১০৬ বছর পর তুরস্কের আমানত ফেরত দিলো ফিলিস্তিনি পরিবার

শুক্রবার, ০৫ নভেম্বর ২০২১, ২০ কার্তিক ১৪২৮, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই শুরু হওয়া প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় উসমানিয়া সামরিক বাহিনীর এক সৈন্যের আমানত রাখা অর্থ তুরস্কের কাছে ফেরত দিয়েছে ফিলিস্তিনি এক পরিবার।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড পশ্চিম তীরের নাবলুস শহরে এক অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিনি আল-আলউল পরিবার তুর্কি কনস্যুল জেনারেল আহমদ রিজা দেমিরের হাতে এই অর্থ ফেরত দেয়।
ওই পরিবারের সূত্রে জানা যায়, যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ওই সৈন্য তাদের কাছে এই অর্থ নিরাপদে রাখার জন্য দিয়ে বলেছিলেন, ‘যদি আমরা জয়ী হয়ে ফিরতে পারি, তখন আমি তা ফেরত নেবো।’
কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধে উসমানিয়াদের হারিয়ে ব্রিটেন ফিলিস্তিন দখল করার ফলে ওই সৈন্য আর ফেরত আসেননি।
কনস্যুল জেনারেল আল-আলাউল পরিবারের কাছে তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, ফিলিস্তিনি ও তুর্কি জনগণের মধ্যে সাদৃশ্য বিপুল।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এক শ’ বছর আগে আমাদের শাসনগত বিচ্ছেদ হলেও আমাদের হৃদয় সর্বদাই একত্রে ছিলো।’
আল-আলাউল পরিবারের বর্তমান প্রধান রাগিব আল-আলউল বলেন, এই অর্থ তার চাচা ওমর আল-আলাউলের কাছে গচ্ছিত রাখা হয়েছিলো।
তিনি বলেন, ‘তিনি (উসমানিয়া সৈন্য) আমার চাচার কাছে তা গচ্ছিত রেখেছিলেন এবং আজ পর্যন্ত তা আমাদের কাছেই গচ্ছিত ছিলো। আমরা জানি না যে ওই তুর্কি সৈন্য কি যুদ্ধে নিহত হয়েছেন বা পরে মারা গেছেন। আমার চাচাও ওই সৈন্যের নাম ভুলে গিয়েছিলেন, তাই আমরা তার নাম জানি না।’
রাগিব আল-আলাউল জানান, ওই সৈন্য ১৫২ উসমানিয়া লিরা আমানত রেখেছিলেন। ঐতিহাসিকদের বিবেচনায় তা বর্তমানে ৩০ হাজার ডলার (২৫ লাখ ৭৩ হাজার সাত শ’ ২৫ টাকা) সমপরিমাণ।
১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের কাছে ফিলিস্তিন হারানোর আগে চার শ’ বছর উসমানিয়া সুলতানাত ভূখণ্ডটি শাসন করে। সূত্র : টিআরটি ওয়ার্ল্ড

কুয়েত শুয়েখ ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে এক জর্ডানিয়ানের সঙ্গে ঝগড়ার জেরে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন!

শুক্রবার, ০৫ নভেম্বর ২০২১, ২০ কার্তিক ১৪২৮, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

দুই প্রবাসীর মধ্যে একজন জর্ডানিয়ান ও অপরজন বাংলাদেশি দুই জনের মধ্যে ঝগড়ার জেরে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়।

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

শুয়েইখ ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়ায় একটি গ্যারেজে টাকা নিয়ে একজন জর্ডানিয়ান এবং একজন বাঙ্গালীর মধ্যে ঝগড়া হয়েছিল, তাই জর্ডানিয়ান বাংলাদেশিকে আঘাত করে এবং তাকে জোরে ধাক্কা দেয়া হলে সে পড়ে গিয়ে তার মাথায় আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

এই ঘটনায় একটি হত্যা মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে ও ঘটনাটি প্রসিকিউশনকে জানানো হয়েছে এবং জর্ডানিয়ান নিজে নিজেই আত্মসমর্পণ করেছেন।

📌 নিউজ লিংক 👇 নিচে দেওয়া হয়েছে…..

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/156961937665270/posts/5177713465590067/

✍️ Collected and posted by Nahar Hoque

একাত্তর টিভির সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা

শুক্রবার, ০৫ নভেম্বর ২০২১, ২০ কার্তিক ১৪২৮, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

একাত্তর টিভির বার্তা প্রধান (হেড অব নিউজ) শাকিল আহমেদের বিরুদ্ধে এক নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন৷

বৃহস্পতিবার রাতে গুলশান থানায় করা অভিযোগে শাকিলের বিরুদ্ধে ভ্রূণ হত্যার অভিযোগও আনা হয়েছে বলে ডয়চে ভেলের কন্টেন্ট পার্টানার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানায়৷

গুলশান থানার এসআই মো. নুরুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন৷

তিনি আরো জানান, অভিযোগকারী একজন চিকিৎসক এবং এখন তার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হবে।

এসআই নুরুজ্জামান বলেন, “ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাদীকে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে৷”

শাকিল আহমেদ অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করছেন৷ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে তিনি দাবি করেন, একাত্তর টিভিতে থাকার কারণেই তিনি ‘ষড়যন্ত্রের লক্ষ্যবস্তু’ হয়েছেন।

অভিযোগকারী নারী এর আগে শাকিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, তিনি চাকরির জন্য সাত-আট মাস আগে শাকিলের কাছে গিয়েছিলেন। তারপর শাকিলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়েছিল।

এক পর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে শাকিল তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়েন এবং তাতে তিনি গর্ভবতী হন। পরে শাকিলের কথায় তিনি ভ্রূণ নষ্ট করলেও শাকিল প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তাকে বিয়ে করেননি।

চিকিৎসক হিসাবে যেখানে তিনি চাকরি করতেন, প্রভাব খাটিয়ে শাকিল সেখান থেকে তাকে ছাঁটাই করান বলেও দাবি করেন ওই নারী৷

অভিযোগের বিষয়ে শাকিল বলেন, “আমি দারুণ ‘শকড। তারপরও যে কোনো তদন্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সত্য বের হয়ে আসবে৷”

“যেহেতু একাত্তর টেলিভিশনের বার্তা প্রধানের দায়িত্বে আছি, ব্যক্তি আমি বলে না, ৭১-এ বার্তা প্রধান আছি বলেই আমি একটা মহলের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছি৷”

এনএস/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) 

পুনিতের দান করা চোখেই দেখতে পাচ্ছেন ৪ তরুণ-তরুণী

শুক্রবার, ০৫ নভেম্বর ২০২১, ২০ কার্তিক ১৪২৮, ২৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

ভারতের কন্নড় সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা পুনিত রাজকুমার মারা গেছেন। গেল ২৯ অক্টোবর মাত্র ৪৬ বছর বয়সে বেঙ্গালুরুর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুর আগে নিজের চোখ দান করে গেছেন এই সুপারস্টার।

মূলত পুনিত রাজকুমারের বাবা কিংবদন্তি অভিনেতা ডা. রাজকুমার ১৯৯৪ সালে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার পুরো পরিবার মরণোত্তর চক্ষুদান করবে। বাবার সেই কথা রেখেছেন পুনিত। তার মৃত্যুর ছয় ঘণ্টার মধ্যে চক্ষুদান প্রক্রিয়া সম্পাদন করেন চিকিৎসকদের একটি দল। তার দান করা চক্ষুতে ৪ তরুণ-তরুণী তাদের দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন।

ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, নারায়ণ নেত্রালয় হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভুজঙ্গ শেট্টির নেতৃত্বাধীন কর্নিয়া টিম পুনিতের জোড়া চোখ সংগ্রহ করে। সাধারণত এক জোড়া সুস্থ চোখ থেকে দু’জনের দৃষ্টি ফেরানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পুনিতের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে চারজনের দৃষ্টি ফেরাতে সক্ষম হয়েছে চিকিৎসকরা। সেখানে সম্ভবত এই প্রথমবার একজনের মরণোত্তর চক্ষুদানে উপকৃত হলেন চারজন।

বেঙ্গালুরুর নারায়ণ নেত্রালয় চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক জানিয়েছেন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে একই দিনে চারজনের সার্জারি করা হয়। বিধি ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় রোগীদের নাম প্রকাশ করেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পুনিতের অকালে চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তার ভক্তরা। প্রিয় অভিনেতার চিরবিদায় সহ্য করতে না পেরে জীবন দিতেও দ্বিধা করেননি এক ভক্ত! এই সুপারস্টারের মৃত্যুর খবর শুনেই আত্মহত্যা করেছেন ওই ভক্ত! আরেক ভক্ত আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরও দুই জন।

প্রসঙ্গত, গেল শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) জিমে ওয়ার্কআউট করার সময় হার্ট অ‌্যাটাক হয় পুনিতের। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বুকে ব্যথা নিয়ে বেঙ্গালুরুর বিক্রম হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। যখন তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, তখনই তার শারীরিক অবস্থা খারাপ ছিল। ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

আমি হিউম্যান না রোবট, তা জেনে গুগলের কাজ কী

বৃহস্পতিবার, ০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

গুগল মাঝেমধ্যে প্রেমিকার মতো আচরণ করে। এই গলায় গলায় ভাব তো এই আবার ঠোঁট উল্টিয়ে বলে, তুমি আমার কে!

তখন আমি কে, তা নানাভাবে বোঝাতে হয় গুগলকে। ছবিতে ট্র্যাফিক লাইটগুলো বেছে দিতে হয়। কোন ছবিতে বাইসাইকেল আছে, তা দেখিয়ে দিতে হয়। আবার ছবিতে দেখানো অক্ষরগুলো টাইপ করতে হয়।

সবচেয়ে দুঃখ লাগে, যখন দেখি দুনিয়ায় ৮৭ লাখ প্রজাতির জীব থাকতে গুগল আমাকে কিনা রোবট সাব্যস্ত করে। তখন ক্যাপচা কপচে নিজেকে মানুষ বলে প্রমাণ করতে হয়।

গুগল ব্যবহার করতে গিয়ে ক্যাপচার ফেরে পড়েননি, এমন মানুষ পাওয়া কঠিন। মনে করুন, আপনি নির্ভাবনায় নির্বিঘ্নে গুগল ব্রাউজ করছেন। এমন সময় হুট করে আপনাকে অগ্নিপরীক্ষায় ফেলে দেবে। আপনি যে রোবট নন, তা প্রমাণ করতে বলবে। আর ওই যে বললাম, পরীক্ষায় উতরে যেতে চাইলে প্রশ্নপত্রের ঠিকঠাক উত্তর না দিলেই নয়।

উত্তর সঠিক হলে আপনি আবার আগের মতো গুগলে তথ্যের খোঁজ করতে পারবেন। ভুল হলে আবার অক্ষর টাইপ করতে হবে কিংবা নতুন এক সেট ছবি থেকে নির্দিষ্ট ছবিগুলো নির্বাচন করে দিতে হবে।

গুগল আপনাকে যে অক্ষর কিংবা ছবি মেলাতে বলে, তার নাম ক্যাপচা। ইংরেজিতে খটমট একগুচ্ছ শব্দের আদ্যক্ষর নিয়ে ক্যাপচা শব্দটি গড়া হয়েছে। যিনি গুগল ব্রাউজ করছেন, তিনি যে রক্তমাংসের গড়া মানুষ এবং স্বয়ংক্রিয় কোনো প্রোগ্রাম নয়, তা প্রমাণ করার জন্য গুগলের এই ব্যবস্থা।

গুগল জানিয়েছে, স্প্যাম বট, ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত কম্পিউটার, পুরোনো ডিএসএল রাউটার কিংবা এসইও র‍্যাঙ্কিং টুলের কারণে ক্যাপচা দেখায়। এখন প্রশ্ন হলো, ক্ষতিকর স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ঠেকানোর জন্য ক্যাপচা তৈরি হলে আপনাকে কেন দেখায়?

এ প্রশ্নের সরল উত্তর হলো, গুগল আপনাকে স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম বা বট ভেবে ভুল করে থাকতে পারে। তখন আপনাকে ক্যাপচার উত্তর হিসেবে ছবির অক্ষরগুলো লেখা কিংবা নির্দিষ্ট ছবিতে ক্লিক করতে হতে পারে। তবে বারবার ক্যাপচা দেখালে কম্পিউটার ম্যালওয়্যারে আক্রান্ত কি না, তা জানতে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার দিয়ে স্ক্যান করে দেখতে পারেন। এবার দ্বিতীয় প্রশ্নে যাওয়া যাক, স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার কেন ঠেকাতে চায় গুগল?

গুগলে তথ্য খোঁজার সেবা বিনা মূল্যে দিলেও এর পেছনে প্রতিষ্ঠানটির ব্যয় বিশাল। সার্ভার খরচ আছে, ব্যান্ডউইডথের ব্যয় আছে, কর্মীদের বেতন আছে। খরচের এমন ১০০টি খাত দেখানো যাবে।

বিজ্ঞাপন দেখানোর বিনিময়ে আপনাকে বিনা মূল্যে সেবা দেয় গুগল। সে সঙ্গে বিপুল আয়ও করে। কিন্তু স্বয়ংক্রিয় টুল বা রোবটকে সেবা ব্যবহার করতে দিয়ে গুগলের লাভ কী? রোবটকে তো আর বিজ্ঞাপন দেখিয়ে লাভ নেই। রোবট নিশ্চয় চানাচুরের বিজ্ঞাপন দেখে দোকানে চানাচুর কিনতে যাবে না।

আরেকটি কারণ হলো, অনেক সময় এসইও র‍্যাঙ্কিং টুলের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু কি-ওয়ার্ড লিখে গুগলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বারবার খোঁজা হয়। মূলত কোনো ওয়েবসাইটকে গুগলে র‍্যাঙ্ক বা ওই কি-ওয়ার্ডগুলো লিখে খুঁজলে যেন ফলাফলের শুরুর দিকে দেখায়, তা নিশ্চিত করতে কাজটি করে থাকেন অনেকে। তবে সেটা তো অনৈতিক। আর সে কারণেই গুগল এই স্বয়ংক্রিয় টুলের ব্যবহার বন্ধ করতে ক্যাপচা ব্যবহার করে।

তবে ক্যাপচা দেখানোর পেছনে আরও বড় উদ্দেশ্য থাকতে পারে গুগলের। যেমন তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সফটওয়্যারকে প্রশিক্ষিত করার কাজে লাগতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রোগ্রামে যত বেশি ডেটা ইনপুট দেওয়া হয়, সেটি তত বেশি শিখতে পারে। তবে বিপুল পরিমাণ তথ্যের জোগান দেওয়া সহজ কাজ নয়। প্রক্রিয়াটি সহজ করার জন্য গুগল আপনার-আমার মতো ব্যবহারকারীর সাহায্য নিয়ে থাকে।

আগে যেমন ক্যাপচা হিসেবে ছবিতে দেখানো এলোমেলো বা ঘোলাটে অক্ষর কিংবা সংখ্যা ইনপুট দিতে বলত গুগল। সেটি স্ক্যান করা বইয়ের পাতায় লেখা বুঝতে সাহায্য করেছে গুগলের সফটওয়্যারকে। কিংবা গুগলকে ছবিতে দেখানো বস্তু শনাক্তে সাহায্য করেছে।

আবার মনে করুন, ক্যাপচায় আপনাকে ট্র্যাফিক বাতি শনাক্ত করতে বলা হলো। আপনি অনেকগুলো ছবির মধ্যে তা শনাক্ত করে দেখালেন। সে ডেটা অতি সামান্য হলেও চালকবিহীন গাড়ি প্রযুক্তি উন্নয়নে গুগলকে সাহায্য করবে। হয়তো আজ না হলেও ভবিষ্যতে কোনো একদিন। আপনার ইনপুট দেওয়া সে তথ্যের মতো হাজার–কোটি তথ্য এক করে চালকবিহীন গাড়ি হয়তো রাস্তায় ট্র্যাফিক বাতি দেখামাত্র চিনতে শিখবে।

একদিক থেকে ভাবলে আপনি বিনা পারিশ্রমিকে গুগলের হয়ে কাজ করে দিলেন। অন্যদিকে ছোট্ট পদক্ষেপে হলেও একটি চমৎকার প্রযুক্তিকে এক ধাপ এগিয়ে নিলেন।

সে যাহোক, ক্যাপচা সামনে এলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তো নেই। জীবন থেকে মহামূল্যবান দুটি সেকেন্ড ব্যয় করে না হয় দিলেন গুগলের প্রশ্নের উত্তর। আর চমৎকার কোনো প্রযুক্তির উন্নয়নে নিজের ছোট্ট অবদানের কথা ভেবে মনে মনে খানিকটা গর্বিতও হতে পারেন।

এক সহকর্মীর প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এই লেখা। গুগল তাঁকে রোবট মনে করায় গাল ফুলিয়ে বসে ছিলেন তিনি। পাঠক, চাইলে কমেন্টে আপনিও প্রযুক্তিবিষয়ক কোনো প্রশ্ন করতে পারেন। নিজে জানলে তো ভালোই। না জানলে গুগল তো আছেই!

দেবরকে বিয়ের দাবিতে ভাবীর অনশন

বৃহস্পতিবার, ০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে প্রেমিক দেবরকে বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশন করছেন সাবেক ভাবী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরী হয়েছে। দেবর আব্দুস সালাম একজন পুলিশ সদস্য বলে জানায় এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানায়, আব্দুস সালামের চাচাতো ভাই শাহ আলমের সাবেক স্ত্রী নাসিমা আক্তার সালামকে প্রেমিক দাবি করে তার বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অনশনে বসেন। নাসিমা আক্তারের দাবি বিয়ের পর থেকেই পুলিশ সদস্য দেবরের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। এবং বিয়ের আশ্বাস দিয়ে সালাম সাবেক স্বামীকে তালাকের পরামর্শ দেয়। সেই আশ্বাসে তিনি পূর্বের স্বামীকে ডিভোর্স দেন।

এরপর বিষয়টি জানাজানির পর স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তি হলেও সালাম ওই নারীকে বিয়ে করতে চাননি। পরে ওই নারী বিষয়টি তার আগের কর্মস্থল হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানা-পুলিশকে অবগত করে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।

এরমধ্যে বৃহস্পতিবার আব্দুস সালামের পরিবার গোপনে অন্যত্র তার বিয়ে ঠিক করেন। এ খবর পেয়ে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন নাসিমা।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাজউদ্দিন জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে ইউনিয়ন পরিষদে সালিস বৈঠক হয়েছিলো। কিন্তু সালাম বৈঠকের রায় মানেনি। বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানান কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ইয়ারদৌস হাসান।

সম্ভাবনাময় শ্র্রমবাজার ইউরোপের রোমানিয়া, বেতন ৫৬০ ডলার।

বৃহস্পতিবার, ০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মধ্যেপ্রাচ্যে আশিয়ান দেশের পর বাংলাদেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারিত হয়েছে ইউরোপের দিকে। এবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে ইউরোপের দেশ রোমানিয়ায় কর্মী যাওয়া শুরু হয়েছে।
সর্বশেষ রোমানিয়ার জাহাজ নির্মাণ কোম্পানিতে অর্ধশত শ্রমিক যাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পরবর্তী সময়ে আরো বেশকিছু কর্মী জাহাজ, ইমরাত নির্মাণ ও গার্মেন্ট কোম্পানিতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। সে লক্ষ্যে আগামী ৭ নভেম্বর কর্মী বাছাইয়ের জন্য প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে বলে রিক্রুটিং এজেন্সি এশিয়া কন্টিনেন্টাল বিডির কর্ণধার লোকমান শাহ ও ঢাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আব্দুস সালাম নয়া দিগন্তকে জানিয়েছেন। এর আগে গত ১৪ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান শাখা-১ উপসচিব সুষমা সুলতানা স্বাক্ষরিত নিয়োগানুমতি সংক্রান্ত একটি চিঠি দেয়া হয় এশিয়া কন্টিন্টোল গ্রুপকে।
চিঠিতে বলা হয়, উপযুক্ত বিষয়ে রিক্রুটিং এজেন্ট মেসার্স এশিয়া কন্টিনেন্টাল গ্রুপের (বিডি) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোমানিয়ায় ‘সান্তেরুল নেভাল কন্সটানটা সা’ কোম্পানির অধীনে মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে শর্তসাপেক্ষে ৬০ জন পুরুষ কর্মী নিয়োগানুমতি জ্ঞাপন করা হলো।’
লকস্মিথস ফর স্টিল হুল ব্লক ফেব্রিকেশন, পাইপ ওয়ার্কার্স ফর ফেব্রিকেশন অ্যান্ড ইন্সটলেশন অব পাইপ অ্যান্ড ওয়েল্ডার পদে ৬০ জন কর্মী নেয়ার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, প্রত্যেক কর্মীর মাসিক বেতন হবে ৫৬০ মার্কিণ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় অর্ধলক্ষ টাকার কাছাকছি।
নিয়োগানুমতির অন্যান্য সুবিধার বিষয়ে বলা হয়েছে, চুক্তির মেয়াদ দুই বছর (নবায়নযোগ্য), শিক্ষনবিসকাল ৯০ দিন, বিমানভাড়া রিক্রুটিং এজেন্ট বহন করবে, বাসস্থান, রেসিডেন্স পারমিট, যাতায়াত, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী কোম্পানি বহন করবে, আহার নিজের, চাকরির অন্যান্য শর্ত রোমানিয়ার শ্রমআইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে।
মন্ত্রণালয় থেকে নিয়োগানুমোদন পাওয়া ওই চিঠির শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি ফ্লাইটে রিক্রুটিং এজেন্সির একজন প্রতিনিধি কর্মীর সাথে রোমানিয়া যাবেন অথবা সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দরে কর্মীদের গ্রহণ করার জন্য রিক্রুটিং এজেন্সির একজন প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। কর্মীদের কোভিড টেস্ট নিশ্চিত করা, প্রত্যেক গ্রুপে বাংলাদেশের কর্মীরা রোমানিয়া পৌঁছার পর রিক্রুটিং এজেন্সি অত্র মন্ত্রণালয়, বিএমইটি এবং বুখারেস্ট রোমানিয়া দূতাবাসে প্রতিবেদন দাখিল করবে। বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যু করার আগে নির্বাচিত প্রত্যেক কর্মীর সাথে নিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে, বহির্গমন ছাড়পত্র প্রদানের আগে বিএমইটিতে মূল চাহিদাপত্র/ক্ষমতাপত্র ও অন্যান্য মূল কাগজ দাখিল করতে হবে। কর্মীর ভিসা ও ফ্লাইট নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে রিক্রুটিং এজেন্সি কর্তৃক অভিবাসন ব্যয় বাবদ সর্বোচ্চ চার লাখ ৯০ হাজার টাকা কর্মীর কাছ থেকে চেক/ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডারের মাধ্যমে গ্রহণ করা যাবে এবং তার প্রমাণপত্র বিএমইটির মহাপরিচালক বরাবর উপস্থাপন করার পাশাপাশি চুক্তিপত্রের কোনো শর্ত লঙ্ঘন হবে না, অনুমোদিত কর্মীরা সংশ্লিষ্ট কোম্পানিতে অবশ্যই চাকরি পাবে এবং প্রত্যেক কর্মীকে প্রস্তাবিত বেতন, আবাসন

ও অন্য সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটলে রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মীর থাকা-খাওয়া থেকে শুরু করে প্রত্যাবাসনের সম্পূর্ণ ব্যয় প্রদানে বাধ্য থাকবে মর্মে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে দাখিল করতে হবে এবং ডাটাবেজ থেকে কর্মী নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। অনুমোদিত কর্মী কর্মস্থলে ঠিকভাবে নিয়োজিত হয়েছেন কি না তা সরেজমিন যাচাইপূর্বক রোমানিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস প্রধানকে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে বলে শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
গতকাল রোমানিয়ার নতুন শ্রমবাজারে ৬০ জনের নিয়োগানুমতি পাওয়া রিক্রুটিং এজেন্সির স্বত্বাধিকারী লোকমান শাহ নয়া দিগন্তকে বলেন, রোমারিয়ার শ্রমবাজার সম্ভাবনাময় শ্রমবাজার। ইতোমধ্যে জাহাজ নির্মাণ ও ইমারত নির্মান কোম্পানিতে লোক পাঠানোর লক্ষ্যে আমার প্রতিষ্ঠান নিয়োগানুমতি পেয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বর উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানে আরো বেশকিছু শ্রমিক পাঠানোর চিন্তাভাবনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে বাংলাদেশে আসছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

ইতোমধ্যে রোমানিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাস কর্মী নিয়োগের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এসব কর্মীর ফ্লাইট শুরু হতে পারে। সূত্র ঃ- নওগাঁ দর্পন

উদ্ধারে ব্যয় দেড় কোটি, তবে আর চলবে না ‘আমানত শাহ’

বৃহস্পতিবার, ০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ডুবে যাওয়া ‘আমানত শাহ’ নামের রোরো ফেরি উদ্ধারের পর মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণে নৌরুটে চলাচলের অনুমতি মিলবে না। নৌ-অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও শিপ সার্ভেয়ার বিভাগ কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশ নৌ-পরিবহন অধিদপ্তরের নিয়মানুয়ী, যেকোন ফেরির সাধারণ মেয়াদকাল ৩০ বছর। এরপর ফেরিটি পাঠানো হয়ে সার্ভেতে। সার্ভে শেষে আরো ৫ বছর অথবা এর কিছু বেশি সময় চলাচলের অনুমোদন পায় ফেরি। 

তবে ডুবে যাওয়া ‘আমানহ শাহ’ ফেরিটি নৌরুটে চলাচল করেছে ৪১ বছর। এ কারণে উদ্ধার হলেও ফেরিটি আর নৌরুটে চলাচলের অনুমোদন পাবে না বলে জানিয়েছে নৌ-অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও শিপ সার্ভেয়ার বিভাগ।

বাংলাদেশ নৌ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও শিপ সার্ভেয়ার মো. মনজুরুল কবীর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সাধারণত একটি ফেরির মেয়াদকাল ৩০ বছর। পরে সার্ভে করে আরো পাঁচ বছর বৃদ্ধি করা হয়। যদি এরপর ফেরির কন্ডিশন কিছুটা ভালো থাকে তাহলে আরেকটা স্পেশাল সার্ভে করে মেয়াদকাল আরো কয়েক বছর বাড়ানো যায়।’ 

পাটুরিয়া ঘাটে আমানত শাহ ফেরিটির বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা দুর্ঘটনার আগে কয়েকবার মেয়াদর্ত্তীর্ণের কথা লিখিত ভাবে জানিয়েছি। উদ্ধার করার পর যদি ফেরিটি মেরামত করে চলাচলের উপযোগী হবে কি না জানতে চাইলে এই কর্মকর্তা বলেন, এটা কোনো ভাবেই অনুমতি দেওয়া হবে না। 

তবে ডুবে যাওয়া আমানত শাহ ফেরি মেয়াদউর্ত্তীণ হওয়ার পরেও কেনো বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় করে উদ্ধার করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়টি দেখার দায়িত্ব আমাদের না।’ 

বিআইডাব্লিউটিসির পাটুরিয়া ঘাটের একটি সূত্র নিশ্চিত করে ১৯৮০ সালে প্রায় ৫ কোটি টাকা দিয়ে ডেনমার্ক থেকে ফেরিটি ক্রয় করা হয়েছিল। তার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন রুটে চলছিল ফেরিটি। ফিটনেসবিহীন হয়ে চলার বিষয়টি অনেক আগে থেকেই ঊর্ধ্বতনদের অবগত করা হয়েছিল। কিন্তু বিষয়টি কেউ-ই আমলে নেননি।

মেয়াদ শেষ হওয়া ফেরিটি উদ্ধারের জন্য বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আনুমানিক ব্যয় ধরেছে দেড় কোটি টাকার বেশি। একটি মহলের ধারণা, ফিটনেসবিহীন ফেরিটি বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে উদ্ধার করার চেয়ে পরিত্যক্ত ভাসমান ফেরিটি স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করলে দুই কোটি টাকা বিক্রি করা যেতে পারে, যা সরকারের জন্য লাভজনক হবে।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের একাধিক নেতা জানান, পরিত্যক্ত ভাসমান ফেরির স্ক্র্যাপ হিসাবে বিক্রি করলে প্রতি টনের দাম পাওয়া যায় ৫০ হাজার টাকা। আর ডুবে যাওয়া ফেরির দাম আরো কম। রো রো ফেরি আমানত শাহর ওজন ৪০০ টন। পরিত্যক্ত ঘোষণা করে ফেরিটি বিক্রি করলে সর্বোচ্চ দুই কোটি টাকা পাওয়া যাবে। ৪০ বছর আগে কেনা ফেরিটি উদ্ধারের পর ফের সংস্কার করে চলাচলের উপযুক্ত করা প্রায় অসম্ভ। এ অবস্থায় দুই কোটি টাকা ব্যয় করে ফেরিটি উদ্ধারের পর সংস্কারের উদ্যোগ বোকামি ছাড়া কিছুই না।

ডুবে যাওয়া ফেরিটি উদ্ধারের জন্য বেসরকারি সংস্থার জেনুইন এন্টারপ্রাইসের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ। ইতিমধ্যে ওই সংস্থাটি উদ্ধার অভিযানের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে।

উদ্ধাকারী সংস্থা জেনুইন এন্টারপ্রাইজের ডুবুরি দলের প্রধান আব্দুর রহমান বলেন, উদ্ধারকারী সংস্থাটি গত তিন দিনে ফেরিটি উদ্ধারের জন্য দুইটি সার্ভে কাজ শেষ করেছে। ফেরির তলদেশে জমে থাকা পলিমাটি নজেলিংয়ের মাধ্যমে অপসারণ করে মেসেঞ্জারিং কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উদ্ধারের সকল ইকুয়েবমেন্ট এসে পৌঁছালে চূড়ান্তভাবে ফেরিটি উদ্ধারের কাজ শুরু হবে।

কুয়েতে ৬০ বছর বয়সী প্রবাসীরা ৫০০ দিনার ফি দিয়ে একামা লাগাতে পারবে’।

বৃহস্পতিবার, ০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে ৬০ বছর বয়সী প্রবাসীরা ৫০০ দিনার ফি দিয়ে একামা লাগাতে পারবে এবং স্বাস্থ্য বীমাও আদায় করতে হবে ।

বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী ডঃ আবদুল্লাহ আল-সালমানের নেতৃত্বে জনশক্তি পরিচালনা পর্ষদ আজ বৃহস্পতিবারের সভায় এই সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয় ।

আল আনবা পত্রিকা তাদের লিড নিউজে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ।

সিদ্ধান্ত হল বাৎসরিক ৫০০ দিনার ও সাথে স্বাস্থ্য বীমার ফিও আদায় করে প্রবাসীরা একামা নবায়ন করিতে পারিবে ।

যারা ষাটের কোঠায় পৌঁছেছেন বা যাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি আছে, তাদের ফি দিতে হবেনা, যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারীদের দশগুণ বেতন পান।

সুত্র ঃ- আলরাই

সবকিছুর জন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ ।

কুয়েতে ঘুষের অভিযোগে সাদ্দাম হোসেন নামে এক বাংলাদেশীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে; এবং খালাস পেয়েছেন কুয়েতি!!

বৃহস্পতিবার, ০৪ নভেম্বর ২০২১, ১৯ কার্তিক ১৪২৮, ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে ঘুষের অভিযোগে “সাদ্দাম হোসেন” নামে একজন বাংলাদেশী প্রবাসীকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে এবং আহমেদি গভর্নরেটের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত একজন কুয়েতি কর্মচারীকে বেকসুর খালাস করার জন্য আপিল আদালতের রায়কে ক্যাসেশন আদালতও বহাল রেখেছেন।

এক কুয়েতি কর্মচারীর বিরুদ্ধে গাড়ির ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন করার জন্য ৫ দিনার থেকে ১০ দিনার এর মধ্যে লেনদেন সম্পূর্ণ করার জন্য উপহার গ্রহণ করার অভিযোগ আনা হয়েছিল, বাংলাদেশি ছিলেন একজন মধ্যস্থতাকারী। তদন্তের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখতে পায় যে বাংলাদেশি ৩০,০০০ দিনারেরও বেশি পেয়েছেন এবং ১৫,০০০ দিনার বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন।

কুয়েতি কর্মচারীকে খালাস দেওয়া হয়েছিল কারণ তার প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করেছে যে তার সাথে কোন উপাদান/নগদ পাওয়া যায়নি। গ্রেপ্তারের সময় তিনি অপরাধ স্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং এটি বাংলাদেশিদের দ্বারা একটি অভিযোগ মাত্র, কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

📌 নিউজ লিংক 👇 নিচে দেওয়া হয়েছে…..

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/185411171491289/posts/4861781797187513/

✍️ Collected and posted by Nahar Hoque