কুয়েতে আগত প্রতি ফ্লাইটে ৩৫ জন যাত্রী নির্ধারণ করে দেওয়ায় বেশ কায়দায় পড়েছে আগত যাত্রীরা।
করোনা,রোধে আগত যাত্রীর সংখ্যা হ্রাস করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর, নিষিদ্ধ দেশগুলি থেকে যারা আসছেন এবং ১৪ দিনের জন্য বিভিন্ন দেশে কোয়ারেন্টিন করেন, তারা সবচেয়ে বেশী বেকায়দায় পড়েছেন।
বিভিন্ন সুত্রের বরাতে আরব টাইমসে প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে,কুয়েত প্রবেশে নিষিদ্ধের তালিকায় থাকা দেশগুলির বাসিন্দারা খুব অসুবিধায় পড়েছেন।
এয়ারলাইন্সের সীমিত আসন এবং কয়েক হাজার যাত্রীর টিকিট বাতিল হওয়ার কারণে আবারও পরিস্থিতি জটিল হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে যে ট্রানজিট ভ্রমণকারী বিদেশীদের এই সময়ের মধ্যে টিকিটের অভাবের কারণে অতিরিক্ত সময়ের জন্য ট্রানজিট দেশে থাকতে হবে।
আল কাবাসের সুত্রে জানাযায়, সিদ্ধান্তটি বাস্তবায়নের আগে কিছু বিদেশী কুয়েত আসার জন্য নতুন ট্রানজিট ভিসা নিয়ে ইথিওপিয়া এবং সৌদি আরব প্রবেশ করেছে।
অন্যদিকে, এমন পরিস্থিতিতে কুয়েত আসতে টিকিটের দাম বেড়ে ৮৫০ দিনারে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটিতে প্রতিদিন এক হাজার যাত্রী অতিক্রম না করার সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন হয়েছে।
যেসব টিকটক ব্যবহারকারীর সঠিক বয়স নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না, তাদের অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে ভিডিও শেয়ার করার প্ল্যাটফর্মটিকে নির্দেশ দিয়েছে ইতালির তথ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ-জিপিডিপি। ১০ বছর বয়সী এক ইতালীয় শিশুর মৃত্যুর পর স্থানীয় নীতিনির্ধারকেরা এই নির্দেশ দেন। টিকটকে ভাইরাল হওয়া ব্ল্যাকআউট চ্যালেঞ্জে অংশ নেওয়ার সময় দুর্ঘটনায় শিশুটি মারা যায় বলে তার অভিভাবকদের অভিযোগ।
ইতালির শিশু ও কিশোর কমিশনের প্রেসিডেন্ট লিচিয়া রনজুল্লি জিপিডিপির এই পদক্ষেপে সমর্থন জানিয়ে বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা সব পদক্ষেপই নেব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে এভাবে আত্মহত্যার প্ররোচনামূলক কাজে অনুমোদন দেওয়া যাবে না।অন্যদিকে টিকটকের এক মুখপাত্র জানান, ‘টিকটক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার ব্যাপারটিকে আমরা অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকি। সে জন্য আমরা ভিডিও কনটেন্টে কোনো রকম ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহার দেখানো হলে তা প্রচারের অনুমতি দিই না।’
এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে টিকটকের বিরুদ্ধে মামলা করে জিপিডিপি। ১৩ বছরের নিচের শিশুদের টিকটক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও মিথ্যা জন্মতারিখ দিয়ে সহজেই অ্যাকাউন্ট তৈরি করা যায়। অথচ ইতালির ব্যবহারকারীর তথ্যের গোপনীয়তা আইন অনুযায়ী ১৪ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিবন্ধন করতে অভিভাবকদের অনুমতির প্রয়োজন পড়ে, যা টিকটক অনুসরণ করে না।
পাবনার চাটমোহরে আরবিতে ‘আল্লাহ’ সদৃশ্য লেখা একটি চিংড়ি মাছ পাওয়া গেছে। আর তা দেখতে ভিড় করছেন ওই গ্রামের শত শত মানুষ।
শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার নিমাউচড়া ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রবের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা জানাজানি হলে সন্ধ্যার দিকে মাছটি একনজর দেখতে শত শত লোক ভিড় করতে থাকে। বর্তমানে মাছটি তিনি ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রেখেছেন বলে জানা গেছে।
আব্দুর রব জানান, শুক্রবার বিকেলে মির্জাপুর বাজার থেকে আধা কেজি চিংড়ি মাছ কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। মাছ বাড়িতে নিয়ে গেলে তার বড় বোন ওই মাছ কাটতে শুরু করেন। মাছ কাটার এক পর্যায়ে একটি চিংড়ি মাছের মাথার এক পাশে কালো দাগ দেখতে পান। প্রথমে তিনি ভালো বুঝতে পারেননি। এরপর তার ভাই আব্দুর রবকে ডেকে ওই মাছের মাথায় কালো দাগ দেখান। আব্দুর রব তখন ভালোভাবে দেখে বুঝতে পারেন লেখাটি আরবি হরফে আল্লাহ লেখা। মুহুর্তেই এই খবর আশেপাশে ছড়িয়ে পড়ে। অন্য মাছগুলো রান্না করে খেলেও ওই মাছটিকে ফ্রিজে সংক্ষরণ করে রেখেছেন ওই পরিবারের লোকজন। এ বিষয়ে চাটমোহর পৌর এলাকার আলেম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিষয়টি আল্লাহর কুদরত। হতেই পারে এমনটা, ইতোপূর্বে আমরা মাংসে এমনটি পেয়েছিলাম।
হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল হয় শীতের সকালে। দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা ঘটে সকালে বাথরুমে গিয়ে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, বেশকিছু বিষয় মেনে চললে এই বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ: ১। ঘুম ভেঙ্গে হঠাৎ দাঁড়ানো যাবে না। শুধু শীতকাল নয়, সবসময়ের জন্য এই নিয়ম মেনে চলা জরুরী। বিছানা থেকে আস্তে ধীরে উঠতে হবে। অন্তত ৩০ সেকেন্ড পর বিছানা ছাড়তে হবে। যাতে শরীরের রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক হওয়ার সুযোগ পায়।
২। হঠাৎ বিছানা থেকে নামলে আমাদের মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহ কমে যায়। এ সময় অক্সিজেনের অভাবে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। ৩। শীতের সময় যেন ঠান্ডা না লাগে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। অফিসের তাড়া বা অন্য কোন জরুরী কাজ থাকলেও ঘুম থেকে সরাসরি বাথরুমে গিয়ে মাথায় ঠান্ডা পানি দেয়া যাবে না। সম্ভব হলে কুসুম গরম পানিতে গোসল করুন। সুযোগ না হলে প্রথমে পায়ে এরপর পর্যায়ক্রমে শরীরের উপরের অংশে পানি ঢালুন। সবশেষ মাথায় পানি ঢালুন। ৪। শীতের সময় তাপমাত্রা কম থাকায় হৃদযন্ত্রে অক্সিজেনের চাহিদা ও রক্ত সঞ্চালনে পরিবর্তন হয়। কিছুক্ষেত্রে হার্ট পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। পাশাপাশি রক্তচাপ, কোলেস্টোরেলসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই সবসময় বিশেষত শীতে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে সুস্থ ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন জরুরী। ৫। উচ্চ রক্তচাপ, হাই কোলেস্টোরেল, ধূমপান ও ওজন নিয়ন্ত্রণসহ সার্বিক বিষয়ে নজর দিতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, অবসাদ কমাতে হবে, স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে। এছাড়া যতটা সম্ভব ধূমপান পরিহার করারও পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
পর্তুগাল অভিবাসীবান্ধব দেশ। এই বিষয়টি পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে এবং সেই কথা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মাথায় যে জিনিসটা আছে পর্তুগালে গেলে সহজেই রেসিডেন্ট কার্ড পাওয়া যায় এবং ইউরোপে বসবাস করার সুযোগ হয়। শুধুমাত্র থাকার সুযোগ দেওয়াটাই অভিবাসনবান্ধব বলা যায় না। এজন্য আরও অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে।
যখন আপনি যে দেশে বসবাস করবেন একজন অভিবাসী হিসেবে কাজের ক্ষেত্রে কতটুকু অগ্রাধিকার স্বাধীনতা পাবেন, স্বাস্থ্যসেবায় আপনার অধিকার, শিক্ষার ক্ষেত্রে,
নাগরিকত্ব লাভের ক্ষেত্রে ইত্যাদি বিষয়ে সরকারের নীতিমালা তথা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আপনার অধিকার প্রতিষ্ঠা পাওয়া গেলে তবেই এই দেশটিকে অভিবাসনবান্ধব বলা চলে।
মাইগ্রেন্ট ইন্টিগ্রেশন পলিসি ইনডেস্ক ২০২০ (এমআইপিইএক্স) তাদের ২০২০ সালের রিপোর্টে পর্তুগালকে বিশ্বের তৃতীয় অভিবাসনবান্ধব দেশ হিসেবে উপস্থাপন করেছে।
মানুষের জীবন যাপনের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ৮টি বাস্তব সম্মত এবং যৌক্তিক প্যারামিটার দ্বারা বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করেছে। এমআইপিইএক্স ৫টি মহাদেশের সবগুলো দেশের পর্যালোচনার মাধ্যমে ৫২টি দেশকে সার্থকতার ভিত্তিতে যুক্ত করেছে।
শ্রম বাজারের গতিশীলতা, এখানে উক্ত ৫২টি দেশের ক্ষেত্রে পর্তুগালের অবস্থান এক নম্বরের কারণ খুব সহজেই আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন এবং চাইলে নিজে ব্যবসা করতে পারবেন, সরকারি দফতরের কাজ করতে পারবেন,
পেশাগত মান উন্নয়নের জন্য আপনি বিভিন্ন প্রকার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন। তাছাড়া পেশাগত স্বীকৃতিসহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে যা অন্যান্য দেশের ক্ষেত্রে খুবই কঠিন।
পারিবারিক পুনর্মিলন বা পরিবার একত্রীকরণের ক্ষেত্রে পর্তুগাল অভিবাসীদেরকে খুবই সহজ নীতিমালা প্রবর্তন করেছে। অভিবাসীদের পরিবারের সহজেই পর্তুগালে আগমন এবং তাদের থাকার অধিকার স্থানীয় পরিবারের মতোই সকল সুযোগ-সুবিধা যা অভিবাসীদের জীবনযাপনে জন্য একটি উচ্চমাত্রার যোগ করেছে এই সূচকে পর্তুগালের অবস্থান তৃতীয়।
শিক্ষা ক্ষেত্রে অভিবাসীদের সমান অধিকারে বাধ্যতামূলক শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করেছে, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের অভিবাসীদের শিক্ষার জন্য আলাদা ধরনের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং স্কুল শিক্ষার কারিকুলামেও বিভিন্ন বৈচিত্র্য রয়েছে। তাছাড়া অভিবাসীদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিভিন্ন কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
রাজনীতিতে অংশগ্রহণ একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্তুগাল অভিবাসীদের ভোটের অধিকার নিশ্চিত করে। স্থানীয় রাজনৈতিক দলের সদস্য পদ গ্রহণ এবং সক্রিয়ভাবে কাজ করা। অন্যদিকে রাজনৈতিকভাবে কথা বলার অধিকার ইত্যাদি যা অন্যান্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই অধিকারগুলো প্রতিষ্ঠা করা যায় না।
স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চাইলে পর্তুগিজ ভাষার দক্ষতা প্রমাণ করতে পারলেই এই সুযোগ গ্রহণ করা যায়। অতঃপর নির্দিষ্ট সময় পরপর তা নবায়ন করা সম্ভব যদিও এই স্থায়ী রেসিডেন্ট কার্ডের মেয়াদ অনেক লম্বা সময় দেয়া হয়। তাছাড়া পর্তুগাল ছেড়ে অন্য দেশে দীর্ঘ সময় থাকলেও এই স্থায়ী নাগরিকত্ব বহাল থাকে এবং সামাজিক সুরক্ষার সহযোগিতা ও গ্রহণযোগ্য হয়।
জাতীয়তা গ্রহণের ক্ষেত্রে পর্তুগাল খুবই সহজে গ্রহণযোগ্য একটি নীতিমালা প্রবর্তন করেছে, যে কেউ পাঁচ বছর নিয়মিতভাবে বসবাস করলে পর্তুগিজ জাতীয়তার জন্য আবেদন করতে পারে। খুব কম সময়ে এবং স্বল্পসংখ্যক প্রয়োজনীয় দলিলপত্রাদি সরবরাহ করে বিদেশিরা পর্তুগিজ নাগরিকত্ব লাভ করতে পারেন।
স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে নতুন আগত অভিবাসীদের জন্য একটি জটিলতার অভিপ্রায় সৃষ্টি হলেও নিয়মিত হওয়ার পর পর্তুগিজ নাগরিকদের মত অভিবাসীদেরও স্বাস্থ্যসেবায় সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে বলতে গেলে এটা বিনামূল্যে।
তবে শিশু স্বাস্থ্য এবং গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পর্তুগাল ভিন্ন মাত্রা যোগ করে যা অন্যান্য দেশের সাথে তুলনায় পর্তুগালকে অনেক বেশি এগিয়ে রাখবে।
বৈষম্য বিরোধী এদিক থেকে বিবেচনা করলে বাস্তব অভিজ্ঞতায় বলা যায় পর্তুগিজ নাগরিকরা বিশ্বের এক নম্বর জাতি, যারা ভিন্ন দেশ ভিন্ন ঐতিহ্যের মানুষকে সাদরে গ্রহণ করেন এমআইপিইএক্স-এর এই সূচকে পর্তুগালের অবস্থান এক নম্বর। এর সাথে সরকারের বিভিন্ন প্রকার বৈষম্য বিরোধী আইন আরেক নতুন মাত্রা সৃষ্টি করেছে অভিবাসীদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পর্তুগালকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য।
বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় এমআইপিইএক্স-এর পর্যালোচনা খুবই বাস্তব ভিত্তিক এবং খুবই দক্ষতা সাথে বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে। পর্তুগিজ সরকার প্রতি বছর এ নীতিমালা এবং প্যারামিটারগুলো আরও বেশি অভিবাসী বান্ধব করেছেন।
ফলে প্রতি নিয়তই পর্তুগাল অভিবাসীদের পছন্দের শীর্ষে অবস্থান করছেন। পর্তুগালের উপরের দিকে সুইডেন ও ফিনল্যান্ড দুটি দেশে রয়েছে এবং পর্তুগালের পরের অবস্থানে রয়েছে কানাডা।
নিঃসন্দেহে এই সকল-সুযোগ সুবিধার কারণে পর্তুগাল অভিবাসীদের কাছে আকর্ষণীয়। তাই বিভিন্ন মহাদেশ তথা বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ ইউরোপ যাত্রায় ঝুঁকি নিয়ে অবৈধ উপায়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু অবৈধ উপায়ে আসার পর পুরো সুযোগ-সুবিধা গুলো খুব সহজেই সহজলভ্য হয়।
এছাড়া অনেক অভিবাসী পর্তুগালে পৌঁছানোর পূর্বেই জীবন ঝুঁকির সম্মুখীন হন এবং তাদের জীবনাবসান ঘটে। তাই এ সকল সুযোগ-সুবিধা দেখে বিপদজনক পথে পা না বাড়িয়ে সঠিক উপায়ে অভিবাসনের পরিকল্পনা করলে পর্তুগাল সরকারের সহজ অভিবাসন নীতিতে শামিল হয়ে উন্নত জীবনযাপন করা সম্ভব হবে।
দুনিয়ায় যারা আল্লাহর হুকুম এবং তার রাসূল হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর দেখানো পথে অনুসরণ করবেন তারা জান্নাতে যাবেন। সেখানে তারা পরম শান্তিতে বসবাস করবেন। যার শুরু আছে, শেষ নেই। জান্নাতিদের জন্য সেখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় নেয়ামত আল্লাহর দিদার দর্শন। জান্নাতের নেয়ামত, সুখ শান্তি, ঐশ্বর্য সম্পর্কে কোরআন ও হাদিসে বহু বর্ণনা রয়েছে। জান্নাতে প্রবেশের জন্য আটটি দরজা রয়েছে। মর্যাদা অনুযায়ী এসব দরজা দিয়ে জান্নাতে প্রবেশ করবেন যারা সফল হয়েছেন।
জান্নাতের আটটি দরজার প্রত্যেকটিতে দুটি করে পাল্লা রয়েছে। নবী কারিম (সা.) দুই পাল্লার মধ্যবর্তী জায়গা কতটা প্রশস্ত সে সম্পর্কে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। হাদিসের বিশুদ্ধ গ্রন্থ মুসলিম শরিফের এক হাদিসে নবী (সা.) বলেছেন, জান্নাতের দরজার দুই পাল্লার মাঝখানের প্রশস্ততা মক্কা শরিফ থেকে বাহরাইনের হাজার অথবা মক্কা শরিফ থেকে সিরিয়ার বুশরার দূরত্বের সমান।
আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে মহানবী (সা.) এ বাণী দিয়েছেন। নবী যদি বলতেন, জান্নাতের দরজার দুই পাল্লার মধ্যবর্তী দূরত্ব মক্কা শরিফ থেকে হাজার পর্যন্ত। তাহলে এ নিয়ে এ মুহূর্তে হয়তো আলোচনা হতো না। তিনি সঙ্গে সঙ্গে বলেছেন, অথবা জান্নাতের দুই দরজার মধ্যবর্তী দূরত্ব মক্কা শরিফ থেকে বুশরার দূরত্বের সমান।মহানবীর এ কথায় স্পষ্ট যে, মক্কা থেকে হাজার বা মক্কা থেকে বুশরার দূরত্ব সমান। সম্প্রতি স্যাটেলাইট প্রযুক্তিতে পাওয়া ছবিতেও দেখা গেছে মক্কা থেকে বুশরা এবং মক্কা থেকে হাজার একই দূরত্বে অবস্থিত।
রোববার ইসলাম প্র্যাকটিস নামে একটি ফেসবুক পেজ তাদের এক পোস্টে বিষয়টি তুলে ধরেছে। সেখানে স্যাটেলাইটে পাওয়া ছবিটি পোস্ট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, মক্কা থেকে সিরিয়ার বুশরার দূরত্ব এক হাজার ২০০ কিলোমিটার। অন্যদিকে মক্কা শরিফ থেকে বাহরাইনের হাজারের দূরত্বও এক হাজার ২০০ কিলোমিটার।৫৭০ খ্রিস্টাব্দে আরবের মক্কা নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন শেষ নবী ও রাসূল হজরত মুহাম্মদ (স.)। ৪০ বছর বয়সে তিনি আল্লাহর তরফ থেকে নবুওয়াত লাভ করেন। ৬১০ খ্রিস্টাব্দে তিনি ইসলাম প্রচার শুরু করেন। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মদিনায় হিজরত করেন। দীর্ঘ ২৩ বছর একটু একটু করে প্রয়োজন অনুযায়ী মহানবীর (সা.) ওপর কোরআন নাজিল হয়। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে তিনি ওফাত লাভ করেন।
শয়নকক্ষক সাজিয়েছেন পশ্চিমা বাসাবাড়ির আদলে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহার করেন ফ্রান্সের নম্বর। এর পেছনে একটাই টা’র্গেট অবিবাহিত সুন্দরী ত’রুণী। বিদেশি বাসাবাড়ির আদলে সাজানো কক্ষ থেকে সফটওয়ারের মাধ্যমে ফ্রান্সের ফোন নম্বর থেকে কথা বলতেন ত’রুণীদের স’ঙ্গে।
কখনো ফোনে, কখনো ইমোতে আবার কখনো হোয়াটসঅ্যাপে। বিয়ে করে ইউরোপে নিয়ে যাওয়ার প্র’লোভনে ফেলেন তাদের। কাউকে গো’পনে বিয়ে করেন আবার কাউকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ঝু’লিয়ে রেখে আদায় করেন মোটা অঙ্কের টাকা।
ফ্রান্স প্রবাসী পরিচয়ে এমন প্র’তারণা করে অসংখ্য মেয়ের স’র্বনাশ করে অবশে’ষে পু”লিশের খাঁচায় ব’ন্দি হয়েছেন তিনি। ভ’য়ংকর এই প্র’তারকের নাম ইমাম হোসেন (৪২)।
তার কাছে প্র’তারিত হয়ে সর্বস্বান্ত হওয়া এক ত’রুণী’র মা’মলার প্রেক্ষিতে বুধবার (২০ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৪টার দিকে সুনামগঞ্জ জে’লার জগন্নাথপুর উপজে’লার ঘোষগাঁও (কোনাপাড়া) গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে জগন্নাথপুর থা’না পু’লিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রে”ফতার করে বিশ্বনাথ থা’না পুলিশ।
তিনি ওই গ্রামের মৃ’ত আবদুল কুদ্দুছের ছেলে। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আ’দালত-৩ এ ইমাম হোসেনকে প্রধান অ’ভিযুক্ত করে ৫ জনের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজে’লার ভাদেশ্বর গ্রামের ক্ষ’তিগ্রস্ত ওই ত’রুণী।
আ’দালতের নি’র্দেশে গত ২ জানুয়ারি বিশ্বনাথ থা’নায় মা’মলা রুজু হয়। মা’মলার অপর আ’সামিরা হলেন সিলেটের ওসমানী নগরের দিরারাই গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে বশির উদ্দিন, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজে’লার ঘোষগাঁও গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে লেবু মিয়া মিন্টু, তার স্ত্রী মিনু ও বাওধরন গ্রামের মৃ’ত তরমুজ আ’লীর ছেলে রুপন আহমদ।
মা’মলার ত’দন্তকারী কর্মক’র্তা থা’না”র উপপরিদ’র্শক (এস”আই) দেবাশীষ শর্ম্মা জানান, ‘পু’লিশের প্রাথমিক জি’জ্ঞাসাবা’দে ৪টি বিয়ে করেছে বলে জানিয়েছে ইমাম হোসেন। তবে, আমাদের ধারণা তার বিয়ের সংখ্যা ১৫-২০টির মতো হবে। তার মোবাইল ফোন ঘেঁটে পু’লিশ অনেক ত’থ্য ও অসংখ্য মে’য়ে সঙ্গে তার ছবি পেয়েছে।
সে শতাধিক মেয়ের স’র্বনাশ করেছে বলে ধারণা করছি। তার রি’মান্ড চাইবে পু’লিশ।’ প্র’তারক ইমাম হোসেনকে গ্রে’ফতারের স’ত্যতা নিশ্চিত করেন থা’নার ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) শামীম মুসা। তিনি জানান, ‘তাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের আ’দালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
উপসাগরীয় দেশ কুয়েতে অনলাইন সার্ভিসগুলোর সহজলভ্যতা এবং করোনা ম’হামারী, ল’কডাউন, বিমানবন্দর বন্ধ এবং কুয়েতে ফিরে যাওয়ার অসুবিধার কারণে বিদেশে আ;টকে থাকা বিদেশী কর্মীদের জন্য কাজ এবং আবাসের অনুমতি।
নবায়নের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত সত্ত্বেও রেসিডেন্সি পারমিটগুলি প্রতিদিন বাতিল হয়। খবর কাবাস প্রতিদিন জনশক্তি কর্তৃপক্ষ (পিএএম) শুক্রবার একটি পরিসংখ্যান প্রতিবেদন প্রকাশ করে জানিয়েছে যে স্পনসর বা সংস্থাগুলো তাদের কাজের অনুমতি নবায়নে ব্যর্থতার কারণে গত ১০ দিনে প্রতিদিন গড়ে ৯৩৫ বিদেশী কর্মীর রেসিডেন্সি পারমিট বাতিল করা হয়েছে।এই প্রবাসীরা নিজ দেশে গিয়ে আটকে পড়েছেন, আর ফ্লাইট বন্ধের কারনে কুয়েতে ফিরতে পারেনি।
পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ১২ জানুয়ারীতে নতুন ‘অ্যাশল’ সিস্টেম চালু হওয়ার পর থেকে রেসিডেন্সি পারমিটের সংখ্যা বাতিল হয়েছে বিভিন্ন কারণে,যা ২৭১৬ তে পৌঁছেছিল – মৃ;ত্যু’র কারণে ১৯৭ জন এবং দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া ১,৫৮৪; একই সময়ে প্রায় ৩০ হাজার প্রবাসীর ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন করা হয়েছে।এদিকে কুয়েতের সিভিল এভিয়েশন এর মহাপরিচালক ২৪ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত কুয়েত ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে আগত যাত্রীদের সংখ্যা হ্রাস করার জন্য সমস্ত বিমান সংস্থার প্রতি একটি সিদ্ধান্ত জারি করেছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিজিসিএ শর্ত দিয়েছে যে আগত যাত্রীদের সংখ্যা প্রতিদিন এক হাজার যাত্রীর বেশি হওয়া উচিত না। এই সিদ্ধান্তটি কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ করতে এবং এর বিস্তার সীমাবদ্ধ করতে আগামী দুই সপ্তাহ সাবধানতা অবলম্বন করার জন্য স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে।
২০২০ সালে মুসলিমদের মানবিক শিক্ষায় অভিভূত হয়ে আমিরাতের ২৭ জন কারাবন্দী ইসলাম গ্রহণ করেছেন। এসব বন্দী ইসলামী জীবন যাপন শুরু করেন। বর্তমানে আমিরাতের রাস আল খাইমাহ কারাগারে অবস্থান করছেন তারা।
খালিজ টাইমস এর খবরে বলা হয়, নওমুসলিমরা এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইসলাম সম্পর্কে ব্যাপক পড়াশোনা করে জ্ঞান অর্জনের পর স্বতস্ফুর্তভাবে মুসলিম হয়েছেন।
তারা জানান, মুসলিমদের সুন্দর আচার-ব্যবহার ও ইসলাম বিষয়ক মৌলিক জ্ঞান সম্পর্কিত কিছু কোর্স করে ইসলাম সম্পর্কে চিন্তা-ভাবনা শুরু করি। এরপর আমরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেই।
আল খাইমাহ কারাগার জানায়, পুনর্বাসন ও প্রশিক্ষণমূলক প্রোগ্রাম থেকে অনেক কয়েদি উপকৃত হয়েছে। কারামুক্তির পর সমাজে কয়েদিদের সুষ্ঠু জীবনযাপনে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এমন চাকরির জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলা হয়।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মন্ত্রিপরিষদের নতুন সিদ্ধান্ত অনুসারে, প্রবাসী শিক্ষার্থীদের সাথে তাদের পরিবারকে দেশে আনার অনুমতি দেওয়া হবে যা সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম অনুমোদন করেছেন।
এই অঞ্চলের শীর্ষ শিক্ষার গন্তব্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৭৭ টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কয়েক হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে, শেখ মোহাম্মদ রবিবার এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেওয়ার সাথে সাথে বলেছিলেন।
প্রবাসী শিক্ষার্থীদের পরিবার তাদের সাথে আমিরাতে বসবাস করতে সক্ষম হবে, তবে তাদের এই পরিবার সাপোর্ট করার মতো পর্যাপ্ত আয় করার সুযোগ রয়েছে।
টুইটারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-রাষ্ট্রপতি একটি নতুন কৌশল অনুমোদনের ঘোষণা করেছেন যা দেশের আর্থিক ও ব্যাংকিং খাতকে সহায়তা করবে।দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন প্রচারকে আরও জোরদার করার জন্য আমিরাত ট্যুরিজম কাউন্সিলও প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
শেখ মোহাম্মদ এছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ক্ষেত্র জুড়ে টেকসই অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে পারে এমন একটি বিজ্ঞপ্তি অর্থনীতির প্রচারের সিদ্ধান্তকেও অনুমোদন করেছিলেন এবং উল্লেখ করেন যে নীতিটি বাস্তবায়নের জন্য একটি নতুন ফেডারেল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে সফট পাওয়ারের সূচকগুলিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বব্যাপী ১৮ তম এবং কার্যকারিতা সূচকগুলিতে ১১ তম স্থানে রয়েছে।
দুবাই রুলার উল্লেখ করেছেন যে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় দেশ।
তিনি বলেছেন যে এমিরতির গল্পটি নতুন উপায়ে শেয়ার করা এবং নতুন মিডিয়াতে সরকারের সাথে টেক আপ থাকার জন্য পদ্ধতিগুলি বিকশিত করার লক্ষ্যে দেশটির লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী সমস্ত মানুষের সাথে যোগাযোগ করা, যা আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে ।
শেখ মোহাম্মদ টুইট করেছেন: “আমরা আমাদের কাজ চালিয়ে যাব, এবং আমাদের পুনরুদ্ধার করব, এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত এই বছরের শেষের দিকে আরও শক্তিশালী হবে।
স্বাস্থ্য আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার হবে, তাই আমরা ভবিষ্যতে আমাদের যাত্রা চালিয়ে যেতে পারি।