বিদেশ থেকে অনুমতি ছাড়া ৮ টি মোবাইল আনতে পারবেন। নতুন কিংবা পুরাতন, কিংবা আপনার নিজের ব্যবহার করা ৮টির মধ্যে ২টি ফোনের জন্য আপনাকে কোন শুল্ক দিতে হবে না। ৮ টির বেশি ফোন আনলে কাস্টমস তা আটক করবে। আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন।
বাকি ৩-৮টি মোবাইলের জন্য শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে। যা মোবাইলের ক্রয় মুল্যের ৫৯ শতাংশ। যদি আপনি বিমানবন্দরে ঘোষণা না দেন, তখন শুল্ক আদায়ের পাশাপাশি জরিমানাও করা হবে।
বিমানবন্দরে আপনি শুল্ক পরিশোধ করতে পারবেন। শুল্ক পরিশোধ না করলে কাস্টমস মোবাইল আটক করবে। আটক রশিদ (Detention Memo) বুঝে নিবেন। আটককৃত মোবাইল ফোন শুল্ক কর এবং অর্থদণ্ড পরিশোধ সাপেক্ষে ফেরত পেতে পারেন। ডিএম করা মোবাইল ফেরতের জন্য কাস্টম হাউজে বিচার শাখায় আবেদন করতে হয়। বিচার আদেশে উল্লেখিত শুল্ক ও জরিমানা সরকারী কোষাগারে জমা দেওয়ার পর এয়ারপোর্টে গুদাম কর্মকর্তার নিকট প্রয়োজনীয় দলিলাদি দাখিল করলে ডিএম এ উল্লেখিত ব্যক্তির অনুকূল জব্দকৃত মোবাইল ফেরত দেওয়া হয়।
ইয়েমেনের একটি বিমানবন্দরের বাইরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। গতকাল শনিবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী এডেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশমুখের কাছে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
দুবাই, আবুধাবি, সারজা সহ সকল আরব আমিরাত গামী প্রবাসী (ভিজিট,স্টুডেন্ট, ফ্যামিলি ব্যাতিত) এয়ারপোর্টে আসার আগে নিচের ফর্মটি পূরণ করে নিয়ে আসতে হবে। এয়ারপোর্টে ২ নং ইমিগ্রেশন এর গেইট থেকে ফর্মটির সত্যায়িত অংশ গ্রহণ করুন, এরপর আরটি পিসিআর টেস্ট কাউন্টারে স্লিপটি জমা দিয়ে বিনামূল্যে পিসিআর টেস্ট করতে বলা হয়েছে। আপনাদের এয়ারপোর্টের করোনা পরীক্ষার ১৬০০ টাকা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় বহন করবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫৫ হাজার প্রবাসী এ সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
বিয়ের অনুষ্ঠানে গান বাজানোর অপরাধে দুইজনকে গুলি করে হত্যা করেছে তালেবান। শনিবার স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।
নিহত এক ব্যক্তির আত্মীয় জানান, নানগারহার প্রদেশের সরখরুদ এলাকার একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে গান শোনার সময় তালেবান যোদ্ধারা গুলি ছুড়লে ওই দুজন নিহত ও আরও দুজন আহত হন।
ওই ব্যক্তি সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন তরুণ পৃথক একটি কক্ষে গান বাজাচ্ছিলেন। এ সময় তিনজন তালেবান যোদ্ধা এসে তাদের ওপর গুলি ছোড়ে। আহত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও জানিয়েছেন তিনি।
নানগারহার প্রদেশের তালেবানের গর্ভনরের মুখপাত্র কাজী মোহাম্মদ আবেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানাননি। হামলার সঙ্গে জড়িত দুজনকে আইনি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে একটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে।
এ ব্যাপারে তালেবানের প্রধান মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানান, তিনি ওই ঘটনার ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। তবে সংগীতপ্রেমীদের হত্যা করা তালেবানের নীতিবিরুদ্ধ বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ওই ঘটনায় তদন্ত চলছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত নয় যে সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল। ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে কী না তাও জানা যায়নি।
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইসলামী আমিরাতের কাউকে সংগীত বা যেকোনো কিছু থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার অধিকার কারো নেই। শুধু তাদের বোঝানোর চেষ্টা করা যেতে পারে। এটাই প্রধান উপায়।
তিনি আরও বলেন, কেউ যদি নিজে থেকে কাউকে হত্যা করে, এমনকি তারা যদি আমাদের কর্মীও হয়, সেটা অপরাধ। আমরা তাদের আদালতে হাজির করব এবং তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।
তালেবানের প্রথম দফার শাসনামলে আফগানিস্তানে সংগীত নিষিদ্ধ ছিল। তবে চলতি বছরের আগস্টে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পর এ ব্যাপারে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো নির্দেশনা দেয়নি তালেবান। তবে তালেবানের নেতৃস্থানীয়রা এখনো ইসলামী আইনের লঙ্ঘন মনে করে বিনোদনকে খুব একটা ভালো চোখে দেখে না।
ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়েই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায় বাংলাদেশ। তবে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হেরে গিয়ে শুরুতেই হোঁচট খায় টাইগাররা। তারপর বাকি দুই ম্যাচ জিতে অবশ্য সুপার টুয়েলভে উত্তীর্ণ হয়েছে তারা।
কিন্তু সুপার টুয়েলভে এসে খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থায় নেই তারা। নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচের তিনটিতেই হেরে একেবারে খাদের কিনারায় দল। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একদম হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ হেরে গিয়ে ব্যাপক সমালোচিত হচ্ছে গোটা দল। তবে এতকিছুর পরেও সেমিফাইনালে খেলার আশা একদম শেষ হয়ে যায়নি টাইগারদের। অন্তত কাগজে-কলমের হিসাবে এখনো বাংলাদেশের সেমিতে খেলা সম্ভব।
কিন্তু সুপার টুয়েলভে এসে খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থায় নেই তারা। নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচের তিনটিতেই হেরে একেবারে খাদের কিনারায় দল। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একদম হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ হেরে গিয়ে ব্যাপক সমালোচিত হচ্ছে গোটা দল। তবে এতকিছুর পরেও সেমিফাইনালে খেলার আশা একদম শেষ হয়ে যায়নি টাইগারদের। অন্তত কাগজে-কলমের হিসাবে এখনো বাংলাদেশের সেমিতে খেলা সম্ভব।
গ্রুপে দল আছে মোট ছয়টি। যদি যেকোনো একটি দল তাদের খেলা ৫টি ম্যাচেই জিতে যায় তখন বাকি পাঁচ দলের সামনে সুযোগ থাকবে দুইটি করে ম্যাচ জিতে সমান চার পয়েন্ট অর্জন করার। আর তখনই চলে আসবে নেট রানরেটের হিসাব নিকাশ। পাঁচ দলের মধ্যে সবচেয়ে ভালো নেট রানরেটের দলটিই গ্রুপের দ্বিতীয় সেরা দল হিসেবে যাবে সেমিফাইনালে।
শুধুমাত্র এই ঘটনাগুলো ঘটলেই সেমিফাইনালে যেতে পারবে বাংলাদেশ। কোনো একটি ম্যাচের ফলাফলও এদিকসেদিক হয়ে গেলে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে টাইগারদের। কিন্তু যদি সবগুলো ম্যাচের ফলই বাংলাদেশের পক্ষে আসে তখন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সেমিফাইনালে চলে যাবে ইংল্যান্ড। বাকি পাঁচ দলের সবার পয়েন্ট হয়ে যাবে চার। তখন নেট রানরেটে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা দলটিই সঙ্গী হবে ইংলিশদের।
সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে মিয়ানমারে দিন দিন সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মিয়ানমারে সামরিক সরকারের বিরোধীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৮৫ জান্তা সেনা নিহত হয়েছেন। গত তিন দিনে দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সাগাইং অঞ্চলে সরকার বিরোধী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে সরকারি বাহিনীর সদস্যদের প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) ২৫ সেনা সদস্য নিহত হন। শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতী।
প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, গত বুধবার মিয়ানমারের জান্তাবিরোধী বাহিনী কাউলিন পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (কেএলপিডিএফ)-র যোদ্ধাদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৪০ জন সরকারি সেনা নিহত হয়েছিলেন। বুধবার সকালে সাগাইংয়ের কাউলিন শহরের কিউনবিনথা গ্রামের কাছে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জান্তাবিরোধী বাহিনী কেএলপিডিএফ’র সংবাদ প্রকাশ করে থাকে কাউলিন রিভ্যুলিউশন (কেআর)। সংস্থাটি বলছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষ-প্রাণহানির পাশাপাশি ওই এলকায় পৃথক আরেকটি লড়াইয়ে জান্তা সরকারের আরও ২০ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন।
কেআর’র বরাত দিয়ে ইরাবতী বলছে, সর্বশেষ বৃহস্পতিবার কাউলিন শহরের পূর্বাঞ্চলে সরকারি বাহিনী এবং প্রতিরোধ বাহিনী কেএলপিডিএফ’র যোদ্ধাদের মধ্যে গোলাগুলিতে ২৫ জন জান্তা সেনা নিহত হয়। একইসঙ্গে ওই সংঘর্ষে তিন জন প্রতিরোধ যোদ্ধাও নিহত হন।
এছাড়া বৃহস্পতিবার কেআর’র প্রকাশিত একটি ছবিতে স্থানীয় গ্রামবাসীদেরকে সঙ্গে নিয়ে সংঘর্ষে নিহত কয়েকজন সরকারি সেনার মৃতদেহ পোড়াতে দেখা যায় কেএলপিডিএফ’র যোদ্ধাদের।
গ্রুপটি জানিয়েছে, সংঘর্ষের পর ইয়ে হতুত ও নামে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এক মেজরের আংশিক পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সরকারি সেনা সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আংশিক পুতে রাখা অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। এছাড়া সংঘর্ষের আগে বৃহস্পতিবার সকালে ছয়টি গাড়িতে করে জান্তা সেনারা কাউলিনে প্রবেশ করে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে মিয়ানমারের সামরিক সরকারবিরোধী ছায়া সরকার বলে পরিচিত ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি)-র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ইয়ে-ইউ ও বুদালিন শহরে বিরোধী বাহিনীর হামলায় ১৪ জনের মতো সরকারি সেনা নিহত হয়েছেন।
এনইউজি’র প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অক্টোবরের ১৯ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে ১২৭টি ঘটনায় জান্তা সরকারের প্রায় ২০০ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। আর আহত সেনাদের সংখ্যা ৪৪ জন।
চলতি বছরের ১ ফেব্রয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সুচির নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। রক্তপাতহীন এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হ্লেইং। অং সান সুচি ও তার দল এনএলডির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা বর্তমানে গৃহবন্দি বা কারাবন্দি অবস্থায় আছেন।
পর্যবেক্ষক সংস্থা অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি)-র সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকে জান্তা সরকারের হাতে দেশটিতে প্রায় ১২০০ জন নিহত হয়েছেন এবং ৭ হাজারের বেশি মানুষকে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে।
গুরগাঁওয়ের মসজিদে নামাজ পড়ার সময় তাতে বাধা দিতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা। এ সময় তারা ‘বন্ধ করো, বন্ধ করো’ বলে স্লোগান দেয়। এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৩০ জন কট্টরপন্থীকে আটক করা হয়েছে।
গত সপ্তাহেও নামাজ চলাকালীন একদল কট্টরপন্থী হিন্দুকে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে দেখা গিয়েছিল। চলতি সপ্তাহে ফের নামাজে বিঘ্ন ঘটানোর ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ইতিমধ্যেই সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুলিশ। আপাতত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ রয়েছে বলেই জানিয়েছেন গুরগাঁওয়ের পুলিশ কর্মকর্তা।
জানা গিয়েছে, গুরগাঁওয়ের সেক্টর ৪৭ এলাকায় এক মসজিদে নামাজ চলাকালীন সেখানে হাজির হয় কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা। তাদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ছিল ‘গুরগাঁও প্রশাসন ঘুম থেকে জেগে ওঠো।’ পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে গুরগাঁওয়ের এসডিএম অনীতা চৌধুরী এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এখন এই এলাকা শান্তিপূর্ণই রয়েছে। যারা নামাজে বাধা সৃষ্টি করছিল তাদের আটক করা হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তাদের সম্পর্কে খবর আসছিল। অবশেষে আজ পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হল।’
ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভের ভিডিও ফুটেজ। সেখানে দেখা গিয়েছে তাদের ‘বন্ধ করো, বন্ধ করো’ স্লোগান দিতে। তাদের হাতে ছিল নানা রকম পোস্টার ও প্ল্যাকার্ড। অধিকাংশেরই মুখে মাস্ক পরা ছিল না। আরেকটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে হাজির হয়েছেন পুলিশকর্মীরা। কট্টরপন্থীদের ঠেকাতে পুলিশ ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে।
এই নিয়ে টানা তিন সপ্তাহ ওই এলাকায় নামাজ পড়ার সময় এই ধরনের ঘটনা ঘটল। গত সপ্তাহে সেক্টর ১২-এ অঞ্চলে কট্টরপন্থীদের ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে দেখা গিয়েছে। গত তিন বছর ধরে নামাজ পড়তে আসা এক ব্যক্তির দাবি, কয়েক সপ্তাহ ধরেই এমন হচ্ছে। আসলে এখানে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে কিছু মানুষ। সূত্র: ডন।
করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৮৬২ জনে। একই সময়ে আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৬৬ জন। যা গত দেড় বছরে সর্বনিম্ন। এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৬৯ হাজার ৩২৮ জনে। এর আগের দিন (২৯ অক্টোবর) করোনায় সাতজনের মৃত্যু হয় ও সংক্রমিত হন ৩০৫ জন। এর আগে ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল ১৩৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। দেশে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পর থেকে রোগী শনাক্তের মোট হার ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।
আজ শনিবার (৩০ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি-বেসরকারি ৮৩৩টি ল্যাবরেটরিতে ১৩ হাজার ১০৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ১৩ হাজার ২৪০ জনের নমুনা। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ।
সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ১৮১ জন। এ নিয়ে মহামারি শুরুর পর করোনা থেকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ১৪৭ জনে। সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়। যা ছিল দেশে এ ভাইরাসে প্রথম মৃত্যু।
আরব আমিরাত থেকে : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে অনুষ্ঠিত প্রথম দু’ ম্যাচে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড মধ্যকার খেলায় বাংলাদেশ পরাজিত হলেও বাংলাদেশের আরো তিনটি খেলা থাকায় হতাশ হননি আমিরাত প্রবাসী বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তরা। তাই গত শুক্রবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলা দেখার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। কারণ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে হলে বাকী তিনটি খেলায়ই জিততে হবে বাংলাদেশকে। আর তা নির্ধারণ হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ মধ্যকার খেলায় জিতার মধ্য দিয়েই। ফলে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ মধ্যকার ক্রিকেট খেলাটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আকর্ষণীয় ও দেশের সম্মান বয়ে আনার লড়াই। তাই আনন্দ, আত্মবিশ্বাস আর প্রত্যাশায় প্রিয় দলের গর্বিত প্রিয় ক্রিকেট তারকাদের খেলা উপভোগ ও উৎসাহ প্রদানে স্টেডিয়ামে যাওয়ার সুযোগটি হাতছাড়া করতে চাননি ক্রিকেটপ্রেমিরা। শুক্রবার ছুটির দিন অপরদিকে শত কর্মব্যস্ততা থাকলেও তা ঊপেক্ষা করে দেশটির বিভিন্ন প্রদেশের দূর-দুরান্ত থেকে খেলা দেখতে আসেন হাজার হাজার ক্রিকেট ভক্ত। খেলার শুরু থেকেই দর্শকরা করতালি দিয়ে ‘টাইগার টাইগার’ ’বাংলাদেশ বাংলাদেশ’ সেøাগানের মাধ্যমে অভিনন্দন জানিয়ে আবার কখনো ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে উজ্জীবিত ও মুখরিত করে তোলেন তারা। স্টেডিয়ামে যেন পরিণত হয় লাল সবুজের অপরূপ ছোট্ট এক খন্ড বাংলাদেশে। এ দৃশ্য অবাক করে দেয় মাঠে আসা আমিরাতসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরকেও। কিন্তু দুর্ভাগ্য খেলায় বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৩ রানে হেরে যাওয়ায় বাংলাদেশের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন মøান হয়ে যায়। এ পরাজয় কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না প্রবাসী ক্রিকেট ভক্তরা। তবে ছন্দহীন দল আর সমন্বয় ছাড়া খেলাকে এই পরিণতি বলে উল্লেখ করেন তারা। তাই দুঃখ-কষ্ট, ক্ষোভ আর হতাশা নিয়ে মাঠ থেকে ফিরতে হলো প্রবাসী বাংলাদেশি ক্রিকেটপ্রেমীদের।
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পঞ্চম শ্রেনির এক স্কুল ছাত্রীকে কু- প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গুরুদাশ মিস্ত্রী (৫৪) কে গণধোলাই দিয়েছে স্হানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা।
ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার ঔই ছাত্রীর মা জানায় গত বৃহস্পতিবার আমার মেয়ে স্কুলে গেলে ২২ নং শৌলদহ মুশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গুরুদাশ মিস্ত্রী তাকে ঝালমুড়ি খাওয়ার জন্য টাকা দিতে চেয়ে কু- প্রস্তাব দিয়ে হাত ধরে জোর করে ছাদে নিয়ে যাওয়ার চেস্টা করে। পরে মেয়ে স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে বিষয়টি আমাদেরকে জানালে আজ শনিবার সকালে আমরা বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে বিক্ষুব্ধ জনতা এসে প্রধান শিক্ষককে রুমের মধ্যে অবরুদ্ধ করে গণধোলাই দেয় এবং তার শাস্তির দাবিতে ভিক্ষোব সমাবেশ করে।খবর পেয়ে কোটালীপাড়া থানার ওসি তদন্ত মোঃ জাকারিয়া ও ভাঙ্গারহাট নৌতদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শামিনুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্হিতি শান্ত করেন।এসময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অরুন কুমার ঢালী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির ব্যবস্হা গ্রহন করার আশ্বাস প্রদান করে প্রধান শিক্ষক গুরুদাশ মিস্ত্রীকে মুক্ত করে নিয়ে আসেন। এব্যপারে ২২ নং শৌলদহ মুশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গুরুদাশ মিস্ত্রী বলেন বিষয়টি সম্পুর্ন সাজানো একটি পক্ষ শুধু আমার মান সম্মান খুন্ন করার চেস্টা করছে। গুরুদাশ মিস্ত্রী মুশুরিয়া গ্রামের ভদ্রকান্ত মিস্ত্রীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধীক মেয়েকে উত্যাক্ত করার অভিযোগ করেন অভিভাবকরা। এর আগে তার কর্মস্হল কাফুলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক প্রতিবন্ধী কিশোরিকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।
কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্হলে পৌছে পরিস্হিতি শান্ত করে পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অরুন কুমার ঢালী গিয়ে তার দায়ীত্বে প্রধান শিক্ষককে নিয়ে আসেন। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত ঔই স্কুল ছাত্রীর পক্ষ থেকে কেউ অভিযোগ করেনি,অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্তা গ্রহন করা হবে।
এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কি ব্যাবস্হা গ্রহন করা হবে জানার জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অরুন কুমার ঢালীর মুঠোফোনে বার বার কল করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেনি।