আল-জারাল্লাহ তার টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে একটি টুইট বার্তায় বলেছেন যে উপসাগরীয় দেশগুলিতে ওমিক্রন তরঙ্গ বক্ররেখার তীক্ষ্ণ বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, আশা করা হচ্ছে “এটি শীঘ্রই ক্রমাগত শীর্ষে পৌঁছে যাবে।”
আল-জারাল্লাহ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ক্লিনিকাল দখলে একটি আপেক্ষিক বৃদ্ধি রয়েছে, বিশেষ করে যারা সম্পূর্ণরূপে টিকা পাননি তাদের মধ্যে, তবে মৃত্যুর হার এখনও কম।
তিনি যোগ করেছেন যে, কুয়েতে উচ্চ হারের টিকাকরণের অর্জন চলমান মহামারীর আলোকে অর্থনৈতিক, শিক্ষাগত এবং সামাজিক উন্মুক্ততা নিশ্চিত করেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে হৃদয় রোগে আক্রান্ত হয়ে কুয়েতের একটি সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান লক্ষীপুরের বাসিন্দা কুয়েত প্রবাসী মোঃ মহসীন ।
মরহুমের ভাতিজা সৌদি প্রবাসী আল আমিন আরটিএমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, মরহুম মহসীন গত বছর করোনার কারণে দীর্ঘদিন দেশে থাকার পর কুয়েত আসেন, মাত্র ১ বছরের মাথায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
মরহুমের মরদেহ দেশে প্রেরণের জন্য তার একজন বন্ধু চেষ্টা করছেন ।
রায়পুরের গ্রামের বাড়ীতে তার ৩ ছেলে ১ মেয়ে রয়েছে, আমরা মরহুমের জন্য আল্লাহ’র নিকট ক্ষমার জন্য দোয়া করছি ।
আপনি যে দেশের বিমানবন্দর ব্যবহার করুন না কেন, আপনাকে নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হবে। বিমানবন্দরের এই নিরাপত্তা তল্লাশী করা হয় প্রতিটি যাত্রীর নিরাপদ ভ্রমণের জন্য, সার্বিক ভাবে মানুষের জান, মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। বিমানবন্দর, উড়োজাহাজ নিরাপদ ভাবে পরিচালনার জন্য।
** অনেকেই নিরাপত্তা তল্লাশীকে হয়রানি মনে করেন, নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে অযাযিত ব্যবহার করেন, যা মোটেও ঠিক নয়। যাত্রী হিসেবে নিরাপত্তা কর্মীদের সহায়তা করা আপনার দায়িত্ব। কোনও কোনও দেশে বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে অযাযিত ব্যবহার বা খারাপ ভাষা ব্যবহার করলে শাস্তির আওতায় আনা হয়। তাই আপনি যে বিমানবন্দরে দিয়ে আসুন না, কেন নিরাপত্তা কর্মীকে তল্লাশিতে সহায়তা করুন।
** অনেকে দেশের বিমানবন্দরে জুতা, কোমরের বেল্ট, কোর্ট/জ্যাকেট, ক্যাপ খুলে নিরাপত্তা আর্চওয়ে পার হতে হয়। তাই ভ্রমণের সময় এ বিষয়ে মানসিক ভাবে প্রস্তুত থাকুন। এমন জুতা পড়ুন যা খোলা সহজ।
** নিরাপত্তা তল্লাশি কিংবা ইমিগ্রেশনের সময় আপনার যদি মনে হয় দায়িত্বরত ব্যক্তি আপনাকে হেনস্তা করছে কিংবা টাকা পয়সা চাইছে। সেক্ষেত্রে তার সঙ্গে বির্তক বা খারাপ আচরণ করবেন না। আপনি সংশ্লিষ্ট বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলুন, অভিযোগ দিন।
** সঙ্গে হাত ব্যাগ রাখুন। সেখানে পাসপোর্ট, টিকিট, টাকা-পয়সা, গহনা, ভ্রমন ও চাকুরী সংক্রান্ত কাগজপত্র রাখবেন। জরুরি প্রয়োজনে যেন নিরাপত্তা কর্মীদের দেখাতে পারেন। ভ্রমন ও চাকুরী সংক্রান্ত কাগজপত্র লাগেজে রাখবেন না।
** পিস্তল, গুলি, বিস্ফোরক জাতীয় বস্তু, কাচি, ছুরি, ব্লেড, নেইল কাটারসহ ধারলো কোন বস্তু হাত ব্যাগ, মানিব্যাগ, পকেটে রাখা যাবে না।
** ১০০ মিলি লিটারের বেশি তরল পদার্থ সঙ্গে রাখা যাবে না। হোক সেটি পানি কিংবা কোমল পানীয়।
কুয়েতে করোনার উর্ধ্বগতি থাকা সত্বেও নিষেধাজ্ঞা বা বিমানবন্দর বন্ধ করার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে কুয়েতের উপ প্রধান মন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী শেখ হামাদ জাবের আল-আলি।
মন্ত্রী বলেন : কুয়েতি নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য এবং তাদের সীমাবদ্ধতায় না রাখার জন্য এই উদ্বেগের উপর জোর দিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি করোনা জরুরী কমিটির থেকে কিছু কঠিন সুপারিশ ছিলো কিন্তু আমরা তার মধ্যে আমরা সবচেয়ে কম গ্রহণ করেছি “বিমানবন্দর বন্ধের সুপারিশ”… 🥰
তিনি আরো বলেন – “আমরা এখন দুটি সমীকরণের মধ্যে আছি তাহলো নাগরিক এবং প্রবাসীদের স্বাস্থ্যের সমীকরণ এবং দ্বিতীয় সমীকরণটি হলো কুয়েতের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখা। বাকিটা মহান আল্লাহর ইচ্ছা। তবে কোনো কিছু আমাদের বন্ধ করার দরকার নেই।🖤
আমি মনে করি নিষেধাজ্ঞা/বন্ধের সিদ্ধান্তটি কঠিন হয়ে উঠেছে। বন্ধগুলি অতীতের আমাদের স্মৃতি রয়েছে এখন আমরা অপেক্ষায় আছি আল্লাহর রহমতে নতুন মিউট্যান্টটি ভালে ভাবে কেটে যাবে। আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি মানুষকে রক্ষা করার জন্য কুয়েত সহ কুয়েতের জনগণ এবং যারাই এই কুয়েতের মাটিতে বসবাস করে এবং তাদের সমস্ত ক্ষতি থেকে রক্ষা করুন।
শেখ হামাদ জাবের আল-আলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ক্যাডারদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন। নাগরিক এবং প্রবাসীদের টিকা সম্পূর্ণ করার এবং (তৃতীয়) বুস্টার ডোজ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন- আমি স্বাস্থ্য মন্ত্রীর নেতৃত্বে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমস্ত কর্মীদের, যার মধ্যে ডাক্তার, সহায়ক নার্সিং স্টাফ এবং অন্যান্যদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করতে চাই। তারা প্রকৃতপক্ষে অসাধারণ কাজ করছে। দুই বছর পার হয়ে গেছে তারা ঘুমায়নি, মানে তারা আমাদের উপর নজর রাখছে এবং সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা তা নিশ্চিত করছে। ❤
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে প্রাণ হারিয়েছেন এখন পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ১২৯ জন।
এই সময়ে নতুন করে করোনা ধড়া পড়েছে ৪ হাজার ৩৭৮ জনের শরীরে। এ নিয়ে মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৯ হাজার ৪২ জনে। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৬৬ শতাংশে।
শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
আগের দিন বৃহস্পতিবার ৩ হাজার ৩৫৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এদিন ১২ জনের মৃত্যু হয়। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়ায় ১২ দশমিক ০৩ শতাংশে। এর আগে বুধবার ২ হাজার ৯১৬ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়ে। এদিন করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়। শনাক্তের হার ছিল ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।
এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।
২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ।সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।
কুয়েতের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং করোনা জরুরী বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ হামাদ জাবের আল-আলি গতকাল বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছেন যে, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় আবারও বন্ধে ফিরে আসা অতীতের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আরটিএম নিউজ কুয়েতের স্থানীয় জাতীয় দৈনিক আল ওয়াতন থেকে সংবাদটি সংগ্রহ ও করেন।
করোনা কমিটির প্রধান শেখ আল-আলি গতকাল জাতীয় পরিষদের বিশেষ অধিবেশনের আগে প্রেস বিবৃতিতে বলেছিলেন, “আমরা আশা করি যে, বর্তমান তরঙ্গ ভালভাবে কেটে যাবে… এবং আমরা বিমানবন্দর বন্ধ না করতে এবং স্কুলগুলিকে উপস্থিত রাখতে পারব ইনশা আল্লাহ, তার জন্য আমরা যতটা সম্ভব কাজ করছি ।
তিনি যোগ করেছেন যে, বর্তমান তরঙ্গের মোকাবিলা করার জন্য কঠিন সুপারিশ রয়েছে, তবে আমরা করোনা কমিটিতে আমাদের কাছে সবচেয়ে কম সুপারিশগুলি নিয়েছি এবং আমরা বিমানবন্দর বন্ধ না করার চেষ্টা করছি এবং স্কুলগুলিতে উপস্থিতি অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছি, কারণ আমরা দুর্ভাগ্যবশত এসবের বড় নেতিবাচক দিক দেখেছি।
উপ-প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নাগরিক এবং বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য এবং দেশে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৃত্তের ধারাবাহিকতার মধ্যে ভারসাম্যের অবস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে।
শেখ হামাদ জাবের আল-আলি জোর দিয়েছিলেন যে, বিমানবন্দর বা স্কুলগুলিকে বন্ধ করে দূরশিক্ষায় ফিরিয়ে দেওয়া অতীতের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আল্লাহ নার্সারি মালিকদের সহায় হোন। নার্সারিগুলি বন্ধ করার সুপারিশ ছিল, কিন্তু করোনা কমিটি টিকাদান এবং স্বাস্থ্যের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আমাদের পরবর্তী পর্যায়ে বাচ্চাদের উপস্থিতির সংখ্যা কমানোর প্রয়োজন হতে পারে।
তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় এবং এর সমস্ত ডাক্তার এবং নার্সদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করে বলেন যে, নাগরিক এবং বাসিন্দাদের প্রচেষ্টায় আমরা নিরাপদে পৌঁছাব এবং এই তরঙ্গটি আগের তরঙ্গটির মত নিরাপদে চলে যাবে ইনশা আল্লাহ।
করোনা রোধে নাগরিক এবং প্রবাসীদের সর্বান্তক সহযোগিতা আশা করেছেন করোনা কমিটির প্রধান কুয়েতের উপপ্রধান মন্ত্রী শেখ জাবের হামদ আল জাবের আল আলী।
বর্তমানে মহামারী জনিত কারনে ছয় মাস বা তার বেশি সময় ধরে কুয়েতের বাইরে থাকা প্রবাসীদের রেসিডেন্সি (আকামা) স্বয়ংক্রিয় বাতিল করার সিস্টেম চালু করেনি রেসিডেন্সি অ্যাফেয়ার্স। 😘
অর্থাত : ৬ মাসে বেশি কুয়েতের বাহিরে থাকতে পারবেন যদি বৈধ (ভ্যালিড) আকামা থাকে তাহলে কুয়েতে ফিরে আসে পারবেন। 🤩
⭕ তবে কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড টুইটার একাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছিলো: 👇👇
১-১২-২০২১ তারিখের পর #খাদেম_আকামাধারী যারা সফরে যাবে ৬ মাসের বেশি হলে তাদে আকামা অটোমেটিক বাতিল হবে। 😟
ভিসা মূল্য উচ্চ পর্যায়ে বিশেষত আমাদের বাংলাদেশিদের জন্য। বর্তমানে কুয়েতের ভিসা বাংলাদেশিদের স্থগিত থাকলেও বিশেষ অনুমতি (লামানা) দ্বারা ভিসা ইস্যু যাচ্ছে / হচ্ছে যা ইতিমধ্যে সবাই অবগত।
তবে উচ্চ আকাঙ্খা’ই মানুষকে হতাশ করে। তা প্রায় সময়ই দেখতে পাই কুয়েতের ভিসা নিতে আগ্রহীগণদের মাঝে। এর প্রধান কারন হলো প্রতারনার শিকার। ভিসার জন্য অগ্রিম টাকা নিয়ে ভিসা না দেওয়া বা টাকা ফেরত না দেওয়া। যা অভিযোগ স্বরুপ মেসেজ করেন আমাদের কাছে বা #দূতাবাসে তা স্পস্টত…
গত কয়েক দিন আগে মান্যবর রাষ্ট্রদূত এক বার্তায় বলে গেছেন – “যারা ভিসার জন্য লেনদেন করবেন প্রয়োজনে এর নথি (স্টাম্প) করে রাখবেন”। প্রতারনার শিকার হলে কেবল তখনই দালাল/ভিসাদাতাকে প্রশাসনের দারস্থ করতে পারবো হোক সেটা দূতাবাস কর্তৃক কুয়েতে বা বাংলাদেশে আইনি ভাবে।
প্রশ্ন থাকতে পারে : অনেকেই এই ভিসার লেনদেন জন্য প্রমান স্বরুপ স্টাম্প করতে চায়না তখন কি করবো? তাহলে একটি কথা ভেবে দেখুন যেসকল দালাল / ব্যক্তিরা লেনদেনে প্রমাণ স্বরুপ কোনো নথি বা স্টাম্প করতে চায়না তখন আপনি যে তাদের কাছে প্রতারিত হবেন না তার গ্যারান্টি কি! বিশ্বাস আর তাদের মুখের মিষ্টি ভাষা!? বিশ্বাস করুন টাকার কাছে আজকাল মানুষ জিম্মি, কথায় আছে টাকা দেখলে কাঠের পুতুলও কথা কয়। তাই এব্যপারে সতর্ক করছি সবাইকে।
কুয়েতে ভিসা আমাদের জন্য স্থগিত থাকা সত্বেও কিছু দালাল টাইপের লোক ভিসার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা আর নিস্ব করছে বিদেশে আসতে চাওয়া লোকদের। এদের থেকে সাবধান থাকুন। প্রতারনা থেকে বাঁচতে নিজে থেকে সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।
নোট: খাদেম বা শোন ভিসা বের হচ্ছে “বিশেষ অনুমতি পত্র” দিয়ে যা (লামানা) নামে পরিচিত। আর এই লামানা নিতে পারে এক মাত্র কুয়েতি নাগরিক / কফিল/ কোম্পানি পারে। এটা সাধারন লোকের কাজ নয়।
কুয়েতে আসছে আমাদের দেশের ছাত্র বিশ্ব কুরআন প্রতিযোগিতায়!
ছাত্র হাফেজ আবু রাহাত কুয়েতে বিশ্ব কুরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হতে সবার দোয়া চেয়েছেন🤲
এর আগেও সে এন টিভিতে প্রচারিত কুরআনের আলোর প্রতিযোগিতায় প্রথম স্হান অধিকার করেছিলো🧡
কুয়েতে বিশ্ব কুরআন প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশের প্রতিনিধি করবে ছাত্র #হাফেজআবুরাহাত নির্বাচিত হয়ে কুয়েত যাচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ!
এবং বড় গ্রুপে মারকাজুত তাহফিজের আরেক ছাত্র, #হাফেজতাওহিদুলইসলামও কুয়েতে বিশ্ব কোরআন প্রতিযোগিতায় যাচ্ছে।
আলহামদুলিল্লাহ সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ 🇰🇼 কুয়েতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কোরআন প্রতিযোগিতায় আমাদের দেশের দুজন ছাত্র হাফেজ আবু রাহাত ও হাফেজ তাওহিদুল ইসলাম (দুটি) গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ইনশাআল্লাহ .
সবাই তাদের জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ তায়ালা যেন কুয়েতে বিশ্ব কোরআন প্রতিযোগিতায় নিজ নিজ নিজ গ্রুপে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকার সম্মান বয়ে নিয়ে আসতে পারে🙏
গত ৯/১/২০২২ এবং গত ১০/১/২০২২বায়তুল মোকাররমের বাছাই পর্বে তারা কুয়েতের জন্য বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে সিলেক্টেড হয়।