ছুটিতে আটকে পড়া প্রবাসীরা অনুমতি ছাড়াই মালয়েশিয়ায় যেতে পারবেন

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

করোনা মহামারীর সময়ে বিধিনিষেধের কারণে যারা ছুটিতে গিয়ে নিজ দেশে আটকা পড়েছেন তাদের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার পর সুখবর দিয়েছে মালয়েশিয়ার সরকার। ১ নভেম্বর থেকে ইমিগ্রেশনের পূর্বানুমতি ছাড়া বা
মাই ট্রাভেল পাস (এমটিপি) ছাড়াই মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন তারা। তবে ভিসার মেয়াদ থাকাসহ কিছু শর্ত মানতে হবে। তাহলে অনুমতি ছাড়াই দেশটিতে সরাসরি প্রবেশ করতে কোনো বাধা থাকবে না। আর যাদের ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে, তারা মাই ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে আবেদন করে দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এসব কথা জানান মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতোক খায়রুল জাজাইমি দাউদ।

তিনি আরো বলেন, বিদেশীরা মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে হলে ডাবল ডোজ টিকা সম্পন্নের প্রমাণপত্র, করোনা নেগেটিভ রিপোর্টসহ প্রবেশের পর বিমানবন্দরে স্থাপিত কোয়ারেন্টিন সেন্টারে সাত দিন অবস্থান করতে হবে। এই সাত দিন কোয়ারান্টিন সেন্টারের খরচ অভিবাসী কর্মী অথবা তার নিয়োগকর্তাকে বহন করতে হবে।

যে সমস্ত ক্যাটাগরির ভিসা বা পারমিটধারীদের প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- কূটনীতিক ভিসাধারী, পিআরপাস, পেরোল পাস, রেসিডেন্ট পাস, স্থায়ী বাসিন্দা ও তাদের পোষ্য, দীর্ঘমেয়াদী পাস (স্বামী/স্ত্রী/সন্তান), সিনিয়র সিটিজেন পাস, পাস বালু, শিক্ষার্থী ভিসা, মাই সেকেন্ড হোম, বিদেশী গৃহকর্মী, রেসিডেন্ট পাস, দীর্ঘ মেয়াদী অস্থায়ী জব পাস (পিএলকেএস) ও গৃহপরিচারিকা এবং ট্যুরিস্ট প্রমুখ।

২০১৯ সালের ১৮ মার্চ থেকে লকডাউন ঘোষণার পর এখন পর্যন্ত যে সমস্ত মালয়েশিয়া প্রবাসী ছুটিতে বা জরুরি প্রয়োজনে নিজ দেশে গিয়েছিলেন এবং মালয়েশিয়ার সরকারের বিধিনিষেধের কারণে আটকা পড়েছেন। কিছু দিন আগে তাদের সবাইকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের অনুমতির জন্য মাই ট্রাভেল পাস (এমটিপি) আবেদন করতে হতো। কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের অনুমতি পাওয়া দুঃসাধ্য ব্যাপার। বছরের শেষ পর্যায়ে এসে করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় সরকার পর্যায়ক্রমে বিধিনিষেধ শিথিল করা শুরু করেছে। মালয়েশিয়া পূর্বের মতো স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে সরকার বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়ে সেগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করছে।

অর্থাভাবে ১৭ দিন ধরে মালয়েশিয়ার মর্গে পড়ে আছে বাংলাদেশীর লাশ

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মালয়েশিয়ায় দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ইন্তিকালের পর ১৭ দিন ধরে একটি হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে এক হতভাগ্য বাংলাদেশীর লাশ। গরীব পরিবার হওয়ার কারণে লাশ বাংলাদেশে নেয়ার খরচ জোগাতে পারছেন না তারা। তাই যেকোনো উপায়ে মালয়েশিয়ার মাটিতে লাশ দাফনের জন্য সম্মতি দিয়েছে ওই হতভাগ্য বাংলাদেশীর পরিবার।

জানা গেছে, জন্ডিস ও লিভার রোগে গত ১৬ অক্টোবর মোঃ জহিরুল ইসলাম জবু (৫৫) নামের ওই গাইবান্ধা প্রবাসী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত জহিরুল ইসলাম গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর এলাকার কবির পাড়া গ্রামের মৃত হোসেন আলী মুন্সির ছেলে।

জহিরুল বিয়ে করেননি। তার মা-বাবা অনেক আগে মারা গেছেন। এর আগে বেঁচে থাকার সময় জহিরুল ইসলাম বাংলাদেশে থাকা তার ভাইয়ের মেয়ে রোমানা আক্তারের সাথে যোগাযোগ করেন এবং তার অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করেন। 

এ বিষয়ে রোমানা আক্তার বলেন, তার চাচা জহিরুল ইসলাম দীর্ঘ দিন ধরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং তাদের সাথে কোনো যোগাযোগও করেনি। এমন অবস্থায় তার লাশ দেশে আনতে গেলে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় এক লাখ টাকার প্রয়োজন, কিন্তু এত টাকা সংগ্রহ করার সামর্থ্য আমাদের পরিবারের নেই।

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের থাকা নরসিংদী প্রবাসী মোঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, দু’সপ্তাহ ধরে জহিরুল ইসলামের লাশ দেশটির ইপুহ এলাকার লাজা হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে। তার কোনো সঠিক ঠিকানা বা তার পরিচয় উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছিল না। কারণ, তার সাথে যে পাসপোর্টের ফটোকপি পাওয়া গেছে সেখানে তার বাড়ি নরসিংদী সদরে অবস্থিত বলে উল্লেখ থাকলেও ওই ঠিকানায় এ নামে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায় যে জহিরের বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়। তখন আমি অনেক খোঁজাখুজি করে জহিরের আসল ঠিকানা উদ্ধার করি। তার ঠিকানা উদ্ধার করে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করি। কিন্তু, তাদের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় তারা লাশ মালয়েশিয়ায় দাফন করার সম্মতি দেয়।

জহিরের ভাতিজি রোমানা আক্তার জানিয়েছেন, যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি মরদেহ দেশে পাঠানোর খরচ বহন করেন, তাহলে তারা বিমানবন্দর থেকে তার লাশ গ্রহণ করবেন।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকারিভাবে এখন এ লাশ পাঠানোর সুযোগ নেই। তবে জহিরের পরিবার যদি ইউএনও বা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আবেদন করে তাহলে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সরকারি খরচে লাশ দেশে পাঠাতে পারে।

বাংলাদেশে পাম অয়েল শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়া

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

মালয়েশিয়া বাংলাদেশে পাম অয়েল রফতানি বহুমুখীকরণ ও পাম অয়েলের মূল্য সংযোজনসংক্রান্ত শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ২ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো: গোলাম সারোয়ার এবং মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন, ইন্ডাস্ট্রিজ ও কমোডিটি মিনিস্টার দাতুক হাজাহ জুরাইদা কামারউদ্দিনের সাথে পুত্রজায়াতে সৌজন্য সাক্ষাত হয়। সাক্ষাতকালে মালয়েশিয়ার মন্ত্রী এ আগ্রহের কথা জানান।

বুধবার বিকেলে মালয়েশিয়াস্থ কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) মো: রাজিবুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রী হাজাহ জুরাইদা আরো বলেন, পামওয়েল সেক্টরের বিকাশে বাংলাদেশী শ্রমিকদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে মালয়েশিয়া স্মরণ করে। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া এশিয়ার দেশগুলোতে পাম অয়েলের বাজার সম্প্রসারণে আগ্রহী। এ লক্ষ্যে তিনি পাম অয়েলের উৎপাদন ও এর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য নিরবচ্ছিন্ন শ্রমিক সরবরাহ, আবাসন সমস্যা নিরসনসহ শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে।

হাইকমিশনার মো: গোলাম সারোয়ার মালয়েশিয়ার মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্জিত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে সরকার দেশে মোট ১০০টি ইকনোমিক জোন ও ২৮টি হাইটেক পার্ক স্থাপন করছে। তিনি মালয়েশিয়ার মন্ত্রীকে জানান, মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীরা এ সকল ইকনোমিক জোন ও হাইটেক পার্কে বিনিয়োগ করে লাভবান হতে পারে। তিনি আরো জানান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের অনুকরণে মালয়েশিয়া একটি বিশেষ ইকনোমিক জোন বরাদ্দ নিয়ে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ করে দিতে পারে।

মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন, ইন্ডাস্ট্রিজ ও কমোডিটি মিনিস্টার দাতুক হাজাহ জুরাইদা কামারউদ্দিন এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করবেন বলে হাইকমিশনারকে আশ্বস্ত করেন।

এ ছাড়াও মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো: গোলাম সারোয়ার ও মালয়েশিয়ার প্লান্টেশন, ইন্ডাস্ট্রিজ ও কমোডিটি মিনিস্টার দাতুক হাজাহ জুরাইদা কামারউদ্দিন নারীর ক্ষমতায়ন, মালয়শিয়ায় প্লান্টেশন সেক্টরে নিয়োজিত বাংলাদেশী শ্রমিকদের স্বার্থ সুরক্ষা, দু’দেশের মধ্যে হালাল বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের নেগোসিয়েশন শুরু করা বিষয়ে আলোচনা করেন।
সৌজন্য সাক্ষাতকালে হাইকমিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) মো: হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল, কাউন্সিলর (বাণিজ্যিক) মো: রাজিবুল আহসান, কাউন্সিলর (রাজনৈতিক) রুহুল আমিন ও মালয়েশিয়ার মিনিস্ট্রি অব প্লান্টেশন, ইন্ডাস্ট্রিজ ও কমোডিটি ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপিল নিস্পত্তির আগেই ফাঁসি, কারাগারে তোলপাড়!

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

আপিল নিস্পত্তির আগেই যশোর কারাগারে ২০১৭ সালে দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে’-এমন খবরে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর যশোর কারাগারে চুয়াডাঙ্গা জেলার মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার মেম্বর হত্যা মামলায় দুই আসামি পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক নেতা মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি কার্যকর হয়।

কারা সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র দাবি করেছে, আইনগত সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামের মৃত রবকুল মন্ডলের মেঝো ছেলে মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ার হোসেনকে ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন গ্রামের বাদল সর্দ্দারের বাড়িতে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির কতিপয় চরমপন্থি কুপিয়ে হত্যা করে। ওই দিনই নিহতের ভাই মুক্তিযোদ্ধা অহিম উদ্দীন বাদী হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় ২১ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ চৌদ্দ বছর পর ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল এ হত্যা মামলার রায় ঘোষিত হয়। রায়ে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির দুই আঞ্চলিক নেতা দুর্লভপুরের মৃত মুরাদ আলীর ছেলে আব্দুল মোকিম ও একই গ্রামের মৃত আকছেদ আলীর ছেলে ঝড়ুসহ ৩ জন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং দুর্লভপুরের মৃত কুদরত আলীর ছেলে আমিরুল ইসলাম ও একই গ্রামের আবু বক্করের ছেলে হিয়াসহ ২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেয়া হয়। বাকি ১৬ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

মামলার রায় ঘোষণার পর উচ্চ আদালতে আপিলসূত্রে ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত এক আসামি ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ২ জন আসামি আমিরুল ইসলাম ও হিয়ার দণ্ডাদেশ মওকুফ করা হয়। মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসির আদেশ বহাল থাকে। এরপর ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর রাত পৌনে ১২টায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি কার্যকর হয়।

কারাগার সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আইনগত সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর মোকিম ও ঝড়ুর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। আপিল বিভাগে মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকার পর এই দুই আসামি মহামান্য রাষ্ট্রপতি’র কাছে ‘মৃত্যুদণ্ড মওকুফের আবেদন’ করেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি এই আবেদন নামঞ্জুর করেন। ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সহকারী সচিব মোহাম্মদ আলী স্বাক্ষতির এক পত্রে আবেদন নামঞ্জুরের বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এরপর আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ১৬ নভেম্বর ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

তবে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে খুলনা বিভাগীয় কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন) মো. ছগির মিয়া জানান, ‘আপিল নিস্পত্তির আগেই যশোর কারাগারে ২০১৭ সালে দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে’-এমন খবর তাদের নজরেও এসেছে। কারা কর্তৃপক্ষ কাগজপত্র-ফাইল পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখছে।

শ্রীপুরে কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

শ্রীপুরে কেমিক্যাল কারখানায় ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনগাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ এলাকায় আজিজ কেমিক্যাল গ্রুপের এএসএম কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কোম্পানি লিমিটেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার এজবিপি ভবনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে প্রথমে শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ শুরু করলেও পরে আরো ছয়টি ইউনিট যোগ দেয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিকট শব্দে কারখানার আশপাশের বহুতল ভবনের জানালার গ্লাস ভেঙে পড়েছে। বিকট শব্দের সাথে কালো ধোঁয়া ও আগুনের লেলিহান শিখা পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ঝাঁঝালো গন্ধে আশপাশের পরিবেশ বিষাক্ত হয়ে ওঠে। এ সময় চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

গাজীপুরের ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আব্দুল হামিদ মিয়া জানান, খবর পেয়ে ৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

কারখানার বিভিন্ন ভবনের পুরোটাতেই কেমিক্যাল উৎপাদন ও সংরক্ষণ করা হতো। হাইড্রোজেন পারক্সাইডের সংরক্ষিত স্টোরেজ বিস্ফোরণ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ওই ভবনের প্রতিটি তলায় বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল সংরক্ষণ করা হতো। অগ্নিকাণ্ডের সময় কমপক্ষে পাঁচ-ছয়জন শ্রমিক ওই ভবনে থাকলেও আগুনের ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।

এ বিষয়ে একাধিকবার কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: তরিকুল ইসলাম ও শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির ১১ তারিখে একই কারখানায় আরো একবার আগুনের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজনের মৃত্যু হয়। আহত হয় ২৫ জন। ওই ঘটনায় ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন হলেও পরবর্তীতে কিছুই জানায়নি কর্তৃপক্ষ।

হাইকোর্টে ‘শিশু বক্তা’ রফিকুলের জামিন।

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

বিস্ফোরক আইনে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলায় ‘শিশু বক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে তার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি মামলা থাকায় এখনই কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি।

বিচারপতি মো: হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো: রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাকে জামিন দেন।

তবে এক মাসেরও বেশি সময় আগে জামিন পেলেও বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়নি। বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আশরাফ আলী মোল্লা।

তিনি বলেন, ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় রফিকুল ইসলাম মাদানী হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। হাইকোর্টের একই বেঞ্চে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা গাজীপুরের বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিন আবেদন শুনানির জন্য মঙ্গলবার কার্যতালিকায় ছিল। তবে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি।

রফিকুল ইসলাম মাদানী এখন কামিশপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। এর আগে গত ২৪ এপ্রিল দুপুরে তাকে কাশিমপুরে পাঠানো হয়।

তারও আগে গত ২১ এপ্রিল গাজীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক শেখ নাজমুন্নাহার রফিকুল ইসলাম মাদানীর রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে তাকে আদালতের নির্দেশে বাসন থানার একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে আনা হয়। রিমান্ড শেষে মাদানীকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গাজীপুরের টেকনাগপাড়া এলাকার মো: মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেন। দুই মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন রফিকুল ইসলাম মাদানীর আইনজীবীরা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রফিকুল গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মারকাজুল নূর আল ইসলামিয়া মাদরাসায় বসে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন। এছাড়া যে কয়েকজন বক্তা ওয়াজ মাহফিলের নামে রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আসছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম রফিকুল।

গত ৭ এপ্রিল রফিকুল ইসলাম মাদানীকে তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার লেটিরকান্দা থেকে আটক করে র‌্যাব। পরদিন র‍্যাবের নায়েক সুবেদার আবদুল খালেক গাজীপুরের গাছা থানায় প্রথম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন।

সুত্র ঃ- নয়া দিগন্ত

কুয়েতে ১ বাংলাদেশীর ৩ বছরের কারাদন্ড।

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে ১ বাংলাদেশী নাগরিকের ৩ বছরের কারাদন্ডের রায়ের দিয়েছে আদালত, ঘুষ নিয়ে গাড়ী রেজিষ্ট্রার বুক ও চলাকদের লাইসেন্স নবায়ন করার অভিযোগে এই সাজা ঘোষণা করে আদালত ।

আজ বুধবার (৩ নভেম্বর) কুয়েতের ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট আটক বাংলাদেশী সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে ঘুষ হিসাবে ১০ দিনারের বিনিময়ে গাড়ির বই নবায়ন করার অভিযোগে প্রমাণিত হয়েছে।

সাদ্দাম হোসেনের সাথে আটক থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী কুয়েতি নাগরিককে অভিযোগ থেকে খালাস দিয়েছে আদালত ।

এর আগে আহমদী ট্রাফিক বিভাগ থেকে ঘুষের বিনিময়ে গারীর রেজিঃ বই ও লাইসেন্স নবায়ন করে দেওয়ার অভিযোগে সাদ্দাম হোসেন ও একজন কুয়েতিকে আটক করা হয়েছিল ।
সুত্রঃ আল কাবাস ।

দেশে,করোনায় প্রাণহানি ফের বাড়ল

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮

দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটি দেশের ২৭ হাজার ৮৮০ জনের প্রাণ কেড়ে নিল।

বুধবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে কয়েকদিন দৈনিক মৃত্যু দুই-তিনের মধ্যে ছিল।  null

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৫৬ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৭০ হাজার ২৩৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৫২৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৩১ শতাংশ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৩৭ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭৩ জন। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

সৌদির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে আগ্রহী

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী


হাইলের গভর্নরের সাথে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর বৈঠক
রিয়াদ, ০৩ নভেম্বর, ২০২১; সৌদি আরবের সবুজায়ন উদ্যোগের আওতায় ১০ বিলিয়ন বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে বাংলাদেশ সহযোগিতা করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার)। তিনি আজ হাইলের গভর্নর প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সাদ এর সাথে বৈঠককালে এ সহযোগিতার বিষয়ে জানান।
এ সময় রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, সৌদি আরবের সবুজায়ন উদ্যোগের আওতায় ১০ বিলিয়ন বৃক্ষরোপণ কর্মসুচিতে বাংলাদেশ তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা দিয়ে সহযোগিতা করতে ইচ্ছুক। মরুভূমির জন্য উপযোগী ও সহনশীল বৃক্ষের চারা সরবরাহ করার বিষয়ে ও আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।
হাইলের গভর্নর সৌদি আরবে বৃক্ষরোপণ ও মরুভূমিতে বিলুপ্ত বৃক্ষসমূহ পূনরুদ্ধারে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ গবেষণার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও জ্ঞানের ভিত্তিতে সৌদি আরবের সাথে কারিগরি ও বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করলে দুদেশ সবুজায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে আরো নিবিড়ভাবে কাজ করতে পারে বলে গভর্নর জানান। এ বিষয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সৌদি আরবের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণার ও প্রস্তাব দেন তিনি। এছাড়া, হাইল গভর্নর বাংলাদেশের সাথে পানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেন যার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্জিত জ্ঞান ব্যবহারের মাধ্যমে দুদেশ উপকৃত হতে পারে।
রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী হাইলের জেলখানায় বিভিন্ন কারণে বন্দী বাংলাদেশী অভিবাসীদের মুক্তির ব্যাপারে গভর্নরের সহযোগিতা কামনা করেন। হাইলের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সুন্দরবন, কক্সবাজার ও বিভিন্ন পর্যটন স্থানের সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে দুদেশের মধ্যে পর্যটক বৃদ্ধির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া দুদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিনিময়ের কথা ও রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত করোনা আক্রান্ত অভিবাসীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা ও করোনা ভাইরাসের টিকা প্রদান করায় সৌদি সরকারের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
আজ সকালে রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী হাইলের পুলিশ প্রধান মেজর জেনারেল ড. কিতাব আল ওতাইবির সাথে বৈঠক করেন। এ সময় হাইলের পুলিশ প্রধান অভিবাসী বাংলাদেশীদের প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত নারী গৃহকর্মীসহ বাংলাদেশি অভিবাসীদের যেকোন জরুরী সমস্যা সমাধানে পুলিশ প্রধানের সহযোগিতা কামনা করেন। হাইলের পুলিশ প্রধান এ সময় বাংলাদেশিদের ভাই সম্বোধন করে যেকোন প্রয়োজনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বর-কনে সেজে ভাইরাল মোশাররফ করিম-জুঁই

বুধবার, ০৩ নভেম্বর ২০২১, ১৮ কার্তিক ১৪২৮, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরী

এই সময়ের নাটকের জনপ্রিয় জুটি মোশাররফ করিম ও রোবেনা রেজা জুঁই। বাস্তব জীবনে তারা যেমন একই ছাদের নিচে বসবাস করেন, তেমনি পর্দায়ও স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে একাধিকবার হাজির হয়েছেন। নাটকে তাঁদের উপস্থিতি দর্শকদের মাঝে আলাদা আবেদন সৃষ্টি করে। এবার নাটকের জন্য তারা সেজেছেন বর-কনে। নাটকটির নাম ‘নায়ক’।

এদিকে নাটকে মোশাররফ করিম ও রোবেনা রেজা জুঁইয়ের বর-কনে সাজের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ‌্যাল মিডিয়ায়। প্রিয় জুটিকে এমন সাজে দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন সহকর্মী ও ভক্তরা। আবার অনেকে মোশাররফ করিম-জুঁইয়ের সত্যিকারের বিয়ের ছবি ভেবেছেন। কেউ কেউ জানতে চেয়েছেন, ক‌্যারিয়ারে আপনারা কতবার বর-কনে সেজেছেন?

ভক্ত-অনুরাগীদের পাশাপাশি মোশাররফ করিম-জুঁইয়ের সহকর্মীরাও মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন। অনেকে মজার ছলে নানা মন্তব‌্য করছেন। অভিনেত্রী মনিরা মিঠু লিখেন, ‘ভাবি, তোমাকে একদম নতুন বউয়ের মতোই লাগছে।’

সারওয়ার রেজা জিমি রচিত নাটকটি নির্মাণ করেছেন তুহিন হোসেন। ভিন্ন ঘরানার গল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে নাটকটির কাহিনী। সম্প্রতি ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে নাটকটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়।

নির্মাতা তুহিন বলেন, ‘সম্প্রতি এর কাজ করেছি। এতে বাস্তব জীবনের দম্পতিকেই পর্দায় দেখা যাবে।’

নাটকটি প্রযোজনা করেছে টেলিহোম। শিগগিরই নাটকটি যে কোনো একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচার হবে বলে জানা যায়।