যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রবাসী নিহত হয়েছেন। ব্রুকলিনের সাইপ্রেস হিলস সেকশনে নিজ বাড়ির বাইরে গুলিতে মোদাসসার খন্দকার (৩৬) নামে ওই ব্যক্তি প্রাণ হারান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার রাত (৯ ফেব্রুয়ারি) পৌনে ১২টার দিকে সাইপ্রেস হিলস এলাকা থেকে একজন গুলির শব্দ শুনে পুলিশে ফোন দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ফুটপাতে পড়ে থাকতে দেখে। পরে জ্যামাইকা হাসপাতালে নেওয়ার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ইংল্যান্ডে অবশিষ্ট সব কোভিড বিধিনিষেধ শেষ করার পরিকল্পনা করছেন বরিস জনসন – যার মধ্যে সেলফ-আইসোলেট করার আইনি নিয়মও রয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কেউ যদি কোভিড টেস্টে পজিটিভ হয় তাহলে তাকে কমপক্ষে পাঁচ দিনের জন্য সেলফ-আইসোলেট থাকতে হবে।বর্তমান বিধিনিষেধের মেয়াদ ২৪ মার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে জনসন এমপিদের বলেন, তিনি আশা করছেন যে শেষ অভ্যন্তরীণ নিয়মগুলি শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে “যদি ডেটার বর্তমান ফলাফলে উত্সাহজনক প্রবণতা অব্যাহত থাকে”।
করোনার টিকা বিক্রি করে গত বছর দ্বিগুণ মুনাফা করেছে মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল জায়ান্ট ফাইজার। জার্মানির জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেকের সঙ্গে যৌথভাবে করোনার টিকা উদ্ভাবন করেছে ফাইজার। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রথম অনুমোদন পাওয়া টিকা ছিল এটি। কোম্পানিটি গতকাল মঙ্গলবার ২০২২ সালে তাদের বিক্রির পূর্বাভাসে বলেছে, এ বছর পাঁচ হাজার কোটি ডলারের টিকা ও ওষুধ বিক্রির আশা করছে তারা। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে। প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বোরলা ২০২১ সালকে ফাইজারের ‘যুগান্তকারী বছর’ অভিহিত করে বলেন, ‘মহামারি আমাদের কোম্পানিকে চিরতরে বদলে দিয়েছে।’
এছাড়া ফেডারেশন অফ ট্যুরিজম অ্যান্ড ট্রাভেল অফিসের প্রধান মুহাম্মাদ আল-মুতাইরি ঘোষণা করেছেন যে বিমান পরিবহন খাতে কমপক্ষে আরো ৫০ টিরও বেশি অতিরিক্ত ফ্লাইট প্রয়োজন। যা কুয়েত বিমানবন্দরের মূল ফ্লাইটের সময়সূচীতে যোগ করা হবে এবং দাম সবার জন্য সাশ্রয়ী হবে।
ছুটির সময়ে কুয়েত থেকে সফরে যাওয়া আসার ব্যপক চাহিদা রয়েছে তাই ছুটির সময় টিকেটের মূল্য অধিক হারে বৃদ্ধি হবে। তাই টিকেট মূল্য কমিয়ে আনতে সিভিল এভিয়েশনকে অতিরিক্ত ফ্লাইট বৃদ্ধির দাবিতে এয়ারলাইনস গুলোকে আহ্বান জানিয়েছে।
তুর্কি রাষ্ট্রদূত সিহাদ এরগিনে ও আফগান সরকারের কর্মকর্তারা একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ মানবিক সাহায্য বহনকারী ট্রেনটিকে গ্রহণ করেন – ছবি : সংগৃহীত ৭৫০ টন জরুরি মানবিক সাহায্য নিয়ে আফগানিস্তানে পৌঁছেছে তুরস্কের একটি বিশেষ ট্রেন। সোমবার তুরস্কের এ ট্রেনটি আফগানিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেরাত প্রদেশে পৌঁছে।
ত্রাণ ও মানবিক সাহায্যের বিষয়ে দায়িত্ব পালন করা তুরস্কের সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘টিআইকেএ’ (তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা) জানিয়েছে, সোমবার আফগানিস্তানে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত সিহাদ এরগিনে ও আফগান সরকারের কর্মকর্তারা একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ মানবিক সাহায্য বহনকারী ট্রেনটিকে গ্রহণ করেন।
তুরস্কের ওই সরকারি সংস্থা থেকে আরো বলা হয়েছে, তুরস্কের দেয়া এ মানবিক সাহায্য আফগানিস্তানের সকল প্রদেশে (মোট ৩৪ প্রদেশে) বণ্টন করে দেয়া হবে।
গত মাসে তুরস্কের রাজধানী আঙ্করা থেকে এ ট্রেনটি ছাড়ে। এ ট্রেনটি ইরান ও তুর্কমেনিস্তানের মধ্য দিয়ে ৪ হাজার ১৬৪ কি.মি. (৩ হাজার ৫৯০ মাইল) ভ্রমণ করে আফগানিস্তানে পৌঁছে। তুরস্কের এ ট্রেনটি আফগানিস্তানে পৌঁছতে ১২ দিন সময় নিয়েছে।
তুরস্কের ১১টি মানবিক সংগঠন দেশটির সরকার পরিচালিত দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এএফএডি) আওতায় এ মানবিক সাহায্য পাঠিয়েছে।
কুয়েত সিটি: স্থানীয় ব্যাঙ্কগুলি সম্প্রতি মানি এক্সচেঞ্জ কোম্পানিগুলির কাছ থেকে নগদ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে, তাদের জমাকৃত নগদ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে, আল-রাই দৈনিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে আরব টাইমস প্রতিবেদন করেছে।
সূত্রগুলি প্রকাশ করেছে যে, স্থানীয় ব্যাঙ্কগুলি এই সংস্থাগুলির নগদ লেনদেন প্রক্রিয়াকরণে কঠোর ছিল, এই বিষয়ে তদারকি কর্তৃপক্ষের কাছে একটি বিরোধ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, মানি এক্সচেঞ্জ কোম্পানিগুলো যখন সনাতন পদ্ধতি ব্যবহার করে তাদের অ্যাকাউন্টে নগদ জমা দিতে পারছে না, তখন বিস্মিত হয়।
এই সংস্থাগুলি ব্যাংকগুলিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা করলে, তাদের জানানো হয় যে মানি লন্ডারিং এবং সন্ত্রাসে অর্থায়ন বিরোধী বিধিমালার অংশ হিসাবে এক্সচেঞ্জ কোম্পানিগুলি থেকে নগদ গ্রহণ করা নিষিদ্ধ রয়েছে।
অন্যদিকে মানি এক্সচেন্জে কোম্পানি গুলো আশা করছে সমস্যা সমাধানের।
গতকাল বাংলাদেশ থেকে সিংগাপুর আসার সময় কি পরিমাণ হয়রানির শিকার হইছি যা বলে প্রকাশ করা যাবে না। এমন হাজার অভিযোগ যুগ যুগ ধরে প্রবাসীদের মুখ থেকে শুনে আসছি, আজ আমি নিজেই ভুক্তভোগীদের একজন ছিলাম । আমাদের এয়ারপোর্টে কি পরিমাণ অযোগ্যদের দায়িত্বে বসানো হয়েছে তা গতকাল বুঝলাম। প্রথমে বোডিং পাস করতে গেলাম সেখানে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মকর্তা আমাকে জিজ্ঞাসা করল আপনার (এন্টি এপ্রোভাল) মানে সিংগাপুরে প্রবেশ এর জন্য অনুমতি। কি সিংগাপুর থেকে দিছে? আমি ভদ্রতার সাথে উওর দিলাম স্যার এন্টি এপ্রোভাল তো সিংগাপুর থেকে দেয়। সে বলল এটা ফেক এন্টি এপ্রোভাল। আমি বললাম স্যার আমার এন্টি এপ্রোভাল টা সিংগাপুর সেফ ট্রাভল থেকে দিছে কারন আমি সার্ভিস সেক্রেটরে এসপাসে জব করি। তাই আমার এন্টি এপ্রোভাল টা অন্যরকম আর আমি ছুটিতে আসছি একমাসের জন্য। আমি তাকে মোবাইল বের করে অনলাইনে আমার এন্টি এপ্রোভাল টা চেক করে দেখাইলাম। সে কিছুই বিশ্বাস করল না সে আমাকে বলল আপনি এটা দিয়ে যেতে পারবেন না বাসায় চলে যান। কি আর করা সিংগাপুরে আমাদের অফিসের মেডাম কে কল দিলাম সে বলল আমি অফিসে যাচ্ছি পরে আমি এমওএম কল দিতাছি। তারপর আরেক সমস্যা আমার বাংলাদেশের কভিড টেস্টের রেজাল্ট এর তারিখ এর সাথে সময় লিখা নাই কেন? আমি বললাম স্যার এটা আমি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করছি টাইম না আসলে আমি কি করব। বলল সাস্থ্য বিভাগ থেকে ঠিক করে আনতে। হাতে আমার সময় আছে এক ঘন্টা। সাস্থ্য বিভাগ আরেক যায়গায় যেতে বলল সেখানে একশত টাকার বিনিময়ে ঠিক করে দিল। পরে আসলাম বোডিং পাস করতে এসে দেখি বোডিং পাস বন্ধ করে ফেলছে। একজন বলতাছে আপনি জানেন না ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট এর কত ঘন্টা আগে এয়ারপোর্ট থাকতে হয়? আমি বললাম আমি তো ফ্লাইট এর 2.5 ঘন্টা আগে আসছি। সে আমাকে বলল এখন তো মাত্র 30 মিনিট সময় আছে দেখি হেড স্যার এর সাথে কথা বলে দেখি। এর মধ্যে অফিসের ম্যাডাম আমাকে কল দিয়ে বলল তর এন্টি এপ্রোভাল ঠিক আছে আমি মাত্র এমওএম এর সাথে কথা বলছি। বাংলাদেশের এয়ারলাইনসের বড় স্যার এসে বলল তুমি নিজের রিস্কে যেতে পারো যদি তোমাকে সিংগাপুর থেকে ফিরিয়ে দেয় সব খরচ তুমি বহন করবা জরিমানাসহ। আমি সাথে সাথে রাজি হইলাম বললাম স্যার আমার কাছে মাস্টার কার্ড আছে। তারপর আমাকে একজন সাথে নিয়ে বিমানে উঠায় দিয়ে আসল। গিয়ে দেখি শুধু বিমান আমার জন্য ওয়েট করতাছে। পরে আলহামদুলিল্লাহ্ সিংগাপুর আসলাম আর সিংগাপুর immigration আমাকে একাবারের জন্যও জিজ্ঞাসা করে নাই এন্টি এপ্রোভাল এর বেপারে। কারণ এই দেশের সব কিছুই অনলাইনের অন্তর্ভুক্ত কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন নেই। এখন বুঝতে পারছি বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা কেন লোকসান হয়। এখন মনে চায় বাংলাদেশর এয়ারলাইন্সের বোডিং পাস কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা করতে আমার এন্টি এপ্রোভাল টা আদৌ কি ফেক ছিল? বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ এয়ারপোর্টে প্রবাসীদের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড গুলো বন্ধের ব্যবস্থা করুন।
গতকাল বাংলাদেশ থেকে সিংগাপুর আসার সময় কি পরিমাণ হয়রানির শিকার হইছি যা বলে প্রকাশ করা যাবে না। এমন হাজার অভিযোগ যুগ যুগ ধরে প্রবাসীদের মুখ থেকে শুনে আসছি, আজ আমি নিজেই ভুক্তভোগীদের একজন ছিলাম । আমাদের এয়ারপোর্টে কি পরিমাণ অযোগ্যদের দায়িত্বে বসানো হয়েছে তা গতকাল বুঝলাম। প্রথমে বোডিং পাস করতে গেলাম সেখানে বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক কর্মকর্তা আমাকে জিজ্ঞাসা করল আপনার (এন্টি এপ্রোভাল) মানে সিংগাপুরে প্রবেশ এর জন্য অনুমতি। কি সিংগাপুর থেকে দিছে? আমি ভদ্রতার সাথে উওর দিলাম স্যার এন্টি এপ্রোভাল তো সিংগাপুর থেকে দেয়। সে বলল এটা ফেক এন্টি এপ্রোভাল। আমি বললাম স্যার আমার এন্টি এপ্রোভাল টা সিংগাপুর সেফ ট্রাভল থেকে দিছে কারন আমি সার্ভিস সেক্রেটরে এসপাসে জব করি। তাই আমার এন্টি এপ্রোভাল টা অন্যরকম আর আমি ছুটিতে আসছি একমাসের জন্য। আমি তাকে মোবাইল বের করে অনলাইনে আমার এন্টি এপ্রোভাল টা চেক করে দেখাইলাম। সে কিছুই বিশ্বাস করল না সে আমাকে বলল আপনি এটা দিয়ে যেতে পারবেন না বাসায় চলে যান। কি আর করা সিংগাপুরে আমাদের অফিসের মেডাম কে কল দিলাম সে বলল আমি অফিসে যাচ্ছি পরে আমি এমওএম কল দিতাছি। তারপর আরেক সমস্যা আমার বাংলাদেশের কভিড টেস্টের রেজাল্ট এর তারিখ এর সাথে সময় লিখা নাই কেন? আমি বললাম স্যার এটা আমি অনলাইন থেকে ডাউনলোড করছি টাইম না আসলে আমি কি করব। বলল সাস্থ্য বিভাগ থেকে ঠিক করে আনতে। হাতে আমার সময় আছে এক ঘন্টা। সাস্থ্য বিভাগ আরেক যায়গায় যেতে বলল সেখানে একশত টাকার বিনিময়ে ঠিক করে দিল। পরে আসলাম বোডিং পাস করতে এসে দেখি বোডিং পাস বন্ধ করে ফেলছে। একজন বলতাছে আপনি জানেন না ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট এর কত ঘন্টা আগে এয়ারপোর্ট থাকতে হয়? আমি বললাম আমি তো ফ্লাইট এর 2.5 ঘন্টা আগে আসছি। সে আমাকে বলল এখন তো মাত্র 30 মিনিট সময় আছে দেখি হেড স্যার এর সাথে কথা বলে দেখি। এর মধ্যে অফিসের ম্যাডাম আমাকে কল দিয়ে বলল তর এন্টি এপ্রোভাল ঠিক আছে আমি মাত্র এমওএম এর সাথে কথা বলছি। বাংলাদেশের এয়ারলাইনসের বড় স্যার এসে বলল তুমি নিজের রিস্কে যেতে পারো যদি তোমাকে সিংগাপুর থেকে ফিরিয়ে দেয় সব খরচ তুমি বহন করবা জরিমানাসহ। আমি সাথে সাথে রাজি হইলাম বললাম স্যার আমার কাছে মাস্টার কার্ড আছে। তারপর আমাকে একজন সাথে নিয়ে বিমানে উঠায় দিয়ে আসল। গিয়ে দেখি শুধু বিমান আমার জন্য ওয়েট করতাছে। পরে আলহামদুলিল্লাহ্ সিংগাপুর আসলাম আর সিংগাপুর immigration আমাকে একাবারের জন্যও জিজ্ঞাসা করে নাই এন্টি এপ্রোভাল এর বেপারে। কারণ এই দেশের সব কিছুই অনলাইনের অন্তর্ভুক্ত কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন নেই। এখন বুঝতে পারছি বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা কেন লোকসান হয়। এখন মনে চায় বাংলাদেশর এয়ারলাইন্সের বোডিং পাস কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসা করতে আমার এন্টি এপ্রোভাল টা আদৌ কি ফেক ছিল? বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ এয়ারপোর্টে প্রবাসীদের হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ড গুলো বন্ধের ব্যবস্থা করুন।