যৌবনে সব কামাই তাদের (বাবা-মা) কে দিয়েছিলাম। ১৭ বছড় বয়সে সৌদি গিয়াছিলাম, মোচ উঠে নাই কালি দিয়ে মোচ বানিয়ে তারপর পাসপোর্টের ছবি তুলি,
পাশের ঘরে পাচদিন না খেয়ে শুয়ে বসে কাটিয়েছিলাম। ছোট ভাই মা একসাথে ভাত খায়, আমি পাচ দিনের অনাহারি ছিলাম, মা একবার জিজ্ঞেস করে নাই কিছু খাইছস নাকি,
আত্বীয় স্বজন যখন ব্যাপার টা জানলো এবং মাকে জানালো, মা তখন উত্তর দিলো, না খেয়ে আছে তা আমাকে বলেনি কেন। আমাকে বলে নাই কেনো না খেয়ে আছি,,
সেই মা আজ আর নেই তার জন্য এখন ও দোয়া করি সব সময় ই, রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।এধরনের দৃষ্টান্ত কম নয়। প্রবাসে দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে দেশে বাবার একাউন্টে
পাঠানো টাকা অন্য সন্তান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে ভালো বাজার-সদাই করে অনেকেরই ভালোই কাটে। প্রবাসী ছেলে দীর্ঘদিন পর যাকিছু নিয়ে দেশে ফিরে আসে সেটাও ভাগাভাগি নিয়ে অনেকেরই মন কষাকষি হয়।
আর যখন দেখে দেশে পাঠানো অর্থ অবশিষ্ট আর কিছুই নেই, তখনই হয় বিপত্তি। ফিরে যাওয়ার টিকেট-ও অন্যের কাছে টাকা ধার করে কিনতে হয়। এটাই বাস্তব। নিজের সাবধানতা নিজের কাছে।
রিং আইডি এর উচিত ছিলো যারা শিক্ষিত & অনলাইন কাজ সম্মন্ধে জানে বুঝে,,, তাদের জন্য কমিউনিটি জবটা চালু করা,,, অশিক্ষিত, জিবনেও সার্ভার বানান ও করে নাই, কোনো সাইট সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান নেই- তাদের নিয়োগ দিয়েই যত সমস্যা আর গুজব।
🤬আজগুবি সব পোস্ট
এড এর মেয়াদ শেষ
এড এর চুক্তি শেষ
সার্ভার এত প্রবলেম কেন
নানা মুখি যত ফালতু & মূর্খ পোস্ট
যারা এসব পোস্ট করছেন তারা একটা ছোট একটা ব্লোগ সাইট বানানোর চেস্টা করুন তো। তারপর ১জিবি হোস্ট নেন + ১ টা .com নেন price মাত্র ২০,০০০/- এর মত পরবে। তারপর একসাথে আমরা ১০০০ জন ভিজিট করলেই আপনার সাইট এর কি অবস্থা হয় সেটা দেখুন। সার্ভার ডাউন❌
তারপর ওয়েব ডেভেলপার নিয়োগ দেন + আপনার ওয়েব সাইটে হোস্টিং বাড়ান + ইত্যাদি ইত্যাদি তখন বুঝবেন রিং আইডি সম্পর্কে।
Add এর সম্পর্কে আপনার নুন্যতম জ্ঞান নেই, কেন Ring Id সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেন?
Ring আইডি কি সাধারণ এড দেয়?? Ring ID গুগল মনিটাইজ এড দেয়, যা দিয়ে যত বড় বড় ওয়েবসাইট & সোসাল সাইট চলে। যা দিয়ে বড় বড় মাল্টি ন্যাশনাল কম্পানি & ইন্ডাস্ট্রি গুলো চলে।
ADD এর বিষয়ে জানতে আপনি একজন বড় youtuer / Web Site Developer এর কাছে আগে জানুন। Google add একটা সাইট / ইউটিউব এ কি এমনিতেই এড দেয় & তা দিয়ে ইনকাম হয়? আগে Web সাইট/ YouTube মনিটাইজ করতে হয় তারপর তাতে এড দেয় Google…
তাহলে রিং আইডি আমাদের কে কিভাবে এত এড দেখায়? এতে ring id এর লাভ কি?
আপনি রিং আইডি তে যতটা সময় দেন আমেরিকান/ জাপান/জার্মান সার্ভার থেকে একজন youtuber/ web site কে সেই সময়টা দেন,,, & তার এর থেকেও বেশি এড আসবে সব এড গুলো না কেটে দেখেন আপনি জানেন না হয়তো,,,, আপনাকে রিং আইডি যে টাকা দেয় তার তিন গুন +++ ওই youtuber/Web site এর ইনকাম হবে। তারপর apps ইনস্টল ব্যাবহারে তো ইনকাম আছেই,,, আপনি বাস্তব দ্যাখেন টিকটক ২০ জন রেফার জাস্ট ইনস্টল করে দিলে ৮৫০০/- + ইনকাম কিভাবে দিলো? ৫ জনে ১৫ দিন ইউজে ১০ হাজার কি নিজ পকেট থেকে দিলো? ফেইসবুক এর প্রতিসঠাতা মার্ক জাকারবার্গের কিভাবে ফেইসবুক এর ইনকামে বিশ্বের ১০ জন ধনীর মধ্যে একজন??? এসব চিন্তা আপনার আমার ছোট মাথায় ধরবে না।
Add থেকে এত টাকা কেন দেয় গুগল? গুগল কি নিজ থেকে টাকা দেয়?
গুগল নিজ থেকে এক টাকাও দেয়না,,, আপনি একটা গেম বা বড় মার্কেটিং সাইট বানালেন। তা পৃথিবীর সবার কাছে পৌছাতে চান অবশ্যই তা Google Add এর মাধ্যমে করতে হবে। আর আপনি এড দিতে গেলেই গুগোল বলবে ১০০০ জনের কাছে তোমার দোকানের / সাইটের এডবেরাইজ করবো কমপক্ষে ১০,০০০/- টাকা দেও। গুগোল কে টাকা দিলে তারপর তোমার এড মানুষকে ভিবিন্ন সাইট& apps এর মাধ্যমে ৩৪% টাকা নিজে রেখে বাকিটা Web Site/ Apps এর মাধ্যমে মানুষকে দেখায়।
এভাবে একই নিয়মে ইনকাম করে রিং আইডি।
তাহলে রিং আইডি কিভাবে এত এড একসাথে দেখায়?
রিং আইডি বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে তার বিশাল ওয়েভ সাইটের এড সবগুলো একত্রে এনে,,, ফ্রিল্যান্সিং একটা সিস্টেম করে,,, কমিউনিটি জব নামে আমাদের বাংলাদেশিদের প্রভাইড করছে। যে এড গুলো & এড এর ইনকাম গুলো শুধুমাত্র রিং আইডির, সেটা বাংলাদেশী বেকারদের বেকারত্ব দূর করার জন্য প্রভাইড করছে আর সেই রিং আইডি নিয়ে আমাদের এত গুজব, এত মাথা ব্যথা,,, ছি— ধিক্কার এসব লোকদের প্রতি,,,
রিং আইডি এর যে ফিচার তা নিয়ে যদি একবার দাড়াতে পারে ফেইসবুক এর চেয়েও জনপ্রিয় হয়ে আমাদের দেশি এপ রিং আইডি ইনশাআল্লাহ। আর বিশ্বের ধনিদের ১০ জনের এক জন হবে আমাদের শরীফ স্যার।
আরো অনেক কিছু লিখার প্রয়োজন ছিলো,,,এত লেখার জন্য অনেক সময় প্রয়োজন ছিলো তাই লিখার ইচ্ছে থাকলেও লিখতে পারিনি। আপনিও ভাবুন রিং আইডি নিয়ে। আরো জানুন রিং আইডিকে। আমার ছোট মস্তিষ্কে যা দরেছে তাই লিখার চেস্টা করছি,,, ভুল হলে ক্ষমা করবেন।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান বলেছেন, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদেশগামী যাত্রীদের আরটি পিসিআর টেস্ট শুরু হবে।
রোববার সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বিমানবন্দরে আরটি পিসিআর ল্যাব না থাকার কারণে অনেক দেশ বাংলাদেশ থেকে তাদের দেশে ঢুকতে দিচ্ছিল না। এ ছাড়া অনেক দেশ বিমানবন্দর থেকে করোনা পরীক্ষা করার পর উড়োজাহাজে ওঠার শর্ত আরোপ করেছে।
বাংলাদেশের কোনো বিমানবন্দরে এমন সুবিধা না থাকায় অনেক প্রবাসী দেশে আটকা পড়েন। ফলে একদিকে প্রবাসীরা বিদেশে তাদের চাকরি নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন, অন্যদিকে দেশ বঞ্চিত হচ্ছিল রেমিট্যান্স আয়ের সম্ভাবনা থেকে।
এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আরটি পিসিআর ল্যাব স্থাপনের নির্দেশ দেন।
এর পরই সাতটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার আরটি পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন দেয় প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
শনিবার রাতে বিমানবন্দরে আরটি পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়। এই ল্যাবের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যে করোনার পরীক্ষার ফল পাওয়া সম্ভব।
দেশে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে কমে এসেছে। গত ৪ মাসের মধ্যে দীর্ঘদিন পর করোনায় দ্বিতীয় দিনের মতো হাজারের নিচে রোগী শনাক্ত হয়েছে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও জনের ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৭ হাজার ৪১৪ জন মারা গেলেন ভাইরাসটিতে।
গতকাল (শনিবার) ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর শনাক্ত ছিল ৮১৮ জন।
রোববার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৯৮০ জনের। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩৫১ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ২২ হাজার ২২১ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৩১২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১১ হাজার ৪৭৯ জন।
আমরা সুনির্দিষ্ট ও অথেন্টিক কিছু তথ্য পাচ্ছি যে, বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেতে ইচ্ছুক মানুষ জন, যারা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে PCR টেস্ট করাচ্ছেন, তাদের বিভিন্ন নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে PCR রিপোর্ট পজেটিভ করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করছে !!!
আপনারা যারা PCR রিপোর্ট নিবেন, তথ্যের প্রয়োজন হলে অবশ্যই আপনি যে প্রতিষ্ঠানে স্যাম্পল জমা দিয়েছেন, সেখানে যাবেন!
উপরন্তু, আপনার রিপোর্ট পজেটিভ হলে আপনার সাথেই মেডিক্যাল অথরিটি যোগাযোগ করবে!
এইসব প্রতারক ও ফটকাদের ফোন কলে বিভ্রান্ত হবেন না …
রাশি রাশি কন্ডোম ছ’ড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে র:য়েছে জাতীয় সড়কের উপর। বেশ কয়েক কি:লোমিটার জুড়ে রাস্তার দু’ধারে জমে আছে। কর্নাটকের টু’মকুরের রাস্তার এই দৃশ্য বুধবার নেটমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে।
যদিও স্থানীয় প্রশাসন এখনও জানে না ওগু’’লি কোথা থেকে এল, কারা’ই বা ছড়িয়ে রেখে গিয়েছে রাস্তার উপরে। বি’ষয়টি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন এলাকার স্থানীয় বা’সিন্দারা।
তাদের অ’ভিযোগ, খবর পেয়েও ক’ন্ডোমগু’’লি সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হয়নি প্রশাসনের তরফে। এমনকি কারা’ এ কাজ করলেন তা-ও জানার চেষ্টা ক’রেনি প্রশাসন। এ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের এমন গা বাঁচানো ভাব দেখে অ’বাকই হয়েছেন তাঁরা।
অনেকে আ’বার আ’শঙ্কা প্রকাশ ক’রেছেন, জায়গাটি কি তবে ব্যবহার করা ক’ন্ডোমের আবর্জনা ফেলার জায়গা হয়ে গেল? সে ক্ষে’ত্রে থাকার অযোগ্য হয়ে উঠবে এলাকাটি।
টুমকুরের ৪৮ নম্বর জা’তীয় সড়কে কাথসান্দ্রা-বাটাওয়ারি সংযোগকারী রাস্তা ব’রাবর পড়ে থাকা কন্ডোমের ওই দৃশ্য দেখে গাড়ি থামিয়ে দাঁড়িয়ে পড়তে দেখা গিয়েছে অনেককেই। তবে ঘ’টনার কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
প্রশাসনের স’’ঙ্গে যো’গাযোগ করা হলে তারাও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চায়নি। অনেকের মতে,
এমনও ‘হতে পারে ওগু’’লি ব্যবহৃত কন্ডোম নয়। হয়তো প্র’স্তুতকারী কোনও সংস্থা সেগু’’লি স’রবরাহের জন্য কোথাও নিয়ে যাচ্ছিল।
কোনও ভা’বে রাস্তায় পড়ে গিয়েছে। তবে ঘ’টনা যা-ই হোক, বি’ষয়টি নিয়ে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার কোনও ব্যাখ্যা খুঁজে পাচ্ছেন না টুমকুরের বাসিন্দারা।
কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কুয়েতে বাংলাদেশি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোতে অধিকাংশ শ্রমিক বাংলাদেশি। এসব কোম্পানিতে কর্মরত বহু প্রবাসী করোনাভাইরাসের কারণে দেশে ছুটিতে গিয়ে আটকা পড়েছেন। দক্ষ শ্রমিকরা আটকেপড়ায় কোম্পানিগুলোতে দেখা দিয়েছে শ্রমিক সংকট।
এসব সমস্যা সমাধানে আটকেপড়া প্রবাসীদের ফেরাতে বাংলাদেশ সরকার ও দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এই মুহূর্তে কুয়েত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধান ড. আহমেদ নাসের আল সাবাহের সঙ্গে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠক করা প্রয়োজন বলে মনে করেন দেশে আটকেপড়া আকামাবিহীন প্রবাসীরা।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার, কাউন্সিলর সেবা, প্রশাসনিক বিষয়াদি এবং দূতাবাসে সেবা গ্রহণকারীদের জন্য পার্কিং সুবিধা নিয়েও আলোচনা প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে কয়েকজন কুয়েত প্রবাসী ব্যবসায়ী বলেন, করোনার শুরুতে আমরা ছুটিতে এসে আর ফিরতে পারিনি। বারবার ফ্লাইট চালু হওয়ার কথা থাকলেও না হওয়ায় আমাদের আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। ফলে আকামা নবায়ন করা সম্ভব হয়নি। যারা বাংলাদেশে আটকা পড়েছেন তাদের যদি দ্রুত ব্যবস্থা করে পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় তাহলে সবাই অনেক উপকৃত হবে।
কুয়েত প্রবেশে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম না থাকলেও, দেশটির সরকারের বিশেষ অনুমতিপত্র নিয়ে কিছু সংখ্যক প্রবাসী ফিরেছেন। তবে, আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় আটকা পড়াদের বড় অংশ এখনো ফিরতে পারেননি।
চাচার সঙ্গে রাজশাহী বেড়াতে গিয়ে হারিয়ে যান ১০ বছর বয়সী শিশু আব্দুল কুদ্দুস মুন্সি। এরপর অনেকটা সময় পেরিয়েছে। কিন্তু কুদ্দুসের কোনো খোঁজ মেলেনি। ফিরতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামে।
আরটিভি অনলাইন নিউজে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, প্রাপ্ত বয়স্ক কুদ্দুস সংসার পাতেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বারুইপাড়ায়। এখন তিনি ৮ সন্তানের জনক। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে সুখে শান্তিতে দিন কাটলেও নিজের মা ও স্বজনদের ফিরে পাওয়ার জন্য ডুকরে কাঁদত কুদ্দুসের মন।
কুদ্দুস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের মৃত কালু মুন্সির ছেলে। তিন ভাই বোনের মধ্যে কুদ্দুস ছিলেন সবার বড়। তার দুই বোনের মধ্যে এক বোন জোৎস্না আক্তার মারা গেছেন। কুদ্দুস এখন ৮০ বছরের বৃদ্ধ। জীবনের সায়াহ্নে এসে মায়ের খোঁজ পেয়েছেন তিনি।
প্রায় ৭০ বছর পর শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের আশরাফবাদ গ্রামে ছোট বোন ঝর্ণা আক্তারের শ্বশুর বাড়িতে মা মঙ্গলেমা বিবি ওরফে মঙ্গলুন্নেসার সঙ্গে দেখা হয় কুদ্দুসের। মাকে দেখার পর আপ্লুত হয়ে কিছুক্ষণ জড়িয়ে ধরে রাখেন। এরপর মায়ের হাত ধরে কয়েকবার চুমু খান। চোখ ভেজান কান্নায়। ১১৫ বছরের মঙ্গলুন্নেসাও সন্তানের হাত ধরে চুমু খান। মা-ছেলের এই দৃশ্য দেখে আবেগড়াড়িত হয়ে পড়েন উপস্থিত সবাই।
গত এপ্রিল মাসে ফেসবুকে বৃদ্ধ কুদ্দুস মুন্সির স্বজনদের সন্ধান চেয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বারুইপাড়ার বাসিন্দা খান মোহাম্মদ আইয়ূব। সেই ভিডিও নজরে আসে কুদ্দুসের চাচাতো ভাইয়ের নাতি শফিকুল ইসলামের। সেই ভিডিওর সূত্র ধরেই শফিকুল ইসলামসহ আরও কয়েকজন রাজশাহী যান কুদ্দুসের কাছে। এরপর ভিডিও কলে মা মঙ্গলুন্নেসার সঙ্গে কথা বলিয়ে দেন। কুদ্দুসের হাতে ছোটবেলার কাটা দাগ দেখে তাকে চিনতে পারেন মঙ্গলুন্নেসা।
দীর্ঘদিন পর মাকে পেয়ে আপ্লুত কুদ্দুস মুন্সি আরটিভি নিউজকে বলেন, মায়ের কাছ থেকে দূরে থাকলেও সবসময় মায়ের স্মৃতি মনে হতো। মাকে ফিরে পাব সেটা কখনোই ভাবিনি। আমার অন্যরকম অনুভূতি কাজ করছে। তবে বয়সের ভারে ন্যুব্জ মঙ্গলুন্নেসা হারানো ছেলেকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ ইশারায় প্রকাশ করলেও মুখে তেমন কিছু বলতে পারেননি।
ভাইকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা কুদ্দুস মুন্সির বোন ঝর্ণা আক্তার আরটিভি নিউজকে বলেন, আমার জন্মের পর ভাইকে দেখিনি। ভাই হারিয়ে গেছে বলে শুনেছি। এভাবে ভাইকে ফিরে পারব সেটা কল্পনাও করিনি। আমার যে আনন্দ লাগছে, সেটা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।
ফেসবুকে ভিডিও পোস্টকারী খান মোহাম্মদ আইয়ূব আরটিভি নিউজকে বলেন, আমি ওনাকে (কুদ্দুস মুন্সি) বলেছিলাম একটা ভিডিও করে ফেসবুকে দেয়ার জন্য। উনি রাজি হলে আমি একটা ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করি। সেই ভিডিওর মাধ্যমেই কুদ্দুস মুন্সি তার মাকে ফিরে পেয়েছেন। আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার মনে হচ্ছে এটিই আমার সবচেয়ে ভালো এবং বড় কাজ।
কুদ্দুস মুন্সির ছেলে সোহেল রানা আরটিভি নিউজকে বলেন, ছোটবেলা থেকে মনে করতাম আমার দাদা-দাদি হয়তো বেঁচে নেই। এখন দাদিকে পেয়ে আমার মনে খুব আনন্দ হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর বাবা তার মাকে ফিরে পেয়েছেন। এটা দেখেও অনেক শান্তি লাগছে।
কথার যাদুতে বশ করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা। মিথ্যা আশ্বাসে আস্থা রেখে, জীবনের শেষ সম্বলটুকু খুইয়ে এখন নিঃস্ব লাখ লাখ মানুষ। বলছি এমএলএম কম্পানি ডেসটিনি’র কথা। কার্যক্রম বন্ধের প্রায় ১০ বছর পর আবারও আলোচনায় এই প্রতিষ্ঠান। সমবায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এরই মধ্যে অনুমোদনও দিয়েছে সমবায় অধিদফতর। এমএলএম ব্যবসাও করতে চায় ডেসটিনি।
কিন্তু মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে যে অর্থ হাতিয়ে নেয়া হয়েছে, সম্পদ তার চেয়েও অনেক কম। নিরীক্ষায় প্রমাণ মেলায় কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় সরকার। প্রতিষ্ঠানের শীর্ষকর্তারা এখনও জেলে, আর টাকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিনিয়োগকারী।
দীর্ঘদিন পর আবারও মাঠে নেমেছে বিতর্কিত প্রতিষ্ঠান ডেসটিনি। এরই মধ্যে ‘ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড’ পরিচালনায় কমিটির অনুমোদন দিয়েছে সমবায় অধিদফতর। নতুন কমিটি’র সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন লে. জে. অব. এম হারুন অর রশিদ। শুধু সমবায় কার্যক্রমই নয়, এমএলএম ব্যবসাও চালু করতে চায় এই কমিটি।
ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ লি. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন কিসলু বলেন, আমরা মাত্র অনুমোদন পেয়েছি। এখন আমাদের সকল কমিটি বসবে, বিভিন্ন ইস্যু আলোচনা হবে। এছাড়াও আমাদের ব্যাংক হিসেবগুলো পুনরায় চালু করতে হবে, আদালতে আবেদন করতে হবে। সবশেষে আমরা আমাদের অবস্থান সরকারকে জানাবো। তখন যদি সরকার বলে শুরু করা যাবে এরপরই শুরু হবে।
অনুমোদন পাবার পর কাকরাইল মোড়ে আলী’স টাওয়ারের কয়েকটি ফ্লোরে শুরু হয়েছে কার্যক্রম। কিন্তু ব্যবসার ধরণ কী হবে, আবারও কি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আমানত নেয়া হবে? মানুষ কি আবারও ফাঁদে পা দেবে- ঘুরপাক খাচ্ছে এমন হাজারো প্রশ্ন।
২০১২ সালে ডেসটিনি কো-অপারেটিভে ১ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকার অনিয়ম খুঁজে পায় সমবায় অধিদফতরের নিরীক্ষা দল। তারপর দশ বছরেও আমানতকারীদের অর্থ বুঝিয়ে দেয়নি কেউ। এদিকে নতুন করে কমিটি অনুমোদনের খবর জানেন না সমবায় প্রতিমন্ত্রী।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, এ ধরনের কিছু আমার জানা নেই। সমবায় অধিদফতর দিতে পারে, তবে যে ধরনের অভিযোগ তাদের নামে আছে সে হিসেবে মন্ত্রণালয়কে না জানিয়ে এমন করার কথা না।
বিশ্লেষকদের পরামর্শ সংকটের এই সময়ে এমন ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।