ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের মেয়াদ বাড়লো আরও এক বছর।

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২০ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম (বার) এর চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে বা যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর কমিশনার হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্রঃ বাংলাদেশ পুলিশ।

বাংলাদেশের সাথে সৌদির সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত।

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২০ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরবের সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীত্ব (পিপিপি) বিষয়ে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুদেশের মধ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। রিয়াদের বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে চলমান ফিউচার ইনভেষ্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ এর সম্মেলন চলাকালে এর প্লেনারি হলে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। সৌদি আরবের বিনিয়োগ বিষয়ক মন্ত্রী খালিদ আল ফালিহ ও সৌদি সফররত প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান নিজ নিজ পক্ষে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বিষয়ক সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

সূত্রঃ বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ, সৌদি আরব।

কুয়েতে চারদিকে ভিসা খোলার আভাসে ভিসার দালালদের অবস্থা ঠিক এই রকম।

বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮, ২০ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

সাধু সাবধান !! বিগত ৫/৭ বছরে অনেক প্রবাসীরা তাদের সব কিছু হারিয়ে আজ পথের ভিখারি !!

ভিখারি স্বব্দ শুনতে খারাপ লাগলেও ভিখারি থেকেও অধম অবস্তায় আছে তারা ।

কোম্পানীর ভিসা নিয়ে কুয়েতে এসে আপনি দৈনিক ১৮ ঘন্টা ও যদি কাজ করেন, তাহলে মাসে ৩০/৩৫ হাজারের বেশি বেতন কোন মতেই পাবেন না।

যেখানে এজেন্সি ও ভিসার দালালেরা বলে থাকে মাসে লাখ লাখ ইনকাম, ওভার টাইম, পার্ট টাইম, রাস্তায় কুয়েতিরা টাকার থলি নিয়ে বসে থাকে তোমাদের জন্য, তাদের সামনে দিয়ে যাবে আর তোমাকে টাকার থলি হাতে ধরায় দিবে।

যে সকল যুবক ভাইয়েরা বাংলাদেশ থেকে নতুন ভিসা দিয়ে কুয়েত আসতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য সতর্কতা !!!

১। কুয়েতে যে কোন কোম্পানীর ভিসা কিন্তু কুয়েত সরকার ফ্রি দেয়, তাই উচ্চ মূল্যে ৭/৮ লাখ টাকা দিয়ে মরে গেলেও ২০/৩০ হাজার তাকা বেতনে যেখানে যাবেন না। যদি ২/৩ লাখে যেতে পারেন তাহলে ভাল।

২। কোম্পানী যাচাই করে যাবেন, কোম্পানীর প্রোফাইল কেমন?
আমাদের পেইজে যে কোম্পানীর ভিসা নিয়ে যাচ্ছেন সেই কোম্পানীর নাম দিয়ে পোস্ট করে যাচাই করে নিন। আমাদের গ্রুপে কুয়েতের প্রায় সব কোম্পানীর ওয়ার্কার আছে, যারা আপনাকে ১০০% নির্ভুল তথ্য দিবে।

৩। ভিসা নেয়ার আগে অবশ্যই বাংলাদেশ দূতাবাস , কুয়েত অফিসিয়াল ই-মেইলের মাধ্যমে কোম্পানী যাচাই করে নিবেন যে এই কোম্পানীকে দূতাবাস শ্রমীক নেয়ার অনুমতি দিয়েছে কি না ?
দূতাবাস ই-মেইলঃ ambassador.kuwait@mofa.gov.bd

সর্বশেষ, আমরা কুয়েতে কোন কোম্পানীর বিরুদ্ধে নয়, আমরা কুয়েতের ভিসার যে দাম নিচ্ছে ও তাদের বেতন না দেয়া সহ বিভিন্ন সমস্যার বিরুদ্ধে, একজন যুবক হাজার স্বপ্ন নিয়ে কুয়েতে আসে লাখ লাখ টাকা খরচ করে, তাদের কথা বলতেই আমরা সব সময় ভিসার দালালদের বিরুদ্ধ্বে লিখে যাই।

অনলাইনে আইফোন অর্ডার করে নুরুল পেয়েছে ভিমবার ও একটি কয়েন!

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

অ্যামাজনের ভারতীয় ওয়েবসাইট থেকে আইফোন ১২ অর্ডার করেছিলেন কেরালার এক ব্যক্তি। কিন্তু ডেলিভারি হতেই আঁতকে উঠলেন তিনি। আইফোনের বক্স থেকে বের হল একটি ভিমবার সাবান ও পাঁচ রুপির কয়েন! খবর নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের।

নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ১২ অক্টোবর সাধের আইফোন অর্ডার করেন কেরালার আলুভার নুরুল আমিন। অ্যামাজন পে অ্যাকাউন্ট থেকে ৭০,৯০০ রুপি পেমেন্টও করে দেন। গত ১৫ অক্টোবর তার ডেলিভারি আসে। কিন্তু বক্স খুলতেই দেখেন আইফোনের বক্সে সুন্দর করে প্যাক করা একটি ভিমবার ও পাঁচ রুপির একটি কয়েন।

নুরুল আমিন অবশ্য জানিয়েছেন, আগেই সন্দেহ হয়েছিলো তার। তিনি নিয়মিত অ্যামাজনে জিনিস কেনেন। অর্ডার ট্র্যাকও করেন। তিনি বলেন, সাধারণত অ্যামাজনের বেশিরভাগ প্যাকেজ হায়দ্রাবাদ থেকে কোচিতে দুই দিনে এসে যায়। এটা আসতে তিনদিন লেগেছিলো। অর্ডার ট্র্যাক করার সময় তিনি লক্ষ্য করেন, মাঝে সালেমে একদিনের জন্য থেমেছিলো শিপমেন্ট। আইফোনের মতো দামি প্রায়োরিটি অর্ডারে এমনটা হওয়ায় খটকা লাগে তার।

সন্দেহের জেরেই অ্যামাজনের ডেলিভারি দেয়া ব্যক্তির সামনেই বক্সটি খুলেছিলেন তিনি। সেটার ভিডিও করেন। সঙ্গে সঙ্গে অ্যামাজন কাস্টমার কেয়ারে ফোন করেন নুরুল আমিন। এর পাশাপাশি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার তদন্ত শুরু করে সাইবার সেল।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমরা অ্যামাজন কর্তৃপক্ষ এবং ফোনটির বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। দেখা যাচ্ছে, তার অর্ডারের ফোনটি ঝাড়খণ্ডে এই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও অর্ডারটি তার বেশ কিছুদিন পরে, অক্টোবরে দিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। পুলিশকে ওই বিক্রেতা জানান, আপাতত আইফোন টুয়েলভ তাদের কাছে আউট অব স্টক। নুরুলের রুপি ফেরত দেয়া হবে।

এরপর একটি ফেসবুক পোস্টে কেরালা পুলিশ জানিয়েছে, বিক্রেতা রুপি ফেরত দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে অর্থ ফেরত আসে। তবে তদন্ত চলছে।

হিন্দুদের উত্তেজিত করতে উসকানি ছড়াতেন আশিষ।

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

কুমিল্লায় মন্দিরে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পেজ খুলে বিভ্রান্তিকর ও উসকানিমূলক পোস্ট দিতেন আশিষ মল্লিক (৩০) নামে এক যুবক। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন র‍্যাব-১ এর অধিনায়ক আব্দুল্লাহ আল মোমেন।

তিনি বলেন, গত ২৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় র‍্যাব-১ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনানী থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া ফেসবুক পেজের অ্যাডমিন আশিষ মল্লিককে গ্রেফতার করে। র‍্যাব সাইবার টিম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পায়, কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু ব্যক্তি বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে মিথ্যা ও উসকানিমূলক বক্তব্য পোস্ট করে আসছে। তাদের সেই পোস্টের মাধ্যমে সমাজে বিশৃঙ্খলাসহ জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও একটি স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন গুজব ও মিথ্যা তথ্য পরিবেশন করে সহিংসতার ইন্ধন দিয়ে আসছে।

গ্রেফতার আশিষকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, গ্রেফতার আশিষ সাইবার অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রাম জেলায়। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করে ফার্মগেট এলাকায় কোচিং সেন্টার পরিচালনা করে আসছিলেন।

র‍্যাব-১ এর অধিনায়ক আরও বলেন, আশিষ মল্লিক গত ১৬ অক্টোবর একটি ফেসবুক পেজ খোলেন। সেই পেজ ও নিজেরর ব্যক্তিগত আইডি থেকে উসকানিমূলক বক্তব্য পোস্ট করে আসছিলেন। তিনি নিজেই সেই পেজের অ্যাডমিন এবং তার সমমনা আরও কয়েকজন ব্যক্তিকে অ্যাডমিন হিসেবে নিযুক্ত করেন। খুব দ্রুত পেজটির সদস্য ও ফলোয়ার কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যায়। সেই ফেসবুক পেজ থেকে কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা তথ্য প্রচার এবং উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট ও সহিংসতার বিস্তার ঘটাতে অপতৎপরতা চলছিল। ফেসবুক পেজটিতে পার্শ্ববর্তী দেশসমূহে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন নৃশংস ঘটনার ভিডিও আপলোড করে জনমনে ভয়-ভীতি তৈরিসহ উসকানি দেওয়া হচ্ছিল। অভিযুক্ত আশিষ মল্লিক তার প্রতিটি পোস্টে বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিলেন।

আব্দুল্লাহ আল মোমেন বলেন, তার ফেসবুক পেজ থেকে পার্বত্য জেলার একজন স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিকে নিয়ে একটি মিথ্যা তথ্য দিয়ে পোস্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়—সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের হুমকি দিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান। নোয়াখালীতে মারা যাওয়া এক ব্যক্তিকে পায়ের রগ কেটে পুকুর ফেলে দিয়েছেন বলে অপপ্রচার করা হয় সেই পেজে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাকে আশিষ মল্লিকের কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি।

আরেক প্রশ্নের জবাবে এই র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, আশিষ মল্লিকের মনে হতো, এ দেশে হিন্দু সম্প্রদায় নির্যাতিত। তাই তাদের নিয়ে নেতিবাচক ও বিভ্রান্তিকর পোস্ট দিলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উত্তেজিত হবে। এটাই তার মোটিভ ছিল বলে আমাদের ধারণা।

অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি আছে, কর্মী নেই!

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

গত এক বছরে অভিবাসীদের সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে যাওয়ায় কর্মী পাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। ফলে কোভিডের কঠোর নিয়ম পেরিয়ে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করতে গিয়ে নতুন সঙ্কটে পড়েছে দেশটির বিভিন্ন ব্যবসা খাত।

গ্রীষ্মের পার্টির জন্য প্রস্তুত অস্ট্রেলিয়া। খুলছে রেস্টুরেন্ট, স্টেডিয়ামসহ বিনোদন কেন্দ্রগুলো। কিন্তু সেগুলো পুরোদস্তুর চালু করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন উদ্যোক্তা ও ব্যবস্থাপকরা। দেখা দিয়েছে প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাব। করোনার সময় বিপুল মৌসুমি কর্মী আর বিদেশি শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়া ছেড়েছেন। সীমান্তে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপের কারণে নতুন শিক্ষার্থী বা কর্মীরা এই সময়ের মধ্যে আসতে পারেননি। যারা গিয়েছেন তাদের অনেকেও ফিরে আসেননি। যে কারণে মৌসুমি কর্মী সংকটে পড়েছে বিভিন্ন ব্যবসা খাত। প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি চালু হলেও প্রয়োজনীয় কর্মী ছাড়াই তাই কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে অনেককে।

আতিথেয়তানির্ভর খাতের জন্য কর্মী ভাড়া করে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক রোনডা এভারিংহাম। পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘লকডাউনের আগে একটি চাকরির বিজ্ঞপ্তি দিলে কয়েকশো’ আবেদন জমা পড়ত। এখন যদি পাঁচটি পাওয়া যায় তাহলেই আপনি সৌভাগ্যবান। এর মধ্যে তিনটি পাবেন উপযুক্ত। যেই সময় আপনি তাদের ডাকবেন ততক্ষণে দেখা যাবে তারা অন্য কোন চাকরি পেয়ে গেছেন।’

সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনির দুইটি বড় শহর ও মেলবোর্নের সেবা নির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। গত ১১ অক্টোবর সিডনি ও গত সপ্তাহে মেলবোর্নে কোভিডের নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। কর্মী সংকটের মাঠের এই চিত্র ধরা পড়েছে দেশটির সরকারি পরিসংখ্যানেও। ‘নন-রেসিডেন্ট’ কাজের ভিসায় আগতদের সংখ্যা ২০২০ সালের শুরুর তুলনায় চলতি বছরের জুন প্রান্তিকে দুই তৃতীয়াংশ কম ছিল। সেই সঙ্গে দেশটিতে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সংখ্যা করোনার আগের সময়ের চেয়ে তিন লাখ কমে গেছে।

অস্ট্রেলিয়ার ২২ লাখ অনিয়মিত কর্মীর এক চতূর্থাংশই বাস করেন সিডনিতে। চার মাসের লকডাউন শেষে শহরটিতে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরুর অনুমতি মিলেছে। ২৫ অক্টোবর সাড়ে ২২ হাজার দর্শক নিয়ে ফুটবল ম্যাচ আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রথম বড় আয়োজনটি হতে যাচ্ছে। এজন্য ৭৩০জন রাঁধুনি, পরিচ্ছন্নতা বা নিরাপত্তাকর্মী প্রয়োজন। একই সময় অন্যকোন বড় আয়োজন না থাকায় এই লোকবল যোগাড় করতে পেরেছেন তারা। কিন্তু একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জানান, আতিথেয়তা ব্যবসায় প্রত্যেকেই এখন কর্মী চ্যালেঞ্জে রয়েছেন।

এমন অবস্থায় নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্য সরকার এবার বড় সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী নেয়ার পরিকল্পনা করেছে। সেই সঙ্গে কর্মী চাহিদা মেটাতে এক বছরে চার লাখ অভিবাসীকে নিতে চান তারা, যা কোভিড পূর্ববর্তী সময়ের চেয়েও দ্বিগুণ। কিন্তু সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, এই মুহূর্তে দেশটির নাগরিক, বাসিন্দা এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাই শুধু অস্ট্রেলিয়ায় প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছেন। সূত্র: রয়টার্স।a

এ হারের কোনো অজুহাত নেই।

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

সুপার টুয়েলভে পরাজয়ের বৃত্ত থেকে বের হতে পারল না বাংলাদেশ। ২২ গজে ব্যাটিং-বোলিংয়ে বাজে সময় কাটিয়ে ক্লান্ত মাহমুদউল্লাহরা। তালগোল পাকানো একেকটি পারফরম্যান্সের পর হারের পেছনে নতুন কোনো অজুহাত নেই। বিমর্ষ, বিধ্বস্ত মুখগুলো দিনে দিনে হচ্ছে আরো অমলিন। আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন কিংবা পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে কিছু গৎবাঁধা মুখস্ত বুলিতে সীমাবদ্ধ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যাচ্ছেতাইভাবে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ নিজে আসেননি। পাঠিয়েছেন তরুণ নাসুম আহমেদকে। যার হাত ধরে ব্যাটিংয়ে ১৯তম ওভারে বাংলাদেশ পায় প্রথম ছক্কার স্বাদ। আবার বল হাতে ইংলিশ শিবিরে ধাক্কাটা তিনিই দিয়েছিলেন। তবে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চ এড়াতে পারেননি তিনি। সেখানে বলেছেন, ‘সত্যি বলতে আমরা নিজেদের ব্যাটিং নিয়ে হতাশ। উইকেট ভালো ছিল কিন্তু আমরা ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। আমরা বারবার শুরুতে পিছিয়ে যাচ্ছি এবং ইনিংসের মধ্যভাগে আমরা জুটি করতে পারিনি। এ ধরনের উইকেটে পিছিয়ে পড়লে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন।’

মাহমুদউল্লাহও এমন কথা বলে যাচ্ছেন বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকেই। শুধু মাহমুদউল্লাহ নন, রাসেল ডমিঙ্গো, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিমসহ যারাই গণমাধ্যমের মুখোমুখি হচ্ছেন তারা পরাজয়ের একই অজুহাত দিচ্ছেন বারবার। শুরুতে ব্যাটিং হচ্ছে না, পাওয়ার প্লে’ কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অথচ টানা চার ম্যাচে বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটিতে কোনো পরিবর্তন নেই।

স্কটল্যান্ডের কাছে ধাক্কা খাওয়ার পর লিটন-নাঈম দলের ইনিংস শুরু করছেন। কিন্তু দুর্বল পাপুয়া নিউ গিনি বাদে তাদের জুটি একবার জমেনি। অবশ্য ডমিঙ্গো এক সংবাদ সম্মেলনেও প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘কাকে খেলাবেন?’ শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার সামর্থ্য খুব একটা নেই। পাওয়ার হিটার নেই বলেই স্কোরবোর্ড দৌড়ায় না। মাহমুদউল্লাহ অবশ্য নিজেদের সামর্থ্যে বিশ্বাস রাখেন, ‘আমাদের স্কিল হিটার রয়েছে, পাওয়ার হিটার নেই। আমাদের এটা পরিবর্তনের প্রয়োজন অনুভব করছি না। আমরা বিশ্বাস করি আমরা এর থেকেও বেশি রান করতে পারতাম। আমাদের ভুলগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে এবং ভালো পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।’

বিশ্বকাপের আগের থেকে যে সমস্যা চলছিল, বিশ্বকাপের মাঝপথে সেই একই সমস্যা! প্রশ্ন তো উঠছেই, কোন পরিকল্পনায় মাঠে নামে বাংলাদেশ? আর ম্যাচ হারের পর একই অজুহাত বারবার!

দেশে,করোনায় আরও ৭ জনের মৃত্যু।

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটি দেশের ২৭ হাজার ৮৪১ জনের প্রাণ কেড়ে নিল।

বুধবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৩০৬ জন। এখন পর্যন্ত মোট করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১৫ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬৩ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৯ হাজার ৯৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৮৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৬৮ জন। 

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় খরচ বাড়লো ভর্তা-ভাতের।

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

নিত্যপণ্যের লাগামহীন দামে নাভিশ্বাস উঠছে নিম্নআয়ের মানুষের। দফায় দফায় বাড়ছে চাল, ডাল, তেল, চিনি, পেঁয়াজের দাম। এতে সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। ঊর্ধ্বমূল্যের বাজারে অনেকের মুখে মাছ-মাংস জুটছে না দিনের পর দিন। দিনভর হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে দু’মুঠো ভর্তা-ভাত জোটাতেও হিমশিম খাচ্ছেন অনেকে। পেঁয়াজ-তেল-চিনি-ডিমের পর রাজধানীর বাজারগুলোতে আলুর দাম বাড়ায় এখন ভর্তা-ভাতেও বেড়েছে খরচ। এ নিয়েই যত দুশ্চিন্তা সীমিত আয়ের মানুষের।
আলুর এ বাড়তি দাম দরিদ্র মানুষের জন্য মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেটে খাওয়া মানুষেরা বলছেন, মাছ-মাংস ও সবজির যে দাম তাতে বেশিরভাগ সময় ভর্তা-ভাত খেয়েই তাদের দিনাতিপাত হয়। হঠাৎ আলুর দাম বাড়ায় ভর্তা-ভাতের খরচ জোগাড়ও কষ্টকর হবে তাদের জন্য।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোর) সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫-২৭ টাকায়, যা দুদিন আগেও ছিল ১৮-২০ টাকা।
আলুর দাম বাড়ার বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, গত রোববারও এক কেজি আলু ২০ টাকা বিক্রি করেছি। কিন্তু পাইকারিতে দাম বাড়ায় এখন ২৫ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন কোল্ড স্টোরেজে আলুর মজুত প্রায় শেষ হয়ে গেছে তাই দাম বাড়ছে। সামনে আলুর দাম আরও বাড়তে পারে।
কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী সাইদুর বলেন, আলুর মজুত শেষের পথে তাই মজুত করা আলুর দাম বেড়েছে। তবে এখন বাজারে নতুন আলু আসবে। ইতোমধ্যে কিছু নতুন আলু এসেছে। এখন যে নতুন আলু আসছে তার কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। সামনে নতুন আলুর সরবরাহ বাড়লে দাম কমতে পারে।

আলুর আকস্মিক দাম বাড়ায় ভোক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জাগো নিউজকে বলেন, বাজারে সংশ্লিষ্টদের নজরদারি না থাকায় হঠাৎ দাম বেড়েছে। অথচ শ্রমজীবী মানুষের উপার্জন বাড়ছে না। ফলে এখন ভর্তা-ভাত খেয়ে বাঁচাও তাদের পক্ষে কঠিন হবে।
রাজধানীর রামপুরা বাজারে আলুর দাম শুনে বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা যায় মো. মিঠুন নামের এক ভোক্তাকে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, বাজারে সবকিছুর দাম অস্বাভাবিক। তেল, পেঁয়াজ, চিনির দাম তো আকাশচুম্বী। বয়লার মুরগির কেজিও ২০০ টাকার কাছাকাছি। এখন আলুর দামও বেড়েছে। এভাবে সবকিছুর দাম বাড়লে আমরা সংসার চালাবো কীভাবে?
তিনি বলেন, ‘আমি ১০ বছর ধরে ঢাকায় আছি। আগেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়তো। কিন্তু এবার দাম বাড়ার প্রবণতা তুলনামূলক অনেক বেশি। অথচ করোনায় আমাদের মতো মানুষদের আয়ও কমেছে। সীমিত আয়ের মানুষদের পক্ষে ঢাকায় টিকে থাকাই মনে হচ্ছে অসম্ভব।’

রিকশাচালক সামাদ বলেন, বাড়তি দামের কারণে গরু ও ছাগলের মাংস খাওয়া অনেক আগেই ছেড়ে দিয়েছি। মাসে দু-একদিন ব্রয়লার মুরগি খেতাম, তাও বন্ধ। বেশিরভাগ সময় আলু ভর্তা আর ডাল দিয়ে ভাত খাই। এখন সে পথও বন্ধ হবে মনে হচ্ছে। আলুর দাম বাড়ছে। এ ঊর্ধ্বমূল্য কোথায় গিয়ে থামবে, বলা মুশকিল।
তিনি বলেন, দিন দিন সবকিছুর দাম শুধু বাড়ছেই, কমার কোনো লক্ষণ নেই। এভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় আমরা খুব কষ্টে আছি। সারাদিন রিকশা চালিয়ে যা আয় করি চাল, তেল, নুন (লবণ) কিনতেই শেষ হয়ে যায়। ছেলে-মেয়ের সামান্য আবদারও পূরণ করতে পারি না। ওদের জন্য একটু ভালো খাবার, ভালো পোশাক দিতে পারি না। কী কষ্টে যে দিন পার করছি, বলে বোঝাতে পারবো না।
পোশাককর্মী আলেয়া জাগো নিউজকে বলেন, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ন্যায্যমূল্যের দোকান থেকে চাল ও আটা কিনি। পেঁয়াজ ও তেল টিসিবির ট্রাক থেকে কেনার চেষ্টা করি। এরপরও কুলিয়ে উঠতে পারছি না। করোনার কারণে একদিকে আমাদের আয় কমেছে, অন্যদিকে সবকিছুর দাম বাড়ছে। মাসে যে টাকা বেতন পাই, তা ভর্তা-ভাত খেয়েই ফুরোয়। অনেক দিন মাংস চোখেও দেখিনি! এরপরও মাস শেষে হাতে টাকা থাকে না। এখন আলুর দাম বাড়ায় আমাদের মতো মানুষের কষ্টটা আরও বাড়লো।

স্বস্তি নেই মুরগি-সবজিতে ! 
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছেন ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা কেজি দরে। পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির কেজি ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা। লাল লেয়ার মুরগির কেজি ২২০-২৩০ টাকা।
মুরগির পাশাপাশি সবজির দামও এখন বেশ চড়া। ব্যবসায়ীরা মানভেদে টমেটো ও গাজরের কেজি বিক্রি করছেন ১০০ থেকে ১৬০ টাকায়। শীতের আগাম সবজি শিমের কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা। ঝিঙে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে। ছোট ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকায়। মুলার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।
এছাড়া করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০, পটল ৪০ থেকে ৫০, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৬০ ও বরবটি ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচকলার হালি ৩০-৩৫ টাকা, লালশাকের আঁটি ১০ থেকে ২০ টাকা, মুলা শাকের আঁটি ১৫-২০ টাকা আর কলমি শাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ১০ টাকায়।

তথ্য সূত্রে : জাগো নিউজ।

কুয়েত পুলিশের কাছে একটি অভিযোগ “আমার মা-আমার বোনের মৃতশরীর বাথরুমে ৫ বছর থেকে রেখে দিয়েছে!!

বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮, ১৯ রবিউল আউয়াল সফর ১৪৪৩ হিজরী

বিদেশে পড়াশুনা করেন একজন যুবক কুয়েতি নাগরিক যার মায়ের সাথে মতবিরোধের কারণে অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে চলে যায় এবং সে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কাছে রিপোর্ট করেছেন যে তার মা সালমিয়া এলাকায় তাদের পারিবারিক বাড়িতে বাথরুমের ভিতরে ২০১৬ সালে মারা যাওয়া তার যুবতী বোনের লাশ রেখে দিয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার সাথে সাথে নিরাপত্তা কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং একটি বন্ধ বাথরুমের ভিতরে বিশ বছর বয়সী এক মেয়ের কঙ্কাল দেখতে পান।

পাঁচ বছর আগে যুবতীর মৃত্যুর পরিস্থিতি এবং কারণ খুঁজে বের করার জন্য দেহাবশেষগুলি ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

ষাট বছর বয়সী মা স্বীকার করেছেন যে তার মেয়ে ২০১৬ সালে একটি রুমে যার সাথে সংযুক্ত বাথরুম ছিল, ওই রুমে তার মেয়ে মারা গিয়েছিল কারণ সে তাকে বন্দী করে রেখেছিল এবং তিনি মেয়ের স্বাধীনতাকে অনুমতি দেয়নি। তবে তিনি খাবার ও পানীয় যা প্রয়োজন ছিল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দিয়েছিলেন। একদিন তিনি দেখতে পান যে তার মেয়ে মারা গেছে, তিনি কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করতে ভয় পেতেন তাই জানায়নি।

পুলিশ কর্মকর্তারা অধিকতর তদন্তের জন্য মা ও ছেলেকে আটক করেছেন।

📌 নিউজ লিংক 👇 নিচে দেওয়া হয়েছে…..

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/185411171491289/posts/4836169383082088/

✍️ Collected and posted by Nahar Hoque