মাহাথির মোহাম্মদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে’ মৃত্যুর সংবাদ সঠিক নয়’

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮, ২১ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

পেটলিং জয়া, মালেশিয়া: ডাঃ মাহাথির মোহাম্মদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে, বলেছেন তার মেয়ে দাতিন পাদুকা মেরিনা মাহাথির।

তিনি বলেছিলেন যে, তার বাবার ক্ষুধা উন্নত হচ্ছে এবং তিনি এমনকি পরিবারের সদস্যদের সাথে মজা করতে পারেন।

তার একটি উন্নত ক্ষুধা ছিল এবং ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে (আইজেএন) তার পাশে থাকা পরিবারের সদস্যদের সাথে ভাল সময় কাটিয়েছিলেন।

ডাঃ মাহাথিরকে বিদেশী নেতা এবং জনসাধারণ সহ অনেক লোকের শুভেচ্ছার কথাও জানানো হয়েছিল,
মেয়ে মেরিনা মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারী) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেছিলেন যে, ডাঃ মাহাথির এবং পরিবার খুব স্পর্শ করেছেন এবং তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য যারা প্রার্থনা করেছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

“ডাঃ মাহাথির জনসাধারণের কাছে তার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে খুব বেশি উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। রিপোর্ট দ্যা স্টারের ।

দেশে ফেরত কুয়েত প্রবাসীর বোকামী’ রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জন্য শিক্ষণীয়’

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮, ২১ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

স্ত্রী ও ছেলের নির্যাতনের শিকার হয়ে বাড়িছাড়া হয়ে আছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা কফিল উদ্দিন। চার বাড়ির মালিক হওয়া সত্ত্বেও এখন পথে পথে ঘুরছেন কুয়েত থেকে ফেরত আসা এই ব্যক্তি।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে সম্পত্তির জন্য নিজের স্ত্রী হোসনে আরা বেগম ও ছেলে সাইফুল ইসলামের করা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন কফিল উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘১৯৮৯ সালে আমার বড়ভাই আব্দুল মজিদ মারা যাওয়ার পর ১৯৯২ সালে তার স্ত্রী হোসনে আরা বেগমকে আমি বিয়ে করি। ভাইয়ের মৃত্যুর সময় তার চার ছেলে ও এক ছোট মেয়ে বাচ্চা ছিল। আমি তাদেরকে আদর-স্নেহ দিয়ে বড় করেছি। এর মধ্যে আমারো এক ছেলে হয়েছে। আমার ভাইয়ের চার ছেলেকেই আমি নিজের টাকায় বিদেশে পাঠিয়েছি। আমি দীর্ঘ ২৬ বছর কুয়েতে প্রবাস জীবন কাটিয়ে গত ২০১৯ সালে দেশে চলে আসি। আমি প্রবাসে থাকা অবস্থায় প্রতিবারই দেশে ছুটিতে আসার পর জায়গা-জমি কিনেছি। ২৬ বছর প্রবাসে থেকে রাস্তায় ফেরি করে মাছ বিক্রির কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে এলাকায় চারটি বাড়ি, স্থানীয় ধারিয়ারচর বাজারে একটি দোকান এবং ১৭ কানি জমি কিনেছি। আমি দেশে একেবারে চলে আসার আগেরবার যখন ছুটিতে এসেছিলাম, তখন একটি জমি কেনার জন্য আমার স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা দিয়ে গিয়েছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘আমি দেশে আসার পর আমার নিজের ছেলে সাইফুল ইসলাম তাকে ব্যবসার জন্য টাকা দিতে আমাকে চাপ দিতে থাকে। পরে ১২ লাখ টাকা খরচ করে স্থানীয় বাজারে একটি কাপড়ের দোকান করে দেই। আমার স্ত্রীর কাছে জমি কেনার জন্য দিয়ে যাওয়া ১০ লাখ টাকার হিসাব চাইলে হিসাব না দিয়ে উল্টো তার এবং আমার ছেলে সাইফুলের নামে জায়গা-সম্পত্তি লিখে দেয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। তারা সকল সম্পত্তির দলিল নিজেদের কব্জায় নিয়ে নেয়। আমি তাদেরকে বলি, আগে আমার সম্পদের দলিল বুঝিয়ে দাও, এরপর আমি সেগুলো বণ্টন করে দেব। কিন্তু তারা রাজি না হয়ে আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন শুরু করে। বিদেশে থাকা আমার ভাইয়ের চার ছেলের শলাপরামর্শে তারা আমার ওপর নির্যাতন চালাতে থাকে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি খেলাম কিনা, শরীর ভালো কিনা- সেটার খবর নেয়ারও প্রয়োজন মনে করে না আমার স্ত্রী ও ছেলে। গত সাড়ে পাঁচ মাস আগে আমাকে আমার ভাগ্নির বাড়ি থেকে আমাকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে আসে। এরপর আমাকে ঘরে আটকে রেখে সস্পত্তি লিখে দেয়ার জন্য শারীরিক নির্যাতন চালয়। একপর্যায়ে আমাকে শরবতের সাথে মেশানো ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে ফেলে। পরে অচেতন অবস্থায় আমার টিপসই নিয়ে কিছু সম্পদ তাদের নামে লিখে নেয়। আমি বাঞ্ছারামপুর থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করি। এরপর থেকেই আমি বাড়িছাড়া। পরবর্তীতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আদালতে আমার স্ত্রী ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করি। মামলার পর থেকে আমাকে মারার জন্য হন্নে হয়ে খুঁজছে তারা। আমার নিজের ঘর-বাড়ি থাকা সত্ত্বেও পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।’

‘আমি আমার ওপর যে অন্যায়, অত্যাচার-নির্যাতন হয়েছে, সেটির বিচার চাই। আমার সারাজীবনের কষ্টার্জিত অর্থে গড়া সম্পত্তিগুলো ফেরত চাই। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের সহযোগিতা চাই আমি,’ বলেন তিনি।

তবে বাবাকে নির্যাতন করে সম্পত্তি লিখে নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে কফিল উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাবা নিজের ইচ্ছায় আমাদের সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন। 

বাবাকে কখনোই সম্পত্তির জন্য নির্যাতন করা হয়নি। উৎসঃ দৈনিক নয়া দিগন্ত ।

পুরো ঘটনা থেকে প্রবাসীদের শিক্ষা নেওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ আরটিএম পরিবারের ।

দুর্নীতিতে বিশ্বে ১৩তম বাংলাদেশ

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮, ২১ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল।

বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী এই সংস্থার প্রকাশ করা ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২১’-এ এই তথ্য উঠে এসেছে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) পক্ষ থেকে এ তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

সিপিআই ২০২১ অনুযায়ী ১৮০টি দেশের মধ্যে তালিকার নিচের দিক থেকে বাংলাদেশ গত বছরের সমান ২৬ স্কোর পেয়ে ১৩তম অবস্থানে আছে। গত (২০২০ সাল) বছর নিম্নক্রম অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে ছিল ১২তম।

দেশ ও অঞ্চলের ২০২১ সালের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ঊর্ধ্বক্রম অনুযায়ী (ভালো থেকে খারাপ) ১৪৭ নম্বরে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, দুর্নীতির পেছনে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিচারহীনতা, মতপ্রকাশ ও জবাবদিহিতার অভাবকে অন্যতম কারণ বলে মনে করেন তারা। এ বছরে দুর্নীতির চিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে টিআই প্রতিবেদনে তালিকাভুক্ত হয়েছিল বাংলাদেশ। পরে ধীরে ধীরে বাংলাদেশের অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। সবশেষ গত চার বছরে অবস্থান পরিবর্তন হলেও দুর্নীতির চিত্র ২৬ স্কোর নিয়ে একই অবস্থায় রয়েছে বাংলাদেশে।

এদিকে টিআইবি’র সূচকে ৮৮ স্কোর পেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে যৌথভাবে তালিকার শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।

৮৫ স্কোর পেয়ে যৌথভাবে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুর, সুইডেন ও নরওয়ে এবং ৮৪ স্কোর পেয়ে তৃতীয় সুইজারল্যান্ড। এরপর চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে নেদারল্যান্ড (স্কোর ৮২), পঞ্চম লুক্সেমবার্গ (৮১), ষষ্ঠ জার্মানি (স্কোর ৮০), সপ্তম যুক্তরাজ্য (স্কোর ৭৮) ও অষ্টম স্থানে রয়েছে হংকং (৭৬)।

৭৪ স্কোর নিয়ে যৌথভাবে নবম স্থানে আছে কানাডা, আয়ারল্যান্ড, এস্তোনিয়া ও অস্ট্রিয়া। যৌথভাবে দশম স্থানে আছে ৭৩ স্কোর নিয়ে অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, জাপান ও উরুগুয়ে।

আর ২০২১ সালের তালিকায় ১১ স্কোর পেয়ে সর্বনিম্নে অবস্থান করছে দক্ষিণ সুদান। ১৩ স্কোর পেয়ে তালিকার নিম্নক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিরিয়া ও সোমালিয়া এবং ১৪ স্কোর পেয়ে তৃতীয় সর্বনিম্ন ভেনিজুয়েলা।

এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ায় কম দুর্নীতিগ্রস্তের দিক দিয়ে ৬৮ স্কোর নিয়ে ২৫তম অবস্থানে থেকে সবার ওপরে ভুটান, ৮৫তম ভারত (স্কোর: ৪০), ১০২তম শ্রীলংকা। আর দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের নিচে ১৭৪তম অবস্থানে আফগানিস্তান।

প্রতিবেদন তুলে ধরে বাংলাদেশের এই অবস্থানকে খুবই হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি জানান, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আটটি জরিপের ফলাফল থেকে সূচকটি নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে বাংলাদের দুর্নীতির চিত্র অনুযায়ী স্কোর পরিবর্তন হয়নি। অর্থাৎ দুর্নীতি আগের মতোই আছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইফতেখারুজ্জামান বলেন, স্কোরটা হচ্ছে মূল বিষয়। অন্য কোনো দেশ খারাপ করার কারণে আমাদের অবস্থান আগের চেয়ে একধাপ এগিয়েছে। কিন্তু আমাদের স্কোর আগের মতোই ২৬ রয়ে গেছে। তাই আমাদের দুর্নীতি আসলে কমেনি। এটা হতাশাজনক। ১০ বছর ধরে আমরা ২৫, ২৬, ২৭ এরকম প্রায় একই অবস্থানে আছি। এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমরা আফগানিস্তানের পরে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থানে। কাজেই এই স্কোর আমাদের জন্য বিব্রতকর।

তিনি বলেন, দুর্নীতির দুষ্ট চক্রের গ্রাস থেকে বের হতে পারিনি। কোভিডের সময় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি হয়েছে। আমাদের মৌলিক প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান, বিচারহীনতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ইত্যাদির কারণে দুর্নীতির উন্নয়নে ঘাটতি রয়েছে।

প্রায় দুই দশক ধরে কাজ করেও দুর্নীতি না কমার পেছনের মূল কারণ কী? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সরকারের জিরো টলারেন্স থাকার পরও না কমার মূল কারণ এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব যাদের হাতে তারাই দুর্নীতিগ্রস্ত। দুর্নীতি কমানোর যে প্রতিষ্ঠানগুলো সেগুলো ভালো নয়। এর পাশাপাশি আরেকটি কারণ হলো- প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে আমরা দুর্নীতির হাতিয়ার হিসেবে মনে করি। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার কারণে তারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে।

ইসিমের পর এবার আসছে আইসিম

মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১১ মাঘ ১৪২৮, ২১ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

ইন্টিগ্রেটেড সাবস্কাইবার আইডেন্টিটি মডিউল সংক্ষেপে আইসিম (iSIM) ফোনের প্রসেসরের মধ্যেই সংযুক্ত থাকবে। বেশ কিছুদিন থেকেই ইসিমের হিড়িক লক্ষ করা গিয়েছিল। যদিও ইসিম খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি। এর মধ্যেই আবার আইসিম প্রযুক্তির নাম শোনা যাচ্ছে। আজকের আয়োজনে আইসিম প্রযুক্তি কী, কীভাবে কাজ

করে এ প্রযুক্তি তারই বিস্তারিত লিখেছেন- ফয়সাল আহমাদ

শোনা যাচ্ছে আইসিম এনাবেল স্মার্টফোনে কোনো সিম কার্ড স্লট থাকবে না। আর থাকবে না বলেই সেই ফোনের ডিজাইন ভালো হবে, ব্যাটারি হবে আরও শক্তিশালী। আকার বা আয়তনের দিক থেকে সিম কার্ড পরিবর্তিত হলেও মূল ধারণা কিন্তু একই রয়েছে। মার্কেট থেকে এখনো ফিজিক্যাল সিম কার্ডের দৌরাত্ম্য কাটেনি। প্রথাগত ফিজিক্যাল সিম কার্ডের থেকে আকারে খুবই ছোট্ট ইসিম কার্ডের মাধ্যমে যে কোনো টেলিকম অপারেটরের কানেকশন ব্যবহার করা যায়। চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালকম নতুন ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে এসেছে। অপারেশনাল স্মার্টফোনে এ আইসিম প্রদর্শনের জন্য ভোডাফোন এবং থেলসের সঙ্গে জোটও বেঁধেছে সেমিকন্ডাক্টর প্রস্তুতকারক মার্কিন এ কোম্পানিটি।

কী এই আইসিম প্রযুক্তি?

আইসিম নতুন প্রযুক্তি হলেও এতে প্রথাগত সিম কার্ডের সব গুণাবলি থাকবে। কিন্তু তা ডিভাইসের প্রসেসরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। অর্থাৎ ফোনে কোনো সিম কার্ড স্লট থাকবে না কিন্তু আইসিম ফোনের ইন-বিল্ট প্রসেসর ইন্টিগ্রেট করা থাকবে। এ প্রযুক্তি এলে অনেকটাই ইসিমের মতো। অবশ্য আইসিম ডিভাইসের সঙ্গে অ্যামবেডেড থাকবে, যেটা ইসিমে ছিল না। জিএসএমএ স্পেসিফিকেশন্স মেনে চলে আইসিম, ডিভাইসের মূল প্রসেসরেই সিম ফাংশনালিটি অ্যামবেড করা রাখতে পারে এ প্রযুক্তি। কোয়ালকমের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আইসিম ব্যবহার করলে স্মার্টফোনের পারফরমেন্স আরও ভালো হবে, মেমোরি ক্যাপাসিটি আরও বাড়বে এবং সেই বৃহত্তর সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনও পাওয়া যাবে।

আইসিমের সুবিধা কী?

স্মার্টফোনের বাইরে গিয়েও একটা সিম কার্ডের ব্যবহার তুলে ধরা আইসিম প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য। আইসিম প্রযুক্তি ল্যাপটপ থেকে শুরু করে আইওটি, ডিভাইস, স্মার্টওয়াচ, এমনকি ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি প্ল্যাটফরমেও ব্যবহার করা যেতে পারে। কোয়ালকম-জানিয়েছে, এর সুবিধা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। উদাহরণ হিসাবে বলা যেতে পারে, ডিভাইসের ডিজাইন এবং পারফরমেন্স আগের থেকে আরও উন্নত হবে। কারণ এ প্রযুক্তি ডিভাইসে অনেকটাই জায়গা খালি করে দেবে। সিম কার্ড স্লট না থাকার ফলে স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো ফোনের ডিজাইনে আরও পরিবর্তন আনতে পারবে। একটা ডিভাইসে সিম কার্ড না দিয়েই তার সব সুবিধা উপভোগ করতে দেবে এ আইসিম প্রযুক্তি।

আইসিমের প্রভাব বাজারে কবে আসবে?

আইসিম বিশ্বের কাছে একটা নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করবে, বিশেষ করে আইওটি ডিভাইসের ক্ষেত্রে। একজন মানুষ আইসিম কানেক্টেড ডিভাইস নিয়ে নিরাপদভাবে আইওটি নেটওয়ার্কে থেকে বিশ্বের যে কোনো জায়গায় ঘুরে বেড়াতে পারবেন। মেইনস্ট্রিমে ছড়িয়ে দিতে এ প্রযুক্তিকে আপন করে নিতে হবে টেলিকম সংস্থাগুলোকে। আইসিম কানেক্টেড ডিভাইস হাতে পেতে এখনো অনেকটাই দেরি, বেশ কিছু বছর লেগে যেতে পারে। প্রথমে প্রযুক্তিটি লঞ্চ হবে আর তার পরে তা দেওয়া হবে বিভিন্ন ডিভাইসে।

ভোডাফোনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ইউরোপে এ ডেমনস্ট্রেশন করা হয়েছিল। যে ডিভাইস ব্যবহৃত হয়েছিল, সেটি হলো স্যামসাং গ্যালাক্সি জেড ফ্লিপ থ্রি ৫জি, যাতে কোয়ালকমেরই স্ন্যাপড্রাগন ৮৮৮ ৫জি প্রসেসর রয়েছে। সেই প্রসেসরের সঙ্গেই ইন্টিগ্রেট করা হয়েছিল আইসিম এবং থেলসের আইসিম অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়েছিল।

৬০ বছরের প্রবাসীদের একামা নবায়নের অনুমোদন দেওয়ায় ক্রাউন প্রিন্স শেখ মিশালের প্রতি কৃতজ্ঞতা চেম্বার সভাপতির’

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েত চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আল-সাকের মহামান্য ক্রাউন প্রিন্স শেখ মিশাল আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন, তার প্রচেষ্টার জন্য ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবাসীদের পুনর্নবীকরণের অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।

চেম্বার সভাপতি বলেন, এই ইস্যুতে মহামান্য ক্রাউন প্রিন্সের মহান আগ্রহ ছিল সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার ।

কুয়েত টাইমস ও সোশ্যাল মিডিয়া সুত্রে প্রকাশিত সংবাদে, মিঃ আল সাকর বলেন,
জনসংখ্যার বৃহৎ এবং বিপজ্জনক ভারসাম্যহীনতা মোকাবেলার জন্য একটি সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রয়োজন রয়েছে, সংস্কারের বিষয়ে আইনশাস্ত্রে মতপার্থক্য স্বাভাবিক.. তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সর্বদা জনস্বার্থকে অবলম্বন করা।

একটি প্রেস বিবৃতিতে, কুয়েত চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রধান, মুহাম্মদ আল-সাগর, জোর দিয়ে
বলেন যে “ষাট বছরের সিদ্ধান্ত” একটি পরীক্ষা, যাহা থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিৎ।

আল-সাকর যোগ করেছেন: “আমাদের অবশ্যই তার পরিবারকে কৃতিত্ব দিতে হবে, এবং আমি মহামহিম ক্রাউন প্রিন্স শেখ মিশাল আল-আহমাদের আন্তরিক প্রশংসা জানাচ্ছি, যার ব্যাপক আগ্রহ এবং ক্রমাগত তদারকি এবং প্রভাবশালী ভূমিকা পালন করেছে, জনশক্তির জন্য সরকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য (নং 520/2020) , যা “ষাট রেজোলিউশন” নামে পরিচিত।

তিনি আরো যোগ করেন যে “আমি এই বিষয়ে ধন্যবাদ জানাতে চাই, মহামান্য প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল-খালেদ, যিনি সিদ্ধান্তের দ্বারা উত্থাপিত সমস্ত দৃষ্টিভঙ্গি এবং এটি সংশোধন করার জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পদ্ধতিগুলির সাথে ধৈর্যের সাথে এবং উদারতার সাথে মোকাবিলা করেছেন।

এবং ধন্যবাদ বিচার মন্ত্রী, জেনারেল অথরিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, কর্মীবাহিনীকে, কাউন্সেলর জামাল আল-জালাভি, কুয়েত এবং এর স্বার্থের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সমস্যাটি দ্রুত সমাধান করার জন্য তার আগ্রহের জন্য।

৬০ বছর প্রবাসীদের ভালবাসায় সিক্ত প্রিন্স শেখ মিশাল ও আল সাকের”

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

৬০ বছর প্রবাসীদের ভালবাসায় সিক্ত প্রিন্স শেখ মিশাল ও আল সাকের” কুয়েতের ভাইরাল টপিক’ ৬০ বছর বয়সী প্রবাসী”

২০২১ সাল জুড়ে আলোচনায় ছিল, অবশেষে আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারী) ২৫০ দিনার বার্ষিক ফি নির্ধারণ করে কুয়েতের একামা নবায়নের অনুমোদন পেয়েছে হতভাগা ষাটর্ধো প্রবাসীরা।

এর আগে তাদের একামা নবায়ন নিষিদ্ধ থাকায় হাজার হাজার প্রবাসী রিক্ত হস্তে নিজ দেশে চলে গেছেন, ২১ সালের পুরো বছর পক্ষে বিপক্ষে আলোচনায় ছিল বিষয়টি ।

আমি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, কুয়েতের মহামান্য যুবরাজ শেখ মিশাল আল আহমদ আল জাবের এর প্রতি, তিনি নিজে মনিটারিং করে জটিল বিষয়টিকে সহজ করে সমাধান করেছেন।

ধন্যবাদ জানাচ্ছি স্বনামধন্য ব্যবসায়ী কুয়েত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আল-সাকেরকে, যিনি বিষয়টির সমাধান চেয়ে ৬০ বছর প্রবাসীদের একামা নবায়নে দৃড় ভুমিকা পালন করেছেন ।

আল্লাহ সুবহান তায়ালা আপনাদের উত্তম জাযা দিন। আমিন।
#Kuwait #Expats #

ঢাকায় আক্রান্তদের ৬৯ শতাংশই ওমিক্রন: আইসিডিডিআরবি

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

ঢাকা শহরে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের তিনটি উপধরন (সাব-টাইপ) রয়েছে। এই উপধরনগুলো রাজধানীতে বেশি ছড়াচ্ছে।

ঢাকায় জানুয়ারি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে আক্রান্তদের ৬৯ শতাংশের শরীরে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) এক গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটি ওয়েবসাইটে সোমবার সকালে এ বিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের জিনোম সিক্যুয়েন্স বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, ঢাকা শহরে তিনটি সাব-টাইপ রয়েছে। এগুলো আফ্রিকান, ইউরো-আমেরিকান এবং এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ওমিক্রন ধরনের সঙ্গে মিলে যায়।

আইসিডিডিআরবি বলছে, জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহে তাদের ল্যাবরেটরিতে ১ হাজার ৩৭৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ২৮ শতাংশই ছিল করোনায় আক্রান্ত। আর আক্রান্তদের মধ্যে ওমিক্রন ছিল ৬৯ শতাংশের দেহে।

গবেষণা সংস্থাটি জানায়, বাংলাদেশে ৬ ডিসেম্বর ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয়। তবে সরকারের পক্ষ থেকে ঘোষণা আসে ১১ ডিসেম্বর। ওই মাসেই আইসিডিডিআরবির ল্যাবে পরীক্ষা করা ঢাকা শহরের ৭৭ করোনা রোগীর মধ্যে পাঁচটিতে ওমিক্রন শনাক্ত করা হয়েছিল। অন্যগুলো ছিল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

ওমিক্রনে আক্রান্ত ২৯ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে আইসিডিডিআরবি প্রতিবেদনে। এর মধ্যে পুরুষ ১৩ জন ও মহিলা ১৬ জন। ২৭ জনের কোনো উপসর্গও ছিল না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২৪ জন টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। আর প্রথম ডোজ পেয়েছেন ৩ জন। ২৯ জনের মধ্যে মাত্র একজনকে একদিনের জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। করোনার এই ধরনে আক্রান্ত একজন সৌদি আরব থেকে ফেরা। বাকিরা দেশেই ছিলেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোববারের তথ্যানুযায়ী, দেশে এখন আক্রান্তের হার ৩১ দশমিক ২৯ শতাংশ। আগের ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১০ হাজার ৯০৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।
 

দেশে,আক্রান্ত প্রায় ১৫ হাজার, শনাক্তের হার বেড়ে ৩২.২৭

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলছে। 

দেশে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় দেশে ২৮ হাজার ২৩৮ জনের মৃত্যু হলো। 

এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৮২৮ জন।  এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬৪ জনে। 

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

এতে বলা হয়, গত একদিনে দেশে মোট ৪৫ হাজার ৮০৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাতে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৩৭ শতাংশে। 

গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯৯৮ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৫৭ হাজার ৮৫৯ জন।  

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর গত বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ। সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ। 

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণেই ছিল। কিন্তু এরমধ্যেই বিশ্বে শুরু হয় ওমিক্রন ঝড়। ৩ জানুয়ারি দৈনিক শনাক্তের হার ৩ শতাংশ এবং ৬ জানুয়ারি তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এরপর থেকে সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে শুরু করেছে। 

কুয়েতের,ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ নিয়ে কিছু প্রশ্নোত্তর…

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

** প্রশ্ন : বুস্টার ডোজ কি সবাই কে দিতেছে??

উত্তর : না ভাই , তবে যারা অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন দিছে এবং ভ্যাকসিনের দুইটি ডোজ দেওয়ার ৪/৫ মাস পার হয়েছে তাদের কে দিতেছে।

** প্রশ্ন : আমি তো ফাইজার ভ্যাকসিন নিচে ৩/৪ মাস হয়েছে আমি ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ দিতে পারবো?

উত্তর: না ভাই, কারণ যারা ফাইজার দিয়েছে তাদের ভ্যাকসিনের দুই ডোজ দেওয়ার ৬ মাস পরেই দিতে হবে, তার আগে গেলে দেওয়া যাবে না। অথবা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে যেতে হবে।

তার প্রমান আজকে আমি নিজে গিয়ে দেখছি এন্ড গত কালকে আমাদের কোম্পানির একজন গিয়ে ফিরে এসেছে।
যদি আপনারা কোথাও দিতে পারেন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছাড়া সেটা গিয়ে দেখতে পারেন।

**প্রশ্ন: বুস্টার ডোজ দিয়ে কি আমি কি আমি সাথে সাথেই দেশে যাইতে পারবো ?
উত্তর: হ্যাঁ ভাই ইনশাআল্লাহ পারবেন।

** প্রশ্ন: বুস্টার ডোজ না দিলে কি কুয়েতে প্রবেশ করা যাবে না ?

উত্তর : ভাই এমন খবর আমি এখনো পাই নি তবে কুয়েত স্বাস্থ্য মন্ত্রলণায় থেকে বলা হয়েছে- ভ্যাকসিনের দুই ডোজ দেওয়ার ৯ মাস অতিক্রম হয়েছে কিন্তু এখনো বুস্টার ডোজ দেওয়া হয় নি তাদের ভ্যাকসিনেড সম্পন্ন বলে বিবেচিত হবেনা।

** প্রশ্ন : নতুন বা পুরাতন ভিসাধারীরা বাংলাদেশে ভ্যাকসিন গ্রহন করেছে কিন্তু কুয়েতের স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের লিংকে রেজিষ্ট্রেশন করতে চাইলে বুস্টার ডোজের ডাটা চায় করনীয় কি ?

উত্তর : বাংলাদেশে বুস্টার ডোজ নেওয়া যাচ্ছে। আপনরা বিভিন্ন হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন। বুস্টার ডোজ নিয়েই রেজিষ্ট্রেশন প্রকিয়া সম্পন্ন করুন।

নোট : ইমিউনিতে গ্রীন সিগনাল না আসা পর্যন্ত কেউ কূয়েতে আসার জন্য টিকেট কনফার্ম করবেননা। তাহলে বিপাকে পরবেন। কারন কুয়েত প্রবেশের এক অন্যতম শর্ত হলো ইমিউনি এ্যপ্সে গ্রীন সিগনাল থাকত হবে।

অবশেষে ২৫০ দিনার এবং স্বাস্থ্য বীমা ফি দিয়ে “৬০ প্রবাসীদের” একামা নবায়ন অনুমোদন”

সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০ মাঘ ১৪২৮, ২০ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

ক্যুয়েতে বার্ষিক ২৫০ দিনার এবং স্বাস্থ্য বীমা ফি দিয়ে “৬০ প্রবাসীদের” এর ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন অনুমোদন দিয়েছে ।

আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারী) শ্রম ও জনশক্তি কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দিয়েছে ।

দীর্ঘ ১ বছর পর ৬০ বছর বয়সী প্রবাসীদের নিষেধাজ্ঞা তুলে একামা নবায়নের আজ চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে কতৃপক্ষ ।

তবে স্বাস্থ্য বীমা কত হবে, তাহা এখনো স্পষ্ট নয় ।