রোববার, ০৭ নভেম্বর ২০২১, ২২ কার্তিক ১৪২৮, ৩০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজ
মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে চাহিদা কম থাকায় তেল উত্তোলন কমিয়ে ছিলো ওপেক। তবে সবকিছু মোটামুটি স্বাভাবিক হলেও এখনো ওপেকের তেল উত্তোলন বৃদ্ধি পায়নি। ফলে আবারও তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।
করোনাকালে যে তেলের দাম মাইনাস ৩৭ ডলারে নেমে এসেছিল, এখন সেই তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮২ ডলার। ধারণা করা যাচ্ছে, ২০২২ সালের মধ্যে তেলের দাম গিয়ে দাঁড়াবে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার কিংবা এর বেশি।
বিশ্বে সবথেকে বেশি তেল আমদানি করে ভারত এবং চীন। করোনা পরবর্তী সময়ে দেশগুলোর শিল্প-কারখানা খুলে দেওয়ায় বেড়েছে তেলের চাহিদা। চাহিদা এবং যোগানের সমন্বয় না হওয়ায় বৃদ্ধি পেয়েছে তেলের দাম।
এদিকে তেলের দাম লাগামহীনভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ওপেকের উপরে খেপেছে যুক্তরাষ্ট্র।
যদিও সউদী আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান সিএনএনকে বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের বিষয়ে আমরা সব পর্যায়ে আলোচনা করেছি। তবে আমরা করি, এ মুহূর্তে ঠিক কাজটিই করছি আমরা।
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বিশ্বের সবখানে। তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাংলাদেশে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে। সূত্র : সিএনএন









