ক্যাটাগরি Uncategorized

স্বাস্থ্য-তথ্যপ্রযুক্তি ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের সহযোগিতা চায় কুয়েত

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ড. আহমেদ নাসের আল-মোহা’ম্মেদ আল-সাবাহর স’ঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে তাদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞ’প্তিতে এ তথ্য জানায়। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযো’গিতা নিয়ে ড. মোমেন এবং ড. আহমেদ নাসের আল-মোহা’ম্মেদ আল-সাবাহ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

এসময় কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ড. আহমেদ নাসের আল-মোহা’ম্মেদ আল-সাবাহ স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরা’পত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সাই’বার সি’কিউরিটি খাতে বাংলাদেশের সহায়তা চান। তিনি দুই দেশের সম্পর্ক পর্যালোচনার প্রস্তাব দেন এবং পর’রাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে যৌ’থ কমিটি গঠনের কথা বলেন।

অ’পরদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন আরও বেশি বাংলাদেশি দক্ষ শ্রমিককে কুয়েতে নিয়োগ দেওয়া এবং বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা যেন সে দেশে ব্যবসার ক্ষেত্রে অনুকূল পরিবেশ পায় সে বি’ষয় নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান। রোহি’ঙ্গাদের নিয়ে জাতিসং’ঘের মানবাধিকার পরিষদে প্রস্তাবে সমর’্থন দেওয়ায় কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান ড. মোমেন।

মালয়েশিয়ায় স্বদেশী রুমমেটের হাতে খুন বাংলাদেশি প্রবাসী

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: কথা কাটাকাটি থেকে ঝগড়া। মারামারি। এক পর্যায়ে লাঠি দিয়ে মাথায় বাড়ি। মালয়েশিয়া প্রবাসী এক বাংলাদেশি এভাবে নিজের স্বদেশী রুমমেটকে খুন করে লাশ গুম করেছেন। সেই লাশ উদ্ধার হয়েছে ১৩ দিন পর!

মালয়েশিয়ার স্থানীয় ভাষার গণমাধ্যম সিনার নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ওই দুই বাংলাদেশি তামান মুতিয়ারা এলাকার একটি বাড়িতে থাকতেন।

স্থানীয় পুলিশ কমিশনার মোহদ সাঈদ ইব্রাহিম জানিয়েছেন, ১৩ জুলাই এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জেনেছে বুধবার সন্ধ্যায়।

অপরাধী এবং ভুক্তভোগী দুজনই একটি কনস্ট্রাকশন সাইটে কাজ করেন। অন্য কর্মীরা ভুক্তভোগীকে বেশ কয়েক দিন দেখতে না পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েন।

পুলিশের কথায়, ’৩০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি দীর্ঘ দিন ধরে কোম্পানিটিতে কাজ করছিলেন। তাকে হঠাৎ না দেখে আরেক বাংলাদেশির কাছে তার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তখন তিনি এলোমেলো কথা বলতে থাকেন।’

‘সন্দেহজনক ব্যক্তির বয়স ২৯ বছর। তারা একই সঙ্গে থাকতেন। বিপদ বুঝে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ধরা পড়ে গেছেন।’

পুলিশের দেয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, অপরাধী ইতিমধ্যে খুনের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। যে ঘরে তারা থাকতেন, সেখানেই লাশ কবর দেন।

আম্রপলি জয় করেছে কুয়েতিদের মন

কুয়েতের একটি সুপার সপে বাংলাদেশের ফলমূল। ছবি, জাহাঙ্গীর আলম পলাশ

কুয়েতের নাগরিক এবং দেশটিতে অবস্থান করা প্রবাসীদের মন জয় করেছে সুস্বাদুর জন্য বিখ্যাত বাংলাদেশের আম্রপলি। করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবের কারণে ফ্লাইট বন্ধ থাকায় অনেক প্রবাসী প্রায় দুই বছর  ছুটিতে দেশে আসতে পারছেন না। এই সময় কুয়েতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতের আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, তাল, লটকন, করলা, লাউ, শিম, লতি, চাল কুমড়া, শিমের বিচি, পেঁপে, পটল, চিচিঙ্গা ও কচুশাকের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। 

কুয়েতসহ পৃথিবীর ৩৫টি দেশে বাংলাদেশের ফল ও সবজি রপ্তানি হয়। এসব পণ্যের ভোক্তা মূলত বিদেশে বসবাসরত বাঙালিরা। কিন্তু এবার কুয়েতের স্থানীয় নাগরিকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে আম্রপলি। ভবিষ্যতে কুয়েতে এর আমদানির ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।

দীর্ঘ লকডাউনে বাংলাদেশে আসতে না পারা প্রবাসীরা দেশের ফলমূল আর সবজি পেলে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। দেশ থেকে আমদানি করা বিভিন্ন জাতের শাকসবজি ও ফলমূল কিনতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায় মার্কেটগুলোতে।

রাসেল নামে একজন প্রবাসী দীর্ঘদিন পর কুয়েতের বাজারে দেশি কালজাম পেয়ে উৎফুল্ল হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, পাঁচ বছর পর জামের স্বাদ গ্রহণ করলাম। 

আরেকজন প্রবাসী তার চাকরিদাতার জন্য আমরূপালি কিনেছিলেন। সেই আম খেয়ে খুব প্রশংসা করেছেন তার মালিক। আবারও তাকে পাঠিয়েছেন আম কেনার জন্য। 

এশিয়ান সুপার সপ মার্কেটের মালিক খোকন। তিনি সমকালকে জানান, দীর্ঘদিন লকডাউনের কারণে প্রবাসীরা দেশে আসতে পারছেন না। সেই চিন্তা থেকে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ফলমূল আমদানি করে থাকেন। কুয়েতে বাংলাদেশি পণ্যের প্রচুর চাহিদা। 

তিনি জানান, তার দোকানে ফলমূল কিনতে অনেক দূর থেকে আসেন প্রবাসীরা। দেশ থেকে পণ্য আসার আগেই আম কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফলের অর্ডার দিয়ে রাখেন অনেকে।

দীর্ঘ ২৭ বছর পর সৌদি থেকে বাড়ি ফেরার কথা: সকালে ফ্লাইট, রাতেই চিরবিদায়

জীবিকার তাড়নায় এখন অনেকেই পাড়ি জমায় দেশের বাইরে। তবে সেখনে গিয়েও প্রবাসীদের এমন কিছু কাজ করতে হয় যা আসলে তাদের জন্য অনেক বিপদ জনক। আর তখনি হয় বিপত্তি। আর বিপদের সময় কাওকেই পাওয়া যায় না কাছে। প্রবাস বড় নিষ্ঠুর যেনো।

কেউ ২দিনও থাকতে পারে না। আবার কেউ পুরো জীবনটাই কাটিয়ে দেন। আবার কেউ ফিরতে চেয়েও পারে না। তেমনি একজন আরজু। সৌদি আরব প্রবাসী বাংলাদেশী। প্রায় ২৭ টি বছর প্রবাসি কাটিয়ে দিয়েছিলো সৌদি আরবে৷ রাত পোহালেই সকাল ৬টায় তার বাংলাদেশের ফ্লাইটে উঠার কথা ছিলো।

সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার জন্য বিমান টিকেটও কিনেছিলেন। কিন্তু আর জীবন নিয়ে যাওয়া হলো না প্রিয় স্বদেশে।এর আগের দিন রাতেই শেষ নিঃশ্বা’স ত্যাগকরেছেন তিনি। সৌদি আরবে ১১ জানুয়ারি ২০১৯ শুক্রবার রাতে তার মৃ;;ত্যু হয় ৷ ধারণা করা হচ্ছে তার হার্ট এটাক হয়েছে।

ভাগ্যের কি নি’র্মম পরিহাস । অথছ আজ সকাল ৬টা সময় উনার ফ্লাইট ছিলো। তবে ফ্লাইট হবে ঠিকই লা;;শ হয়ে দেশে যেতে হবে।যার কথা এতক্ষন বলছিলাম তার নাম আরজু হোসেন। উনার বাড়ির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জে’লা বাঞ্ছারামপুর থা’নার দরিকান্দি ইউনিয়নে। মৃ’ত সৌদি আরব প্রবাসী অারজু হাসান দুই ছে’লে এবং এক মেয়ে রেখে চলে গেলেন না ফিরার দেশে।

শ্বশুর-বউমা’র গো’পনে বিয়ে, লজ্জায় মুখ দেখাতে পারছে না প্রবাসী স্বা’মী

ঝিনাইদহ সদর উপজে’লার বৈডাঙ্গা গ্রামে প্রবাসী কবিরের স্ত্রী’’ তহুরা (৫৫) তিন স’ন্তানের জননী। কবির প্রবাসে থাকার সময় একই গ্রামের সিরাজুল ইস’লাম শিরনের (৬০) সাথে প্রে’মের স’ম্পর্ক গড়ে উঠে তহুরার। গো’পনে তারা বিয়ে করে।

অথচ স’ম্পর্কে তারা শ্বশুর-বউমা।বিয়ের পর বিদেশ থেকে স্বা’মী কবিরের পাঠানো টাকা পয়সা ও স্বর্ণলংকার কৌশলে হাতিয়ে নিতে থাকেশিরন। কবির দেশে ফিরেও জানতে পারে না স্ত্রী’’র এসব অ’পকর্ম। পরে তাদের গো’পন অ’ভিসার ধ’রা পড়ে।

জানাজানি হয় শিরনের স’ঙ্গে নিজ স্ত্রী’’র বিয়ে ও দৈহিক স’ম্পর্কের কথা।এ সময় সব হা’রিয়ে এখন পা’গল কবির। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিচারের আশায়।জানা গেছে, বৈডাঙ্গা গ্রামের মৃ’ত হাসেম আলীর ছে’লে কবির বিদেশে থাকার সময় একই গ্রামের মৃ’ত নোয়াবআলীর ছে’লে সিরাজুল ইস’লাম শিরন কবিরের বাড়ীতে যাতায়াত করতো।

এই সুযোগে কবিরের স্ত্রী’’ তহুরা খাতুনের সাথে টাকা পয়সা লেনদেন করতে থাকে। স’ম্পর্কে তারা শ্বশুর-বউমা হলেও দুজনার মাঝে গভীর স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরস্ত্রী’’র স’ঙ্গে চুটিয়ে প্রে’ম করার সুযোগ নিয়ে প্রবাসি কবিরের পাঠানো টাকা হাতিয়ে নিতে থাকে শিরন।কবির ২০১৮ সালে দেশে ফিরে এলেও স্ত্রী’’

তহুরা তার স’ঙ্গে স্বাভাবিক স’ম্পর্ক বজায় রেখে চলে। এক স’ঙ্গে দুই স্বা’মীর ঘর করতে থাকে তহুরা। গত ১৫ ডিসেম্বর শিরনের সাথে তহুরার দৈহিক স’ম্পর্কের কথা জানাজানি হলে শিরন-তহুরা প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় তারা ২০১৫ সালে গো’পনে বিয়ে করেছে।শিরন ঘ’টনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তহুরাকে আমি ভালবাসতাম । এজন্য সমাজের সবাই তাকে নি’র্যাতন করতো,
নানা কথা বলতো তাই আমি তাকে বিয়ে করেছি।তহুরা বেগম বলেন, যা শুনেছেন সবই সত্য। আম’রা দু’জন দু’জনকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি। স্বা’মী কবিরের দোষারোপ করে বলেন, ওর কি আছে যে ওর সাথে থাকবো। ও আমাকে শুধু ক’ষ্ট দেয়। সু’খ দিতে পারে না।এদিকে ভুক্তভোগি কবির বলেন, ২০ বছরের সংসার জীবনে আমা’র তিনটি মে’য়ে স’ন্তান আছে। ১৫ বছর

বিদেশ খেটে টাকা দিয়েছি। ৬ বছর আগে অন্যের সাথে বিয়ে করেও আমা’র ঘরে আছে। আমা’র অর্থ সম্পদ সব লু’টে নিয়ে গেছে। আমি এখন সমাজে বের হতে পারি না। আমা’র সবকিছু শেষ।আলীর ছে’লে সিরাজুল ইস’লাম শিরন কবিরের বাড়ীতে যাতায়াত করতো।এই সুযোগে কবিরের স্ত্রী’’ তহুরা খাতুনের সাথে টাকা পয়সা লেনদেন করতে থাকে। স’ম্পর্কে তারা শ্বশুর-বউমা

হলেও দুজনার মাঝে গভীর স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরস্ত্রী’’র স’ঙ্গে চুটিয়ে প্রে’ম করার সুযোগ নিয়ে প্রবাসি কবিরের পাঠানো টাকা হাতিয়ে নিতে থাকে শিরন।কবির ২০১৮ সালে দেশে ফিরে এলেও স্ত্রী’’ তহুরা তার স’ঙ্গে স্বাভাবিক স’ম্পর্ক বজায় রেখে চলে। এক স’ঙ্গে দুই স্বা’মীর ঘর করতে থাকে তহুরা। গত ১৫ ডিসেম্বর শিরনের সাথে তহুরার দৈহিক স’ম্পর্কের কথা জানাজানি হলে শিরন-তহুরা প্রকাশ্যে ঘোষণা দেয় তারা ২০১৫ সালে গো’পনে বিয়ে করেছে।শিরন ঘ’টনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তহুরাকে আমি ভালবাসতাম ।

এজন্য সমাজের সবাই তাকে নি’র্যাতন করতো, নানা কথা বলতো তাই আমি তাকে বিয়ে করেছি।তহুরা বেগম বলেন, যা শুনেছেন সবই সত্য। আম’রা দু’জন দু’জনকে ভালোবেসে বিয়ে করেছি। স্বা’মী কবিরের দোষারোপ করে বলেন, ওর কি আছে যে ওর সাথে থাকবো। ও আমাকে শুধু ক’ষ্ট দেয়। সু’খ দিতে পারে না।এদিকে ভুক্তভোগি কবির বলেন, ২০ বছরের সংসার জীবনে আমা’র তিনটি মে’য়ে স’ন্তান আছে। ১৫ বছর বিদেশ খেটে টাকা দিয়েছি। ৬ বছর আগে অন্যের সাথে বিয়ে করেও আমা’র ঘরে আছে। আমা’র অর্থ সম্পদ সব লু’টে নিয়ে গেছে। আমি এখন সমাজে বের হতে পারি না। আমা’র সবকিছু শেষ।

দেশে,শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হচ্ছে ‘কঠোর লকডাউন’

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে আগামী ২৩ জুলাই শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারাদেশজুড়ে কঠোর লকডাউন চলবে। এ সময় গার্মেন্টসসহ সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জরুরি সেবা, গণমাধ্যম ও খাদ্য উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট পরিবহন ছাড়া সব ধরনের পরিবহন বন্ধ থাকবে। গণপরিবহন বিশেষ করে বাস, ট্রেন, লঞ্চ ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বন্ধ থাকবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, ঈদের পর ১৪ দিন যে লকডাউন আসছে তা কঠোর থেকে কঠোরতম হবে। তাই লকডাউন নিশ্চিতে জিরো টলারেন্সে থাকবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এদিকে ঈদের পর বিধিনিষেধে অফিস বন্ধ থাকলেও সরকারি কর্মচারীদের নিজ নিজ কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে মাঠ পর্যায়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা দিয়ে সব সচিবকে চিঠি পাঠানো হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতির কথা চিন্তা করে লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে আবারও কঠোর লকডাউন শুরু হবে। কয়েক দিন আগে লকডাউন সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোরবানি ঘিরে আমাদের বিশাল অর্থনীতি রয়েছে। সবকিছু বিবেচনা করে চলাফেরার ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করতে হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। যতদিন ভ্যাকসিন দেওয়া না হয় ততদিন মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

কঠোর বিধিনিষেধকালীন এই সময়ে ওষুধ, খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে যুক্ত মিল-কারখানা এবং কোরবানির পশুর চামড়া সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে। তবে বন্ধই থাকছে গণপরিবহন, শপিংমল ও গার্মেন্টসসহ অন্যান্য শিল্প কারখানা। সোমবার (১৯ জুলাই) এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, খাদ্য ও খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন/প্রক্রিয়াজাতকরণ মিল-কারখানা, কোরবানির পশুর চামড়া পরিবহন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে। কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে গত ১৩ জুলাই জারি করা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এ সময়ে সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানাসহ সারাদেশে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

সুত্র ঃ-https://www.facebook.com/237994850234006/posts/797568264276659/

কুয়েতে গাড়ীতে আগুনে পুড়ে ১ ব্যাক্তি নিহত, এখনো মিলেনি পরিচয়’

কুয়েতে আজ সকালে একটি সেলুন গাড়িতে আগুন লাগে এবং এতে তার চালক মারা যান, যার পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। গাড়ি পুরোপুরি পুড়ে যাওয়ার পাশাপাশি নিহত ব্যাক্তিও আগুনে পুড়ে যায়, যার পরিচয় তাৎক্ষণিক ভাবে শনাক্ত করা যায়নি ।

আজ বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) সকালে বাদশাহ ফাহাদ আবদুল আজিজ রোডে (৪০ নাম্বার) এই দুর্ঘটনা ঘটে ।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে আল-রাই জানিয়েছে যে, সাবাহ আল-সালেম এলাকার বিপরীতে কিং ফাহদ রোডে গাড়িটি একটি কংক্রিটের পিলারের সাথে ধাক্কা খায়, এতে তার চালক নিহত হন এবং তাঁর সহযোগী গুরুতর আহত হন।
হাসপাতাল

কিং ফাহদ রোডে ট্র্যাফিক জ্যাম নিয়ন্ত্রণ করতে দমকলকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যানবাহনটিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়।

করোনায় দেশে আরও ১৮৭ জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬৮৫ জনে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৯৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১১ লাখ ৪০ হাজার ২০০ জনে।

বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮ হাজার ৫৬৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৯ লাখ ৬৯  হাজার ৬১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ হাজার ৪৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ১৯ শতাংশ।

সুত্র ঃ- বিডি প্রতিদিন/

মাত্র পাওয়া- প্রবাসে ২৬ বাংলাদেশিকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা !!

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ায় ২৬ বাংলাদেশিসহ মোট ৩০ জনকে গু’’লি করে হ’ত্যা করেছে স্থানীয় এক মানবপাচারকারীর পরিবারের সদস্যরা। বাকি চারজন আফ্রিকারই নাগরিক। খবর রয়টার্সরয়টার্স জানায়, ওই বাংলাদেশিদের টাকার জন্য আট’কে রাখা হয়েছিল এবং একপর্যায়ে ওই দলের একজনের স’ঙ্গে হাতাহাতি হলে এক পাচারকারী মা’রা যায়। এর প্রতিশোধ হিসেবেই হ’ত্যাকাণ্ড সং’ঘটিত হয়।

লিবিয়া প্রবাসী কল্যাণ ফোরামের ফেসবুক পেজেও এই খবর দেয়া হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, আমর’া বিভিন্ন মাধ্যমে এমন কথা শুনছি। আ মা’দের দূতাবাসের লোকজন খবর নেওয়ার চেষ্টা করছে। সেখানকার পরিস্থিতির কারণে কিছুটা সময় লাগছে।

দেশটির আন্তর্জাতিক অ’ভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মেশেলি বলেছেন, আমর’া এই ট্র্যাজেডির বি’ষয়টি অল্প সময় আগে শুনেছি। ঘটনাটি বিশদভাবে জেনে আ’হতদের সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করছি।তেল সমৃ ‘দ্ধ অর্থনীতির কারণে লিবিয়া দীর্ঘকাল অ’ভিবাসীদের গন্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা মানুষের কাছে এটি একটি গু’রুত্বপূর্ণ পথ বলে বিবেচনা করা হয়।

সুত্র ঃ-https://bd24hub.com/archives/14018

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে ১৭ জন বাংলাদেশি অভিবাসীর মৃত্যু’

লিবিয়া থেকে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে কমপক্ষে ১৭ জন বাংলাদেশি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার তিউনিসিয়ার রেড ক্রিসেন্টের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

লিবিয়ার উত্তরপশ্চিম উপকূলের জুয়ারা থেকে সিরিয়া, মিসর, সুদান, মালি ও বাংলাদেশের অভিবাসীদের নিয়ে রওনা দেয় নৌযানটি। ওই ঘটনায় সাগর থেকে ৩৮০ জনের বেশি আরোহীকে উদ্ধার করেছে তিউনিসিয়ার কোস্টগার্ড।

রেড ক্রিসেন্টের কর্মকর্তা মংগি স্লিম বলেন, ‘১৭ জন বাঙালি মারা গেছে এবং ৩৮০ জনের বেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে যারা লিবিয়ার জুয়ারা থেকে ইউরোপের পথে রওনা দিয়েছিল।’

গত কয়েক মাসে তিউনিসিয়ার উপকূলে বেশ কয়েকটি নৌযানডুবির ঘটনা ঘটেছে। অভিবাসনের প্রত্যাশায় তিউনিসিয়া ও লিবিয়া থেকে ইউরোপের উদ্দেশে, বিশেষ করে ইতালিতে পৌঁছানোর জন্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার ঘটনা বেড়েছে। ইউরোপের প্রধান গন্তব্য ইতালিতে গত কয়েক বছরে অভিবাসন প্রত্যাশীদের প্রবেশের সংখ্যা কমে এলেও ২০২১ সালে তা আবার বাড়তে শুরু করেছে।