⭕ভিসা চালু হইছে কি?
✅উ: হুম, খাদেম ভিসা।

⭕ভিসা দেন /দিতে পারবেন??
✅উ: এসব কাজের সাথে আমরা জড়িত না।

⭕করোনার আগে যাদের ভিসা বাহির হয়েছিলো,তারা কি কুয়েতে আসতে পারবে সেইম ভিসাতে??
✅উ: না, সে সব ভিসা বাতিল।

⭕কুয়েত থেকে দেশে যাওয়া যায়??
✅উ:হুম,যাওয়া যায় এবং যাচ্ছে।

⭕এখন দেশে গেলে কি আবার আসতে পারবো?
✅উ:কবে নাগাদ আসতে পারবেন এ বিষয়ে শিউর বলা যাচ্ছেনা।

⭕কুয়েতের ফ্লাইট কবে স্বাভাবিক হবে??
✅উ: বলা মুশকিল।

⭕দেশ থেকে কি সরাসরি কুয়েতে ফিরতে পারবো???
✅উ: এখনো সরাসরি ফ্লাইট চালু হয় নি।

⭕কুয়েতে সরাসরি ফিরতে হলে করনীয় কি??
✅উ: আপাতত Balsalamah.com রেজিষ্ট্রেশন করুন।

⭕কুয়েতে ফিরতে কতো ঘন্টা আগে করোনার 𝐏𝐂𝐑 সনদ নিতে হবে??
✅উ: ৭২ ঘন্টা আগে।

⭕বাংলাদেশ থেকে কুয়েতে আসার সময় কোথায় থেকে করোনা টেস্ট করাবো??
✅উ:★১-প্রভা
★ইউনিভার্সেল
(২০ আকামাধারীদের জন্য কুয়েত ফিরতে এই দুইটা ল্যাব বাংলাদেশে)

⭕দুবাই হয়ে কুয়েতে আসা যায়??
✅উ:হুম,আসা যায় এবং আসতেছে।

⭕দুবাই হয়ে আসলেও কি কুয়েত কোয়ারেইন্টাইনে থাকতে হবে??
✅উ: হ্যা -১৪ দিন হোমকোয়ারেইন্টাইনে থাকতে হবে।

⭕দুবাই হয়ে কুয়েতে আসতে হলে মোবাইল আইডি লাগে নাকি কুয়েত এম্বাসির প্যপার লাগে??
✅উ: মোবাইল আইডি না থাকলে, কুয়েত এম্বাসি থেকে প্যপার আনতে হবে।

⭕বর্তমানে আকামা হাউল হয়??
✅উ: হয় এবং হচ্ছে।

⭕বর্তমানে কুয়েতে কয় বছরের আকামা নবায়ন হয়??
✅উ: ২ বছরের জন্য করা যায়।

⭕আকামা লাগাইছে ফিংগার লাগে??
✅উ: না,আপাতত ফিংগার দেওয়া লাগছে না।

⭕খাদেম আকামা শোন করা যায়??
✅উ: না, এখনো কানুন দেয়নি/ আসেনি।

⭕আকুদ থেকে খাদেম হওয়া যায়??
✅উ:না,সম্ভব না।

⭕মাসুরা/মাছনা ছাগীর- কতো বছের হাউল হয়??
✅উ:৩ বছর।

⭕আহলী থেকে আখুদ বা খাদেম হওয়া যায়??
✅উ: হুম হওয়া যায়।

⭕রায় শোন থেকে আকামা ট্রান্সসফার করে খাদেম,আখুদ,আহালী করা যায়?
✅উ:নাহ, করা যায় না।

⭕সাধারন ক্ষমা কতো তারিখ পর্যন্ত??
✅উ: ৩১-১-২০২১ তারিখ পর্যন্ত।

⭕কেউ কেউ বলেতেছে সাধারন ক্ষমা’র মেয়াদ বাড়িয়েছে যদি এব্যাপারে বলতেন??
✅উ: এব্যপারে নতুন কোন তথ্য পাইনি – আমাদের মতে ৩১ শে জানুয়ারী শেষ তারিখ।

⭕অবৈধ অবস্থায় থাকলে জরিমানা কতো হতে পারে??
✅উ: প্রতিদিন ২ দিনার এবং সর্বচ্চো ৬০০ দিনার।

⭕অবৈধ আছি,দেশে যেতে পারবো??
✅উ: হুম পারবেন, দুতাবাস থেকে আউট প্যপার নিন,বিমানের টিকেট কিনুন, এয়ারপোর্টে গ্রামা/ জরিমানা দিয়ে দেশে চলে যেতে পারবেন।(জানুয়ারী মাস পর্যন্ত) এ সুযোগ আছে জানামতে।

⭕বতাকা বক্সে পরে না করনীয় কি??
✅উ: পাসপোর্ট নিয়ে সরাসরি বতাকা মাদানিয়াতে চলে যান।

⭕বাতাকা বক্স থেকে না উঠালে জরিমানা আসে কি??
✅উ:বতাকা রেডি হওয়ার পর ১মাসের বেশি হলে ২০ দিনার জরিমানা।

⭕পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ ইমার্জেন্সি পাসপোর্ট রিনিউ প্রয়োজন করনীয় কি??
✅উ: দূতাবাস থেকে- দুই বছরের মেয়াদ বাড়িয়ে এনে, তা খারেজিয়া করিয়ে নেন।

⭕খারেজিয়া কোথায় করায়???
✅উ: মুরগাব লিবারেশন টাওয়ার এবং শুয়েখ ইজি পোর্টালে।

⭕নতুন কানুনে কারা লাইসেন্স বানাতে পারবে??
✅উ: খাদেম- আমেল/ তাব্বাক।

⭕রায় শোন থেকে লাইসেন্স করা যাবে??
✅উ: আমেলে মেহনা ” ছায়েক ” হলে অবশ্যই বানানো যাবে।

⭕নতুন কানুনে লাইসেন্স বানানোর শেষ তারিখ কবে??
✅উ: শেষ তারিখ ঘোষনা করা হয় নি, চলছে চলতে থাকুক।

⭕পাসপোর্ট রিনিউ করতে কি কি লাগে??
✅উ:পাসপোর্টের ফটোকপি/বতাকারা ফটোকপি/৯ দিনার ৫০০ পয়সা।

⭕কতো দিনের মধ্যে পাসপোর্ট রিনিউ করা হয়??
✅উ: তিন মাস সময় নিয়ে ৫ বছর মেয়েদি পাসপোর্ট রিনিউ করা হয়,তবে এর আগেও পেতে পারেন
দূতাবাসের সাকুর্লার অনুযায়ী।

⭕কুয়েতে ই-পাসপোর্ট /১০ বছর মেয়াদি পাসপোর্ট বানানো করা যায়??
✅উ: নাহ্।

⭕পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য ফর্ম কোথায় পাবে??
✅উ: বাংলাদেশ দূতাবাসেই পাবেন।

⭕বাংলাদেশ দূতাবাস কি ইমার্জেন্সি পাসপোর্ট রিনিউ ✅করা যায়??
উ: নাহ।

⭕করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য করনীয়??
✅উ: কুয়েত স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের দেওয়া ওয়েব লিংকে রেজিষ্ট্রেশন করুন।

কিছু টাকা খরচ হবে বলে প্রবাসীর লাশটাও দেশে নিলোনা পরিবার।

বাংলাদেশী এক ভাই আবা সৌদি আরব কিছু দিন আগে মা’রা যায় আজ লা”শ দা’ফ’ন করা হয়। তার লা”শটা পরিবার দেশে নেয় না কিছু টাকা খরচ হবে বলে।

আথচ পরিবারের জন্য ২৭ বছর প্রবাসে কাজ করে পরিবারের ও দেশের জন্য কত কিছু করছে তার বিনিময় দেশে তার লা”শটা পর্যন্ত দেশে নিলো না। সব প্রবাসী ও যত মু’সলিম আছেন সবাই ম’রার আগে ঈ’মান নিয়ে ম’রতে পারেন সেই আমল করবেন এইটা আমা’র অনু’রোধ।

বাংলাদেশী এক ভাই আবা সৌদি আরব কিছু দিন আগে মা’রা যায় আজ লা”শ দা’ফ’ন করা হয়। তার লা”শটা পরিবার দেশে নেয় না কিছু টাকা খরচ হবে বলে। আথচ পরিবারের জন্য 27 বছর প্রবাসে কাজ করে পরিবারের ও দেশের জন্য কত কিছু করছে তার বিনিময় দেশে তার লা”শটা পর্যন্ত দেশে নিলো না।

সব প্রবাসী ও যত মু’সলিম আছেন সবাই ম’রার আগে ঈ’মান নিয়ে ম’রতে পারেন সেই আমল করবেন এইটা আমা’র অনু’রোধ।

সুত্র ঃ-https://amarsangbad24.com/2021/01/%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a7%81-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be-%e0%a6%96%e0%a6%b0%e0%a6%9a-%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac/

কুয়েতে 🇰🇼 আজ মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারি ২০২১ ইং তারিখ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৫০৫ জন,সুস্থ হয়েছে ৫৩৭ জন এবং মারা গিয়েছে ০৩ জন।

কুয়েতে 🇰🇼 আজ মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারি ২০২১ ইং তারিখ গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছে ৫০৫ জন,সুস্থ হয়েছে ৫৩৭ জন এবং মারা গিয়েছে ০৩ জন।

মোট আক্রন্তের সংখ্যা ১৬২,২৮২ জন। মোট সুস্থতার সংখ্যা ১৫৫,৩০৩ জন। মোট মৃতের সংখ্যা ৯৫৭ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় নতুন নমুনা পরিক্ষা করা হয়েছে ৮,৪২৬ জন, এবং মোট পরীক্ষা করা হয়েছে ১,৪৭৯,৫৩০ জন।

আল্লাহ্ আমাদের সকলকে এই মহামারি থেকে হেফাজত করুক। আমীন!🤲

সূত্রঃ কুয়েত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

✍️

লাগেজ হারালে প্রতি কেজিতে ১ লাখ টাকা জরিমানা পাবে যাত্রী!

ফ্লাইটে যেকোনভাবে লাগেজ হারালে এখন থেকে প্রতি কেজির জন্য ১ লক্ষ ১৭ হাজার টাকা করে জরিমানা পাবে যাত্রী! এছাড়াও বিমান দু’র্ঘটনায় কোন যাত্রীর মৃ’ত্যু বা ক্ষ’তি হলে ক্ষ’তিপূরণের পরিমান বাড়িয়ে করা হয়েছে ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা!

লাগেজ হারালে ক্ষ’তিপূরণ বাড়লো লাখ টাকারও বেশি!
ফ্লাইটে ব্যাগেজ (লাগেজ) হারালে বা নষ্ট হলে আগে কেজিতে ক্ষ’তিপূরণ পাওয়া যেত ২০ ডলার বা প্রায় ১ হাজার ৭০০ টাকা।