দেশে,সংক্রমণ ঠেকাতে ১৩ জানুয়ারি থেকে বিধিনিষেধ

সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২, ২৬ পৌষ ১৪২৮, ০৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

দে‌শে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন ঠেকাতে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। এ সংক্রান্ত নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। 

সোমবার বিকালে ১১টি বিধিনিষেধ দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ প্রজ্ঞাপন জারি করে। null

এতে বলা হয়, দোকান, শপিংমল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেঁস্তোরাসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শান্তির সম্মুখীন হতে হবে। 

১. দোকান, শপিংমল ও বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা এবং হোটেল-রেঁস্তোরাসহ সব জনসমাগমস্থলে বাধ্যতামূলকভাবে সবাইকে মাস্ক পরিধান করতে হবে। অন্যথায় তাকে আইনানুগ শান্তির সম্মুখীন হতে হবে। 

২. অফিস-আদালতসহ ঘরের বাইরে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে সারাদেশে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে। 

৩. রেঁস্তোরায় বসে খাবার গ্রহণ এবং আবাসিক হোটেলে থাকার জন্য অবশ্যই করোনা টিকা সনদ প্রদর্শন করতে হবে।

৪. ১২ বছরের ঊর্ধ্বের সব ছাত্র-ছাত্রীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত তারিখের পরে টিকা সনদ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।

৫. স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দরসমূহে স্ক্রিনিং-এর সংখ্যা বাড়াতে হবে। পোর্টসমূহে ক্রু-দের জাহাজের বাইরে আসার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করতে হবে। স্থলবন্দরগুলোতেও আগত ট্রাকের সঙ্গে শুধুমাত্র ড্রাইভার থাকতে পারবে। কোনো সহকারী আসতে পারবে না। বিদেশগামীদের সঙ্গে আসা দর্শনার্থীদের বিমানবন্দরে প্রবেশ বন্ধ করতে হবে। 

৬. ট্রেন, বাস এবং লঞ্চে সক্ষমতার অর্ধেক সংখ্যক যাত্রী নেওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কার্যকারিতার তাবিখসহ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে। সর্বপ্রকার যানের চালক ও সহকারীদের আবশ্যিকভাবে কোভিড-১৯ টিকা সনদধারী হতে হবে।

৭. বিদেশ থেকে আগত যাত্রীসহ সবাইকে বাধ্যতামূলক কোভিড ১৯ টিকা সনদ প্রদর্শন ও র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করতে হবে। 

৮. স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন এবং মাস্ক পরিধানের বিষয়ে সকল মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় ইমামরা সংশ্লিষ্টদের সচেতন করবেন। জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসাররা এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। 

৯. সর্বসাধারণের করোনার টিকা এবং বুস্টার ডোজ গ্রহণ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় প্রচার এবং উদ্যোগ নেবে। এক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সহায়তা গ্রহণ করবে। 

১০. কোভিড আক্রান্তের হার ক্রমবর্ধমান হওয়ায় উন্মুক্ত স্থানে সর্বপ্রকার সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং সমাবেশসমূহ পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে

১১. কোনো এলাকায় ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিতে পারবে।

মধ্যপ্রাচ্যেরগামী টিকিটের দাম বৃদ্ধি হওয়ার কারন ও রহস্য উন্মোচন

সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২, ২৬ পৌষ ১৪২৮, ০৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

বিশেষ কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে বিমান ভাড়া বেড়েছে তিন থেকে চার গুণ ! এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রবাসী শ্রমিকরা । টিকিটের দাম বাড়ার পেছনে কারণ অবশ্য একটা আছে সেটা হলো চাহিদা বৃদ্ধি । শ্রম বাজার খুলে যাওয়ায় চাপ বাড়ছে স্বাভাবিক, তাই বলে টিকিটের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি তো মেনে নেয়া যায়না ।

আর বর্তমানে টিকিটের জন্য যারা চড়া দাম দিচ্ছেন তারা মধ্যপ্রাচ্যে শ্রম বিক্রী করে দেশে বিশাল অংকের রেমিটেন্স পাঠাচ্ছেন । একটা পরিসংখ্যান দিই, দেশের যে ১ কোটি রেমিটেন্স যোদ্ধা আছেন তার ৬০ লাখই কাজ করেন মধ্যপ্রাচ্যে । করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যেও গত অর্থ বছরে (২০২০-২০২১) দেশে রেকর্ড রেমিটেন্স এসেছে, যা অংকে ২৪.৭৭ বিলিয়ন ডলার । অথচ চলতি অর্থবছরে টানা তিন মাস রেমিট্যান্স কমেছে। এটা ভালো খবর না । এখন প্রবাসীরা যদি বাড়তি ভাড়ার জন্য শ্রমবাজারে ঢুকতে না পারেন, তাহলে প্রবাসী আয়ের উপরতো নিশ্চিত একটা নেগেটিভ প্রভাব পড়বে । আমরা কী প্রবাসী আয়ে নেগেটিভ গ্রোথ দেখতে চাই ?

অথচ দেশের অর্থনীতির যে প্রবৃদ্ধি সেখানে কিন্তু এই রেমিটেন্স এর অসামান্য অবদান রয়েছে । এই যে সম্প্রতী দেশে বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভ ৪৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেল তাতে রপ্তানী আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়ের বড় অবদান রয়েছে ।

এখন অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যারা এতো অবদান রাখছেন তাদের প্রতি একটু সুনজর দরকার । একবার চিন্তা করুন একজন শ্রমিকের জন্য টিকিটে ৫০ হাজার টাকা বাড়তি দেয়া মানে বিরাট বোঝা !

এই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির ফলে যেসকল শ্রমিক ভাই/বোনেরা দেশ থেকে তাদের গন্তব্যে যেতে পারবেননা, যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে, যারা আটকে থাকবেন দেশে, তাদের ভবিষ্যত কী হবে ?

এই পরিস্থিতি রেমিটেন্স প্রবাহে কতটা প্রভাব ফেলবে , কর্তৃপক্ষ একটু ভাববেন কী ?

@শাহাদাত চৌধুরী

কুয়েতে আমাদের ভ্যাক্সিন নামা ও বাস্তবতা …..

সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২, ২৬ পৌষ ১৪২৮, ০৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েত সরকারের বদ্যনতায় প্রবাসীসহ কুয়েতিরা খুব সুন্দর ব্যবস্থাপনায় জনসংখ্যার মোটা একটি অংশ ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শেষ করেছে, আলহামদুলিল্লাহ।

এখন ওমিক্রন ও করনার আউটব্রেকে কুয়েতে বুস্টার ডোজ গ্রহণের উপরে জোর দিচ্ছে কুয়েত, ভাইরে ভাই কত হাজার রকমের তথ্য যে ভাসছে, ইয়াত্তা নেই, কেউ কেউ তো ভবিষ্যতে দ্রষ্টা ও হয়ে গেছেন ….

  • কুয়েত থেকে সফরে যেতে বুষ্টার ডোজ বাধ্যতামূলক নয় এখনো!
  • দ্বিতীয় ডোজ গ্রহনের পর 9 মাস পর্যন্ত ( কুয়েত সরকার নির্ধারিত সময়) ইম্যিউন গ্রীন থাকবে, অর্থাৎ আপনার কুয়েতে আসা যাওয়ায় কোন প্রতিবন্ধকতা থাকবে না ( সোর্স : আরবি দৈনিক) …… এটা ওমিক্রন আঘাত হানার আগেই ঘোষণা দিয়েছিল কুয়েত
  • বাংলাদেশে ও বুষ্টার ডোজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে, প্রবাসী যারা আছেন চাইলে নেওয়া যাবে ( বিশেষ প্রয়োজনে)
  • যারা দেশে আছেন, আপনার সফর উপভোগ করুন ❤

অযথা আতংকিত হওয়ার কিছু নেই, পরিস্থিতি পাল্টাবে ইনশাআল্লাহ 🖤

বিশ্বজুড়ে করোনায় আরও সাড়ে ১৮ লাখ সংক্রমণ, মৃত্যু ৩৩০৬

সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২, ২৬ পৌষ ১৪২৮, ০৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও কমেছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে সাড়ে ১৮ লাখে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, ভিয়েতনাম, তুরস্ক ও ইতালি। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৩০ কোটি ৭৮ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫৫ লাখ ৫ হাজার।
সোমবার (১০ জানুয়ারি) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩ হাজার ৩০৬ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে প্রায় দেড় হাজার। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৫ লাখ ৫ হাজার ৮৩৯ জনে।
একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ লাখ ৫১ হাজার ৮৯৪ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে তিন লাখের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ কোটি ৭৮ লাখ ৬৯ হাজার ৪৬ জনে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮ হাজার ৬১৬ জন এবং মারা গেছেন ৩০৮ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৬ কোটি ১২ লাখ ৬৩ হাজার ৩০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৮ লাখ ৫৯ হাজার ৩৫৬ জন মারা গেছেন।
অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে রয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৬৩ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ১৬ হাজার ২৪৬ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৬ লাখ ৫০ হাজার ৮৪৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ১৬৩ জনের।
এছাড়া গত এক দিনে যুক্তরাজ্যে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৭২ জন এবং মারা গেছেন ৯৭ জন। মহামারির শুরু থেকে এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৪৪ লাখ ৭৫ হাজার ১৯২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৫০ হাজার ১৫৪ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ইতালিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৫৯ জন এবং মারা গেছেন ১৫৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৯৬ হাজার ৯৭ জন এবং মারা গেছেন ৯০ জন। মহামারির শুরু থেকে এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ২১ লাখ ১১ হাজার ২১৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ২৫ হাজার ৪৩৮ জন মারা গেছেন।
এছাড়া জার্মানিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৮১২ জন এবং মারা গেছেন ৬০ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৭৫ লাখ ৩১ হাজার ৬৩০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ১৪ হাজার ৭১২ জন মারা গেছেন। একই সময়ের মধ্যে ইউক্রেনে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮১০ জন এবং মারা গেছেন ৭৫ জন।
লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫০ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২৪ হাজার ৩৮২ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ২ কোটি ২৫ লাখ ২৩ হাজার ৯০৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ২০ হাজার ৩১ জনের।
এদিকে করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৮ হাজার ৪৪২ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৯০ জন।

এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় তুরস্কে ১৭৩ জন, পোল্যান্ডে ২২ জন, দক্ষিণ আফ্রিকায় ৮২ জন এবং ভিয়েতনামে ২০২ জন মারা গেছেন। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মেক্সিকোতে মারা গেছেন ২০২ জন। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত উত্তর আমেরিকার এই দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৩০৩ জনের।

কুয়েত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নাগরিক এবং প্রবাসীদের শুধুমাত্র জরুরী কারণে ভ্রমণের আহ্বান জানিয়েছেন..!

সোমবার, ১০ জানুয়ারী ২০২২, ২৬ পৌষ ১৪২৮, ০৬ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েত সিটি,১০ জানুয়ারী : দৈনিক করোনা ভাইরাস (COVID-19) সংক্রমণ নজিরবিহীন উচ্চ সংখ্যায় নিবন্ধিত হচ্ছে, কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রবিবার ঘোষণা করেছেন। নাগরিকদের এবং প্রবাসীদেরকে শুধুমাত্র জরুরী ক্ষেত্রে বিদেশ ভ্রমণ সীমাবদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

বিদেশ থেকে আগত ভ্রমণকারীদের স্বাস্থ্য কোয়ারাইন্টাইন মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন এবং কোয়ারাইন্টাইন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্যদের সাথে যোগাযোগ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয় আজ এক বিবৃতিতে যোগ করেছেন। মন্ত্রণালয় বিশেষায়িত দলগুলি হাসপাতাল এবং COVID-19 আইসিইউ ইউনিটের COVID-19 কেসগুলি গভীর ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দেশের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক প্রোটোকলগুলি অনুসরণ করছেন, এটি আরও উল্লেখ করেছেন যে হসপিটালের শয্যা গুলোর ক্ষমতা ১০০-এর মধ্যে রয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয় পরামর্শ দিয়েছেন যে একজনের (সর্দি-হাঁচি-কাশি-গলা ব্যথা) লক্ষণ দেখা দিলে বা মাথাব্যথা, জ্বর বা ক্লান্তি অনুভব করার ক্ষেত্রে অন্যদের সাথে যোগাযোগ না করার জন্য, কারণ বর্তমান স্বাস্থ্য পরিস্থিতির প্রতি আমরা সকলেই যৌথ ভাবে দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে। , এবং যথাযথ সহযোগিতার সাথে এটি নিরাপদে কাটিয়ে উঠতে হবে। যদিও কুয়েতে মহামারীর প্রাদুর্ভাবের পর থেকে অভূতপূর্ব সংখ্যক সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছে, সরকারী সূত্র বলেছে যে ভাইরাসে সংক্রামিত ব্যক্তিদের এবং যারা তাদের সংস্পর্শে আসছেন তাদের জন্য কোয়ারাইন্টাইন সময়কাল হ্রাস করার সম্ভাবনা রয়েছে, আল-কাবাস দৈনিক রিপোর্ট করেছেন।

📌 নিউজ লিংক 👇 নিচে দেওয়া হয়েছে….

📌 নিউজ লিংক 👇
https://www.facebook.com/185411171491289/posts/5095545570477800/

✍️ Collected, translated and posted by Nahar Hoque

কুয়েতে করোনার সংক্রমণের রেকর্ড’ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আহ্বান’

রোববার, ০৯ জানুয়ারী ২০২২, ২৫ পৌষ ১৪২৮, ০৫ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কুয়েতে করোনা মামলা এখনও নজিরবিহীন সংখ্যা রেকর্ড করেছে, গত ২৪ ঘণ্টার আপডেটে ২,৯৯৯ জন শনাক্ত হয়েছে ।

এমতাবস্থায় টিকা সম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া, বুস্টার ডোজ নেওয়া, নাক ও মুখ ঢেকে রাখা এবং সমাবেশে স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য কতৃপক্ষ ।

শুধুমাত্র অতি প্রয়োজনে ভ্রমণ করুন এবং যারা বিদেশ থেকে কুয়েত আসছেন, তাদের অবশ্যই কোয়ারেন্টাইন সময় ও নিয়ন্ত্রণ মেনে চলতে হবে এবং অন্যদের সাথে যোগাযোগ এড়িয়ে চলতে হবে,
অসুস্থ উপসর্গ অনুভব হলে অন্যদের সাথে মিশতে পারবেনা।

কুয়েতে মহামারী সংক্রান্ত পরিস্থিতির সূচকগুলি মূল্যায়নের প্রেক্ষাপটে, কুয়েত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইঙ্গিত দিয়েছে যে, দেশে সংক্রমণের প্রতিদিনের ঘটনা এখনও নজিরবিহীন সংখ্যা রেকর্ড করছে। রিপোর্ট আল আনবা আরবী দৈনিকের ।

কতৃপক্ষের উর্ধতন অফিসার জোর দিয়েছিলেন যে, হাসপাতালের অভ্যন্তরে কোভিড -19 ওয়ার্ড এবং আইসিসিউ এবং স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলিতে ব্যবহৃত প্রতিরোধমূলক এবং নিরাময়মূলক প্রোটোকলগুলির জন্য প্রযুক্তিগত দলগুলির দ্বারা একটি জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ ও ক্লিনিক বৃদ্ধির মধ্যে রয়েছে।

মন্ত্রণালয় মাননীয় নাগরিক এবং বাসিন্দাদের প্রতি টিকা সম্পূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া, বুস্টার ডোজ গ্রহণ, নাক ও মুখ ঢেকে রাখার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং জমায়েতের স্থানে স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অসুস্থতার লক্ষণগুলি অনুভব করার সময় অন্যদের সাথে মিশে না যাওয়ার পুনরায় আহ্বান জানিয়ে বলেছে যে, বিশেষত শ্বাসযন্ত্রের রোগ যেমন (নাক দিয়ে সর্দি-হাঁচি-কাশি-গলা ব্যথা) বা অসুস্থ বোধ, মাথাব্যথা বা জ্বর, বা কোন প্রকার লক্ষণ দেখা দিলে ।

মন্ত্রণালয় আশা করে যে, আমরা সকলেই একটি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। অভিন্ন দায়বদ্ধতা এবং সকলের সহযোগিতায় আমরা এই পর্যায়টি ভালো ফলাফলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করব, ইনশাআল্লাহ। (ফাইল ছবি)

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছাত্রীকে ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ

রোববার, ০৯ জানুয়ারী ২০২২, ২৫ পৌষ ১৪২৮, ০৫ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ১০ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করে তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নে রোববার এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে রোববার ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগে প্রকাশ, ১০ শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী নিকটবর্তী স্কুল থেকে রোববার বাড়ি ফেরার পথে কথিত যুবলীগ নেতা শিমুলসহ কয়েকজন বখাটে তাকে তুলে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে ওই ছাত্রী কোনোরকমে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে এসে জানালে সন্ধ্যায় তার মা বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শহিদ হোসেন জানান, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

৫ দিন পর ভেসে উঠল মা-মেয়েসহ ৬ লাশ

রোববার, ০৯ জানুয়ারী ২০২২, ২৫ পৌষ ১৪২৮, ০৫ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

ফতুল্লার ধর্মগঞ্জে ধলেশ্বরী নদীতে বরিশাল থেকে ঢাকাগামী লঞ্চের ধাক্কায় খেয়া পারাপারের ট্রলারডুবির ঘটনায় মা ও মেয়েসহ ৬ জনের লাশ ভেসে উঠেছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও চারজন।

রোববার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রত্যেকটি লাশ দুর্ঘটনাস্থলের কাছ থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে ৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ধলেশ্বরীতে এ ঘটনা ঘটে।

ভেসে ওঠা লাশের মধ্যে রয়েছে- ফতুল্লার চরমধ্যনগর এলাকার সোহেল মিয়ার স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৩৫) ও তার বড় মেয়ে তাসমিন আক্তার (২০), ফতুল্লার চর বক্তাবলীর রাজু সরদারের কলেজ পড়ুয়া ছেলে সাব্বির আহমেদ (১৮), বক্তাবলীর হাজীপাড়ার আব্দুল জলিলের মেয়ে জোসনা বেগম (৩৩), ফতুল্লার উত্তর গোপাল নগরের রেকমত আলীর ছেলে আব্দুল মোতালেব (৪২), চর বক্তাবলীর মৃত আক্কাস আলীর ছেলে আওলাদ হোসেন (৩০)।

বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সওকত আলী জানান, একই পরিবারের চারজনের মধ্যে মা-মেয়ে দুজনের লাশ পাওয়া গেছে। আরেক শিশু মেয়ে তাসফিয়া (২) ও শিশুপুত্র তামিম (৫) এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ৬টি লাশ উদ্ধার করে সদর উপজেলা প্রশাসন তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে। এখনো ৪ জনসহ ট্রলারটি নিখোঁজ রয়েছে।

উল্লেখ্য, ৫ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টায় ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ ঘাটের কাছে ধলেশ্বরী নদীতে এমভি ফারহান-৬ লঞ্চের ধাক্কায় যাত্রীবোঝাই খেয়া পারাপারের ট্রলার ডুবে যায়। এ সময় অনেকেই সাঁতরে তীরে উঠলেও ১০ জন নিখোঁজ হয়। এ ঘটনার ৫ দিনের মাথায় ৬ জনের লাশ ভেসে উঠেছে। এ ঘটনায় লঞ্চের চালক, মাস্টার ও সুকানিসহ ৩ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেছে।

দেশে,তিনমাসের মধ্যে সর্বোচ্চ শনাক্ত

রোববার, ০৯ জানুয়ারী ২০২২, ২৫ পৌষ ১৪২৮, ০৫ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে দেশে এখন পর্যন্ত ২৮ হাজার ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভাইরাসটিতে।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আরও ১ হাজার ৪৯১ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। গতকাল যা ছিল ১ হাজার ১১৬ জনে। 

এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৯৩ হাজার ৭০০ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ হাজার ৯৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।  পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৮ শতাংশে। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২১৭ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হলেন ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৯০৫ জন।  

এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর একদিনে শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ৩১০ জন।  পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর শনাক্ত হয়েছিল ১ হাজার ১৭৮ জন।  

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। 

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। 

চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। 

এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।

২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ।সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।

এবার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১২০০ ঘর পুড়ে ছাই

রোববার, ০৯ জানুয়ারী ২০২২, ২৫ পৌষ ১৪২৮, ০৫ জামাদিউস সানি ১৪৪৩ হিজরী

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে আবারো ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা ১৬নং ক্যাম্পে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ১ হাজার ২শ ঘর ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে প্রায় ৫ হাজার রোহিঙ্গা গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে ও পার্শ্ববর্তী ক্যাম্প এবং ঘরগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে।

রোহিঙ্গা শিবিরে দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন জানান, বি-ব্লকের মোহাম্মদ আলীর (৩৫) ঘরের গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। পরে আগুন ক্যাম্পের ব্লক-বি ও ব্লক-সি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ৮ এপিবিএনের অফিসার ফোর্স এবং উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিটের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ২শ ঘর পুড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ১৬ ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা আবদুর রহমান ও শাহ আলম জানান, আগুন দেখার পর পরিবার-পরিজন নিয়ে আমরা বেরিয়ে এসেছি। তবে আগুন মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ায় ঘরের কিছু তারা রক্ষা করতে পারেনি। পরিবারের ১১ সদস্য নিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন বলে জানান তারা।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে কক্সবাজার ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ রেজওয়ান হায়াত যুগান্তরকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর আমরা পায়নি। তবে অল্প সময়ের মধ্যে হাজারখানেক ঘর পুড়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পরে বলা যাবে। এখন ঘর পুড়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের জন্য খাবারেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ২ জানুয়ারি উখিয়ার ২০ এক্সটেনশন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি করোনা আইসোলেশন সেন্টারে আগুন লাগে। সেই ঘটনায় হতাহত না হলেও পুড়ে যায় হাসপাতালটির ৭০ শয্যা, হয় ৮ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি।

এছাড়াও গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্মরণকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যে ঘটনায় প্রায় দশ হাজারের বেশি ঘর পুড়ে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় দুই লক্ষাধিক রোহিঙ্গা এবং ঘটে ১১ জনের প্রাণহানি।