ক্যাটাগরি Uncategorized

বরগুনায় ধরা পড়লো বিরল প্রজাতির ‘পাখি’ মাছ

ঢাকা, ২৫ জুলাই ২০২১, রবিবার, ১৪ জিলহজ্জ ১৪৪২ হিঃ

বঙ্গোপসাগরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে মাথায় ঝুঁটি ও পাখাবিশিষ্ট বিরল প্রজাতির একটি মাছ। এ মাছটিকে সবাই পাখি মাছ ও গোলপাতা মাছ হিসেবে চেনে। ১০ কেজি ওজনের মাছটি লম্বায় পাঁচ ফুট। গত শনিবার বরগুনার পাথরঘাটায় দেশের বৃহত্তম মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বিএফডিসি ঘাটে এ মাছটি জেলেরা নিয়ে আসেন।
মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ব্যবসায়ী মো. মিরাজ হোসেন মাছটি মাত্র দুই হাজার টাকায় কিনেছেন। পরে তিনি ওই মাছটি ঢাকায় বিক্রির উদ্দেশে পাঠান।
ব্যবসায়ী মিরাজ হোসেন জানান, স্থানীয় পর্যায়ে এই মাছটির চাহিদা কম থাকায় কম দামে কেনা হয়েছে। ঢাকায় মাছটি কেজি প্রতি ৩০০-৪০০ টাকায় বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।
এক সময় সাগরে এ মাছটি প্রচুর পাওয়া গেলেও এখন খুব একটা দেখা যায় না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।।

কুয়েতে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের ঈদ স্পেশাল টি-টোয়েন্টি ম্যাচ

কুয়েতে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের ঈদ স্পেশাল টি-টোয়েন্টি ম্যাচ
কুয়েতে বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে ঈদ স্পেশাল টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আব্বাসিয়া গ্রাউন্ডে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

ক্রিকেট টুর্নামেন্টে অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি জাহাঙ্গির খান পলাশ এবং প্রেস ক্লাবের পক্ষে নেতৃত্ব দেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মঈন উদ্দিন সরকার সুমন।

আল মোল্লা এক্সচেঞ্জের সহযোগিতায় খেলার পরিচালনায় ছিলেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আ. হ জুবেদ এবং ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন।

টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন। খেলায় নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১২০ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন কুয়েত

জবাবে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কুয়েত নির্ধারিত ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১১৮ রান তুলতে সক্ষম হয়। এতে বাংলাদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন দুই রানে জয়লাভ করে।

ইসরায়েলি প্রতিপক্ষের মুখোমুখি না হওয়ায় নিষিদ্ধ আলজেরিয়ান জুডোকা

ইসরায়েলি প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে টোকিও অলিম্পিক থেকে সরে দাঁড়ানোই শ্রেয় মনে হয়েছে নুরিনের কাছে। এই সিদ্ধান্তের শাস্তি পেলেন নুরিন এবং তাঁর কোচ আমের বেন ইয়াকলিফ।

অলিম্পিক জুডোর ৭৩ কেজি ওজনশ্রেণিতে আলজেরিয়ান জুডোকা ফেথি নুরিনের প্রতিপক্ষ ছিলেন সুদানের মোহামেদ আবদালরাসুল। সে ম্যাচে জিতলে পরের রাউন্ডে নুরিনের প্রতিপক্ষ হতেন ইসরায়েলের তোহার বাটবাল।

ইসরায়েলি প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার চেয়ে টোকিও অলিম্পিক থেকে সরে দাঁড়ানোই শ্রেয় মনে হয়েছে নুরিনের কাছে। এই সিদ্ধান্তের শাস্তি পেলেন নুরিন এবং তাঁর কোচ আমের বেন ইয়াকলিফ। তাঁদের অলিম্পিক থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং দেশে ফেরত পাঠানো হবে।

আজ আন্তর্জাতিক জুডো ফেডারেশনের (আইজেএফ) নির্বাহী কমিটি জানিয়ে দিয়েছে, নুরিন ও বেন ইয়াকলিফকে সাময়িক নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

জেতা নয়, অংশগ্রহণই বড় কথা—এই আপ্তবাক্য মানা অলিম্পিকের আরেকটি উদ্দেশ্য আছে। আর সেটা হলো জাতি, ধর্ম, বর্ণের ভেদাভেদ ভুলিয়ে দেওয়া। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কথা ভেবে নুরিন ইসরায়েলি প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হননি।

আলজেরিয়ান এক টিভিকে নুরিন বলে দেন, ‘অলিম্পিকে আসতে অনেক কষ্ট করেছি, কিন্তু ফিলিস্তিনের বিষয়টি সবকিছুর চেয়ে অনেক বড়।’ নুরিন জানিয়ে দেন, তাঁর এ সিদ্ধান্তই ‘চূড়ান্ত’।

আন্তর্জাতিক জুডো ফেডারেশন নুরিন ও তাঁর কোচকে নিষিদ্ধ করার পর আলজেরিয়ান অলিম্পিক কমিটি তাদের অ্যাক্রিডিটেশন প্রত্যাহার করে নেয় টোকিও অলিম্পিক থেকে। সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নুরিন এবং তাঁর কোচ আরও বড় শাস্তি পেতে পারেন।

আন্তর্জাতিক জুডো ফেডারেশন (আইজেএফ) বিবৃতিতে বলেছে, নুরিনের এই সিদ্ধান্ত তাদের দর্শনের পরিপন্থী, ‘আন্তর্জাতিক জুডো ফেডারেশনের দর্শনের পুরো বিপরীত সিদ্ধান্ত। আইজেএফ সব সময় কড়া বৈষম্যহীন নীতি মেনে চলে। জুডোর মূল্যবোধের মাধ্যমে সংহতি বাড়ানোই মূল লক্ষ্য। এই খেলার অন্যতম মূল ভিত্তি হলো সম্মানবোধ ও বন্ধুত্ব। সিদ্ধান্তটি আমাদের খেলার মূলনীতির পরিপন্থী।’

নুরিনের এভাবে সরে যাওয়া এই প্রথম নয়; ২০১৯ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও বাটবালের সঙ্গে ম্যাচ পড়েছিল নুরিনের। সেবারও নাম কাটিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।

ওমান থেকে সকালে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন রফিকুল ইসলাম ইমন। আর সন্ধ্যায় বাড়ি আসলো তার মৃত্যু সংবাদ। ওমানের মাসকেট শহরে নিজ কর্মস্থলে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে রফিকুল ইসলাম ইমন (২৬) নিহত হয়েছেন।

ওমান থেকে সকালে মায়ের সঙ্গে কথা বলেন রফিকুল ইসলাম ইমন। আর সন্ধ্যায় বাড়ি আসলো তার মৃত্যু সংবাদ। ওমানের মাসকেট শহরে নিজ কর্মস্থলে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে রফিকুল ইসলাম ইমন (২৬) নিহত হয়েছেন।

নিহত ইমন নোয়াখালীর কবিরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড ঘোষবাগ এলাকার কাজী বাড়ির আবুল কালামের ছেলে। তার মৃত্যুতে তার দেশের বাড়ি উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার রাত ১১টায় ইমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তার প্রতিবেশী শরিফুল ইসলাম দিদার জানান, তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে ইমন ছিলেন তৃতীয়। জীবিকার তাগিদে তার বড় ভাই নজরুল ইসলাম সুমনের সহযোগিতায় ২০১৫ সালে ওমানে যান ইমন। পরে ওমানের মাসকেট শহরে একটি ভবন তৈরির কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ নেন। ওমান যাওয়ার পর থেকে আর দেশে আসেননি তিনি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার সকালে বাড়িতে তার মায়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা শেষ করে নিজের কর্মস্থলে যান ইমন। দুপুর ১২টার দিকে বড় একটি ক্যারন মেশিনে উঠে বহুতল ভবনের কাজ দেখছিল ইমন। এ সময় ভবনের ওপর থেকে লোহার একটি অংশ তার মাথায় পড়লে অচেতন হয়ে পড়েন ইমন।

পরে কোম্পানির লোকজন উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে ইমনের লাশ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সন্ধ্যায় ইমনের মৃত্যুর খবর তার দেশের বাড়িতে পৌঁছলে স্বজনদের মধ্যে আহাজারি সৃষ্টি হয়। মা-বাবা, ভাই বোনসহ পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। ছেলেকে হারিয়ে কান্নায় মূর্ছা যাচ্ছেন ইমনের মা। ইমনের লাশ দেশে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
@Collected

করোনায় দেশে আরও ১৯৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশ : ২৪ জুলাই, ২০২১ ১৫:১৪অনলাইন ভার্সন
আপডেট : ২৪ জুলাই, ২০২১ ১৫:২০

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৪৬ জনে। এছাড়া নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ৭৮০ জনের। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৪ জনে।

আজ শনিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৭২৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৩৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৮২৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

সুত্র ঃ- বিডি প্রতিদিন/

প্রবাসীদের যে গো’প’ন কথা আপনাকে কাঁদাবে।

ছোট্ট অমি একটি সুন্দর বাড়ির দিকে আঙুল দিয়ে মাকে জিজ্ঞেস করল, মা ওই বাড়িটি কার?

মা উত্তরে বললেন, ওই বাড়ি জগদীশ বাবুর।
অমি আবার প্রশ্ন করল, মা উনি বুঝি খুব বড়লোক।
মা বললেন, হ্যাঁ, উনি অনেক বড়লোক, অনেক টাকা পয়সার মালিক। উনি একজন শিক্ষিত ও জ্ঞানী লোক। সকলে তাঁকে ভয় পায়, সম্মান ও শ্রদ্ধা করে।
অমি বলল, মা, আমি ওনার মতো বড় হতে চাই।
মা বললেন, উনি অনেক শিক্ষিত মানুষ। শিক্ষিত মানুষ ছাড়া বড়লোক হওয়া যায় না। মনে রাখবে, লেখাপড়ে করে যে, গাড়ি-ঘোড়ায় চড়ে সে।
অমি বলল, মা, আমি লেখাপড়া শিখে ওনার মতো বড় হব।

ছোটবেলার একটি শিক্ষণীয় অনুগল্প। এ গল্প শিশুদের বড় হওয়ার স্বপ্ন পূরণে সহযোগিতা করে। মনে মনে বড় হওয়ার স্বপ্ন বুনতে সহযোগিতা করে। সংকল্প করার সাহস জোগায়।

বর্তমানে এই অনুগল্পটি আর ব্যবহার করা হয় না। বর্তমানে বড় হতে হলে শিক্ষার কোনো প্রয়োজন হয় না। তাই এখন ছেলেমেয়েদের বলা হয়, বড় হতে হলে তোমাকে বিদেশে যেতে হবে। ডলার, পাউন্ড, ইউরো অথবা রিয়াল আয় করতে হবে। তবেই তুমি সকলের কাছে একজন সম্মানিত মানুষ হবে। এখন অভিভাবকেরা বলেন, অমি দেখ, ওই বাড়ির রহিম মালয়েশিয়া গিয়ে অনেক অর্থ উপার্জন করে কত সম্পত্তির মালিক হয়েছে। কী সুন্দর একটি বাড়ি করেছে, গাড়ি কিনেছে। সকলে তাদের মানে। জীবনে যদি বড় হতে চাও তবে বিদেশে গিয়ে বিদেশি টাকা আয় করো। অমি তখন থেকেই বড় হওয়ার বাসনা থেকে বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে থাকে। একদিন পড়াশোনার পাঠ না চুকিয়েই বাবামায়ের জমি বিক্রি করে অজানার উদ্দেশে রওনা হয়। শুরু হয় নতুন জীবন। প্রবাসী জীবন। না বলা কাহিনির সীমাহীন যন্ত্রণার জীবন। তবুও অমিরা সোনার হরিণ ধরার জন্য জীবনের সকল আশাকে পুঁজি করে নিত্য নতুনভাবে পাড়ি জমায় সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য।

মানুষ তার স্বপ্নের চেয়ে বড়। স্বপ্ন পূরণের জন্য দেশের হাজার হাজার শিক্ষিত-অশিক্ষিত তরুণ বিদেশে পাড়ি দেন। তাদের অনেকে জানেন না, সমুদ্রের ওই পাশে কী আছে। শুধু জানে, বিদেশ যেতে হবে, ডলার আয় করতে হবে, আর্থিকভাবে সচ্ছল জীবন গড়ে তুলতে হবে। এই ভাবনার বাইরে আরও অনেক কিছু ভাবার বা চিন্তা করার থাকতে পারে, সেটা ভাবার সময় তাদের থাকে না। চোখে বড় হওয়ার রঙিন চশমা লাগিয়ে, সবকিছুকে মনে করে স্বপ্নের মতো রঙিন। রঙিন নৌকায় পাল তুলে চলে যায় ভিন্ন একটি দেশে। যেখানে নেই মা-বাবা, ভাইবোন, আত্মীয়পরিজন, প্রিয়জন অথবা স্বজন। আছে শুধু অজানা একটি সুন্দর দেশ। যে দেশের টাকার মান আমাদের দেশের টাকার মানের চেয়ে অনেক বেশি। অজানা দেশটির একটি টাকা আমাদের দেশে পাঠালে অনেক টাকা পাওয়া যাবে। কিছুদিনের মধ্যে আমার পরিবার একটি উন্নত পরিবারে পরিণত হবে। দেশের লোকেরা আঙুল তুলে বলবে ওই বাড়িটি অমি সাহেবের। সে বিদেশে থাকে, মস্ত বড় ব্যবসা বা চাকরি করে। আমাদেরও ছেলেমেয়েদের বিদেশে পাঠাতে হবে। শুরু হয় আবার একটি নতুন স্বপ্ন বুননের খেলা।

বিদেশে থেকে অর্থ উপার্জন করে টাকা পাঠালে দেশের বাড়িতে ধনী হওয়া যায়। কিন্তু কেউ কি জানেন, কী একটা না বলা যন্ত্রণা নিয়ে আমরা প্রবাসে জীবন কাটাই। কেউ কি জানে আমাদের বুকের মধ্যে কীসের বেদনা নিত্য আমাদের আহত করে চলছে? কেউ কি খবর রাখেন আমাদের জীবনযাপনের মানদণ্ড কতটা নিম্নমানের। কেউ জানেন না, আমাদের বেদনা, আমাদের কান্না, আমাদের কষ্ট ও পাওয়া না পাওয়ার হিসাব-নিকাশ। আমরা নিত্যই বিভিন্ন না বলা অমানবিক যন্ত্রণার মধ্যে জীবনযাপন করে থাকি। অবিরাম বিশ্রামহীন অমানবিক পরিশ্রম করে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্থ উপার্জন করে দেশে পাঠাই। কিন্তু আমাদের কষ্ট কাউকে বলতে পারি না। নিদারুণ কষ্টের মধ্যেও দেশ থেকে প্রিয়জনদের ফোন এলে, সকল কষ্ট বুকের মধ্যে চাপা দিয়ে মেকি হাসির ভান করে মিষ্টি সুরে বলে থাকি, আমি খুব ভালো আছি। এই দেশটা খুব ভালো। তোমরা কি জান, এই দেশের মানুষের মতো মানুষ পৃথিবীতে আর নেই। তারা কত দয়ালু, কত মহৎ ইত্যাদি! অথচ একটু আগেই এই দেশের মানুষের হাতে হতে হয়েছে নিগৃহীত, লাঞ্ছিত ও নিষ্পেষিত। প্রিয়জনদের মুখে হাসি ধরে রাখার জন্য ভালো থাকার অভিনয় করে কত সুন্দরভাবে গোছানো মিথ্যা কথা বলতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত, হায়রে আমার প্রবাসজীবন!

আমরা বিদেশে বসে অনেকেই একবেলা ভাত খাই। একটু ভালো পরিবেশে থাকি না। একটি ভালো কাপড় পরি না। একটি ভালো হোটেলে গিয়ে খাই না। আপনজন, প্রিয়-মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য ওই টাকা জমিয়ে দেশে পাঠাই। সান্ত্বনা দিই এই বলে, আমার একার জীবনের জন্য যদি পরিবারের বাকি সবাই ভালো থাকে, তবে সকলের জন্য আমার জীবনের সকল সুখ, আনন্দ, হাসি ও স্বপ্নকে কোরবানি দিলাম। এ ছাড়া আমরা কী আর করতে পারি অথবা কী বলেই নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পারি? মা-বাবা, প্রিয়জনেরা যখন জানতে চান, আজ কি খেয়েছ? উত্তরে আবার সেই মিথ্যা অভিনয়। কী যে বলো, এ দেশ কী তোমাদের মতো। এ দেশের মানুষেরা বাড়িতে রান্না করে কম। রাস্তায় বা হোটেলে খায়। খাবারের কী অভাব। অথচ এই আমি দেশে বসে অনেক বড় বড় রেস্টুরেন্টে খেতে যেতাম। কিন্তু এখানে একটি ডলার খরচের ভয়ে কোনো রেস্টুরেন্টে খেতে যাই না। বাজারের সবচেয়ে কম মূল্যের জিনিসটি নিজের জন্য খুঁজি। কী যে বেদনা কাউকে বলতে পারি না!

আমাদের দেশের অনেক ভাইয়েরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এসে কেউ ইট ভাঙার কাজ, কেউ হাঁড়ি-পাতিল ধোয়ার কাজ, কেউ রান্নাবান্নার কাজ, কেউ সবজি বেচাকেনার কাজ, কেউ মাংস কাটার কাজ, কেউ বাড়ি-ঘর বা অফিস আদালত ধোয়ামোছা বা পরিষ্কার করার কাজ, আবার কেউ ট্যাক্সি চালানোর মতো কঠিন কাজ করে অর্থ উপার্জন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। তাদের বুকের মধ্যে যে বোবা কান্না তা তারা কোনো দিনই প্রকাশ করতে পারছেন না। অনেকেই বহু দিন ধরে বিদেশে থেকে থেকে অভ্যস্ত হয়ে গেছেন। এখন তারা আর দেশে ফিরে যেতে চান না। তারা বিদেশেই থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তাই তারা একটি সিটিজেন নামক কাগজ পাওয়ার আশায় দিনের পর দিন প্রতীক্ষা করছেন। তাদের জীবনের সব হাসিকান্না ওই একটি কাগজের মধ্যে লুকিয়ে আছে। তারা মনে করেন, নিজের জীবনের সব আনন্দ-বেদনার বলিদানের ফল হিসেবে আগামী প্রজন্মের জন্য সিটিজেন নামক একটি দলিল অর্জন করার চেয়ে আর কী সফলতা হতে পারে? কিন্তু এই দলিলের মধ্যে যে বেদনা, কষ্ট, না পাওয়ার যন্ত্রণা, অনেক প্রিয়জন ও কাছের মানুষ হারানোর অসহ্য কান্নার অশ্রু জল মিশ্রিত আছে তা হয়তো কোনো দিনই কেউ জানতে চাইবেন না।

আমাদের অনেকেই আছি যারা আমাদের অতি প্রিয়জন, এমনকি মা-বাবা মারা গেলেও সন্তান হিসেবে লাশটি কাঁধে করে কবর পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে ছোটবেলায় বাবামার কোলে-কাঁধে ওঠার এতটুকু দায় পরিশোধ করার সুযোগটুকুও পাই না। আবার কখনো কখনো শেষ দেখাটি করতে দেশে যেতে পারি না। কী যে বুক ভাঙা কষ্ট। কাউকে বলতে পারি না। আবার যখন সারা দিন আধা পেট খেয়ে কঠোর পরিশ্রম করে ক্লান্ত-পরিশ্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরি, যখন শরীর আর চলে না, শ্রান্তি এসে চোখের দুই পাতা বুজে দিয়ে ঘুমের কোলে আশ্রয় নিতে চায়, তখন মনে পড়ে মায়ের কথা, প্রিয়জনদের কথা—আহা! এখন যদি মা অথবা প্রিয় বোনটি অথবা যদি প্রিয় স্ত্রী-সন্তান কাছে থাকত, তাহলে হয়তো আদর করে বলত, হাত-মুখ ধুয়ে আসো, গরম-গরম খেয়ে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ো। বেশি ক্লান্তি মনে হলে কাল আর কাজে যেতে হবে না, আমাদের বেশি টাকার দরকার নেই। কী যে মধুর সান্ত্বনা বাক্য। যা সারা দিনের সকল কষ্টকে নিমেষেই দূর করে দেয়।

কিন্তু সুদূর এই প্রবাসে কেউ নেই একটু আদর করে কথা বলার বা শোনার। কী যে যন্ত্রণা। কাউকে বোঝানো যায় না। আবার যখন এই আমিই দেশে ফিরে যাই, সবাই মনে করেন টাকার ব্যাংক নিয়ে এসেছি। যে যার মতো বায়না ধরেন। টাকা দিতে না পারলে, সবাই ভুল বোঝেন। কাউকে বলা যায় না, বাড়তি আয় করা যায় না, আমার সাধ্য সীমিত। তখন সবার মুখে হাসি ফোটাতে না পারার যন্ত্রণাটা আবার বুকের মধ্যে জেগে ওঠে।

কিছুদিন দেশে থাকলে সকলে প্রশ্ন করেন, কীরে কত দিনের ছুটি নিয়ে এসেছিস? কবে ফিরে যাবি? শুধুমাত্র মা বলেন, খোকা আর ফিরে না গেলে হয় না অথবা আর কিছুদিন আমার কাছে থাক। অন্যরা বলেন, এবার বিদেশে গিয়ে আমার জন্য এটা পাঠাবে, ওটা পাঠাবে ইত্যাদি।

কেউ জানতে চান না আমাদের মনের কথা। আমরা তো আরও কিছুদিন প্রিয়জনদের কাছে থাকতে চাই। আমরা একটু প্রিয়জনদের আদর-ভালোবাসা পেতে চাই। জন্মভূমির মাটির মমতা চাই। সকালের শিশিরে পা ভিজিয়ে চেনা পথগুলোতে আবার একটু হাঁটতে চাই। কিন্তু কেউ আমাদের বুঝতে চান না। আমাদের বোবা মন আবার কান্নায় ভরে ওঠে। আমাদের আজ কোথাও কোনো স্বস্তি নেই। কোথাও আমাদের আপনজন নেই। আমরা সব জায়গাতেই প্রবাসী। আমাদের বোবা কান্নাগুলো কেউ দেখতে পারেন না। আমাদের হৃদয়ের ভেতরে যে রক্তক্ষরণ হচ্ছে তা ক্রমাগত বেড়েই চলছে। কোথায় যেন ছোটবেলার সেই স্বপ্নটা হারিয়ে গেছে। মনে হচ্ছে ওই স্বপ্নটা আমাদের সারা জীবন না বলা বোবা কান্নায় শেষ করে দেবে।

হায়রে স্বপ্ন…তুমি আমাকে করেছ টাকা অর্জনের মেশিন যার হৃদয়ে অবিরাম কষ্টের সীমাহীন বোবা কান্না বহমান, চলছে অবিরত…।

৫০০ ডলারে মালয়েশিয়া পাঠানো, বিমানবন্দরে প্রতারক আটক

শনিবার (০৫ জুন) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫০০ ডলারের বিনিময়ে মালয়েশিয়া পাঠানোর কথা বলে প্রতারণার অ’ভিযোগে এক প্রতারককে আট’ক করেছে বিমানবন্দর আর্মড পু’লিশ।

এয়ারপোর্ট আর্মড পু’লিশের অতিরিক্ত পু’লিশ সুপার (মিডিয়া) মোহা’ম্ম’দ জিয়াউল হক জানান, বিমানবন্দরের ১ নম্বর টার্মিনালের সামনে থেকে বিদেশ গমনে ইচ্ছুক এক সাধারণ যাত্রীর সাথে প্রতারণা করার সময় হাতেনাতে তাকে আট’ক করা হয়।

বিদেশ গমনে ইচ্ছুক যাত্রী শাহ আলম প্রদীপকে ৫০০ মা’র্কিন ডলারের বিনিময়ে মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য মৌখিকভাবে চুক্তিব ‘দ্ধ হয় অ’ভিযুক্ত ওমর’ ফারুক হেলালী রাকিব (২৬)।

শনিবার (০৫ জুন) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীকে পাসপোর্ট এবং ৫০০ ডলার সহ হাজির থাকতে বলে প্রতারক রাকিব। যাত্রী বিমানবন্দরে হাজির হলে তার কাছ থেকে পাসপোর্ট এবং ৫০০ মা’র্কিন ডলার গ্রহণ করে প্রতারক রাকিব। যাত্রীকে ১নং টার্মিনালের সামনে অ’পেক্ষা করতে বলে সটকে পড়ার চেষ্টা করতেই বিমানবন্দর আর্মড পু’লিশ তাকে আট’ক করে।

প্রতারক এর সাথে যাত্রীর ভাইয়ের ছেলের মাধ্যমে তার পরিচয়। আজ তার মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা। প্রতারক রাকিবের কথা অনুযায়ী পাসপোর্ট এবং ৫০০ ডলার নিয়ে যাত্রী শাহ আলম প্রদীপ বিমানবন্দরে হাজির হন। এয়ারপোর্টে এসে প্রতারককে ডলার দিতেই পু’লিশ এসে অ’ভিযুক্তকে আট’ক করে।

পরবর্তীতে যাত্রী শাহ আলম প্রদীপ জানতে পারেন পুরোটাই শুভংকরের ফাঁ’কি। প্রতারক রাকিবের বিরু ‘দ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

করোনায় দেশে আরও ১৬৬ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮৫১ জনে। এছাড়া দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ৩৬৪ জনের। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ লাখ ৪৬ হাজার ৫৬৪ জনে।

আজ শুক্রবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।  

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৬ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬১৬ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ১৬৬ জনের মধ্যে ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ২৭ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে সাতজন ও ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুইজন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৯৫ জন ও মহিলা ৭১ জন। যাদের মধ্যে বাসায় চারজন ছাড়া বাকিরা হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৩ জন, রাজশাহী বিভাগে সাতজন, খুলনা বিভাগে ৩৩ জন, বরিশাল বিভাগে ১০ জন, সিলেট বিভাগে আটজন, রংপুর বিভাগে ১২ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে তিনজন মারা গেছেন।

সুত্র ঃ- বিডি-প্রতিদিন/

৩১ আগস্ট পর্যন্ত ইকামা ও রিএন্ট্রি ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হলো

ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে, এসকল দেশে যেসকল সৌদি প্রবাসী ছুটিতে গিয়ে আটকা পড়েছেন, তাদের ইকামা, এবং রিএন্ট্রি ভিসার মেয়াদ আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে সৌদি আরবের জেনারেল ডিরেক্টরেট অফ পাসপোর্ট (জাওয়াজাত)। এছাড়াও ইতিমধ্যে যেসকল ভ্রমণকারী সৌদি আরবে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ভিজিট ভিসা গ্রহণ করেছেন, তাদের ভিজিট ভিসার মেয়াদও আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বর্তমানে শুধুমাত্র ৯টি দেশ থেকে সৌদি আরবে প্রবেশের উপরে নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে, এবং এই ৯টি দেশে আটকে পড়া সৌদি প্রবাসীদেরই ইকামা এবং রিএন্ট্রি ভিসার মেয়াদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সৌদি আরবের পবিত্র মসজিদ দ্বয় এর অভিভাবক কিং সালমান এর সিদ্ধান্তে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়।

বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থিত সকল সৌদি নাগরিক ও প্রবাসীদের করোনা মহামারী থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্যই নির্দিষ্ট কিছু দেশ থেকে সৌদি আরবে ভ্রমণের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়াও যেসকল দেশ থেকে সৌদি আরবে বর্তমানে বাধামুক্তভাবে ভ্রমণ চলমান রয়েছে, সেক্ষেত্রেও ভ্রমণকারীর বা প্রবাসীর করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ করা থাকতে হবে, অন্যথায় প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারান্টাইন পালন করতে হবে।

জাওয়াজাত নিশ্চিন্ত করেছে যে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা দেশে অবস্থিত প্রবাসীদের ইকামা এবং ভিসার মেয়াদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগামী ৩১ তারিখ পর্যন্ত বৃদ্ধি হয়ে যাবে। সৌদি আরবে ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার এর সহায়তায় এই উদ্যেগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাওয়াজাত।

জরিমানা দিয়ে মালয়েশিয়ার বিমানবন্দর থেকেই ফেরার সুযোগ

অনলাইনে আবেদন করে ইমি গ্রেশনে গিয়ে এবং জরিমানা দিয়ে রিক্যালিব্রেশন রিটার্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফেরার সুযোগ আগেই ঘোষণা করেছিল মালয়েশিয়া। তবে এ প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করতে বিমানবন্দর থেকে জরিমানা দিয়ে সরাসরি দেশে ফেরার সুযোগ দিয়েছে মালয়েশিয়া।


দেশটির অ’ভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞ’প্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বা কেএলআইএ’র তৃতীয় তলায় ৫ জুলাই থেকে এ প্রক্রিয়ার জন্য অ’ভিবাসন বিভাগের পক্ষ থেকে একটি কাউন্টার খোলা হয়েছে।
দেশটির অ’ভিবাসন বিভাগ বলছে, বৈধ কাগজপত্রবিহীন অ’ভিবাসীদের সুবিধার্থে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, খুব সহজেই এখন তারা দেশে ফিরতে পারবে।
আগে থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেয়ারও প্রয়োজন নেই তবে বিমান ছাড়ার কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা আগে আসতে হবে বলে জানানো হয়।
একই স’ঙ্গে ২৪ ঘণ্টা অ’ভিবাসন বিভাগের এ কাউন্টার খোলা থাকবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

অ’ভিবাসন বিভাগের ডিজি বলেন, সাধারণ কর্মীদের ইমি গ্রেশনে গিয়ে ট্রাভেল পাস সংগ্রহে জটিলতা হচ্ছে, বিভিন্ন দেশের হাইকমিশনের এমন অ’ভিযোগের ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তবে এ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হলে আগের মতোই পাসপোর্ট বা হাইকমিশন থেকে বৈধ ট্রাভেল ডকুমেন্টস, বিমান টিকিট, ৫০০ রি’ঙ্গিত (ডেভিড, ক্রে’ডিট কার্ড বা টাচ অ্যান্ড গো ই-ওয়ালেট এর মাধ্যমে) জরিমানা এবং ৭২ ঘণ্টা মেয়াদের করো’না নেগেটিভ সার্টিফিকেট স’ঙ্গে থাকতে হবে।

খুব শিগগিরই কেএলআইএ-২ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও কাউন্টার খোলা হবে বলে জানিয়েছেন ইমি গ্রেশন ডিজি।
অ’ভিবাসন বিভাগের সূত্র মতে, রিক্যালিব্রেশন প্রক্রিয়ায় এখনও পর্যন্ত ২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৩ জন নিবন্ধন করেছেন।
যাদের মধ্যে ৯৮ হাজার ১৯৪ জন দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য এবং ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৮৯ জন বৈধ হওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

সহজতর এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ প্রবাসী বাংলাদেশির সহজে দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।
যদিও বিমান টিকিটের উচ্চমূল্য ও বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন জটিলতায় অনেকেই এ প্রক্রিয়ায় দেশে ফিরতে পারবে কিনা তা নিয়ে রয়েছে সংশয়।