অবশেষে কমতে শুরু করেছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। বিশ্বে একদিনের ব্যবধানে নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৩ লাখ ৩৩ হাজারেরও বেশি, সেই সঙ্গে এ রোগে মৃত্যু কমেছে প্রায় ২ হাজার। বিশ্বজুড়ে মহামারি শুরুর পর থেকে এ রোগে প্রতিদিন আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স জানিয়েছে এ তথ্য।
ওয়ার্ল্ডোমিটার্সের হিসেব অনুযায়ী, শনিবার বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৮১ হাজার ৮৪১ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন ৩ হাজার ৯০৭ জন।আগের দিন শুক্রবার বিশ্বে করোনায় নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ১৫ হাজার ৫৬৪ জন এবং এই রোগে মারা গিয়েছিলেন ৫ হাজার ৮৬০ জন।
হিসেব করে দেখা যাচ্ছে, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে করোনায় নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭২৩ জন এবং মৃতের সংখ্যা কমেছে ১ হাজার ৯৫৩ জন।
ওয়ার্ল্ডোমিটার্স বলছে, শনিবার সর্বোচ্চ দৈনিক সংক্রমণ হয়েছে ফ্রান্সে, আর এ রোগে এই দিন সর্বোচ্চসংখ্যক মৃত্যু দেখেছে রাশিয়া।
শনিবার ফ্রান্সে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৬১১ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন ৮৪ জন। একই দিন রাশিয়ায় করোনায় মারা গেছেন ৯৮১ জন এবং এ রোগে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ২৪ হাজার ৯৪৬ জন।
ফ্রান্স ও রাশিয়া ব্যতীত বিশ্বের অন্যান্য যেসব দেশে শনিবার করোনায় আক্রান্ত-মৃত্যুর উচ্চহার দেখা গেছে, সে দেশগুলো হলো- ইতালি (নতুন আক্রান্ত ৫৪ হাজার ৭৬২, মৃত্যু ১৪৪), যুক্তরাষ্ট্র (নতুন আক্রান্ত ৪০ হাজার ৪৫৮, মৃত্যু ১০৮), তুরস্ক (নতুন আক্রান্ত ২০ হাজার ৪৭০, মৃত্যু ১৪৫) এবং জার্মানি (নতুন আক্রান্ত ১৭ হাজার ২৪৮, মৃত্যু ১১৭)।
মহান আল্লাহপাক মানুষের হেদায়েতের জন্য যুগে যুগে, কালে কালে, অসংখ্য নবী রাসূল এই দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। তারা যেন হেদায়েতের কাজটি সুষ্ঠুভাবে আঞ্জাম দিতে পারেন, তজ্জন্য তাদেরকে কিতাব ও সহীফা দ্বারা সুসজ্জিত করেছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিভাত হয় যে, বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ মুস্তাফা, আহমাদ মুজতাবা (সা.) সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূল। তার পরে আর কোনো নবী ও রাসূলের আগমন ঘটবে না। তার ওপর যে কিতাব আল কোরআন নাজিল করা হয়েছে, তা’সর্বশেষ আসমানী কিতাব। এরপর আর কোনো কিতাব নাজিল করা হবে না। আখেরী নবী ও আখেরী কিতাব প্রাপ্তির পর দুনিয়ার মানুষের উচিত ছিল আল কোরআন ও রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন দর্শন ও কর্ম প্রবাহকে একান্তভাবে অনুসরণ করা। জীবন ও জগতের সকল অঙ্গনে তার প্রতিষ্ঠিত বিধি-বিধানের সুষ্ঠু বাস্তবায়ন করা। আল্লাহর জমিনে ও আকাশে আল্লাহর পছন্দনীয় ও গ্রহণীয় দ্বীনকে আঁকড়ে ধরা। কিন্তু চলমান দুনিয়ার স্বল্প-সংখ্যক মানুষ ছাড়া বৃহত্তর সংখ্যা গরিষ্ঠ জনতা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অনুসরণ করছে না।
এমন কি আল কোরআনের প্রতিও তাদের বিশ্বাস নেই বললেই চলে। এমতাবস্থায় জাগতিক শক্তি ও মদ মত্ত আল্লাহ ও রাসূলদ্রোহী বনী আদমকে আমরা সবিনয়ে বলব-হে দুনিয়ার মানুষ! সাবধান হও। এখনও সময় আছে। আল্লাহর পথে অগ্রসর হও। ঈমান ও এনকিয়াদের সাথে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ কর। অন্যথায় তোমাদের আমও যাবে এবং ছালাও হারাবে। চারণ কবির কথা কি একবারও স্মরণ হয় না? কবি কত সুন্দরই না গেয়েছেন : ‘দিনের দিন বইসারে দিন গুনি/ আমি বইসারে দিন গুনি/ দিনে দিনে দিন ফুরাল/ শুকনাতে তরণী/ দিনের দিন বইসারে দিন গুনি।’
সুতরাং জীবন ও জগতের দিন গুনতে গুনতে আপনার তরণীর তলায় আর পানি নেই। এই পানি শূন্যতার বেড়াজালে আটকে পড়ার পূর্বে আপনার উচিত ছিল আল্লাহ পাকের নিদর্শনাবলীর প্রতি সচেতন দৃষ্টিতে তাকানো। আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে : এখন আমি তাদেরকে আমার নিদর্শনাবলি প্রদর্শন করব পৃথিবীর দিগন্তে এবং তাদের নিজেদের মধ্যে; ফলে, তাদের কাছে ফুটে উঠবে যে, এ কোরআন সত্য। আপনার পালনকর্তা সর্ব বিষয়ে সাক্ষ্যদাতা এটাকি যথেষ্ট নয়? (সূরা হা-মীম আস সিজদাহ : ৫৩)।
এই আয়াতে কারীমায় সুস্পষ্টভাবে বলে দেয়া হয়েছে যে, মহান আল্লাহপাক স্বীয় কুদরত ও তাওহীদের নিদর্শনাবলি দুনিয়ার মানুষকে বিশ্বজগতে ও তাদের নিজেদের মধ্যে ও প্রত্যক্ষ করান। এর উদ্দেশ্য এই যে, বিশ্বজগতের ছোট-বড় সৃষ্টি তথা আকাশ, পৃথিবী ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী যে কোনো সৃষ্টির প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করলে তা’আল্লাহর অস্তিত্ব, তাঁর সর্বব্যাপী জ্ঞান ও কুদরত এবং তাঁর একত্বের সাক্ষ্য প্রদান করে। এর চাইতেও আরো নিকটবর্তী বস্তু স্বয়ং মানুষের প্রাণ ও দেহ।
এই দেহের প্রতিটি অঙ্গ এবং তাতে সংস্থাপিত সু² ও নাজুক প্রত্যঙ্গাদীর মধ্যে তার সুখ ও আরামের বিস্ময়ক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ সকল প্রতঙ্গগুলোকে এমন মজবুত ও সুদৃঢ় করা হয়েছে যে, সত্তর-আশি বছর পর্যন্তও তা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। তাছাড়া মানব দেহের গ্রন্থীসমূহে এমন বিস্ময়কর স্প্রিং লাগানো হয়েছে যে, তা’ দুনিয়ার কোনো ধাতু দ্বারা তৈরি হলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নিঃশেষ হয়ে যেত। দেখা যায়, মানুষের হাতের চামড়া এবং তাতে অংঙ্কিত রেখাসমূহ সারা জীবনেও ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।
এ সকল ব্যাপারে যদি স্বল্প জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পন্ন ব্যক্তিও চিন্তা ভাবনা করে, তাহলে তার মধ্যে এই বিশ্বাস সুদৃঢ়ভাবে ফুটে উঠবে যে, এর অবশ্যই একজন স্রষ্টা, নির্মাতা ও প্রতিষ্ঠাতা আছেন। যার জ্ঞান, প্রজ্ঞা, কুদরত ও শক্তি অসীম। তাঁর সমকক্ষ কোনো কিছুই হতে পারে না। এবং হওয়া সম্ভবও নয়। যেহেতু নয়, সেহেতু আল্লাহপাক কর্তৃক প্রদশিত নিদর্শনাবলি হতে শিক্ষা গ্রহণ করাই ছিল মানুষের অপরিহার্য কর্ম। কিন্তু মানুষ এতটাই নিমকহারাম যে, আল্লাহপাকের নির্দশনাবলির প্রতি হাস্য বিদ্রুপ করতেও তারা কুণ্ঠা বোধ করে না। যেমনটি হযরত মূসা (আ.)-এর বেলায় ঘটেছিল। আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে : অতঃপর সে (হযরত মূসা আ.) যখন তাদের কাছে আমার নির্দশনাবলি উপস্থাপন করল, তখন তারা হাস্য বিদ্রুপ করতে লাগল। (সূরা যুখরুফ : ৪৭)। সুতরাং একথা স্বতঃসিদ্ধ যে, যে বা যারা মহান আল্লাহ পাকের নিদর্শনাবলির প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে না, তাদের জন্য মুক্তি, নিষ্কৃতি ও কামিয়াবীর কোনো পথই অবশিষ্ট থাকবে না।
বিশ্বজুড়ে বেড়েই চলছে মহামারী করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’। ‘ওমিক্রন’ আতঙ্কে বড়দিনের উৎসবেও সপ্তাহজুড়ে বিশ্বের সাড়ে পাঁচ হাজারের বেশি বাণিজ্যিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ফ্রান্সে একদিনে রেকর্ড ১ লাখ ৪ হাজার ৬১১ জনের দেহে করোনা জীবাণু শনাক্ত হয়েছে।
শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আলজাজিরার খবরে বলা হয়, দেশটিতে করোনা সংক্রমণের এ পরিস্থিতি নিয়ে ভাবনায় পড়েছে সরকার। এমন পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আলোচনায় করছেন প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও তার সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, ক্রিসমাস উপলক্ষে শনিবার ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস দরিদ্রদের জন্য ভ্যাকসিন এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি করোনা মহামারি থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করেন।
ফ্রান্সিস তার ভাষণে বলেন, গরিবদের প্রতি মানুষের উদাসীন আচরণ ঈশ্বরকে অসন্তুষ্ট করে। সবাইকে আলোকসজ্জার পেছনে থাকা অন্ধকারের দিকেও মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
গত ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে প্রথম বি.১.১.৫২৯, করোনার নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’ শনাক্তের খবর আসে। নতুন এই ধরনের নমুনা সংগ্রহ করা হয় গত ৯ নভেম্বর। বর্তমানে বিশ্বের দুই শতাধিক দেশে ছড়িয়েছে ‘ওমিক্রন’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনার নতুন ধরনকে উদ্বেগজনক বলছে এবং বার বার বিশ্ববাসীকে সতর্ক করছে।
সেনা শাসনের বিরুদ্ধে আবারও বিক্ষোভ-সহিংসতায় উত্তাল হলো সুদান। শনিবার রাজধানী খার্তুমে নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে দফায়-দফায় সংঘর্ষে আহত হয়েছে অনেকে। টানা ১০ দিন ধরে চলা আন্দোলনে যোগ দিতে এদিন সকাল থেকেই শহরের মূল কেন্দ্রে জড়ো হয় কয়েকশ’ মানুষ। প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসের পথে রওনা দেয় বিক্ষোভকারীদের বিশাল দল। পুলিশ বাধা দিলে শুরু হয় সংঘর্ষ। বিক্ষোভ দমনে টিয়ার গ্যাস ছোড়ে নিরাপত্তা বাহিনী। বন্ধ করে দেয়া হয় ইন্টারনেট সংযোগ। রাজধানীর মোবাইল ফোন সেবাও বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। বড় বড় রাস্তাগুলোয় তৈরি করে রাখা হয় ব্যারিকেড। পাশের শহর ওমডুরম্যানের সাথে খার্তুমের যোগাযোগ বন্ধে সংযোগ সেতুতে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশ। এক সপ্তাহের মধ্যে দুই দফায় বড় ধরনের সংঘর্ষ ছড়ালো সুদানে। গত ২৫ অক্টোবর অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। সূত্র : এএফপি
আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই তালেবানকে সহযোগিতা করার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, লাখ লাখ আফগান নাগরিককে ক্ষুধার হাত থেকে রক্ষা করতে হলে তালেবানকে সহযোগিতা করতে হবে। কারজাই শনিবার মার্কিন নিউজ চ্যানেল সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সমাজের উচিত তালেবান সম্পর্কে খারাপ ধারনা ঝেড়ে ফেলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আফগানিস্তানের জনগণের জন্য সাহায্য পাঠানো। কারজাই বলেন, তালেবান এখন আফগানিস্তানের প্রকৃত শাসনক্ষমতার অধিকারী এবং এ বাস্তবতা মেনে নেয়া উচিত। ২০০১ সালে আফগানিস্তানের তৎকালীন তালেবান সরকারের পতনের পর প্রথম প্রেসিডেন্ট হন হামিদ কারজাই। যে গোষ্ঠীর অতীত সহিংসতায় পরিপূর্ণ তার প্রতি বিশ্ব সমাজ কীভাবে সমর্থন দেবে- এমন প্রশ্নের জবাবে হামিদ কারজাই বলেন, সহিংসতা আমাদের জীবনের একটি দুঃখজনক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে একথাও মনে রাখতে হবে সহিংসতা সকল পক্ষই চালিয়েছে। এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি মূলত আফগানিস্তান দখল করার পর মার্কিন সেনারা যে হাজার হাজার আফগান নাগরিককে হত্যা করেছে সেদিকে ইঙ্গিত করেছেন। গত আগস্ট মাসে তালেবান ২০ বছরের বিরতির পর আবার আফগানিস্তানের ক্ষমতা গ্রহণ করে। ২০০১ সালে ইঙ্গো-মার্কিন হামলার মাধ্যমে যে তালেবান সরকারের পতন হয়েছিল ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট আবার সেই তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে। তবে এখন পর্যন্ত বিশ্বের কোনো দেশ তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। সূত্র : পার্সটুডে
💚 কুয়েত প্রবেশের ৭২ ঘন্টা পর পিপিআর ফলাফল নেগেটিভ আসলেই ইমিউন অ্যাপসটি স্বাভাবিক রঙে ফিরে আসবে।
কুয়েত সিটি, ২৬ ডিসেম্বর: স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের পরিচালক, এম আহমেদ আল-গারিব বলেছেন যে কুয়েতে আগত যাত্রীদের ২৬শে ডিসেম্বর থেকে ১০ দিনের জন্য হোম কোয়ারাইন্টাইনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রীদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে, কোয়ারাইন্টাইনের সময় কমাতে আরেকটি পদ্ধতি করতে পারেন, যাত্রী দেশে প্রবেশের ৭২ ঘন্টা পরে PCR পরীক্ষা করার মাধ্যমে তাদের কোয়ারাইন্টাইনের সময়কাল শেষ করতে পারবেন যদি ফলাফল নেতিবাচক হয়।
কুয়েতে আগমনের ৭২ ঘন্টা আগে কোন পিসিআর পরীক্ষা নেওয়া হবে না। ন্যূনতম ৭২ ঘন্টা হোম কোয়ারাইন্টাইন আবশ্যক এবং তার পরেই PCR পরীক্ষা করা যেতে পারে।
এম. আল-গারিব বলেছেন যে ইমিউন অ্যাপ কুয়েতে আগত যাত্রীদের জন্য বেগুনি রঙ প্রদর্শন করবে যতক্ষণ না আগমনের ৭২ ঘন্টা পরে একটি পিসিআর পরীক্ষা করা না হয়, যাতে ব্যক্তিকে এই ৭২ ঘন্টার মধ্যে বিচ্ছিন্ন থাকতে হয়। শুধুমাত্র ৭২ ঘন্টা পরে যখন PCR পরীক্ষা করা হবে ফলাফল নেতিবাচক হলে এটি তার আসল রঙে ফিরে আসবে।
সমস্ত আগত যাত্রীদের কুয়েতে পৌঁছানোর আগে শ্লোনিক, মোবাইল আইডি অ্যাপস ডাউনলোড করতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমস্ত বন্দরগুলিকে কুয়েত মুসাফির, শ্লোনাক এবং মোবাইল আইডেন্টিটি অ্যাপের সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে যাতে ভ্রমণ থেকে আসা যাত্রীদের জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দৈনিক আল আনবা রিপোর্ট করেছেন।
যারা কুয়েতের বাহিরে টিকা নিয়েছেন তাদের অবশ্যই ইমিনি অ্যাপে তাদের টিকা দেওয়ার সার্টিফিকেট আপলোড করতে হবে। যারা বিদেশে একটি বুস্টার ডোজ পেয়েছেন তারা তাদের তৃতীয় টিকা ডোজ সার্টিফিকেট আপলোড করতে পারেন।
প্রেমিক চুমু দিতে চাচ্ছে না। ৯৯৯-এ কল দিয়ে এমন অভিযোগ জানিয়েছেন এক নারী। আর এমন ‘অযৌক্তিক’ অভিযোগ পেয়ে বিরক্ত হচ্ছে পুলিশ।
এ ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাজ্যের লিংকনশায়ারে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
লিংকনশায়ার পুলিশ জানায়, আপনার বয়ফ্রেন্ড চুমু দিচ্ছে না, সে জন্য আমাদের কল দেওয়া অযৌক্তিক।‘জীবন বা সম্পদের তাৎক্ষণিক ঝুঁকি’ না থাকলে জরুরি নম্বরটি ব্যবহার করা থেকে মানুষজনকে বিরত থাকতে আহ্বান জানিয়েছে লিংকনশায়ারের পুলিশ।
পুলিশের অবিযোগ, অনেকে ট্রেনের সময়সূচি জানতে ৯৯৯-এ কল দেন, কেউবা দাঁতের ডাক্তারের নম্বর চেয়ে ফোন দেন। আবার পানি নেই, এমন অভিযোগ জানিয়েও কল দেন অনেকে। পুলিশ বলছে, বড়দিনের সময় বছরের সবচেয়ে সব্যস্ত সময় পার করেন তারা।
গত বছর করোনাভাইরাসের কারণে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ওই বছরের ২০ ডিসেম্বর থেকে এ বছরের ২ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ২৬৫টি জরুরি কল পেয়েছে পুলিশ।
যখন ‘কেউ বা কিছু তাৎক্ষণিক বিপদে পড়ে বা একটি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, কেবল তখনই ৯৯৯ নম্বরে কল করা উচিত। না হলে ১১১ নম্বরে ফোন দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের একজন মুখপাত্র।
সেবা খাতে কর্মী ঘাটতি পূরণে ইমিগ্রেশন নীতি সাময়িকভাবে শিথিল করছে যুক্তরাজ্য। এর ফলে এই খাতে কাজে আগ্রহী বিদেশিরা আরও সহজে ভিসা পাবেন। সম্প্রতি ব্রিটিশ সরকার এ ঘোষণা দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
জানা গেছে, সামাজিক সেবা কর্মী, সেবা সহযোগী ও গৃহকর্মীরা ১২ মাসের জন্য যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য ও সেবা ভিসার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এই উদ্যোগ কর্মী ঘাটতি পূরণে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।
যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা দপ্তর জানিয়েছে, সাময়িক ব্যবস্থাটি নতুন বছরের শুরু থেকেই কার্যকর হতে পারে।
এর আগে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছিলেন, ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাজ্যের সেবা খাতে কর্মী ভাড়া ও ধরে রাখার ক্ষেত্রে গুরুতর সমস্যা ক্রমেই বাড়ছে।
বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের ঘাটতিতে থাকা পেশার তালিকায় সেবা খাতকে যোগ করা হতে পারে। এই তালিকা অভিবাসী কর্মীদের ভিসা পেতে সাহায্য করে।
বিবিসির রাজনৈতিক সংবাদদাতা হেলেন ক্যাটের মতে, ব্রিটিশ সরকারের এই উদ্যোগ হয়তো সাময়িকভাবে সমস্যার সমাধান হবে, তবে এই সংকটের দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য মন্ত্রীদের ওপর চাপও তৈরি করবে।
যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইউউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে জোটভুক্ত প্রতিবেশী দেশগুলোর সামাজিক সেবাকর্মীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আর কাজের যোগ্য বলে বিবেচিত হচ্ছেন না। এর বদলে তাদের ভিসার জন্য আবেদন করতে হচ্ছে।
চলতি মাসে যুক্তরাজ্যের অভিবাসন উপদেষ্টা কমিটি সুপারিশ করেছে, সেবাকর্মীদের যেন ঘাটতিতে থাকা পেশার তালিকায় যোগ করা হয়।
এই তালিকায় যোগ করতে হলে সেবাকর্মীদের বার্ষিক ২০ হাজার ৪৮০ পাউন্ড বেতন দিতে হবে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ২৩ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। এছাড়া, তখন বিদেশি সেবাকর্মীরা স্বামী/স্ত্রী, সন্তানসহ তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদেরও যুক্তরাজ্যে নিয়ে যেতে পারবেন।
এই ভিসার মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর। তবে এরপর তা আবারও নবায়ন করার সুযোগ থাকবে।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নাগরিক এবং প্রবাসীদের জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের শর্তাবলী নির্ধারণ করেছে।
আজ শনিবার মন্ত্রণালয়ের সুত্রে আল আনবা আরবী দৈনিক জানিয়েছে যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ থামের আল-আলি ট্রাফিক আইনের নির্বাহী প্রবিধানে রেজোলিউশন 1976/81 এর কিছু বিধান সংশোধন করে একটি সিদ্ধান্ত জারি করেছেন।
সংশোধনীতে বলা হয়েছে: ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের জন্য মেয়াদ শেষ হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বা জনস্বার্থে প্রয়োজন অনুসারে সাধারণ ট্রাফিক বিভাগ দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনও সময়ের মধ্যে এটির জন্য প্রস্তুত ফর্মে জমা দিতে হবে ।
উল্লেখ থাকে যে, ট্রাফিক আইনের বিধান লঙ্ঘনের দায়ে নির্ধারিত জরিমানা আদায় করিতে হইবে।
নন-কুয়েতিরা বসবাসের প্রমাণ প্রদান করে এবং নির্ধারিত ফি আদায় করে লাইসেন্সন নবায়ন করিতে পারিবেন ।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৮ হাজার ৫৬ জনে।
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ২৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। দেশে বর্তমানে মোট শনাক্ত রোগী ১৫ লাখ ৮২ হাজার ৯৮৫ জন।
গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ২২৪ জন। এখন পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪৭ হাজার ১৮০ জন।
গত ২৪ ঘন্টায় ১৩ হাজার ৬৯৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। সে হিসেবে শনাক্তের হার ২ দশমিক ১ শতাংশ।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বোচ্চ ২৬৪ জনের মৃত্যু হয়।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় চলতি বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।
চলতি বছরের গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।
এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।
২০২০ সালের এপ্রিলের পর চলতি বছরের ১৯ নভেম্বর প্রথম করোনাভাইরাস মহামারিতে মৃত্যুহীন দিন পার করে বাংলাদেশ।সর্বশেষ দ্বিতীয়বারের মতো ৯ ডিসেম্বর মৃত্যুশূন্য দিন পার করেছে দেশ।