আগামীকাল রবিবার (১ আগস্ট) অনুমোদিত ভ্যাকসিনের দুই ডোজ দিয়ে টিকা বিদেশী্দের কুয়েতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্তের প্রয়োগের প্রাক্কালে আল-কাবাস পত্রিকা জানিয়েছে যে, সীমিত আসনের অনুমোদন থাকলেও, বেশ কিছু এয়ারলাইন্সের সিস্টেমের মাধ্যমে হাজার হাজার সংরক্ষিত টিকিট বুকিং ছিল, যাহা বাতিল করেছে বিমানবন্দর কতৃপক্ষ ।
কতৃপক্ষ জানান, কিছু এয়ারলাইন্স তাদের আগমনের সংখ্যা বাড়িয়েছে, কারণ পর্যটন এবং ভ্রমণ সংস্থাগুলি বেসামরিক বিমান চলাচলের অনুমোদিত ক্ষমতার চেয়ে বেশি টিকিটের জন্য রিজার্ভেশন দিয়েছে, যা প্রতিদিন ৫০০০ যাত্রী আসার অনুমোদন দিয়েছে ।
অন্যদিকে, আগত যাত্রীর সংখ্যা ১০,০০০ অনুমোদন করা না হলে ১৪ টি গন্তব্যের সাথে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হবে জানিয়েছে কুয়েত বিমানবন্দরের ট্রাফিক বিভাগ,তবে দেশগুলির নাম জানা যায়নি।
এইদিকে আরটিএমে এই রিপোর্ট লেখার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে বৈঠকে মিলিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ, আশা কর হচ্ছে যে, বৈঠকের পর বিস্তারিত ঘোষণা দেওয়া হবে ।
কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাল রবিবার (১ আগস্ট) থেকে নতুন স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রবেশ করিতে হইবে কুয়েতি ও প্রবাসীদের ।
আল আনবা উর্ধতন সুত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, যেসব প্রবাসী টিকা নিয়েছেন এবং বারকোড যাচাই সম্পন্ন করেছেন, তারা প্রবেশ করিতে পারিবে।
আজ শনিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত জরুরী বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডঃ শেখ বাসেল আল সাবাহ । বৈঠকে, ১ আগস্টের আগে যেসব কুয়েতি নাগরিক ভ্রমণে গেছেন তাদেরকে ফিরে আসার পর কোয়ারেন্টিন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ।
অন্যন্যাদের ক্ষেত্রে আগের নিয়ম বহাল থাকিবে ।
নিষিদ্ধ দেশগুলির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য এবং বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা পর্যায়ক্রমে পরিচালিত হবে,ধীরে ধীরে বিমানবন্দরের ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মন্ত্রী পরিষদ নিষিদ্ধ কিছু দেশের সঙ্গে বিমান ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে আগামী সোমবার সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
অন্যদিকে, যেসব প্রবাসী কাল থেকে কুয়েত প্রবেশ করিবে, তাদের অবশ্য কুয়েতের বৈধ একামা থাকিতে হইবে, অনুমোদিত ভ্যাকসিন গ্রহণ, পিসিয়ার বারকোড কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্ল্যাটফরমে যাচাইকরণ সম্পন্ন করা (শুধুমাত্র (QR-Code) প্রযুক্তির মাধ্যমে বৈদ্যুতিনভাবে গৃহীত হবে) ও ৭ দিনের কোয়ারেন্টন থাকিতে হইবে এবং ৩ দিন পর কোভিড-১৯ টেস্ট দিতে হবে ।
জানা গেছে নিষিদ্ধের তালিকায় থাকা দেশগুলির সাথে ধীরে ধীরে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করা হবে ।
সরকারী সূত্রগুলি আল-আনবাকে দেওয়া একান্ত বিবৃতিতে ঘোষণা করেছে যে, চলতি মাসের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের টিকাদান কৌশলের মধ্যে রয়েছে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে সকল নিবন্ধনকারীদের ভ্যাকসিনেশন সম্পন্ন করা।
করোনাভাইরাস সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ) দেশে আরও ২১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৩৬৯ জন।
আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় আজ করোনায় নতুন রোগীর সংখ্যা কমলেও মৃত্যু বেড়েছে। অবশ্য নতুন রোগী কমলেও পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার প্রায় আগের দিনের মতো ৩০ শতাংশের ওপরেই আছে। আগের দিনের তুলনায় পরীক্ষার সংখ্যা কমে যাওয়ায় আজ নতুন রোগী শনাক্ত কমেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩০ হাজার ৯৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রোগী শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের দিন মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ৪৫ হাজার ৪৪ জনের। ওই সময় রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১৩ হাজার ৮৬২ জন। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ছিল ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ২১২ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৮৪। মোট মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ৬৮৫ জনের। আর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৭৮ হাজার ২১২ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৪ হাজার ১৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন ৫৫ জন, খুলনা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ২৭ এবং রাজশাহীতে ২২ জনের। বাকিরা অন্যান্য বিভাগের।
দেশে এক সপ্তাহে করোনায় মৃত্যু
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ।
এরপর বিভিন্ন সময়ে সংক্রমণ কমবেশি হলেও প্রায় দুই মাস ধরে দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু কয়েক গুণ বেড়েছে।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ দেশে সর্বাত্মক বিধিনিষেধ পালন করা হয়। এ সময় সব ধরনের অফিসের পাশাপাশি গণপরিবহন চলাচলও বন্ধ রাখা হয়। ২১ জুলাই ঈদুল আজহা উপলক্ষে এই বিধিনিষেধ আট দিনের জন্য শিথিল থাকার পর ২৩ জুলাই থেকে আবার দুই সপ্তাহের লকডাউন চলছে।
দেশে এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের চিত্র
ঈদের ছুটিতে লাখ লাখ মানুষের শহর থেকে গ্রামে যাওয়া এবং তাদের ফিরে আসায় সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় কারিগরি কমিটি ঈদ ঘিরে বিধিনিষেধ শিথিলের সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ তথ্যানুসারে, করোনার ডেলটা ধরনের কারণে বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ বাড়ার পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও ব্যাপক বেড়েছে। বিশ্বে গত সপ্তাহের চেয়ে চলতি সপ্তাহে মৃত্যু বেড়েছে ২১ শতাংশ। আঞ্চলিকভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সংক্রমণ নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। এভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ২০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
মহামারি শুরুর পর থেকে করোনার ধরনগুলোর মধ্যে ডেলটা সবচেয়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলেছে। এটি আগের যেকোনো ধরনের চেয়ে অনেক বেশি সংক্রামক বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশসহ এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৩২ দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভারতে প্রথম শনাক্ত হওয়া এ ধরন।
একসঙ্গে করোনাভাইরাসের ‘তিন ডোজ’ টিকা নেওয়া যুবক ওমর ফারুককে (২৪) মেডিকেল টিমের সদস্য পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার বেলা ১২টার দিকে মেডিকেল টিম পরিচয়ে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু ব্যক্তি নারায়ণগঞ্জের ভুঁইগড় এলাকায় নিজেদের বাড়ি থেকে ওমর ফারুককে নিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর স্বজনরা। তাঁরা বলেছেন, মেডিকেল টিমের সদস্যরা তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। এরপর সারা দিন কোনো খবর না পেলেও সন্ধ্যা সাতটার দিকে ওমর ফারুক তাঁর মা রহিমা বেগমকে ফোন করে জানান, তিনি হাসপাতালে আছেন, সুস্থ আছেন।
এ বিষয়ে ওমর ফারুকের বোন ফারজানা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, তিন ডোজ টিকা নেওয়ার পর তাঁর ভাইয়ের শরীরে হালকা জ্বর ও শরীর ব্যথা হয়েছিল। এছাড়া তেমন কোনো সমস্যা হয়নি। টিকা নেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তাকে বিএসএমএমইউতে যাওয়ার জন্য অনেকবার ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর ভাই ভয়ে ফোন না ধরে পরে ফোন বন্ধ করে রাখেন। পরে বুধবার দুপুরে মেডিকেল টিম পরিচয়ে হাসপাতাল থেকে লোকজন এসে তাঁর ভাইকে তুলে নিয়ে গেছে।
ফারুকের বোন বলেন, ভাইয়ের সঙ্গে তাঁর স্বামী গোলাম সারোয়ার নাহিদকে দেওয়া হলেও তাকে রেখে গেছেন ওই টিমের সদস্যরা।
ফারজানা জানান, চার বছর আগে ওমর ফারুক স্থানীয় একটি মাদ্রাসা থেকে হেফজ বিভাগে পড়াশোনা শেষ করেন। দীর্ঘ দিন বেকার থাকার পর সম্প্রতি সৌদি আরব যাওয়ার ভিসা হয় তাঁর। সৌদি আরব যাওয়ার আগে টিকার জন্য নিবন্ধন করে গত ২৬ জুলাই হাসপাতালে টিকা নিতে গেলে ফারুককে তিন ডোজ টিকা দেওয়া হয়।
ফারজানা অভিযোগ করেন, যেখানে মানুষকে একটি টিকা পেতে হয়রানি পোহাতে হয়, সেখানে তাঁর ভাইয়ের শরীরে কীভাবে তিন ডোজ টিকা দেওয়া হলো, সেটি তদন্ত করা উচিত। যারা ওই বুথের দায়িত্বে ছিলেন তাদের ভুলের কারণে তাঁর ভাই তিন ডোজ টিকা নিয়েছেন।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ও জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইমতিয়াজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তিন ডোজ টিকা নেওয়ার পরে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্যও কেউ আসেনি।’ ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি জানা নেই, তবে এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।
ওমর ফারুক নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ভুঁইগড় এলাকার জামাল হোসেন প্রধানের ছেলে। ওমর ফারুকের চার বয়সী এক ছেলে আছে। তাঁর বাবা পেশায় সিএনজি অটোরিকশা চালক।
দক্ষিণ -পশ্চিম তুরস্কের আন্তালিয়া রাজ্যের মানভগাত জেলায় দাবানলের ফলে দুই দমকলকর্মী নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন, মোট মৃতের সংখ্যা ৬ জন ।
আনাতোলিয়া সংবাদদাতার মতে, উদ্ধারকারী দলগুলি মানবগটের “গেবেকা” পাড়ার দিকে রওনা হয়েছিল, যখন তারা সংবাদ পেয়েছিল যে, ঐ এলাকায় আগুন নেভানোর কাজ করার সময় একটি অগ্নিনির্বাপক যান পুড়ে গেছে।
অনুসন্ধানের পর দুজন দমকলকর্মীর মৃতদেহ এবং আহত আরও দুজনকে উদ্ধার করে এবং তাদের মানবগাট সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
তুরস্কের দক্ষিণ ও দক্ষিণ -পশ্চিমাঞ্চলের বেশ কয়েকটি রাজ্যে বনাঞ্চলে আগুন লেগেছে, এন্টালিয়া, আদানা, মুগলা, মেরসিন এবং ওসমানিয়ে, এসব এলাকাকে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান “দুর্যোগ এলাকা” ঘোষণা দিয়েছেন ।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ বলছে যে, এই অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়িয়েছে, যেখানে কয়েক ডজন লোক আহত হয়েছে ।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে, তারা আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছে ।
১৫ হাজার টাকা দিলেই ব্র্যাক ব্যাংক দিচ্ছে ১০ লক্ষ টাকা – জেনেনিন আবেদন প’’দ্ধতি১৫ হাজার টাকা দিলেই ব্র্যাক ব্যাংক দিচ্ছে ১০ লক্ষ টাকা – জেনেনিন আবেদন প’’দ্ধতি
ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন শর্তাবলী: আয়ের শর্তঃ চাকুরীজীবীদের জন্য ১৫,০০০ টাকা,ব্যবসায়ী/ আ’ত্ম-কর্মসংস্থানকারী ব্যক্তিদের জন্য ২৫,০০০ টাকা ।
য়সের সময়সীমা: চাকুরীজীবীদের জন্য ৬০ বছর, ব্যবসায়ী/ আ’ত্মকর্মসংস্থানকারী ব্যক্তিদের জন্য ৬৫ বছর।লোনের পরিমাণ ১,০০,০০০ টাকা থেকে ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে লোন পরিশোধের সময়সীমা হবে ১২ মাস
থেকে সর্বোচ্চ ৪৮ মাস। লোনের পরিমাণ ৩,০০,০০০ টাকা অধিক হলে লোন পরিশোধের সময়সীমা হবে সর্বোচ্চ ৬০ মাস।সর্বোচ্চ লোন সীমা ১০,০০,০০০। আপনার খরচ কত হবে এবং কিভাবে চার্জ করা হবে?ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোনটি নেয়ার জন্য নিম্নোক্ত ফী-সমূহ ধার্য হবে: ১।প্রক্রিয়াকরণ ফী ১%
২। সার্ভিস চার্জ ১% (মঞ্জুরকৃত লোনের পরিমাণের উপর)।আবেদন গ্রহন করতে কত দিন লাগবে এবং কি কি কাগজপত্র আবশ্যক?লোন আবেদন অনুমোদনের সময়কাল: লোন আবেদন দাখিল করার পর ১০দিন সময় নিবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: 1. টিআইএন সার্টিফিকেট।
ভোটার আইডি কার্ড। 3. সর্বশেষ ৬ মাসের আয় বিবরণী। 4. ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।5. ইউটিলিটি বিল এর ফটোকপি।আপনার খারাপ কর্পোরেট &ইনভেস্টম্যান্ট ব্যাংকিং(সিআইবি) রেকর্ড থাকলে আবেদন করতে পারবেন কি?
খারাপ কর্পোরেট & ইনভেস্টম্যান্ট ব্যাংকিং(সিআইবি) রেকর্ড থাকলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত হবে।অনুমোদন সময়কাল: ব্র্যাক ব্যাংক আপনার লোনের আবেদন করার পরআবেদন পর্যালোচনা এবং মঞ্জুর করার জন্য ১৪ কর্ম’দ িবস সময় নিবে। মুনাফার হার: ১০.৫০%।
ক্রেতাদের ধরনের উপর নির্ভর করে সুদের হার ১০.৫০% থেকে ১২.৭৫% পর্যন্ত ‘’হতে পারে।ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন পেতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে অবশ্যই ব্যাংক এ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।ব্র্যাক ব্যাংক পার্সোনাল লোন একজন জামিনদার প্রয়োজনীয় এবং দ্রুত লোন মঞ্জুরের একটি খুবই নমনীয় প্যাকেজ
বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরে আইসিইউ ফাঁকা না পেয়ে করোনায় আক্রান্ত বিলকিস বেগম নামের এই নারীকে লক্ষ্মীপুর থেকে সম্প্রতি নিয়ে আসা হয় রাজধানীর মহাখালীতে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে ,ফাইল ছবি,
করোনাভাইরাস সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ) দেশে আরও ২১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৮৬২ জন।
আজ শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগের দিনের তুলনায় আজ করোনায় মৃত্যু ও রোগী শনাক্ত কমেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৪৫ হাজার ৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ২৩৯ জনের। ওই সময় রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১৫ হাজার ২৭১ জন। রোগী শনাক্তের হার ছিল ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪০ হাজার ১১৫ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ৪৬৭ জনের। আর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৩ হাজার ৯৭৫ জন।
দেশে এক সপ্তাহে করোনায় মৃত্যুর চিত্র
গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন ৫৩ জন, খুলনা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের। বাকিরা অন্যান্য বিভাগের।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ।
দেশে এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের চিত্র
এরপর বিভিন্ন সময়ে সংক্রমণ কমবেশি হলেও প্রায় দুই মাস ধরে দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু কয়েক গুণ বেড়েছে।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ দেশে সর্বাত্মক বিধিনিষেধ পালন করা হয়। এ সময় সব ধরনের অফিসের পাশাপাশি গণপরিবহন চলাচলও বন্ধ রাখা হয়। ২১ জুলাই ঈদুল আজহা উপলক্ষে এই বিধিনিষেধ আট দিনের জন্য শিথিল থাকার পর ২৩ জুলাই থেকে আবার দুই সপ্তাহের লকডাউন চলছে।
২৪ ঘণ্টায় বিভাগওয়ারি মৃত্যু
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য
ঈদের ছুটিতে লাখ লাখ মানুষের শহর থেকে গ্রামে যাওয়া এবং তাদের ফিরে আসায় সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় কারিগরি কমিটি ঈদ ঘিরে বিধিনিষেধ শিথিলের সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছিল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ তথ্যানুসারে, করোনার ডেলটা ধরনের কারণে বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ বাড়ার পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও ব্যাপক বেড়েছে। বিশ্বে গত সপ্তাহের চেয়ে চলতি সপ্তাহে মৃত্যু বেড়েছে ২১ শতাংশ। আঞ্চলিকভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সংক্রমণ নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। এভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ২০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বিশ্বে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ কোটি ৫৮ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৯ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৪১ লাখ ৮৯ হাজার ১৪৮ জনের।
ডব্লিউএইচও বলেছে, সাত দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চসংখ্যক নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেওয়া তথ্যে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দীর্ঘ দিন পরে দৈনিক শনাক্তের তালিকায় প্রথম স্থানে উঠে এলো দেশটি। এই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে (তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু)।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ইন্দোনিশয়ায়, ১ হাজার ৮৯৩ জনের। এই সময়ে দেশটিতে রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৩ হাজার ৪৭৯ জন (তৃতীয়)।
একই সময়ে শনাক্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪৩ হাজার ৫০৯ জন। এই সময়ে দেশটিতে তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ৬৪০ জনের।
বর্তমানে করোনাভাইরাসের চারটি মিউটেশন (রূপান্তর) বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই ধরনগুলো ‘ব্যাপক উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘের এই সংস্থা। তারা বলেছে, এ পর্যন্ত আলফা ধরন ১৮২টি দেশে, বিটা ১৩১টি দেশে, গামা ৮১টি দেশে এবং ১৩২টি দেশে ডেলটা ধরন শনাক্ত হয়েছে। গত সপ্তাহে আরও আটটি নতুন দেশে ডেলটা সংক্রমণ শনাক্ত হয়।
সম্পূর্ণ ভ্যাকসিন ট্যুরিস্টরা ৭২ ঘন্টার মধ্যে পরিচালিত পিসিআর পরীক্ষার প্রমাণ দেয়া আগমনকালে যদি ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট প্রদান করে এবং প্রদত্ত কোনও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন প্রয়োজন ছাড়াই সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারে। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সৌদি প্রেস এজেন্সি কর্তৃক গৃহীত এক বিবৃতিতে, পর্যটন মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে রাজ্যটি পর্যটকদের জন্য দুয়ার খুলে দেবে এবং পর্যটন ভিসাধারীদের প্রবেশের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করবে, আগস্ট ১ (রবিবার) থেকে।
রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশেই রেখে দেওয়ার জন্য বিশ্ব ব্যাংকের প্রস্তাব মেনে না নিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে চিঠি দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিশ্ব ব্যাংকের ওই প্রস্তাব মেনে নিয়ে ওই সংস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ করলে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর বদলে তাদেরকে বাংলাদেশেই চিরতরে রেখে দিতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে মন্ত্রণালয়। এজন্য ওই প্রস্তাবের পরিবর্তন না হলে উদ্বাস্তু সংক্রান্ত কোনও অর্থ বিশ্ব ব্যাংকের কাছ থেকে না নেওয়ার লিখিত মতামত পাঠানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কাছে বিশ্ব ব্যাংক তাদের প্রস্তাবিত ‘রিফিউজি পলিসি রিভিউ ফ্রেমওয়ার্ক’টি মতামতের জন্য পাঠায় এবং চিঠিতে উল্লেখ করে- ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে কোনও মতামত না পেলে ওই প্রস্তাব সরকার মেনে নিয়েছে বলে তারা ধরে নেবে। বিশ্ব ব্যাংকের এই রিফিউজি পলিসি রোহিঙ্গাসহ অন্যান্য দেশে অবস্থিত সব উদ্বাস্তুর জন্য প্রযোজ্য। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতামত চাইলে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করে মন্ত্রণালয়। ওই বৈশ্বিক ফ্রেমওয়ার্কের তিনটি উদ্দেশ্য হচ্ছে‑ ১. উদ্বাস্তু ও হোস্ট কমিউনিটির জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করা ২. উদ্বাস্তুরা যেদেশে অবস্থান করছে সেই সমাজে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া অথবা তাদের ফেরত পাঠানো এবং ৩. দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা যাতে করে নতুন উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দেওয়া সম্ভব হয়।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আগে জাতিসংঘ, বিশ্ব ব্যাংক ও পশ্চিমা বিশ্বের কিছু দেশ এই তিনটি উদ্দেশ্য আকারে-ইঙ্গিতে বা মুখে বলতো কিন্তু এই প্রথমবারের মতো তারা বিষয়টি লিখিত আকারে উপস্থাপন করলো।’ বিশ্ব ব্যাংকের প্রস্তাব মেনে নিলে রোহিঙ্গারা যেকোনো স্থানে চলাচল করতে পারবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অর্থাৎ শ্রমিক হিসাবে কাজ করতে পারবে বা ব্যবসা করতে পারবে। শুধু তাই না তাদেরকে নিবন্ধনের আওতায় এনে সামাজিক পরিচয়পত্রও দিতে হবে বলে তিনি জানান। রোহিঙ্গাদের জন্য সবচেয়ে বেশি সম্পদ ব্যয় করছে বাংলাদেশ এবং অন্যান্য অনেক দেশ তাদের দেখ-ভালের জন্য জাতিসংঘকে অর্থ প্রদান করে। এই অর্থ প্রদানের পরিমাণ দিন-দিন কমে আসছে এবং এর ফলে বাড়তি বোঝা বাংলাদেশের ওপর চাপানোর একটি চেষ্টা আছে বিদেশিদের। এ বিষয়ে আরেকজন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিদেশি অর্থদাতারা চাইছে রোহিঙ্গাদের উপার্জনের ব্যবস্থা‑ যাতে করে নিজেদের ব্যয় তারা নিজেরাই মেটাতে পারে। এছাড়া তাদের জন্য শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি, অবাধ চলাচলের বিষয়েও তারা জোর দিচ্ছে।’ এজন্য রোহিঙ্গাদের সিভিল নিবন্ধন অর্থাৎ পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধনসহ অন্যান্য বিষয়গুলো চালু করার প্রস্তাব করছে তারা বলে তিনি জানান।
প্রত্যাবাসনই একমাত্র পথ এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার।’
তিনি বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের জন্য যদি আমরা এইসব মেনে নেই তবে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি যে লক্ষ্যগুলো আছে সেগুলো সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। এজন্য আমাদের খুব সতর্ক থাকতে হবে।’ উদ্বাস্তু সমস্যা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, এটি তিনভাবে সমাধান করা যায়। একটি আছে অন্তর্ভুক্তিকরণ, আরেকটি হচ্ছে তৃতীয় দেশে সেটেলমেন্ট এবং অপরটি হচ্ছে প্রত্যাবাসন। তিনি বলেন, আমাদের জন্য তৃতীয় দেশে সেটেলমেন্ট ফিজিবল না কারণ সংখ্যাটি অনেক বড়। যদি সংখ্যা ৩০ বা ৪০ হাজার হতো তাহলে বিভিন্ন দেশে ভাগ করে দেওয়া যেত কিন্তু সংখ্যাটি ১০ লাখের উপরে। এখন পৃথিবীর কোন দেশ এই পরিমাণ মানুষ নেবে না এটাই বাস্তবতা। আরেকটি সমাধান হচ্ছে অন্তর্ভুক্তিকরণ, কিন্তু বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতির দেশ এবং এখানে প্রচুর পরিমাণ শ্রমিক আছে। ফলে বাড়তি শ্রমিকের কোন প্রয়োজন নেই এবং সে সম্ভাবনাও নেই বলে তিনি জানান। পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘সুতরাং আমাদের জন্য একমাত্র অপশন হচ্ছে তাদের নিজ ভূমিতে টেকসই ও সম্মানের সঙ্গে প্রত্যাবাসন।’ অন্তর্ভুক্তিকরণের বিষয়ে জাতিসংঘ বা বিশ্ব ব্যাংক চিন্তা করতে পারে কিন্তু আমরা এটি করতে পারবো না এবং এটি তাদের বারবার স্মরণ করিয়ে দিতে হচ্ছে বলে তিনি জানান।
তিনি বলেন, ‘গতবারই তারা আমাদেরকে যখন এ ধরনের ভাষা বা পয়েন্ট বলেছিল তখন তাদেরকে আমরা বলেছি যে এটি আমাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়।’ পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আমাদের নজরে যেটি আসছে সেটি আমরা পয়েন্ট আউট করছি এবং সংশ্লিষ্ট যারা রয়েছে তাদেরকে বলছি যে, এ ধরনের শর্ত মানা আমাদের পক্ষে সম্ভব না ।’ রোহিঙ্গাদের শিক্ষার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যদি দিতে হয় তাহলে মিয়ানমারের কারিকুলাম অনুযায়ী দিতে হবে। কারণ আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এই লোকগুলোর মিয়ানমারে ফেরত যাওয়া। কিন্তু এমন কোন ধরনের শিক্ষা যেখানে আমাদের এখানে অন্তর্ভুক্তি হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে, এ ধরনের শিক্ষা আমরা দিতে চাই না।’
করোনাভাইরাসের সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় (বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে আরও ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ২৭১ জন।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আগের দিনের তুলনায় আজ করোনায় মৃত্যু বেড়েছে। তবে নতুন রোগী ও পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার সামান্য কমেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৫২ হাজার ২৮২জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ২৩৭ জনের। ওই সময় রোগী শনাক্ত হয়েছিল ১৬ হাজার ২৩০ জন। রোগী শনাক্তের হার ছিল ৩০ দশমিক ১২শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সব মিলিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ২৬ হাজার ২৫৩। মোট মৃত্যু হয়েছে ২০ হাজার ২৫৫ জনের। আর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ ৫০ হাজার ২২০ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৪ হাজার ৩৩৬ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন ৫৭ জন, খুলনা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ৩৫ জনের। বাকিরা অন্যান্য বিভাগের।
দেশে এক সপ্তাহে করোনায় মৃত্যুর চিত্র
২৩ জুলাই166
২৪ জুলাই195
২৫ জুলাই228
২৬ জুলাই247
২৭ জুলাই258
২৮ জুলাই237
২৯ জুলাই239
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। কয়েক মাসের মধ্যে এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর বিভিন্ন সময়ে সংক্রমণ কমবেশি হলেও প্রায় দুই মাস ধরে দেশে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। করোনার ডেলটা ধরনের দাপটে দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যু কয়েক গুণ বেড়েছে।
সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে চলতি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ দেশে সর্বাত্মক বিধিনিষেধ পালন করা হয়। এ সময় সব ধরনের অফিসের পাশাপাশি গণপরিবহন চলাচলও বন্ধ রাখা হয়। ২১ জুলাই ঈদুল আজহা উপলক্ষে এই বিধিনিষেধ আট দিনের জন্য শিথিল থাকার পর গত শুক্রবার থেকে আবার দুই সপ্তাহের লকডাউন শুরু হয়েছে। ঈদের ছুটিতে লাখ লাখ মানুষের শহর থেকে গ্রামে যাওয়া এবং তাদের ফিরে আসায় সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। করোনা নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় কারিগরি কমিটি ঈদ ঘিরে বিধিনিষেধ শিথিলের সরকারি সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছিল।
দেশে এক সপ্তাহে করোনা সংক্রমণের চিত্র
প্রতি ২৪ ঘণ্টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য
২৩ জুলাই6,364
২৪ জুলাই6,780
২৫ জুলাই11,291
২৬ জুলাই15,192
২৭ জুলাই14,925
২৮ জুলাই16,230
২৯ জুলাই15,271
এদিকে ইউএন নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সর্বশেষ (গতকাল বুধবার পর্যন্ত) তথ্যানুসারে, ডেলটা ধরনের কারণে বিশ্বজুড়ে সংক্রমণ বাড়ার পাশাপাশি মৃত্যুর সংখ্যাও ব্যাপক বেড়েছে। বিশ্বে গত সপ্তাহের চেয়ে চলতি সপ্তাহে মৃত্যু বেড়েছে ২১ শতাংশ। এই সপ্তাহে মারা গেছেন ৬৯ হাজারের বেশি। এভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ২০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
আঞ্চলিকভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সংক্রমণ নতুন করে বাড়তে শুরু করেছে। যদিও আগের সাত দিনের চেয়ে এ সপ্তাহে সংক্রমণের হার ৩ শতাংশের মতো কম ছিল। তবে শঙ্কার কথা হচ্ছে, ইউরোপ ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে নতুন মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।
ডব্লিউএইচও বলেছে, সাত দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চসংখ্যক নতুন রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এই সময়ে শনাক্ত হওয়া নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৫ লাখের বেশি, যা আগের সপ্তাহের চেয়ে ১৩১ শতাংশ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের পর নতুন রোগী বেড়েছে ব্রাজিলে, ৩ লাখ ২৪ হাজার ৩৩৪ জন। এই এক সপ্তাহে এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়ায় ২ লাখ ৮৯ হাজার ২৯, ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্যে ২ লাখ ৮২ হাজার ৯২০ ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৮৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।
বিশ্বে সংক্রমণ সাড়ে ১৯ কোটির মতো। মৃত্যু ৪২ লাখের কাছাকাছি। গত সোমবার পর্যন্ত বিশ্বে ৩৭০ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে করোনাভাইরাসের চারটি মিউটেশন (রূপান্তর) বিশ্বজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই ধরনগুলো ‘ব্যাপক উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘের এই সংস্থা। তারা বলেছে, এ পর্যন্ত আলফা ধরন ১৮২টি দেশে, বেটা ১৩১টি দেশে, গামা ৮১টি দেশে এবং ১৩২টি দেশে ডেলটা ধরন শনাক্ত হয়েছে। গত সপ্তাহে আরও আটটি নতুন দেশে ডেলটা সংক্রমণ শনাক্ত হয়।