ক্যাটাগরি Uncategorized

নতুন এয়ারলাইন্স আনছে সৌদি আরব

দূরপাল্লার বিমানযাত্রা (ফ্লাইট) সেবা খাতে দুই দেশ কাতার এবং আমিরাতের একচেটিয়া ব্যবসায় ভাগ বসাতে নতুন একটি এয়ারলাইন্স চালুর পরিকল্পনা করছে সৌদি আরব।
সৌদি আরবের বর্তমান ডি-ফ্যাক্টো নেতা যুবরাজ মোহা’ম্ম’দ বিন সালমানের ঘনিষ্ট দু’জন ব্যক্তি বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য দিয়েছেন।

২০১৭ সালে যুবরাজ হিসেবে অ’ভিষেকের পর থেকে দেশের বিভিন্ন উৎপাদন ও সেবা খাতের বিকাশে জোর দিচ্ছেন মোহা’ম্ম’দ বিন সালমান।
সৌদি আরবকে তেলভিত্তিক অর্থনীতি থেকে সরিয়ে শিল্পোৎপাদন ও সেবা খাতভিত্তিক অর্থনীতির দেশে উন্নীত করাই এর মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থনীতিবিদরা।

মোহা’ম্ম’দ বিন সালমানের ঘনিষ্ট ব্যাক্তিরা জানিয়েছেন, সম্প্রতি যাত্রীসেবা ও পর্যটন খাতকে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা নিয়েছেন সৌদি যুবরাজ।
সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই নতুন এয়ারলাইন্স আনার বি’ষয়টিতে গু’রুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
নতুন এই এয়ারলাইন্সটির প্রাথমিক মূলধন আসবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তহবিল পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) থেকে।

কাতারে ভিজিট ভিসায় আসতে হলে নতুন নিয়ম বাধ্যতামূলক

কাতারে এখন ভিজিট ভিসায় আসতে হলে লাগবে হেলথ ইন্সুরেন্স। ফ্যা’মিলি ভিজিট বা পারসোনাল ভিজিট, সব ধরণের ভিজিট ভিসার জন্য এই নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। কাতারে সম্প্রতি এক সার্কুলারে জানানো হয়, যে কোনো রকমের ভি’জিট ভিসায় কাতারে আসার আগে ৮টি কাগজ বাধ্যতা’মূলকভাবে দেখাতে হয়। এই আট’টি কাগজপত্রের মধ্যে তিন নাম্বারে রয়েছে হেলথ ইন্সুরেন্স।

ভিজিট ভিসায় কাতারে আসা যাত্রীদের ফ্লাইটে ওঠার আগে এই আট’ ধরণের কাগজপত্র চেক করতে সব বিমানসংস্থাকে বলা হয়েছে। আট’টি কাগজের মধ্যে রয়েছে, ফ্যামেলি বা পারসোনাল ভিজিট ভিসা, কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদি পাসপোর্ট, হেলথ ইন্সুরেন্স, তিন মাস মেয়াদি রিটার্ন টিকেট, ক’রো’না টিকা সার্টিফিকেট, এ’হতেরাজ ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন পেপার।

কাতারের বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি জানায়, এই হেলথ ইন্সুরেন্সের ব্যাপারটি নতুন যোগ করা হয়েছে। এটি এখন সব ধরণের ভিজিট ভিসায় আগতদের জন্য বাধ্যতামূলক। বর্তমানে কাতারে সেরকম হেলথ ইন্সুরেন্স কোম্পানি চালু না হলেও ভিজিটর যে দেশ থেকে আসবেন, সেই দেশে থাকা ইন্টা’রন্যাশনাল হেলথ ইন্সুরেন্সের মাধ্যমে এই ইন্সুরেন্স করানো যাব’ে।

তবে এই ইন্সুরেন্সের পরিমাণ কত, সেটি নির্ভর করছে কোন ইন্সুরেন্সের কাছ থেকে তা করা হচ্ছে, সেটির উপর। তবে এটি খুব বেশি দা’মের হবে না। কাতার সরকার ইতোমধ্যে একটি আই’ন করতে যাচ্ছে, যে আইনের ফলে কাতারে কাজের ভিসায় যারা আসবেন এবং থাকবেন, তাদের জন্যও এমন হে’লথ ইন্সুরেন্স বাধ্যতামূলক করা হবে।

বিদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়ায় লেভি সিস্টেম স্থগিতের সময় বাড়ল

করো’না পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের জন্য বহুস্তরীয় বিশিষ্ট লেভি সিস্টেমের স্থগিতের সময় বাড়িয়ে ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় শনিবার (৫ জুন) দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক সেরি এম. সারাভানান মুরুগান এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ছিল এ সিস্টেমটি।

গত বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সি ‘দ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান সারাভানান। তবে বিদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থান শিল্পের প্রকৃত প্রয়োজনের ভিত্তিতে এই বহুস্তরীয় লেভি ব্যবস্থাটি চালু করা হবে। কারণ এটি ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (এফডব্লিউসিএমএস) অধীনে ইকোটা মডিউলটি লেভি সিস্টেম বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহার করা হবে।

মন্ত্রী জানান, নিয়োগকারীদের কাছে মডিউলটি বিদেশি শ্রমিক কোটা নির্ধারণের প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে এবং সোর্স কান্ট্রি গু’লো থেকে নতুন বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য ব্যবহার করা হবে।

আজ থেকে কঠোর লকডাউন শুরু, চলবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আজ শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

এ সময়ে আগের মতোই আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলবে। আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার অনুমিতও দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। তবে এসব ফ্লাইটে বিদেশগামী অথবা বিদেশফেরত যাত্রী ছাড়া অন্য কাউকে পরিবহন করা যাবে না। আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকিট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলের ওপর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ৫ জুলাই যে নির্দেশনা দিয়েঝে তা পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

ভারতের কভিশিল্ড টিকা কুয়েত অনুমোদন দিয়েছে

ভারতীয় দূতাবাস একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে যে, কুয়েত সরকার COVISHIELD (অক্সফোর্ড / অ্যাস্ট্রাজেনেকা) টিকার অনুমোদন দিয়েছে ।

কভিশিল্ড টিকার শংসাপত্রের কোনও ভারতীয় নাগরিক যদি বৈধ একামা থাকে এবং চাকরীর চুক্তির অন্যান্য প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে, তার কুয়েত ভ্রমণে কোন সমস্যা নেই ।

দূতাবাস জানিয়েছে যে, কভিশিল্ড হ’ল অক্সফোর্ড / অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং কোভিশিল্ড (অক্সফোর্ড / অ্যাস্ট্রাজেনেকা) কুয়েত রাজ্যের অনুমোদিত ভ্যাকসিন।

দূতাবাস বলেছে যে, টিকা গ্রহণকারী ব্যাক্তিরা তাদের নিবন্ধন চূড়ান্ত করতে টিকাদান শংসাপত্র নীচের লিংকে আপলোড করতে পারেন । ৫০০ কেবি পিডিএফ ফাইলের অংশ হিসাবে শংসাপত্রের এবং অন্যন্যা ডকুমেন্টস কপির স্ক্যানকৃত অনুলিপি আপলোড করে টিকার সনদ ভেরিফাইড করতে হবে ।

নিবন্ধকরণ লিঙ্কটি https://vaxcert.moh.gov.kw/SPCMS/PH/CVD_19_ ভ্যাকসাইন_ বহিরাগত_ নিবন্ধনমডিফাই.এএসপিএক্স

তবে লিংকে প্রবেশ করে খুব সতর্কতার সহিত পুরণ করতে হবে, কারণ, একবারের বেশী সম্পাদন করা যায়না ।

প্রবাসীদের প্রশ্নের উত্তর দিলেন সারোয়ার আলম

ক’রো’নাভা’ইরাস প্রাদুর্ভাবের পর থেকে চরম সংক’টের মুখে পড়েছেন প্রবাসীরা। তাদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য একটি কুইক রেসপন্স টিম গঠন করেছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সেই কুইক রেসপন্স টিমের অন্যতম সদস্য র‍্যাব’ের সাবেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। তিনি বর্তমানে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে কর্মর’ত আছেন।

কুইক রেসপন্স টিমের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই হাজারো ফোন পেয়েছেন সারোয়ার আলম। সোমবার রাতে এ বি’ষয়ে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন তিনি। পোস্টে তিনি প্রবাসীদের কাছ থেকে ৩০ মে হাজারখানেক কল পাওয়ার কথা লিখেছেন। তিনি প্রবাসীদের কিছু কমন প্রশ্নের উত্তরও দিয়েছেন।

প্রবাসীদের সৌদি আরব গমন নিয়ে জিজ্ঞাসার বি’ষয়ে সারোয়ার আলম বলেন, ৩০ জুনের মধ‍্যে সৌদি আরবে গেলে সবাইকে নির্দিষ্ট হোটেলে সাত দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কো’য়ারেন্টা’ইনে থাকতে হবে। যদি কারো ক’রো’নার দুই ডো’জ টি’কা না দেওয়া থাকে বা টিকা দেওয়ার কার্ড না থাকে তাকেও থাকতে হবে কোয়ারেন্টাইনে। এছাড়াও সৌদি ফ্লাইটের ৭২ ঘণ্টা আগে হোটেল বুকিং নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, হোটেল বুকিং নিয়ে সৌদি প্রবাসীদের সমস‍্যাটা আগামী দুই তিন দিনের মধ‍্যে কে’টে যাব’ে বলে আশা করছি। ইতোমধ্যে যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাদের ভিসার মেয়াদ সৌদি সরকার বাড়াবে বলে আমর’া আশা করছি। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার তৎপর রয়েছে। এছাড়াও কো’য়ারেন্টাইনের জন‍্য প্রবাসী কল‍্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২৫ হাজার টাকা প্রদান করবে। নিঃসন্দে’হে এটি একটি মহৎ উদ‍্যোগ।

দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ওমান ফ্লাইট নিয়ে সারোয়ার আলম লিখেছেন, শিগগিরই ওমান ও বাংলাদেশের ফ্লাইট চালু হবে বলে আমর’া আশা করছি। মন্ত্রণালয়ের গঠিত কুইক রেসপন্স টিমের আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের পরিচালক আরিফ আহমেদ খান। সারোয়ার আলম ছাড়া কুইক রেসপন্স টিমের অন্য সদস্যরা হলেন বিএমইটির ঊর্ধ্বতন পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উপপরিচালক মো. জাহিদ আনোয়ার, সহকারী পরিচালক মো. আজিজুল ইসলাম ভুঞা, উপ-সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল কাদের, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অ’পারেটর মোহা’ম্ম’দ মনিরুজ্জামান।

সৌদি গামী প্রবাসী কর্মীদের জন্য সৌদি এয়ারের বিশেষ সুবিধা

আজ বৃহস্পতিবার থেকে সৌদি এয়ারলাইন্স সৌদি আরবগামী বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বিশেষ সুবিধা চালু করেছে।

সৌদি এয়ারলাইন্সের তালিকাভুক্ত তিনশ এর বেশি স্থানীয় ট্রাভেল এজেন্ট সৌদি এয়ারের আর্থিক ও সফটওয়্যার চ্যানেলের মাধ্যমে সৌদি আরবের হোটেল বুকিং করতে পারবে।

এছাড়া গত ২০ মে, ২০২১ তারিখ থেকে যেসব প্রবাসীরা হোটেল বুকিংয়ের কারণে সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট মিস করেছেন তাদের বিনা ফিতে পুনরায় টিকেট ইস্যু করতে সম্মত হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞ’প্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞ’প্তিতে আরও বলা হয়, টিকে’টের তারিখ পরিবর্তন তথা রিইস্যুর জন্য কারওয়ান বাজারস্থ সোনারগাঁও হোটেলের সৌদি এয়ারলাইন্স অফিসের পাশাপাশি ট্রাভেল এজেন্ট থেকেও করা যাব’ে।

এখন থেকে যারা সৌদি আরব থেকে সৌদি এয়ারলাইন্স আপ-ডাউন টিকেট ক্রয় করে দেশে আসবেন। তারা টিকেট রিকনফার্ম বা তারিখ পরিবর্তনের জন্য ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামসহ অন্যান্য শহরে অবস্থিত তালিকাভুক্ত ট্রাভেল এজেন্ট থেকে করতে পারবেন। এতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ঢাকার কারওয়ান বাজারে সৌদি এয়ারলাইন্স অফিসে আসার প্রয়োজন কমে গেল।

হোটেল বুকিংয়ের জন্য ট্রাভেল এজেন্ট গু’লো সর্বোচ্চ দুই হাজার এবং টিকিট রিইস্যুর জন্য সর্বোচ্চ পাঁচশত টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের, দেশ থেকে সৌদি আরবে যাওয়ার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের সমস্যা দূরীভূ’ত হলো।

মালয়েশিয়ায় ব্যবসায়ীর ১৬ লাখ টাকা দিচ্ছেন না প্রবাসী বাংলাদেশীরা

মালয়েশিয়া ব্যবসায়ীর ১৬ লাখ টাকার বকেয়া বিল প’রিশো’ধ করছেন না প্রবাসী বাংলাদেশীরা। মালয়েশিয়াস্থ কুয়ালালামপুর বাংলাদেশী মালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এলমা সার্ভিসের প্রায় ৮৩ হাজার রিংগি’ত বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১৬ লাখেরও বেশি টাকা বকে’য়া নিয়ে প’রিশো’ধ করেনি প্রবাসীরা। বিভিন্ন সময়ে বকেয়া নিয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাহক এখন গাঢাকা দিয়েছেন। এর মধ্যে অধিকাং’শ ক্রেতা। রয়েছে বাংলাদেশী প্রবাসী। এছাড়া নেপাল ও পাকিস্তানি প্রবাসীও রয়েছেন।

এ ঘটনায় কুয়ালালামপুরে বালাই পু’লিশের কাছে অ’ভিযো’গ দেয়া হয়েছে। বকেয়া টাকা ফেরত পেতে এবং গ্রাহকদের দৃ’ষ্টি আক’র্ষণ করতে এলমা সার্ভিসের স্বত্বাধিকারী মো: ইব্রাহিম মিয়া ও ম্যানেজার মালয়েশিয়ান নাগরিক নন্দ কুমা’র কুয়ালালামপুরস্থ ব্যবসায়ীক কার্যালয়ে শুক্রবার রাত ৮টায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অ’ভি’যো’গ করেন।

এ সময় নন্দ কুমা’র বলেন, ২০১৭ সাল থেকে এলমা সার্ভিস রাজধানীর আমপাং এ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর মুদির দোকান পরিচালনা করে আসছেন। যার বেশিরভাগই বাংলাদেশী প্রবাসী ক্রে’তা। তাছাড়াও পাকিস্তানি ও নেপালী নাগরিক ও রয়েছেন। দোকান থেকে বকেয়া নিয়ে এক সময়ে মোটা অং’কের বি’ল হওয়ার পর তারা সেখান থেকে চলে গেছেন। অনেক চে’ষ্টা করেও তাদের হদি’স পাওয়া যায়নি। তাদের সাথে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্য’র্থ হয়েছি।

প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী দাউদকা’ন্দি উপজে’লার ইব্রাহিম মিয়া জানান, ২০১৭ সাল থেকে আমা’র ব্যবসা শুরু করি। ২০১৯ থেকে প্রবাসীদের মাঝে বাকি দেয়া শুরু করি তারপর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দু’বছরের ৮৩ হাজার রিংগি’ত বাকি পড়েছে। এ সময়ে প্রায় অর্ধ শতাধিক ক্রেতা বিভিন্ন সময়ে ব’কেয়া নিয়ে সেটা প’রিশো’ধ না করেই আ’ত্মগো’পন চলে গেছে। আমি তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্য’র্থ হয়েছি এবং এত দিন ধৈ’র্য্য ধরে অ’পেক্ষা করেছি। পরে পু’লিশ রিপো’র্ট করে মিডিয়ার মাধ্যমে তাদের অ’বহি’ত করে আমা’র পাওনা টাকা ফেরত দেয়ার আহ্বান জানিয়েছি।

প্রবাসী ফজলুল হক জানান, মুদি দোকানের ব্যবসা করতে গিয়ে বাকি দি’তেই হয়। আর সেটা করতে গিয়ে ৮৩ হাজার রিং’গিত হা’রাতে বসেছেন ব্যবসায়ী ইব্রাহিম। প্রবাসীরা কুয়ালালামপুরে একসাথে ১০ থেকে ২০ জন করে ম্যাচে খাবার খায়। এভাবে জিনিসপত্র নিচ্ছে মাস শেষে বেতন পেয়ে টাকা প’রিশো’ধ করে দেয়। একটা সময় যখন বিল বেশি হয়ে যায় তখন টাকা পরিশো’ধ না করেই পা’লিয়ে যায়।

সৌদির খেজুর এখন বাংলাদেশের বাগেরহাটে !!

উপকূলীয় জে’লা বাগেরহাটের মাটিতে এবার চাষাবাদ হচ্ছে সৌদি খেজুর। মর’ুভূমির এই উদ্ভিদ চাষে নতুন সম্ভাবনা দেখছে জে’লার চাষিরা। ভিনদেশি ফলের সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচন করেছে বাগেরহাট জে’লা জজ আ’দালতের আইনজীবী দিহিদার জাকির হোসেন।

রামপাল উপজে’লার সন্ন্যাসী হাজীপাড়া এলাকায় ‘রামপাল সৌদি খেজুর বাগান’ সৌদি খেজুর চাষ করে জাকির হোসেন স্বপ্ন দেখাচ্ছে স্থানীয়দের।

১৫ একর মৎস্য ঘেরের খামা’রের বেড়িবাঁধে এখন আড়াই হাজারের মতো খেজুরগাছ রয়েছে জাকিরের। দুই বছরেই ফল এসেছে অনেক গাছে। লোনা পানির এই এলাকায় সৌদি খেজুর চাষের সফলতাকে অর্থনৈতিক সমৃ ‘দ্ধি ও কৃষিক্ষেত্রে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে জে’লা কৃষি বিভাগ।

খেজুরচাষি দিহিদার জাকির হোসেন বলেন, ২০১৪ সালে ১৫ একর জমিতে ৯টি পুকুর খনন করে মাছ চাষ শুরু করি। পুকুরের পাড়জুড়ে বিভিন্ন ফলজ গাছও রোপণ করি। কিন্তু লোনা পানির জন্য এসব ফসলে লাভ হচ্ছিল না। অন্যদিকে অতিরিক্ত লোনা পানির কারণে ঘেরে গলদা চিংড়ি বা কার্পজাতীয় মাছ ভালো হয় না। তারপর কয়েক বছরে বাগদা চিংড়িতেও লোকসানে পড়ি। পরে ‘হতাশা কাটিয়ে উঠতে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রামপাল সৌদি খেজুর বাগান’ নাম দিয়ে এই খেজুর চাষ শুরু করি।

তিনি আরও বলেন, প্রথম দিকে লোকজন আমাকে পাগল বলত। ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে ২০০ সৌদি খেজুরের চারা এনে রোপণ করি। পরবর্তীতে নরসিংদী থেকে আরও ১০০ চারা আনি। বর্তমানে আমা’র আজোয়, মর’িয়ম, সুকারি, আম্বার ও বারহি― এই পাঁচ জাতের আড়াই হাজারের মতো খেজুর চারা রয়েছে। এ ছাড়া ২ হাজার ৫০০ চারা প্রস্তুত রয়েছে নার্সারিতে। বর্তমানে ৫০টি গাছে ফলন হলেও আগামী এক বছরের মধ্যে বাগানের অন্তত ২০০ থেকে ৩০০ গাছে খেজুর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী বছর থেকে বাণিজ্যিক উপায়ে খেজুর ও চারা বিক্রির আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এ ছাড়া খেজুরের পাশাপাশি ভিয়েতনামি নারকেল, কয়েক প্রজাতির আম, আমড়া, মাল্টাসহ বেশ কিছু ফলের চাষ করেন তিনি। খামা’রে রয়েছে ৩০টি দেশি গরু।

বিমানবালাকে যে ১০ প্রশ্ন কখনোই করবেন না

বিমানে যাঁরা নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাঁরা জানেন বিমানবালারা বেশ আন্তরিকতার স’ঙ্গেই যাত্রীদের সেবা প্রদান করে থাকেন। দীর্ঘ যাত্রায় পানি, খাবার, কম্বল দেওয়া থেকে শুরু করে ডিপারচার কার্ড বা প্রস্থানের ফরম বিলি কিংবা প্রাথমিক চিকিৎসা—সবকিছুতেই বিমানবালারা চেষ্টা করেন যেন যাত্রীসেবায় কোনো ত্রুটি না থাকে।

তবে যাঁরা নিয়মিত বিমানে চড়েন না, তাঁরা হয়তো না বুঝেই অনেক প্রশ্ন করে ফেলেন। এতে বিমানবালারা বি র’ক্ত ‘হতে পারেন, আবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন আপনিও। তাই বিমানবালাদের কী প্রশ্ন করবেন আর কী করবেন না, তার একটি তালিকা পাওয়া গেছে বিমানযাত্রা বি’ষয়ক ওয়েবসাইট বোর্ডিং এরিয়া ডটকমে। বিমানযাত্রার আগে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক :

১. আমি কি ফার্স্ট ক্লাসের বাথরুম ব্যবহার করতে পারি?

এ প্রশ্ন করে থাকেন অনেকেই। তাঁরা হয়তো জানেন না, ফার্স্ট ক্লাসের বাথরুম শুধু যাঁরা ফার্স্ট ক্লাসের জন্য টিকেট কে’টেছেন, তাঁদের জন্যই বরাদ্দ। এ ধরনের প্রশ্ন করেও নিজের নির্বু ‘দ্ধিতার পরিচয় দেওয়া হয় আর বিমানবালাদেরও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলা হয়।

২. সিনেমা শুরু হচ্ছে না কেন? ওয়াই-ফাই নেই?

বিমানে ওঠার স’ঙ্গে স’ঙ্গে আপনার সামনের মনিটরে সিনেমা দেখার সুযোগ নেই। কারণ, সেখানে উড্ডয়ন-সং ক্রা’ন্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার পর আপনি সিনেমা দেখতে পারবেন বা গান শুনতে পারবেন। আর এতে সময় লাগে প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট। তাই বিমানে উঠেই জিজ্ঞেস করবেন না, সিনেমা দেখানো হচ্ছে না কেন?

শুরুর সময়টাতে ম্যাগাজিনে চোখ বুলিয়ে নিতে পারেন। প্রয়োজনীয় নির্দেশনা শেষ হলে সামনের মনিটর আপনার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে, তখন আপনি পছন্দমতো ছবি বা গান শুনতে পারবেন। আর হ্যাঁ, বিমান পুরোপুরি আকাশে ওঠার আগে ওয়াই-ফাই সেবা পাওয়া যায় না। কাজেই বিমানে উঠেই ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে প্রশ্ন করবেন না। ধৈর্য ধরুন, কর্তৃপক্ষই বলে দেবে কখন আপনি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারবেন। তা ছাড়া সব বিমানে ওয়াই-ফাই সেবা নাও থাকতে পারে। যদি থাকে সেটা বিমান কর্তৃপক্ষই আপনাকে বলে দেবে।

৩. কানেক্টিং ফ্লাইটটা আট’কে রাখতে পারবেন?

গন্তব্যে পৌঁছাতে বিমান পরিবর্তন করে অন্য যে বিমানে উঠতে হয়, তাকেই কানেক্টিং ফ্লাইট বলা হয়। আপনি যে বিমানে আছেন, সেই বিমানের বিমানবালার স’ঙ্গে আপনার কানেক্টিং বিমানের কোনো যোগাযোগ থাকে না। তার পরও আপনি যদি বর্তমান বিমানের বিমানবালাকে প্রশ্ন করেন, কানেক্টিং ফ্লাইটটা একটু দেরি করতে পারবে কি না, তাহলে সেটা ঠিক হবে না। কারণ, এই বি’ষয়টি বিমানবালার হাতে নেই। বরং ট্রানজিট বিমানবন্দরে নেমে যথাযথ কর্তৃপক্ষের স’ঙ্গে কথা বলে বি’ষয়টির সুরাহা আপনাকেই করতে হবে।

৪. এটা (বকশিশ) রাখু’ন!

রেস্তোরাঁয় খাওয়ার পর মোটা অ’ঙ্কের বকশিশ দেওয়ার অভ্যাস আপনার আছে। সে জন্য মনে মনে বেশ গর্ব বোধ করেন আপনি। তাই বলে বিমান অবতরণের পর বিমানবালাকে ডেকে তাঁর হাতে টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলবেন না, ‘এটা রাখু’ন। কিছু কিনে খাবেন!’ প্রথমত, বিমানের নীতিমালার ঘোরবিরোধী এটি। দ্বিতীয়ত, বিমানবালাদের জন্য এটি অ’পমানজনক। তাই যদি তাঁদের সেবা বা ব্যবহারে আপনি মুগ্ধ হয়ে থাকেন, হাসিমুখে একটা ধন্যবাদ দিন, সেটাই যথেষ্ট।

৫. আমি কি বিজনেস ক্লাসের খালি আসনে বসতে পারি?

বাসে এ রকম হরহা’মেশাই করে এসেছেন। সামনের দিকের সিট খালি থাকলে পেছনের সিট ছেড়ে সামনে চলে এসেছেন। এটা আপনার কাছে কোনো ব্যাপারই না। এ জিনিসই চেষ্টা করতে গেলেন বিমানে। দেখলেন, বিজনেস ক্লাসের সিট গু’লো খালিই পড়ে আছে। গিয়ে বসে পড়লেই হয়। কিন্তু বিজনেস ক্লাসে বসতে হলে আপনাকে বিজনেস ক্লাসের টিকেট করতে হবে আগে। সেটা যদি না করে থাকেন, তাহলে ইকোনমি ক্লাসেই নিজের মতো স্বচ্ছন্দ হয়ে নিন।

৬. ব্যাগটা ওপরে রেখে দেবেন?

কষ্ট করতে ইচ্ছে করছে না, ডাকলেন একজন বিমানবালাকে। বললেন, ব্যাগটা একটু ওপরে উঠিয়ে রাখু’ন। এটা কিন্তু তাঁদের কাজের মধ্যে পড়ে না। নিজের ব্যাগ নিজেই উঠিয়ে রাখু’ন এবং চাইলে সহযাত্রীকে সহযোগিতা করতে পারেন; কিন্তু বিমানবালাদের এ ধরনের অনুরোধ করবেন না।

৭. ওষুধ আছে কি?

যাত্রীদের বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সামাল দেওয়ার জন্য ফ্লাইটেই চিকিৎসক থাকেন। যদি অসুস্থ বোধ করেন, তাহলে সেটা বিমানবালাদের জানাতে পারেন; সাহায্য চাইতে পারেন। কিন্তু নিজেই ডাক্তারি ফলিয়ে তাঁদের কাছে ওষুধ চাইবেন না। কারণ, তাঁদের ওষুধ দেওয়ার এখতিয়ার নেই এবং দ্বিতীয়ত, সেটা তাঁদের কাজও নয়।

৮. আসন বদলাতে পারি?

অনেকেই একই ফ্লাইটে বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতি কারো দেখা পেয়ে যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে একস’ঙ্গে পাশাপাশি সিটে বসে যাওয়ার ইচ্ছা জাগতেই পারে। সে ক্ষেত্রে কখনোই বিমানবালাদের অনুরোধ করবেন না, সিট বদলে দেওয়ার জন্য। বড়জোর আপনি নিজে সেটা বিনীতভাবে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। আপনার অনুরোধে যদি কোনো যাত্রী নিজের সিট পরিবর্তন করে আপনার পরিচিত বা বন্ধুর স’ঙ্গে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে রাজি থাকেন, তাহলেই কেবল আপনার আশা পূরণ হবে।

৯. আমর’া এখন কোথায় আছি?

দুম করে জিজ্ঞেস করে বসবেন না, বিমান এখন কোথায় আছে বা কোন জায়গার ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে? কারণ, আকাশে কোনো সাইনবোর্ড দেওয়া থাকে না, যা দেখে বিমানবালা আপনার প্রশ্নের জবাব দেবেন। ধৈর্য ধরে অ’পেক্ষা করুন, কারণ কাছাকাছি এলে সেটা ক্যাপ্টেন জানিয়ে দেবেন। সামনের মনিটরেও সেটা আপনি দেখতে পারবেন, যদি মনিটরের চ্যানেল পরিবর্তন করেন।

১০. কলম আছে?

এটি খুবই সাধারণ একটি প্রশ্ন মনে ‘হতে পারে আপনার। এটা কিন্তু বেশ বি র’ক্তিকর একটা ব্যাপার বিমানবালাদের জন্য। তাঁরা প্রায়ই এ ধরনের বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে পড়েন। কারণ, অনেকেই তাঁদের কাছে কলম ধার চান। কলম স’ঙ্গে নিয়ে ঘোরাটা তাঁদের কাজ নয়। তাই এ ধরনের প্রশ্ন করবেন না।